নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঔষধ প্রশাসন এর top to bottom সবাই দুর্নীতি বাজ
গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধে জটিলতায় কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন প্রনয়নে বিলম্বিত করে। আমি প্রত্যাখান করায় দীর্ঘ ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে। উল্লেখ্য আমার গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধের জন্য কর্তৃপক্ষ অফিস আদেশ জারী করে। তারপরও কর্তৃপক্ষের আভ্যন্তরীন নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ সম্পুর্ন অযৌক্তিক আপওি অর্থাৎ বিভাগীয় বদলী সংক্রান্ত বিষয়ে আপওি দেয় এবং ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে মর্মে কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে এবং কোন সুস্পষ্ট সুপারিশ করে নাই। দীর্ঘ ২ বছর ৫ মাসের অধিক সময় আমি পাওনা পাইনি। প্রাপ্ত তথ্যের ভিওিতে আমি সকল দাপ্তরিক প্রমানক সহ কর্তৃপক্ষের নিকট এপর্যন্ত ৮টি আবেদন করেছি(সর্বশেষ ২৪.৮.২৬) ministry তেও জানিয়েছি। কমিটির আহবায়ক ইতোমধ্যে বদলী হয়েছেন।
আমি এক জন রুগি কে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে যাই ডাক্তার দেখানোর পরে রোগীকে ভর্তি করে দেয় এখন কোন সিট পাইনি বলে কেবিন খালি আছে কেবিন নিতে হবে কিন্তু কেবিনে ভাড়া অনেক তারা অনেক গরিব মানুষ ছিল অনেক চেষ্টার পরে একটি বেড ম্যানেজ করে দিবে বলছেন কিন্তু টাকা দিতে হবে।
খুলনা মেডিকেলের ওয়ার্ড বয় সিস্টার আর ডাক্তার এদের ব্যবহার খুবই খারাপ
খাজনা পরিষদ করার জন্য গিয়েছিলাম আমার খতিয়ানে যে পরিমাণ জায়গা আছে ওই পরিমাণ কাজ না আসে এক ১হাজার টাকা আমার থেকে ৪ হাজার টাকা দাবি করে না হলে এক সপ্তাহ পরে আসেন এমন করে ঘুরাতে থাকে
আমার ফ্যাক্টরির জন্য অবস্থানগত সার্টিফিকেট না নিয়ে পরিবেশগত সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছিলাম। আমাকে যতনগত সার্টিফিকেট এ বিষয়ে আমার কোন ধারণা ছিল না। আমি ফ্যাক্টরি নির্মাণ অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন করি, তারা আমাকে এই ভুলটা উল্লেখ করে ও শৃঙ্খলা হবে এই হুমকি দিয়ে অবস্থানগত সার্টিফিকেটের জন্য ৫০হাজার টাকা দাবি করে তারপর পরিবেশ গত সার্টিফিকেট জন্য আবেদন করতে বলে এবং সেটার সরকারি খরচ ২৫ হাজার টাকা। এবং তার জন্য তার আরো ২৫ হাজার টাকা দাবি করে যেন আমি পরিবেশগত সার্টিফিকেট দ্রুত পাই। সর্বমোট তার ২৫ হাজার এর ৭৫ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখে। অর্থাৎ আমার এক লাখ টাকা তার খরচ হবে। যেখানে আমার সরকারি খরচ এ সর্ব ২৫ হাজার টাকা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।
আমার গাড়ির সব পেপারস কম্পলিট ছিল, শুধু নাম্বার প্লেট টা হাতে পাইনি,, নতুন গারি, নাম্বার প্লেটের পরিবর্তে পেপার ছিল,, এটা নিয়ে অনেক ঝগড়াঝাঁটি,, আমার কাছ থেকে ১৫ ০০টাকা জরিমানা নেয়,আমি অনেক রিকুয়েস্ট করে বলেছি আমার একজন রোগী অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি আছে, কিন্তু উনি কোনভাবেই আমাকে ছেড়ে দেয় নাই,আমার কাছে শেষ সম্বল পনেরশো টাকাই ছিল, পুরো টাকাটাই ওনাকে দিয়ে দিতে হয়েছিল
অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন করার পরে জমা করতে গেলাম। রিনিউ ছিল। কোন চাকরি বা ব্যবসাতে না থাকায় 'পেশার' ঘরে 'other' select করে দিয়েছিলাম। জমাকারী এটা দেখে সাথে সাথে পেপার আমাকে দিয়ে বললেন এখানে other দেওয়া কেন। অথচ সিস্টেমে ছিল বলেই তো দেওয়া হইছে। এরপরে information desk এ যোগাযোগ করতে বলল। সেখানে গেলে বলল application cancel করতে। কিন্তু বিপত্তি বাধে আমি অনলাইনে ফি পরিশোধ করেছিলাম। এখন যদি cancel করি তাহলে টাকা পুরোটাই মাইর যাবে। তখন এক আনসার বলল ১৫০০ টাকা দেন করে দিচ্ছি। আমি পরে সেটা ১৩০০ তে রাজি করেছিলাম একেবারেই না পেরে, নাহলে ৫৭৫০ টাকা হারাতাম। সুন্দর একটু পরে ফরমে সাইন সহ নিয়ে আসলেন। পাসপোর্ট যথাসময়েই পেয়ে গেলাম। বাড্ডা পাসপোর্ট অফিস।
আমার বাবার নামে আর এস রেকর্ডকৃত জমি নামজারি আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব করা হয় কিন্তু এসিলেন্ট সাহেব তার সহকারীর মাধ্যমে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ যাবে দাবি করে। আমি উক্ত টাকা না দিলে আমার বাবার নামের নাম জারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেই।
কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার একটি ইউনিয়নের ভুমি সহকারী কর্মকর্তার সাথে ঘটনা। আমি একটা বি আর এস রেকর্ড সংশোধন করতে আবেদন করি উপজেলা ভুমি অফিসে।এই আবেদন ইউনিয়ন ভুমি অফিসে আসে।সে রিপোর্ট দিতে চায় না,৭মাস হয়ে গেছে।আবেদনে যা ছিল"আমার একটা জমি সি এস রেকর্ড এ ৩২ শতাংশ এস এ রেকর্ড এ ৩২ শতক কিন্তু বি আর এস রেকর্ড এ ১৬ শতাংশ লিখা।বি আর এস রেকর্ড এর পর আমি ৩য় ক্রেতা।নক্সাতেও আছে ৩২ শতাংশ। এখন আমি ৩২ শতাংশ খারিজ করতে গেলে ১৬ শতাংশের খারিজ দিতে চায়।তাই রেকর্ড সংশোধন এর জন্য ৩২ শতাংশের আবেদন করি।আমি সি এস, এস এ,বি আর এস রেকর্ড জমা দেই।সাথে আমার দলিল, আগের দুইটা ভায়া দলিল এবং কলমি নক্সা জমা দেই।কিন্তু কিছুতেই নায়েব রিপোর্ট দেয় না।শেষে অফিস সহায়ক কে দিয়ে দেড় লাখ টাকা চায়।নাহলে রিপোর্ট দিবে না বলেছে।
মোটরসাইকেল লাইসেন্স করার জন্য সরকারি খরচ ৫৫০০-৫৬০০। কিন্তু দালাল ছাড়া এটি সম্ভবই না। প্রথমবার দালাল ছাড়া করতে গিয়ে পরীক্ষায় ফেল করায় দেওয়া হয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৪০০০ টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়। দালালের সাথে সেখানকার বড় অফিসারদের ঘনিষ্ঠ তা আছে যাদের মাধ্যমে তারা ঘুষ গ্রহন করে কাজ করে।
আমি আমার বাবা-মায়ের জন্ম নিবেদন সংশোধন করতে গিয়েছি। প্রতিটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য সরকারি ফি ১০০ টাকা কিন্তু সে প্রতিটি জন্ম নিবেদন সংশোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা রেখেছে। তাহলে দুটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আমাকে ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে যার মধ্যে ২০০ টাকা হলো সরকারি ফি আর ২০০ টাকা হল বাড়তি আদায়কৃত টাকা। আমার খুব ইমার্জেন্সি ছিল তাই আমাকে ৪০০ টাকা দিয়ে সেটি করিয়ে নিতে হয়েছে।
I live abroad in the UK. I went to BANGLADESH to pay my Khazna. They advise me that I have to pay online which I didn’t know how they said they can organise everything for me but I had to pay them 98,000 taka but when they gave me the receipts for Kazna each receipt showed only few hundred taka when I questioned the receipt they said all your khazna is paid and clear you do not have to worry about anything. The remaining money will go to the officers who facilitated in paying my khazna online. The address of the office which took my payment is in Hheramishi Khazna Office 📃 Sheramishi Tana: Jogonnathpur District: Sunamgonj Bangladesh
উনারা এমন ভাবে সাজায় ঘুষ ছাড়া পাস করা সম্ভব না।
প্রাথমিক শিক্ষক বদলি এক বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি হওয়ার জন্য গিয়েছিলাম সেখানে ৫০০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল আমি ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাগজপত্র জমা দিয়ে আসছি এ হচ্ছে প্রাথমিক সেক্টর এর অবস্থা।
asole eta amar sathe hoi ni but oneke th dia ssc er mark change korse.j chele every exam e fail kore o tk dia golden a+ peyese jate 100000tk cost porese.
বয়স সংশোধন করলে ১৫ হাজার টাকা লাগবে
আমি আমার আপনজনের চিকিৎসার জন্য গিয়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ পথ্য পাইনি।
আমার খাজনার পিমান ছিল ২৮০০ টাকা। ভুমি অফিস থেকে শুনে পরের দিন খাজনা দিতে গেলে বলে ৮০০০ টাকা লাগবে নয়তো হবে না।জমির নাম পত্তন করার জন্য জরুরী ছিল তাই বাধ্য হয়ে ৮০০০ হাজার টাকা দিতে হয়। কিন্তু আমার সেই ২৮০০ টাকার রশিদ দিয়েছিল
নাম জারি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং এসিল্যান্ড এসিল্যান্ড নিয়েছিল ১ হাজার টাকা