ভোটার আইডি
এন আই ডি করার জন্য এত টাকা চেয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এন আই ডি করার জন্য এত টাকা চেয়েছে
আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স (IDP) পাওয়ার জন্য ২৪,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল— ৩০ দিনে করে দিলে ১১,০০০ টাকা, ১৫ দিনে করে দিলে ১৬,০০০ টাকা এবং জরুরি ভিত্তিতে মাত্র ২ দিনে করে দিলে ২৪,০০০ টাকা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা না দিয়ে এভাবে সময় অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থ দাবি করায় আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি।
ছিল আমি বলেছিলাম তাকে আমার বাসা নতুন করে বাসা বানাবো তার জন্য অনুমোদন দেওয়ার জন্য তার কারণে সে বলছে অনুমোদন নিতে হলে তাদের থেকে অনুমতি নিতে হবে তারপর বাসা বানানোর জন্য তার জন্য সে এই দাবি করে। আমাদের এই কুমিল্লা হাউসিং স্টেট এ গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ অনেকদিন ধরে এটি সমস্যা করতেছে। তাদের কাছে গেলে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।
১১শতাংশ নামজারির জন্য ১০ হাজার টাকা চাচ্ছে।
আমি একজন পুলিশ কর্মকর্তা হয়ে মামলা তদন্তের জন্য হাসপাতাল থেকে ভিক্টিমের মেডিকেল সনদ নিতে পরিশোধ করতে হয়েছে।
আইডি কার্ড সংশোধন করতে দেওয়ার সময় ৩০০ টাকা দিতে হয় কম্পিউটার চা-নাস্তা খরছ
আমার নরসিংদী জেলা থেকে ডিএমপি তে পোস্টিং হলে, বেতন চালুর জন্য টাকা দিতে হয়েছে
ভৈরব রেলওয়ে কলোনির খালি রেলওয়ে বাসা স্থানীয় কিছু ব্যক্তি, রেলওয়ের এইএন (AEN)-এর যোগসাজশে দখল করে আছে।এছাড়া এসব বাসায় রেলওয়ের বৈদ্যুতিক লাইন থেকে অনুমোদনবিহীনভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে প্রায় ৫০টি পরিবার বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। University প্রতি মাসে প্রতি বাসা থেকে আনুমানিক ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা করে দেওয়া হয়,যার বিনিময়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ চালু রাখার সুযোগ দেওয়া হয়।রেলওয়েতে অডিটের সময় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের তার খুলে ফেলা হয় এবং অডিট শেষ হওয়ার পর পুনরায় সংযোগ স্থাপন করা হয়। সম্প্রতি দেশে বিদ্যুৎ সংকটের সময় এ নিয়ে আরটিভিতে প্রতিবেদন বের হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কিছুদিন পর পুনরায় আবার চালু করে।সরকারি সম্পত্তি অবৈধ দখল,অনুমোদনবিহীন বিদ্যুৎ ব্যবহার,অবৈধ অর্থ লেনদেন করছে রেলওয়ে কর্মকর্তারা।
ফরিদপুর পলিটেকনিক এর মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্টের সি আই আমাদের ছাত্রছাত্রীদের কাছে পার পারশন ৫০০করে তাকে দিতে বাধ্যকরছে।আমাদের বাচান।
নামজারী খতিয়ান সৃজন করিতে ২০০০০ টাকা দাবী দলিলের খুটিনাটী ভুল দরে
আমার বোন অত্র প্রতিষ্ঠানের ছাত্রী। তার ষষ্ঠ শ্রেণীর রেজিষ্ট্রেশন কার্ড নেওয়ার জন্য আমি অফিস কতৃপক্ষের নিকট আবেদন করছিলাম।কিন্তু তারা আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবি করছিলো।অনেক কথা কাটাকাটি করার পরে আমি ৫০০ টাকা পরিশোধ করে রেজিষ্ট্রেশন কার্ডটি তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করছি।সেই রেজিষ্ট্রেশন কার্ড প্রতিষ্ঠান থেকে ফ্রি তে দেওয়ার কথা
আমি বাইকের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম । সরকারি নিয়ম অনুসারে প্রথমে ফি পরিশোধ করে লিখিত পরীক্ষা পাশ করে ভাইভা দিতে গেলাম ভাইভাতে কিছু পারলাম কিছু পারলাম না। ফেল করালো। পরের বার একজন দালালের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা বেশি নিয়ে ভাইভাতে তেমন কিছুই না ধরেই পাশ করিয়ে দিলো।
আমার উকিল বলছে গত ৫ বছরের ট্যাক্স রিটার্ন আবার সংশোধন করে জমা দিতে হবে। তাই আবার ফাইল খুলতে হবে। ফাইল খুলতে ট্যাক্স অফিসারদের ৩০ হাজার টাকা দিতে হবে। আবার ম্যাজিস্ট্রেট কে দিতে হবে নাকি ২০ হাজার টাকা। গত ৫ মাস ধরে আমি হয়রানির শিকার।
I paid them extra for the straecher 50-100 taka everyday to get the stretcher Per day dressing purpose 200 taka I didn't get any test form the hospital like x-ray,blood test. When we see we not getting the careful treatment we take the release letter.after we leave the hospital One the dressing stuff call me for some money.
সোনালী ব্যাংক পিএলসি, পটিয়া শাখায় পে-অর্ডার করতে গেলে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তি ১৫,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করেন। একইভাবে ঋণের আবেদন প্রক্রিয়ায় শাখা ব্যবস্থাপক চা-নাস্তার খরচের নামে আরও ৫,০০০/- টাকা দাবি করেন। আমার হাতে সময় কম থাকায় আমি দিতে বাধ্য হই।
জমি খারিজ করতে গেলে বেশি টাকা চায়, সরকারি নির্ধারিত ফির বেশি। চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ থানার, সুহিলপুর ভূমি অফিস
আমার জন্ম নিবন্ধন আছে পুরোটাই ইংলিশে আমি দেশের বাইরে এপ্লাই করেছি যার জন্য আমাকে আপডেট কপিটা লাগবে আমি এটা আনতে গিয়েছিলাম আমাকে অনলাইনে এপ্লাই করানোর পরে যখন আমি এটা জমা দি আমাকে বলে এক হাজার টাকা দিতে হবে টাকা না দিলে আপনাকে ডিসি অফিসে গিয়ে জন্ম নিবন্ধনের ওইখান থেকেও অনুমোদন নিয়ে আসতে হবে আর টাকা দিলে লাগবে না আমি করে দিব এইসব ওয়ার্ড সচিবরা মানুষকে প্রতিদিন ৫০০, ১০০০ টাকার জন্য হেনস্তা করে এই পর্যন্ত আমি যতজন ওখানে গিয়েছে সবার মুখে একই কথা যে সবার কাছ থেকে৫০০-১০০০ কারো কাছ থেকে ২০০০-৩০০০ দাবি করে
আমার মোবাইলটি চুরি হওয়ার পর সেনবাগ থানায় জিডি করলে ৬ মাস পর পুলিশ কল দিয়ে বলে, থানায় আসতে। পরে সোনাইমুড়ী থানায় যেতে বলে, পরবর্তীতে একজন ASI (নাম জানা আছে)বলে আমরা আপনাদের মোবাইল ১০০%আনতে পারবো কিন্তু টাকা লাগবে, আমরা বলছি কেন? উনি বলতেছে খরচ আছে। বলতেছে টাকা দিলে উদ্ধারের জন্য যাবে পুলিশ, আমরা বলছি দিবো। কিন্তু আমার মনে হয়েছে অলরেডি পুলিশ মোবাইল উদ্ধার করেও পেলছে।পরবর্তী দিনে আমরা থানায় যাই সেই ASI আমাদেরকে মোবাইল দেখায়, আমরা নিশ্চিত করি আমাদেরই মোবাইল।তারপর আমাদের থেকে বক্স নিয়ে চেক করে থানা থেকে বের হয়ে রাস্তায় আমাদের কাছ থেকে ৫০০০ দাবি করে। আমরা ৩৬০০ টাকা দিয়ে সেখান থেকে আসি,এবং বেগমগঞ্জ থানায় নিয়ে এক বড় পুলিশ কর্মকর্তা দিয়ে আমাদের হাতে মোবাইল উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জাঙ্গালিয়া বিদ্যুৎ অফিস,কুমিল্লা থেকে পেনশনের বইটি চাঁদপুরের বিদ্যুৎ অফিসে ট্রান্সফারের জন্য আবেদন করে ছিলাম।বাইটি চদপুরে পাঠানোর জন্য ৫০০০ টাকা চাঁদা/ঘুষ দাবি করেছে আমার মায়ের কাছে।অথচ আমার মা মাসিক ৪৫০০ টাকা পেনশন পায়।
জমি রেজিস্ট্রির জন্য কিশোড়গঞ্জ জেলার, কটিয়াদী উপজেলায় ভূমি অফিসে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করা হয়েছিলো। নইলে নানা বিরম্বনায় ফেলছিলো। সম্ভাব্য ম্যাজিস্ট্রেট/এসিল্যান্ড ছিলো।