সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৯,০৮৬ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ভূমি অফিস

নামজারী

নামজারির আবেদন করার পর উপজেলা ভূমি অফিসে জমা দিই।উপজেলা ভূমি অফিস থেকে আমার নামজারীর আবেদনের ফাইলটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই।ইউনিয়ান ভূমি অফিসের কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে এবং বলেন আপনি নামজারির আবেদন করেছেন প্রস্তাব করব আপনি আগামীকাল আসেন। পরদিন আমি গেলাম ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আমাকে বললেন কাগজ অনুযায়ী আপনি আবেদন করেছেন কিন্তু বাস্তবে জমি কী আছে দেখতে হবে। উত্তরে আমি বললাম আমার জমি মাপা আছে এবং নকশা আছে। না এগুলো হবেনা। আপনি আনিন ঠিক করেন আমরা গিয়ে আমিন থেকে বুঝে নিব। পরদিন আমি আবার গেলাম বললাম অন্য কোন উপায় আছে। উত্তরে উনি বলল ৬০০০ টাকা দিতে হবে। আমি কিছু না বলে চলে আসলাম।পরে উনি ২ দিন পর আমার বাড়িতে আসে এবং বিকাশে টাক পাঠাতে বলে।পরে আমি নিরুপায় হয়ে টাকা দিলাম। কারণ টাকা ছাড়া কাজ হয়না।

ঘুষ দিয়েছি
ইউনিয়ন ভূমি অফিস,সাতবাড়িয়া,চন্দনাইশ,চট্টগ্রাম। ৳৬.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTLD3RPJ
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ছবি সত্যায়ন উচ্চতর কর্মকর্তা দ্বারা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে ।

প্রথমে কাগজাদি নিয়ে গেলে কেরানী হম্বিতম্বি করছিল যে স্কুলের এমপিও খেয়েদিবে হেডটিচারকে শোকোজ করবে ইত্যাদি ইত্যাদি মানে সত্যায়িত করে দিবে না পরে ১০০০ টাকা চায় সেটা দেয়ার পর সাথে সাথেই সত্যায়ীত করে এনে দেয় ।

ঘুষ দিয়েছি
কিশোরগঞ্জ ৳১.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKEL7CKB
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

হোল্ডিং ট্যাক্স

হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া ছিলো অনেক বছরের। ট্যাক্স দিতে গিয়ে তারা জানায় আমার ৭৫ হাজার টাকা হয়েছে। ডিসকাউন্ট দিয়ে ৪৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমি ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে দেই, তারা আমাকে ট্যাক্সের যে রিসিট দিয়েছে সেখানে ২৫ হাজার টাকা লেখা। অর্থাৎ আমার কাছ থেকে বেশি টাকা নিয়ে কম টাকার রিসিট দেয়। পরবর্তীতে জানতে পারি আমাকে যে হিসাব দিয়েছে সেটা বাড়তি ধরে বলা হয়েছিল। গাজীপুর সিটি করপোরেশন অঞ্চল ০৩ এর টাক্স কালেকশন এর দায়িত্বে যারা আছে তারা সবাই ই এরকম করে বাড়ির মালিকদের সাথে। আমাদের দাবী এটি সম্পূর্ণ অনলাইন করা হোক। আর যথাযথ ভাবে ট্যাক্স ধার্য করা হোক। রেকর্ড বইয়ে লেখা হয় কম, কিছু আদায় করা হয় বেশী। পরিত্রান চাই।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর সিটি করপোরেশন অঞ্চল - ০৩ ৳২৫.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ DKZY7CSP
মন্তব্য
ভূমি অফিস

ভূমি

জলমা ইউনিয়ন ভুমি অফিসের নায়েব। ঘুষ ছাড়া কোন প্রতিবেদনই দেয় না উনার নিজস্ব ডায়রি আছে সেখানে ঘুষের সব তথ্য আছে।

ঘুষ দিইনি
বটিয়াঘাটা ৳১.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KHUSS7XR
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বি এ মি টি ফিঙ্গার

আমি আমি ফিঙ্গার দিতে গিয়েছিলাম। আমাকে কয় অফিসার এখন নেই, তারপর অনেক অপেক্ষার পর তিনি (অফিসার) আমাকে বলেন, যে ৩০০ টাকা দিলে এখন ই ফিংগার দেওয়া হবে। আমার সময় ছিল না যার কারণে আমি দিতে বাধ্য হই। সময়টা হচ্ছে ৩ রা জুলাই ২০২৩।

ঘুষ দিয়েছি
চুয়াডাঙ্গা ৳২৫০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KHQXCYK7
মন্তব্য
ভূমি অফিস

হায়দার মিয়ার হাট ভূমি অফিস, সদর, নোয়াখালী।

আমার বাবার মৃত্যুর পর ৩টি খতিয়ার নতুন করে খুলতে গেলে ৫০,০০০/- দাবি করে। জানতে চাইলে বলে জটিলতা আছে। উপরে খরচ আছে নয়তো হবে না। আমারো নতুন খলো দরকার ছিল , কি করবো বলেন পরে ৫০,০০০/- পরিশোধ করা লাগছে। হায়রে সরকারী কর্মকর্তারা হায় আফসোস কি জবাব দিবে পরকালে এইটা ভেবে মায়া লাগে তাদের জন্য।

ঘুষ দিয়েছি
গ্রাম ৳৫০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTCNKXW2
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

সমবায় সমিতি নিবন্ধন করণ

আমরা একটা সমবায় সমিতি করে দুই বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরে সমিতির একটা ভালো মূলধন তৈরি হয়। আর সেই অর্থ আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে গিয়ে আমাদের এটাকে সরকারি নিবন্ধন করার প্রয়োজন পড়ে। আমরা উপজেলা সমবায় অফিসে শারীরিকভাবে হাজির হয়ে আলোচনা করি কিভাবে কি করা যায়। উনারা আমাদের থেকে ২,০০০ টাকা দাবি করেন যা দিয়ে ওনারা নাকি বিভিন্ন বই খাতা বা রেজিস্টার কিনবেন আমাদের সমিতির রেজিস্ট্রেশন এর জন্য এবং সেটা আমরা দেই। পরবর্তীতে ওনারা আমাদের কাছ থেকে আরও ৩০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। দীর্ঘ তিন বছর পার হয়ে যাওয়ার পরেও আমরা সেই ঘুষ না করা হয়নি। ওই অফিসের সবাই এর সঙ্গে জড়িত নেতৃত্বে আছেন উপজেলা সমবায় অফিসার । উত্তর সেবার সরকার নির্ধারিত ফি মাত্র ৩৪৫ টাকা ছিল।এর সকল প্রমাণ আছে।

শুধু দাবি করেছে
সুবর্ণচর , নোয়াখালী ৳৩০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTGFAQH5
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট রিনিউ

পাসপোর্ট রিনিউ করার সময় অনলাইনে আমার বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন করি, কারণ আগের পাসপোর্টে থাকা ঠিকানার সঙ্গে আমার বর্তমান ঠিকানা মিল ছিল না এবং আগের বাড়িটিও বর্তমানে নেই। ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে আমার নামে থাকা বিদ্যুৎ বিলও সঙ্গে নিয়ে যাই। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বারবার বলেন, আগের ঠিকানা দিয়েই আবেদন করতে হবে এবং আমাকে ফিরিয়ে দেন। যেহেতু অনলাইনে আবেদন ও ফি জমা দেওয়া হয়ে গেছে, তাই নতুন করে আবেদন করাও সম্ভব ছিল না। পরদিন অন্য ডেস্কে গিয়েও একই সমস্যার সম্মুখীন হই। শেষ পর্যন্ত একজন দালালের মাধ্যমে কোনো তথ্য বা ঠিকানা পরিবর্তন না করেই আমার পাসপোর্ট রিনিউ হয়ে যায়।

ঘুষ দিয়েছি
আফতাবনগর ৳৫.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKPRUXY3
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

নতুন ভোটার হওয়ার জন্য নির্বাচন অফিস

অভিযোগের বিষয়: নতুন ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অনৈতিকভাবে টাকা দাবি নতুন ভোটার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র আমি নিজে প্রস্তুত করে উপজেলা নির্বাচন অফিসে যাই। আমার সকল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সঠিক পাওয়া যায় এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসারও যাচাই করে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্টদের কাছে গেলে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে ২০০ টাকা দেওয়ার কথা বললেও তারা টাকা না নিয়ে আমাকে চলে যেতে বলেন। আমার উপস্থিতিতে আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে আমি লক্ষ্য করেছি। আমি টাকা না দেওয়ায় পরবর্তীতে আমার ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের সমস্যা বা হয়রানি করা হবে কি না, তা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন ।

ঘুষ দিইনি
ভোলা মনপুরা ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ BR7CHSS7
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট নবায়ন

ভোটার আইডি কার্ডে এবং জন্ম নিবন্ধন কার্ডে বাবার নামে হালকা একটু তফাত ছিল ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট বের করা লাগছে

ঘুষ দিয়েছি
কুষ্টিয়া ৳১০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KHPESVNR
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

ফটোকপি করতে পাঁচ টাকার জায়গায় ২০ টাকা নিচ্ছে

বিষয়টা ঘটেছে আমাদের টঙ্গী গাজীপুর সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা। আমার ছোট ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে ,আমি মৃত্যু সনদ বানাতে গেলে কোন কারনে ফটোকপি প্রয়োজন পড়ে তখন সরকারি কর্মকর্তা যিনি আছেন তিনি আমার কাছ থেকে ফটোকপি বাবদ ২০ টাকা নিয়েছেন কিন্তু ফটোকপি আসলে দুই টাকা বা 5 টাকা হয়। তো হিসাব করলে দেখা যায় দৈনিক ১০০ উপরে মানুষ আসে সে ক্ষেত্রে টাকার পরিমান টা অনেক হয়।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর ৳২০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ DK72V59V
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বয়স্ক ভাতা সমাজসেবা অফিস

সমাজসেবা অফিস সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধায় টাকা ছাড়া কোন বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, গর্ভবতী ভাতা করে দেয় না জনগণকে অনেক হয়রানি করে।একটা ভাতা করে নিতে প্রত্যেককে প্রায় ১০ হাজার করে টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন কাজে হয় না।

ঘুষ দিইনি
সাদুল্লাপুর উপজেলা গাইবান্ধা জেলা ৳১০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RNVLYMH5
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

গর্ভবতী কার্ড

গর্ভবতী কার্ড করতে ইউনিয়ন উদোক্তা আমার কাছে এই কার্ড করতে ৫০০০/- চাইছিল,যদিও বলা কার্ড করতে কোন টাকা লাগা না।

ঘুষ দিইনি
নান্দাইল ৳৫.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ MYCUU63H
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

নতুন মিটার আবেদন

একটি নতুন মিটারের জন্য আবেদন করতে যাই। তখন আমাকে বলে নতুন মিটার এখন নেই, যদি আপনি সাড়ে চার হাজার টাকা দিতে পারেন তাহলে আমরা জরুরিভাবে আপনাকে একটি মিটার লাগিয়ে দিব

ঘুষ দিয়েছি
গ্রাম ৳৪.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKPFJBK8
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

বেতন বিল পাশ করার জন্য

কলেজের প্রভাসক বেতন পাশ করার জন্য। আমি ফাইনাল অনলাইনে আবেদন করি। প্রোগ্রাম অফিস থেকে কল আসে। ফাইনালে সমস্যা।কি করিবো মিষ্টি খেতে টাকা দিন।তার পর টাকা পাঠিয়েছি

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা ৳৫.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KHBDM9WU
মন্তব্য
ভূমি অফিস

ক্রয়কৃত জমির নামজারী ও খতিয়ান- তৈরি

প্রত্যেক নামজারী ও খতিয়ান তৈরির সংক্রান্ত আবেদন প্রসেস করার জন্য বাড়তি টাকা প্রদান করতে হয়, যা জমির পরিমান, অবস্থান ও মূল্য অনুসারে 10,000/- থেকে 50,000/- টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। টাকা প্রদান না করলে নানা ধরণের সমস্যা দেখিয়ে ফাইল বন্ধ করে রাখে বা দীর্ঘ দিন ভোগান্তিতে ফেলে। অনেক সময় খতিয়ান নম্বর ও জমির অন্যান্য তথ্য গরমিল করে কাগজ তৈরি করে দেয়, যা নিয়ে গ্রাহক পুনরায় ভোগান্তিতে পরে এবং তা সংশোধনের জন্য গেলে পুনরায় ঘুষ দিতে হয়। এভাবেই চলে দফায় দফায় ঘুষ প্রদানের ফাঁদ।

ঘুষ দিয়েছি
ভূমি অফিস, পটুয়াখালী সদর , পটুয়াখালী ৳৫০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ BRDW8VSW
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

এসএসসির সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা চাওয়া।

এসএসসির সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে, আমার সকল বন্ধুদের ও আমার কাছ থেকে। এর আগেও যখন মার্কসিট আনতে গিয়েছে তখনও। কারো কাছ থেকে আর বেশীও নেওয়া হয়েছে

ঘুষ দিয়েছি
বরগুনা ৳৩০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ BRJNFKXG
মন্তব্য
বিআরটিএ

নতুন গাড়ির কাগজ করবোও, বাট গাড়িটা কিনছিলাম ইভ্যালি থেকে। তাই ঝামেলা একানে হবে না এসব আরো কতো কি,

আমি একটা ইভ্যালি তে গাড়ি কিনছিলাম। আমার যাবতীয় কাগজ, গাড়ি পরিদর্শক দেখিয়েছিলাম, তুমি আমাকে বলে এখানে হবে না এসব আরো কতো নিয়ম কানুন বলে। আমাকে বলে এসব ভন্ডামু এগুলো সব ভুয়া গাড়ি এক জায়গায়, আরেক জায়গায় এসব কতো কিছু, বাট আমি কয়েকদিন পর, ৫ হাজার চুক্তি হলোও, সে গাড়ি পরিদর্শন হলেও। তারপর আবার কি হলোও বলে বড়ো স্যার চেন্জ হয়ে গিয়েছে, নতুন স্যার এই তো টাকা নিবে, এখন আমার গাঠি কাগজ ছাড়া গাড়ি মূল্য নাই, না ততো পুলিশ মামলা দিবে, আবার ৫ হাজার টাকা দিয়ে, আমার সবকিছু পাই। লোকটা নাম মনে নাই, চেহারা বড়ো লম্বা দাঁড়ি, কপালে নামাজ পড়ার দাগ, পাতলা করে। ওতো লম্বা হও না আবার খাটোও, । আমার কি মনে হয়, অফিস উপরের কর্মকর্তা রা সব টাকার ভাগ নিয়েছে, নিচু গুলো, । কারন ফিঙ্গার সময় কোনে টাকা লাগে না,

ঘুষ দিয়েছি
চাপাই নবাবগঞ্জ, ৳১০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RJXS9YZ6
মন্তব্য