টাকা ছাড়া লাইসেন্স করা যাবে না
তিনবারে পরীক্ষা দিছি পাস করে না। টাকা ঘুষ দিয়েছি অটো পাস করাই দিছে। পরীক্ষা ছাড়া
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তিনবারে পরীক্ষা দিছি পাস করে না। টাকা ঘুষ দিয়েছি অটো পাস করাই দিছে। পরীক্ষা ছাড়া
সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিসার এসআই (নি:) সোহেল রানার পোষ্টিং বানিজ্যের কারণে অধিনস্থ পুলিশ সদস্যরা নিরুপায়। সরকার বাহাদুর কি এর বিহিত করবেন দয়াকরে। 🙏
ঢাকা সিলেট তামাবিল প্রকল্প সরকারি স্থাপনার ক্ষতিপূরণের টাকা উঠাতে ঘুষ আমার থেকে 3th পার্টি চেক নিয়ে যায় পরে আমি তা পরিশোধ করি।আমার মতো সবাই তাই করসে ওরা 6% বা 7% করে টাকা নেয়
আমি অফিসের সকল ফর্মালিটিস শেষ করে মিটার প্রাপ্য হই। কিন্তু মিটার লাগাতে এসে বলে ৩০০০ টাকা না দিলে মিটার স্থাপন করবে না। অনেক ঝামেলা হয়, মিটার না লাগিয়ে ফিরে যায়। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে মিটার স্থাপন করি।
১/১ খতিয়ান হতে নামজারি করতে আমার কাছ থেকে ১২০০০০ এক লক্ষ টাকা চেয়েছিল । পরে আবেদনটি নামঞ্জুর করে।
আমি সবকিছু করার পর প্রাকটিকালে ফেল করিয়া দিয়ে টাকা দিলে পাশ কর দেয়
গাড়ির নেম প্লেট লাগতে বকশিস না দিলে লাগিয়ে দিবে না। পরে ১০০ টাকা দেওয়া লাগছে
আলমনগর,গোপালপুর,টাঙ্গাইল।আমার ইউনিয়ন পরিষধ এ জে কোন সেবা নিতে গেলে তাদেরকে ঘুষ হিসেবে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়।যদি সরকারি ফী থাকে ৫০ আমাদের থেকে নেয় ২০০।না দিলে তারা কাজ করবে না বলে জানিয়ে দেয় 🥺
বজ্রপাত হয়ে বিল্ডিং এর বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তিতে লাইন পুনরায় চালু করতে ৫০,০০০ টাকা ডিপিডিসি খিলগাঁও অফিস থেকে ঘুষ চাওয়া হয়। বিনা খরচে এই সার্ভিস পাওয়ার কথা থাকলে অফিসের কন্ট্রোল রুমের ইঞ্জিনিয়ার অফিসের বাহিরে নিয়ে কয়েক বার দর কসাকসি করে ২৫০০০/- টাকা নিয়ে লাইন চালু করে। দেশের নাগরিক এবং গ্রাহক হিসেবে খুব অসহায় মনে হয়েছিল।
ফাইল পোস্টিং করবে। প্রতিবছর দুই হাজার করে টাকা নেই।
গণপূর্ত আবাসন(হাউজিং) এর ক্রয়কৃত জায়গার ওয়ারিশ নামজারির জন্য প্রথমে হাউজিং এ বিল্ডিংয়ের রিপোর্ট করতে হয় এ রিপোর্ট করতে এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ার ২০০০০ টাকা ডিভিশন ইন্জিনিয়ার ১৫০০০ এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এক্সিয়েন)প্রথম ধাপে ৫৫০০০ হাজার ২য় ধাপে ২০০০০ স্টেট অফিসার ২০০০০ অফিস খরচ ১০০০০ ও হাজিরা ফরম পূরন ও উপস্থিত হাজিরা দেওয়ার সময় ১০০০০ টাকা ও বিভিন্ন সময় কখনো ৫০০ /১০০০ তাদের প্রদান করা হয়। হাউজিং এ নামজারি ফি (সরকারি কোষাগারে)১,১৫০০০ টাকা প্রানন করেছি।তারপর তারা (গণপূর্ত আবাসন) নামজারির অনুমতি প্রদান করলে ভূমি অফিসে নামজারি করি।ভূমি অফিসে নামজারি করতে ২৫০০০টাকা প্রদান করি।এখন হেবা করবো হাউজিং হেবার অনুমতি নিতে লাগবে প্রায় ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ টাকা)।
আমার বাবা মৃত্যুবরণ করার পর তাঁর পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে ৩০,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে পেনশনের টাকা উত্তোলনের কাজ করা হবে না বলে জানানো হয়।
নেম প্লেট লাগতে বকশিস না দিলে লাগিয়ে দিবে না। পরে ১০০ টাকা দেওয়া লাগছে
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, বগুড়ায় আমার বাবার নামে বরাদ্ধকৃত একটি প্লট তার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে নামজারী করার অনুমতির জন্য আবেদন করি, যার প্রেক্ষিতে আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়, পরিশেষে ১৫,০০০ টাকা অনিচ্ছা সত্ত্বেও পরিশোধ করি, এখন পর্যন্ত কোন কাজ হয়নি গত এক মাস যাবত
Bank a Fitness er main free paid korsi but BRTA theke 3000 taks dabi na dile kono certificate dibe nah .kono upai na peye ghus diye certificate nese.
আমার ফায়ার লাইসেন্স রেনু করার দরকার ছিলো৷ সংশিল্স অফিসারের সাথে দেখা করে তাকে জানালে সে বলে এজন্য নাকি তাকে ৩৫০০০ হাজার টাকা দেয়া লাগবে৷ এবং না দিলে সে লাইসেন্স তো দিবেই না এবং আরো নাকি জরিমানা করার নিয়ম আছে এসব বলে ভয় দেখায়।
আমি একটি ভোটার আইডি কার্ডের নাম পরিবর্তন করার জন্য একে একে 4বার অনলাইনে আবেদন করি। আমাকে 4বারি রিজেক্ট করে দেয়। তারপর আমি দালালের সহায়তা নিই 10000 টাকা কন্ট্রাক্ট করে কাজটা করি। সময় লাগলো 25দিন। এভাবে আমাকে হয়রানি হতে হলো।
আমি আমার বাবার ক্রয়কৃত ১০০ শতাংশ জমি নামজারি করতে যাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। আমি প্রথমে নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করি। কিন্তু আমার আবেদন না মন্জুর হতে থাকে। একাধিকবার আবেদন করে ব্যর্থ হয়ে ভূমি অফিসে ৫০০০০ টাকা চুক্তি করে আবার আবেদন করলে নামজারিটি সম্পন্ন হয়।
আমার মা অসুস্থ ছিলো। বেড পাওয়ার জন্য ডাক্তাররা ওয়ার্ড বয়দের কাছে যেতে বলে। তাদের কাছে গেলে আমার কাছে ৫০০ টাকা চাই। আমার রোগীর অবস্থা খারাব ছিলো বলে ৫০০ টাকা দিয়ে বেড নিতে হয়েছে।
আপনার ছুটি আপনি পাশ করিয়ে আনবেন?নাকি আমাকে দিয়ে করালে খরচ দিতে হবে।অনেক জায়গা থেকে সাইন আনতে হয়।প্রত্যেক সাইনের জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়।