শ্রান্তি বিনোদন ভাতা
ট্রেজারী অফিস ৫০০ আর হিসাব সহকারী ৫০০ এই টাকা না দেওয়া পর্যন্ত ভাতা দেয় না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্রেজারী অফিস ৫০০ আর হিসাব সহকারী ৫০০ এই টাকা না দেওয়া পর্যন্ত ভাতা দেয় না।
Tader kicu agent thake , jader file a specific agent der signature and seal thake na tader gula gohon kora hoy na . Jekono problem dekhai Bahir kore de.
টাকা না দিলে ফাইল ঠিক নেই বলে প্রথম দিন ফিরিয়ে দিয়েছিলো। পরেরদিন চ্যানেল ধরে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা দিয়ে গাজীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট করিয়েছিলাম।
সরকারি ফি এর বাহিরে আট হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে ।
সকল সরকারী ফি দেয়ার পরও বাড়তি দানি
Koyjon bollo vai tk na dile jevabei howk fail korabe..Amar emergency dekhe ekjon dalal k 3 hajar tk dichi kaj hoye giyece...
একটা জমি মিউটেশন বাবদ ২৫০০০ টাকা দাবি করে।
Required a vat clearance cerficate for an official purpose. I had to pay Tk.15000 whereas my vat retutn submission was updated !
পাসপোর্ট করতে ঘুসের শিকার। দুইবার
নামজারি করতে গিয়ে কাগজপতি সব সঠিক আছে নায়ক সাহেব ঘুষ চেয়েছেই ১১৭০ টাকা জাগার ২০০০০ টাকা চেয়েছেই।
বাণিজ্যিক বিদ্যুত সংযোগের জন্য বিদ্যুৎ অফিসে যাই। তারা নতুন সংযোগের অনুমোদন পেতে অনেল দেরি হবে বলে জানায়। তবে ১৫০০০ টাকা দিলে উক্ত কর্মকর্তা দ্রুত সংযোগ দেয়া হবে বলে জানান। প্রথমে টাকা দেইনি। সংযোগের অনুমোদনও হচ্ছিল না। পরে টাকা দেয়ার ৭ দিনের মধ্যেই বিদ্যুতের সংযোগ পেয়েছি।
হাই স্কুলের এসএসসি সার্টিফিকেট উঠানোর জন্য, আমার থেকে ৬০০ টাকা নেওয়া হয়। কালীশুরি এস এ ইনস্টিটিউশন (বাউফল পটুয়াখালী)
জমি রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য ৮৫ হাজার টাকা নিয়েছে মহুরি। শিবগঞ্জ উপজেলা ভুমি অফিস, বগুড়া।
আমি আমার দাদার ক্রয়কৃত একটি দলিল তল্লাশি করতে ও খারিজ করতে গিয়েছিলা। সেখানকার একজন কর্মচারি উক্ত কাজের জন্য আমার ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে অন্যথায় সে কাজ করবে না বলে জানিয়ে দেয়।
they demanded a bribe of 4 crore rupees from me in connection with the job ,threatening that I would not get the position if I did not pay.
ড্রাইভিং পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য। বিআরটিএ এর আউটসোর্সিং পিয়ন ৪৫০০ টাকা দাবি করেছিল। পরে ৪০০০ টাকা দিয়ে কাজ হয়েছিল।
আমি একটি ফ্লাট কিনেছি ৮ম তলা যার পারমিশন পৌরসভা থেকে দেয়নি। আমার এই ভবনে ৬ তলা পর্যন্ত পারমিশন আছে । ভবনটি ৮ তলা বিশিষ্ট ইতিমধ ৭ তলা পর্যন্ত রেজিস্ট্রি সম্পূর্ণ হয়েছে ঘুষ বা ফোন কলের বা ক্ষমতাধরদের ক্ষমতার মাধ্যমে। নতুন সরকার আসার পর সাব রেজিস্ট্রি অফিস জানিয়েছে পারমিশন ছাড়া প্রতি দলিল ১৫০০০০ টাকা এক্সট্রা ঘুষ দিতে হবে না দিলে পারমিশন নেই এমন দলিল রেজিস্ট্রি হবে না। আমি এখন কি করবো বুঝতে পারছিনা । অপর দিকে আমার ফ্লাট মালিক অসুস্থ কোন কারণে মারা গেলে আমি বিপধে পরেযাব । এতগুলো টাকা এখন আমি কি করবো ?
না দিলে ফাইল জেলা বিভাগ থেকে অনুমোদন করে না।
আমার ভুলবশত টিন আইডি খুলে ফেলছিলাম। সেই হিসেবে আমার স্যালারির আয় দেখিয়ে আমি হিসাব জমা দিয়েছিলাম। সেই হিসেবে নাকি কি ভুল ছিল সেটা আর আমি নাকি প্রথম বছরের রিটার্ন জমা দেয় নি। এই নিয়ে ট্যাক্স এর বই দেখিয়ে প্রথমত ১ লক্ষ টাকার জরিমানার ভয় দেখায়। পরে ২০,০০০ টাকা দাবি করে। শেষ অবধি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ৪০০০ টাকা পরিশোধ করেছিলাম
আমি আমার বিভিন্ন কাজের জন্য গিয়েছি। সেইখানে দেখলাম টাকা ছাড়া কিছু হয় না। সবার টেবিল পাস করতে সবাইকে ৩০০০/৫০০০ টাকা করে দিতে হয়। টাকা না দিলে পাইল পড়ে থাকে হাত ও দেয়না এই হলো অবস্থা।