নামজারি
টাকা ছাড়া নামজারি হয় না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা ছাড়া নামজারি হয় না।
আমার মা কে জরুরী ভর্তি করার প্রয়োজন ছিলো। ভর্তি করার পর বেড থাকা সত্ত্বেও দেয়া হচ্ছিল না,টাকা দাবী করেছিলো কর্তব্যরত নার্স,আয়ার একটি চক্র।বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বেড পেয়েছিলাম 😰
মোটরসাইকেলরে কাগজের পিতার নাম ঠিক নাই, বস এটি সিগনেচার করবে না, এটিতে ৪ হাজার লাগবে ৩৫০০ লাগবে পরের তিন হাজার দিয়ে করা হয়েছে এরপরও দুইদিন ঘুরে ঘুরে হয়রানি হয়েছি নিজে করতে চেয়েছিলাম দালালের হাত দিয়ে করতে হয়েছে।
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হজে যাওয়ার জন্য ছুটি পাস বাবদ দশ হাজার টাকা। পি এফ এনং পেনশন বাবদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করেছি।
ফুলপুর উপজেলার যে সাবরেজিস্ট্রি অফিস আছে, এই সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে একজন ব্যক্তি বসে থাকে যিনি দলিলগুলো সাবরেজিস্ট্রার স্বাক্ষর করার পর তার কাছে নিয়ে আসে এবং তিনি প্রত্যেকটি একশ টাকা, অনেকের কাছে এক হাজার টাকাও দাবি করে থাকে।
জার্মানী এম্বাসি থেকে নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য আমার কাছে 70 হাজার টাকা দাবি করে পরে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাই। এই টাকাটা এম্বাসির কর্মী বাংলাদেশে তার বউ কে পাঠানো হয় 2021 সালে।
চশমা মাপার সময় ডেট দিয়েছিল চার মাস পরে। এ সময় চক্ষু বিভাগের একজন ডাক্তারের সহকারী মহিলা, একজন মহিলা, বয়স্ক মহিলা এসে আমাকে বলে যে তোমার এটা আমি আজকে চোখের চশমার পাওয়ারটা মাপিয়ে দেবো। বিনিময়ে 100 টাকা দেওয়া লাগবে।
আমাদের চাঁদপুরের ভিতরে হাজিগঞ্জ থানা, ভূমি অফিসে সব কাজে টাকা ছাড়া কোন কাজে হয় না, নাম জারি করতে গেল টাকাও প্রচুর টাকা চায় বিশ হাজার ত্রিশ হাজার টাকা,
বাইক নিয়ে যাচ্ছিলাম আমার হেলমেট থাকলেও পিছনের জনের হেলমেট ছিলো না, তখন ট্রফিক পুলিশ আটকিয়ে টাকা দাবি করে না দিলে মামলা জরিমানার ভয় দেখায় গাড়ি আটকে রাখার ও ভয় দেখায়
আমার মায়ের পাসপোর্ট তৈরি করার আমি অনলাইনে ফরম পূরণ করি এবং অনলাইন পেমেন্ট করি। কিন্তু তারা আমার বাবার নামের বানান কিন্তু ২০০০ টাকা দিলে পাসপোট জমা নেয়।
প্রতিটি প্রকল্প থেকে ১৩% টাকা কেটে রাখে।ঘুষ বাবদ।
আমি নামজারি করার জন্য টাকা দিছি কিন্তু টাকা লাগে ১১৭০ তারা নিছে ২০০০০ টাকা । তারা আরো অনেক হুমকি দেয়।
Govt.Hospital e doctor er bodole compounder surjery korse and tk dabi korse
এখানে টাকা ছাড়া মামলা নেয় না । ওসি সাহেব আমার কথা শুনে এবং তদন্ত রিপোর্ট শুনে মামলা নিতে বললেও , এসআই রা টাকা ছাড়া মামলা নেয়া না ।
পোস্ট অফিস যেকোনো সেবা নিতে গেলেই টাকা লাগে যেমন সাধারণ সঞ্চয় পত্রের ফরম কিনতে গেলে ১৫০ টাকা লাগে, সঞ্চয় পত্রের মেইন কফি স্বাক্ষর কোথা থেকে গেল এক হাজার টাকা লাগে ,যদি কোন কারণবশত ভাঙতে চায় তাহলে আর্জেন্ট যদি টাকা লাগে দুই হাজার টাকা চায় না হলে ১৫ দিন ২০ দিন পরে দিবে বলে
Amar Birth Certificate kore dewar binimoye amar kase tk niase
নারায়ণগঞ্জ ১৬ নং ওয়ার্ডে কিছুদিন আগে BDS জরিপ এর জন্য জায়গা মেপে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমাদের ডেকে সকল দলিলাদির কপি সংগ্রহ করেন এবং পরবর্তীতে BDS খতিয়ান দেওয়ার নামে প্রতিটি খতিয়ানের বিপরীতে ২০,০০০/- টাকা দাবি করেন। যখন জানতে চাওয়া হয় কিসের জন্য টাকা দেওয়া লাগবে তখন তারা উত্তর দেন তারা মিষ্টি খাবেন।
দলিল অনুসন্ধানের জন্য বছর প্রতি ২০০ ও দলিলের নকল উত্তোলনের জন্য ১৬০০ থেকে ২৫০০ টাকা ফিস দিতে হয়। সব মিলিয়ে মনে আছে প্রায় ১৬৫০০টাকা দিয়েছি।
১ টি জমির খতিয়ান উঠাতে সরকারি সব খরচ বাদ দিয়ে,, ২০০০ টাকা দাবি,,,পরে অনেক অনুনয় বিনয় করে ১০০০ টাকা দিয়ে খতিয়ান আনতে হয়েছে
আমি একটি পারিবারিক সমস্যার জন্য আশুলিয়া থানায় যাই জিটি করার জন্য কিন্তুু আমারে বলে তারা একটি লেখিত আকারে দিতে হবে আমি বলিলাম যে কোথায় থেকে দেবো তারা বলে আমাদের লোক আছে তাদের কাছে লেখে নিলাম একটি ফরম ৫০০ টাকার বিনিময়।তার পরে জিটি কাগজ জমা দিলাম তারা বলে যে আমারদের লোক জাবে এই কথা বলে এবং বলে তার যে ওখানে দোখান আছে ওখানে বসেন আমরা ওখানে বসলাম পরে কনস্টেবল আসলো এবং বললো যে সারেরা যাবে তাদের খরজ আছে কিছু দিতে হবে এবং টাকার জন্য জোর করে এবং বলে টাকা না দিলে সারেরা যাবে না বাদ্য হয়ে টাকা দেই ৫০০ টাকা।সে বলে এটাকা দিলে যাবেনা পরে আমি ১০০০ টাকা দেই এই হলো দেশের আইন। গরিবের জন্য বাংলাদেশে টাকা ছাড়া আইন নাই,,,আমাদের আল্লাহ আছে,,,,।