পেনশন
টাকা না দিলে কাজ হবে না,তাই এক প্রকার বাধ্য হয়ে দিয়েছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে কাজ হবে না,তাই এক প্রকার বাধ্য হয়ে দিয়েছি
২০২১ সালে আমি পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করেছিলাম নিজে নিজে। পরবর্তীতে জানতে পারি নিজে নিজে করলে নিবে না। মার্কা দিয়ে করতে হয়। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্ত অটল থাকি। তারপর আমি জমা দিতে গেলে অনেক হয়রানির শিকার হই। সকল ডকুমেন্টস জমা দেয়ার পর একপর্যায়ে বলে যে কলেজের আইডি কার্ড আনতে হবে। তারপর প্রায় ৩০ কিলো দূরে আমার বাড়ি থেকে আইডি কার্ড নিয়ে এসে দেখাই। যদিও কলেজের সকল সার্টিফিকেট দিয়েছিলাম কিন্তু তাদের মন বড়ে নাই। যাইহোক ফাইনালি জমা নিলো কিন্তু আফসোস আমার পাসপোর্ট আটকে দিয়েছে। প্রায় চার মাস অতিবাহিত হওয়ার পর একপর্যায়ে পাসপোর্ট রিলেটেড যত সাইট সেখানে মেইল করতে থাকি। তারপর হাতে পাই পাসপোর্ট। অথচ এই দেশ প্রবাসীদের রেমিট্যান্স এ চলে আর তাদের পাসপোর্ট নিয়েই এতো হয়রানি করা হয়
5 tk er zaigai 10 tk nei
দাখিলা আনতে গিয়েছিলাম। দাবি করলো ২৩০০০। এরপরে ১২০০০ টাকায় নিষ্পত্তি হলে। পরে দেখলাম ৬৫০০ টাকা সরকার পেয়েছে। বাকিটা মেরে দিয়েছে।
১টি নামজারীর সরকারী ফি ১১৭০ টাকা। কিন্তু আবেদনের সময় ২০০০ টাকা নেয়। আবেদন এপ্রোভ আসার পর আরো ৩০০০ টাকা নেয়। তারপর পেপার ও ডিসিআর আনার জন্য গেলে বার বার বলে এখনো হয়নি। এভাবে ৫ মাস পার করে। পরে বলে আরো খরচ লাগবে।তখন ৩০০০ টাকা নিয়ে ২দিন পর যেতে বলে। তারপর পেপার হাত এ দিয়া আবারো বলে কিছু খরচ দিয়া যান। আমি ৫০০ টাকা দিছি নেয়না। পাশ থেকে একজন বলে ১০০০ মিলাইয়া দেন। আমি আর দেয়নি,তখন পেপার আমার হাতে ছিল। পেপার এ ডেট দেখে বোঝলাম কাজ টি আরো ৫ মাস আগেই সম্পন্ন হয়েছিলো। ওনারা টাকার জন্য পরে আসেন, হয়নি বলে ৫মাস আমাকে ঘুরিয়েছে। নোট:নামজারীটির সব কিছু ঠিকঠাক ছিল। দরকারি সব পেপার আমি নিজেই দিয়েছি।এমনকি আবেদন পত্র, ট্রেসিং পেপার আমার টাকায় বাইরে থেকে কিনে আনিয়েছিলো। কোনো রকম এক্সট্রা পেপার তোলতে হয়নি ।
আমার প্রতিষ্ঠান একটি নীট কম্পোজিট টেক্সটাইল (গার্মেন্টস) ইন্ডাস্ট্রি। প্রতিবছর ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের দায়িত্বে থাকা ফায়ার অফিসার (পরিদর্শক) সরাসরি সরকারি নির্দিষ্ট ফী পরিশোধ করার পরেও অতিরিক্ত ১ লাখ টাকা দাবী করেন। টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নও হচ্ছিলো না। পরিশেষে আলোচনার মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকায় তা মিমাংসা করা হয়। এবং পরবর্তীতে লাইসেন্স নবায়ন করা হয়। এইটা শুধু আমার প্রতিষ্ঠানে না এই অঞ্চলের সকল প্রতিষ্ঠানেই ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে হলে কম বেশী অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ সাপেক্ষে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন হয়। বর্তমান গত এক/দুই মাস আগে অই অফিসার ট্রান্সফার হয়েছেন।
ডাকা এয়ারপোর্টের সামনে আমার বাইক আটকায়, আমি কাগজ পত্র দেখানোর পরে। সব কিছু ঠিক থাকলেও তারা দাবি করে ২০০০ টাকা। পরে আমি ১৫০০ টাকা দিয়ে ঐ খান থেকে চলে আসি।
আমি ছোট্ট পরিসরে ইউনানি ঔষধ বিক্রয় করি, আমার বিক্রয় এর উপর কমিশন প্রতি মাসে পেয়ে থাকি এবং সেই কমিশন থেকে প্রতি বছর ট্যাক্স জমা দেয় কোম্পানি আমার নামে, সেই ট্যাক্স এর রিটার্ন কপি কোম্পানি আমাকে দেওয়ার পর,আমি রিটার্ন জমা করতে গেলে প্রতি বছর জমা নিতে গিয়ে ১০০০ টাকা তাদের দিতে হয়, পরবর্তীতে অস্বীকার করি অফিস এর কর্মকর্তা গণ সকলের কাছ থেকেঘুষ নিচ্ছে,আমি অপারগ আমার সংসার চালাতে পারি না,কি করে ঘুষ দিবো তাই চলে আসি এখন আর রিটার্ন জমা দেয় না,আমি নিজেই চলতে পারি না,ঘুষের টাকা কেমনে দিবো!
গত ২০১৭ সালে আমি নরমাল পাসপোর্ট করতে গেলে ১৩০০০ টাকা চায়। আমি পরে টাকা দেই।
আমার ফর্ম পূরণে একটু ভুল হয়েছিল। ওখানে বলা ছিল যে একটা আবেদন করলে অফিসার ঠিক করে দিবেন।ছয় মাস ঘুরেছি এখানে না ওখানে। আমার টাকা জমা দেওয়ার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছিল। শেষে একজনের মাধ্যমে যোগাযোগ হয় যে 1200 টাকার বিনিময়ে আবেদন ঠিক করে দিবে। পরে আমাকে কিছুই করতে হয় নাই ওরা একটা আবেদনে একটা সই নিয়েছে আর সব ঠিক করে দিয়েছে। ঢাকা পাসপোর্ট অফিসে কাজ করেছিলাম একাই কোনো অতিরিক্ত টাকা লাগে নাই। কিন্ত এই জেলা ভিত্তিক অফিস গুলিতে টাকা ছাড়া কাজ হয় না। আবেদনে একটু ভুল হলেই আপনি শেষ।
জমির একটা মামলা ছিল। মামলা নিষ্পত্তির পরে খাজনা দিতে গেলেও বলে ঝামেলা আছে। অনলাইনে তথ্য দিলে আমাকে অনুমোদন না দিয়ে বাতিল করা হয়। আমি অফিসে গেলে বলে অফিস খরচ লাগবে তাছাড়া হবে না। চাকুরীর সুবাদে দূরে থাকায় ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য টাকা দিতে বাধ্য হই।
সরকার কর্তৃক ভূমি অধিগ্রহণের বিনিময় মূল্যের চেক চুরান্ত অনুমোদন এবং বিভিন্ন কাগজপত্র অনুমোদন ও ফাইল সাক্ষর করতে এই অর্থ দিতে হয়। এখানে অঘোষিত নিয়ম এটা। সকলেই বিভিন্ন অংকে এটি পরিশোধ করতে বাধ্য।
নতুন মিটারে আবেদন নিয়ে গেলে নানা রকম অহেতুক ভুল ধরে,শেষে সব কিছু সমাধান এর বিনিময় ১০০০০ টাকা দাবি করে
আমি পাসপোর্ট করতে গেলাম, বললো সরকারি ফি দিয়ে পাসপোর্ট হবেনা অতিরিক্ত টাকা লাগবে।
আদালতের ডিগ্রি প্রাপ্ত হইয়া জমির খতিয়ান খোলার আবেদন ছিল।এসিল্যান্ডের সহকারী সম্পূর্ণ ঘুষের টাকা নেয়। এবং এখনও এই কাজটি অসম্পুর্ণ যা দুই বছর যাবৎ গুড়ানো হচ্ছে!!
চক্রাখালী ইউনিয়ন সেবা অফিস প্রতিটা কাজের জন্য 100 থেকে + কাজের ধরণ অনুযায়ী বয়স্ক ভাতা, জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি
আমি পাসপোর্টের জন্য নতুন আবেদন করেছিলাম। কিন্তু নীলফামারী পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা বারবার আমাকে বলছিলো আপনার ডকুমেন্টে এই ভুল সেই ভুল ইত্যাদি। নির্বাচন অফিস যান, উপজেলা অফিস যান ইত্যাদি। এভাবে ৩ দিন ফেরত আসার পর অফিস আওয়ারের একদম শেষের দিকে একজন দালাল আমাকে বলে আমার কাজ তিনি কয়েকমিনিটে করে দিতে পারবে। এবং ২ হাজার টাকা দাবি করে পুলিশ ভেরিফিকেশন সহ। পরে আমি বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিই। তিনি আমার ফাইলে একটা নাম্বার লিখে দেয় এবং আমি সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করি ঐদিনই। এরপর পুলিশ ফোন দিয়ে বলে পাসপোর্ট ভেরিফিকশনের জন্য নীলফামারী যেতে সাথে যেন নাস্তাপানির টাকা নেই। পরে পূর্বে কথা অনুযায়ী দালালকে বললে পুলিশকে তিনি ম্যানেজ করেন। তারা সবাই মিলে একটা ইকোসিস্টেম তৈরী করেছে। না চাইলেও অনেক সময় আমরা ঘুষ দিতে বাধ্
টিএ/ডিএ বিল হিসাবরক্ষণ শাখা পে-২ থেকে পাস করার জন্য বিল প্রতি ১৮-২০% করে দাবি করেছে।
মৎস্য ভবন অধিদপ্তর, রমনা, ঢাকা। এই দপ্তরে কাঁকড়া এবং কুচিয়ার সার্টিফিকেট নিতে গিলে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়, টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না এবং আমাদের কোম্পানি (কাঁকড়া ও কুচিয়ার সার্টিফিকেট সেকশনের) ঘুষ না দেওয়ায় বন্ধ করে দেওয়ার পথে নামিয়ে দিছে।
চাকরি সূত্রে আমি ঢাকায় থাকি, আমার বয়স্ক পিতা গ্রামে থাকেন,উনি একদিন বললেন অনেক বছর হয়ে গেছে জমিজমার খাজনা খারিজ দেয়া হয়না,তুমি গ্রামে এসে এগুলো সম্পন্ন করো।আমি আমার পিতার সাথে জাতসাখিনী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে পৈত্রিক জমি জমার সার্চ বা খোজ দিতে অনুরোধ করি,দ্বায়িত্বরত কর্মকর্তা প্রথমেই আমার পরিচয় ও পেশা জানতে চান।আমি বিস্তারিত বলার পরে উনি বলেন ১৫০০ টাকা দেন দেখে দিচ্ছি।আমি ভেবেছিলাম এইটা সরকারি ফি,কিন্তু উনি এই টাকাটা অফিসের বাইরে গিয়ে নিতে চাইলে আমি আপত্তি জানাই।এরপর আমার বাবাকে জানান আপনার ছেলে দুই কলম পড়ালেখা করে ঢাকায় গিয়ে বেশি পাকনা হয়ে গেছে, এরে বাদ দিয়ে আপনি আসেন কাজটা করে দিব।আমি উনার সাথে তর্ক করি পরে আমাকে বলে আপনাদের কাজ করবো না, যেখান থেকে পারেন করুন গিয়ে। এরপর আমার বাবা আমাকে