নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সে দিন আমি আর আমার আপন ছোট বোন আমার এক আত্নীয় বাড়িতে গিয়েছিলাম , আসার সময় পুলিশ আমাকে আটাকায় এবং আমাকে উল্টাপাল্টা বলে আমার বোন অন্যভাবে উপস্থাপন করে এবং ১০ হাজার টাকা মামলা হবে দাবি করে, তখন আমার সব কাগজ সেফটি ঠিক ছিল শুধু ড্রাইভিং সাইলেন্স বাদে, যেহেতু সে এটায় মামলা করে বেশি লাভবান হবে নাই আমাকে ভয় দেখিয়ে বাধ্য করে ঘুস দিতে পরে আমাকে ১০০০ টাকা দিতে হয়
পল্লী বিদ্যুৎ এর কাম্বার জন্য বিশ হাজার টাকা দিয়েছিলাম গত চার বছর উপরে হয়ে গেছে কিন্তু আমাদের কারেন্টের কাম্বাও দেয় নাই কিন্তু কালি তারিখ আর তারিখ করছে এখন পর্যন্ত আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি আমরা থানায় অভিযোগ করিনি কিন্তূ কোন বিচার পায়নি
জমির দলিল করা। দলিল লেখক ভুমি অফিসের দালালী করে।দলিল করা এবং দলিলের ভুল সংশোধনে অতিরিক্ত টাকা দাবি।
নামজারির জন্য বিশ হাজার টাকা দাবি করেছে অনেক ঘোরাঘুরির পর যে কাগজ সংগ্রহ করতে বলে সব কাগজেই ভুল ধরে কাগজ ক্লিয়ার না খারিজ করে দেওয়া হয়েছে এরকমের খুব একটা খারাপ অবস্থা ছিলাম অনেক হরণের ভিতর ছিলাম টাকা পরিশোধ না করলে দেখি যে কাজটা রাগ আচ্ছি না তারপর বিশ হাজার টাকা দিয়ে সে কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
আমাদের জমি কেড়ে নিয়েছিল নিয়ে আবার জমি ফেরত দেওয়ার জন্য টাকা ঘুষ নিয়েছে। গাইবান্ধা জেলার শাখাটা থানায় চন্দন পাট গ্রামের রেলগেটের 9একর জমি রেলের জমি খাস করে পরবর্তীতে সেটাকে আবার এক নম্বর খাস বানিয়ে নিয়েছে , বিচারপতির মাধ্যমে মামা বিচারপতি ছিল। একই ব্যক্তি গাইবান্ধা কোর্টের পেশকার ,জজ কোর্টে বিভিন্ন প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ খায় প্রত্যেকটা সেবা গ্রহনকারী নিকট হতে,থেকে।
আমাকে পুলিশ অফিসার ফোন দিয়ে বললেন সব ডকুমেন্ট নিয়ে থানায় আসেন আমি সমস্ত প্রমাণাদি নিয়ে থানায় গেলাম। আমার বর্তমান ঠিকানা যে থানায় আমরা সেখানে ভাড়া থাকি ১৭ বছর যাবত। একই থানায় আমাদের স্থায়ী ঠিকানা। উনি বলতেছেন দুইটাই একই হইতে হইবে নইলে হবে না। আমার পূর্বের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বর্তমান ঠিকানাতে ইস্যু করা। পরবর্তীতে উনি একটা রিপোর্টে লিখে বলে এখন ভাই ব্রাদার হিসেবে যা করবেন করেন। পুরাটা আমার রিস্ক এ দিচ্ছি। পরে ৫০০ টাকা দিতে হইছে। এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বর্তমান ঠিকানা তেই ইস্যু হইছে।
আমার জমির শ্রেণি পরিবর্তন করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিস, এসি৷ ল্যান্ড অফিস, টি এন ও অফিসে প্রতিবেদন সহ অনুমোদন জন্য জেলা প্রশাসক কার্যালয় ২০২৩ সালে প্রেরণ করলে আজ পযর্ন্ত অনুমোদন না করে বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। এ জন্য বিভিন্ন সময় জেলাপ্রশাসক কার্যালয় তদবির করেও কাজ হয় না ।
দালদা কে দেওয়া হয়,টাকা
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে সবার কাছে বাড়তি টাকা চাওয়া হচ্ছে বলা হচ্ছে সাইনবোর্ডের টাকা বা বিজ্ঞপ্তির টাকা অথচ সেটা প্রতিবছর দিয়েই যাচ্ছি সবাই। এখন সাইনবোর্ড বাবদ অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হচ্ছে এবং সিটি কর্পোরেশনের কক্ষেই সহকারি সে টাকা নিয়ে নিচ্ছে বলা হচ্ছে ব্যাংকের জমা দিয়ে দিবে আমাদের পক্ষ হয়ে। একইভাবে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে অনেক ঝামেলা হচ্ছে এবং এই ঝামেলা সবাই পোহাচ্ছে।
আমি একটা জমি কিনেছি সেই জমি খারিজ করার জন্য কারো শত্রু জমা দেয়ার পরে বলে এই জমি খারিজ হবে না যদি ২১ হাজার টাকা দাও তাহলে হবে তা না হলে হবে না এখন পর্যন্ত আমার জমিটা খারিজ করতে পারিনি
এলাকায় বিএনপি নেতা, আমার পরিবারের লোকজন কে অন্যায় ভাবে অনেক মারে। তারপরে অনেক হুমকি দেয়। তারপর আমারা থানায় মামলা নিতে গেলে, তদন্তে যায়। গিয়ে শাক্ষি সহ প্রমান পায়। পরে আমাদের কাছে টাকা নিয়ে পুলিশ চলে আসে। বলে থানায় আইসেন। পরে থানায় গেলে। বলে কোন মামলা নেওয়া হবে না।চলে যান। তখন আমরা বলি যে আমরা মামলা করবোই। তখন বলে টাকা লাগবে বিশ হাজার। কিন্তু সেটা সম্ভব ছিলোনা। পরে মুখ বুজে চলে আসতে হয়েছে। পরে এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান নাম মাএ শলিস ডেকে মিলিয়ে দেয়। কিছুদিন পরে আবার সেই নেতার পরিবার হুমকি দেয়।আগের মাইরের কথা মনে রাতে বলে। দরকার পরলে আবার মারবে। কিন্তু পুলিশ যদি চাইতো এটাকে একটা সহজ সমাধান করেনদিতে পারতো।
They demanded 8 thousand taka for registration above the registration fee. We had to give it, otherwise files were not processed
শহরের কোতোয়ালী নিউমার্কেট এলাকায় আমাদের একটি জায়গা বিক্রির জন্য খাজনা উত্তোলন করতে গিয়েছিলাম।সেখানে প্রথমে ২/৩ শ টাকা দিয়ে চেক করতে হয়েছে।তারপর খাজনাসহ ৮ হাজার টাকার মতো পে করি,অথচ খাজনার সরকারি ফি আসছিলো ৬ হাজার সামান্য। বাকি টাকা ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের চা-নাস্তা খাওয়ার জন্য দিতে বলে না হলে খাজনা দিবে না।তাই বাধ্য হয়ে দিয়ে দিই।
আমার বাবা আমাদের ভাই-বোনের নামে জমি দলীল করে লিখে দিয়েছে,সেই জমি আমাদের ভাই-বোনের নামে নামজারি করতে গেলে জায়গার পরিমাণ বেশি এ কথা বলে ১লাখ টাকা চায় যদি দেয়া হয় তাহলে নামজারি করে দিতে পারবে অন্যথায় নয়। আমাদের জমির কাগজপত্র সব ঠিক আছে কোন ঝামেলা নেই কিন্তু মাঝখান দিয়ে জমির পরিমাণ বেশি দেখে এই টাকা দাবি করে বসে আছে।
আমি খারিজ করার জন্য সম্পূর্ণ কাগজ পাতি জমা দেই এক মাস হয়ে যায় আমার জমি খারিজ হয় না ভূমি অফিসে গেলে বলে ৭ হাজার টাকা লাগবে এরপর আমি 7000 টাকা দেওয়ার পরে চার দিনের মধ্যে আমার খারিজ হয়ে যায়
আরজেএসসিতে ফাউন্ডেশন/সোসাইটি নিবন্ধনে হয়রানি বন্ধে ১০ দফা দাবি আরজেএসসিতে একটি ফাউন্ডেশন বা সোসাইটি নিবন্ধনের সরকারি ফি মাত্র ২১,৭০০ টাকা। অথচ অনেক আবেদনকারীর কাছ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এখন NSI রিপোর্টও বাধ্যতামূলক নয়, তবুও দালাল ও ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই অনিয়ম বন্ধে জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। আমাদের দাবি শতভাগ অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সরকারি ফি ও সব চার্জ ওয়েবসাইটে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে। প্রতিটি আবেদনের জন্য অনলাইন ট্র্যাকিং নম্বর দিতে হবে। ফাইল কোন কর্মকর্তার কাছে এবং কতদিন আছে—তা অনলাইনে দেখা যাবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে। সব সরকারি ফি ডিজিটাল পেমেন্টে গ্রহণ করে ই-রসিদ দিতে হ
কক্সবাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাসপোর্ট তৈরি করা এক বিশ্বযুদ্ধ জয় করার সমান। পাসপোর্ট অফিসের লোকজন ১ থেকে ২ লক্ষ টাকার চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয় বেআইননি ভাবে। আর স্থানীয় লোকজন পাসপোর্ট তৈরি করতে হয়রানি করে। স্থানীয় লোকদের পাসপোর্ট তৈরিতে ৪ ধরনের অতিরিক্ত কাগজ লাগ, যার মধ্যে আছে- পাসপোর্ট সুপারিশপত্র, বিদেশি নাগরিক নয় এই মর্মে প্রত্যয়ন, রোহিঙ্গা নয় মর্মে প্রত্যয়ন, নাগরিক সনদ। এসব নিতে গেলে আবার ইউনিয়ন/পৌরসভায় দরবেশ বাবাকে খুশি করা লাগে টাকার বিনিময়ে। এরপর আসে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন নামের অত্যাচার (যদিও অন্যান্ন জেলায় এটা বন্ধ এখন)।
পুরাতন গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে না। ১০ হাজার টাকা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করছি। কেউ কোটিপতি হতে চাইলে বি আর টি এ অফিসের পিওন হলেও চলবে
সরকার আমার ১টি কেনা জমি থেকে কিছু অংশ সরকারি উন্নয়নের জন্য অধিগ্রহণ করে। যে কারণে আমি ভূমি অফিসে নামজারি করতে গেলে তারা আমাদের থেকে ভূমি অধিগ্রহণ সংবাদ আনতে বলে চট্টগ্রাম কোর্ট অফিস থেকে। আমি উক্ত সংবাদ যখন আনতে কোর্ট অফিস যায় তখন কোর্ট অফিসের ১জন কর্মকর্তা আমাকে বলেন ৩৫০০টাকা দিলে তিনি কাজটি আমাদের করে দিবেন।আমি নিরুপায় হয়ে ১০০০ টাকা অগ্রিম পরিশোধ করি কোন প্রমাণপত্র ছাড়া। এখনো আমি আমার কাগজটি পায়নি এবং বাকি টাকা এখনো পরিশোধ করিনি।
আমি আমার দাদার জমির দলিল তলাশির জন্য কুষ্টিয়া জেলা রেজিস্টার অফিসে যাই। ওই খানে যাওয়ার পরে আমার সমস্যা কথা বলি সে বলে আপনার সমস্যা সমাধান করা যাবে আপনার কাগজ পাতি দেন তো আমার কাছে রেকর্ড ছিলো তাকে আমি দি এবং তখন বলে টাকা দেওয়ার জন্য আমি বলি কত টাকা সে আনু মানি আমার কাছে দুই হাজার চাই আমি এক হাজার টাকা দি বলে এই টা নাকি দলিল তলাশির জন্য লাগে তার পরে সে বলে এক সপ্তাহ পরে তার কাছে যেতে আমি এক সপ্তাহ পরে যাই সে বলে খুজে পাইনি এই ভাবে গুরাই এবং বিভিন্ন কথা বলে আমার কাছে থেকে আরও দুই হাজার টাকা নেই মোট তিন হাজার পরে সে বলে দলিল পাওয়া গেছে আর ও দুই হাজার টাকা দিতে হবে আমি বলি তাকে দলিল দিলে তার পরে আমি টাকা দিবো অনি বলে এই ভাবে কাজ করা হয় না আমাকে বলে। পরে আমাকে এড়িয়ে চলে ফোন দিলে ফোন ধরে না।