চাকুরিতে যোগদানের সময় চা -নাস্তার টাকা
বেতন করতে ট্রেজারি অফিসে নাকি তাদের টাকা দিতে হবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বেতন করতে ট্রেজারি অফিসে নাকি তাদের টাকা দিতে হবে
বিদেশে আসার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দালাল ছাড়া কাজ হয় নাই, ৩০০০টাকা নিয়ে ছিলো,তার পর সিরিয়াল দেয়,তার আগে যত বার গিয়েছি, বার বার বলে কাগজ ঠিক নেই,টাকা নেওয়ার পর সব কাগজ ঠিক হয়ে গেলো,
২০১৫ সালের আগে যখন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটির হাতে নিয়োগ ছিল তখন ঝালকাঠি টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য কলেজের জমি ক্রয়ের কখা বলে আমার কাছ থেকে নগদ ৫০০০০০ ( পাঁচ লাখ) টাকা হাতিয়ে নিয়েছে উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রভাষকসহ ৩ থেকে ৪ জন লোক। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আজ পর্যন্ত আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এসব কিছুর জন্য দায়ী একমাত্র বর্তমানে কর্মরত অধ্যক্ষ মহোদয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ভেরিফিকেশনের জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে বাধ্য হয়ে।
নতুন লাইসেন্স নিয়ে মেলা তামাশা হয় এখানে। বাইক চালাতে পারে এমন ব্যক্তিকেও মেলা বার ফেল করানো হয়, অবশেষে ৫ হাজার টাকা দালাল কে দিয়ে সব ঠিকঠাক করা হয়।
নতুন ফ্ল্যাটে নতুন বিদ্যুৎ এর মিটার আবেদন করেছিলাম। সাইট ইন্জিনিয়ার বাসায় এসে টাকা দাবি করে ৪০০০/- এখনো clearance না দেওয়ায় মিটার পাশ হচ্ছে না।৫০০/- টাকা দেওয়া হয়েছে।
কাজ করার ক্ষেত্রে দীর্ঘসুত্রিতা, সময় লাগবে, ফাইলের খরচ
সেখানে তাদের দালানের মাধ্যমে গেলে কাজ হয় তা নাহলে কাজ করতে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়।
১৮ তম নিবন্ধনে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার পর বেতন চালু করার জন্য টাকা দেয়া লাগছে। নাহলে সিস্টেম থেকে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়। ফাইল সব কিছু ওকে থাকার পরেও( অন্যান্য কারন দেখিয়ে) রিজেক্ট করে দেয়। টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়বে না। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বেতন চালু করা লাগছে। এটা শুধু আমার কথা নয়, হাজারো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের কথা।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শেরপুর জেলা নকলা খাশা থেকে সিসি লোন তোলার জন্য ৩০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়
গাজীপুর শ্রীপুর পৌরসভা ১০ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রি করতে গেলে সাব রেজিস্ট্রার এই ঘুষ দাবি করেন,
সাধারন সরকারি দলিল খরচ এর থেকে বেশি টাকা নেওয়া হয়,, দলিল লেখক ও ভূমি অফিসের লোক সরাসরি জরিত
৫০০০টাকা দাবি করে ছিল ১০০০ টাকা পরিশোধ করেছি
বেতন-ভাতা বিল ফিক্সেশন ও যাতায়াত ভাতা বের করে দিবে বলে ১০০০ টাকা মিডিয়াকে দিয়েছি।
টাকা না দিলে মিউটেশন রিপট দিচ্ছিল না।
টাকা ছাড়া পাসপোর্ট বানাতে পারি নাই টাকা দিলে সবকিছু ওকে প্রতিটি আবেদন পেপারের নিচে পাসপোর্ট অফিসের কোন লোকের একই হাতের লেখা দিয়ে একটি তারিখ লেখা থাকে যেই পেপারের মধ্যে হাতের লেখা তারিখ লেখা থাকে ঐই ফাইলটি তারা গ্ৰহন করে আর অন্য গুলো ফাইলের মধ্যে তারিখ না থাকলে ফাইলের মধ্যে শুধু সমস্যা দেখায়
বদলি জন্য ঘুষ দেওয়া হয়েছিলো
প্রাইমারি স্কুল শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য একটা ভেরিফিকেশন লাগে পুলিশ ভেরিফিকেশন সেই ভেরিফিকেশন একবার করেছে চক্রটি আবার কাগজ হারিয়ে গেছে অজুহাত দেখিয়ে আবার ভেরিফিকেশন করতে হবে এই মর্মে সবার কাছ থেকে মোট সর্বমোট শিক্ষক ১২০ জন প্রত্যেক জনের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা করে দাবি করেছে ভেরিফিকেশন করে দেবে বেলকুচি থানা কর্মকর্তা দাবি করেছে এমনকি চাকরি স্থায়ী করানোর জন্য পরবর্তীতে আবার শিক্ষা অফিসার নির্দিষ্ট পরিমাণে টাকা দিতে হবে প্রতিটি শিক্ষককে
আলিগঞ্জ মৌজায় জরিপের কারণে খতিয়ান সংশোধনের জন্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেখানে আমি আমার কয়টি তো জমির বিডিএস জরিপে নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে আমার সকল ডকুমেন্ট জমা দিন কিন্তু বিভিন্ন কারণে তাদের ৪০০০ টাকা বলা হয় এর বিনিময়ে বিডিএস জরিপের সংশোধন করে দেওয়া হবে এবং আমি বাধ্য হয়ে ৪০০০ টাকা প্রদান করি
নামজারি করার আবেদন করতে গেলে তহশিল অফিসের লোক উক্ত টাকা চায়। আমি না দিয়ে চলে আসি।পরে অন্য মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করি।