পাসপোর্ট
আমার পাসপোর্ট এর জন্য আমার আইডি কার্ডে নাকি সমস্যা ছিলো ক্লিয়ার না তারা ঠিক করে নিবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পাসপোর্ট এর জন্য আমার আইডি কার্ডে নাকি সমস্যা ছিলো ক্লিয়ার না তারা ঠিক করে নিবে
নতুন টি সি বি লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে তথন্ত কর্মকর্তাকে দেই 3000 টাকা , উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তাকে দেই 4000 টাকা, তারপর জেলা ডিসি অফিসে দেই 3000 টাকা যদিও তাদের ডিমান্ড ছিল বেশি, তারপরও কাজটা হবে না, কারন ছুরান্ত পর্যায়ে এম পির ডিও লেটার লাগবে, সো আমি ব্যর্থ।
আমার ডকোমেস এর বিভিন্ন বুল দরতো ইচ্ছাকরে টাকার জন্য সব সময় বলতো আগামী কাল অনেক দিন গুড়ার পর আমি টাকা দি টাকা দেওয়ার পর আর কোন কিছু বলে নাই কাজ হয়ে গেছে
আমার বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দরকার।এজেন্সি বলছে দ্রুত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট করার জন্য।পরে আবেদন করার ৩দিন পর থানায় যোগাযোগ করার পর ৭দিনে করে দিবে বলে ১৫০০ টাকা বাড়তি দাবি করে।দরকার থাকায় বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা বাড়তি দিতে হইছে। ১৫০০ টাকা আবেদন আর ১৫০০ টাকা ঘুষ
হাসপাতালের টলি বয় কে দিতে হয়েছে তা ছাড়া টাকা ছাড়া কোন রোগীর বেড পাওয়া যায় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় টাকা দিলে সকল কিছু পাওয়া যায় হাসপাতালের X rey kora jay
আমার শাশুড়ি মা এর সিজার এ মেয়ে বাবু হয়েছিল। মিটফোর্ড এর সলিমুল্লাহ হাসপাতাল এ আয়া গুলো ১০০০ টাকার নিচে বেবি দিবে না। বেবি কে নিয়ে ওয়ার্ড এ যেতে হলে ১০০০ টাকা তাদের দিতেই হয়। ওদের কে টাকা দেওয়ার পর যখন বেডে ট্রান্সফার করে তখন আবার অন্য আয়াদের টাকা দিতে হয় বেড দেওয়ার জন্য। রিলিজ নিয়ে বাসায় যাওয়ার সময় ও চা নাস্তার টাকা দিতে হয়েছে ।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার এর এআইজি ম্যানেজমেন্ট-৩ বদলি ইস্যিতে আলোচনা করতে গেলে।উনি নানা অযুহাত দেখান।এটা এই আইনে হয় না।এরপর উনাকে বললাম আপনি কত হলে করবেন।উনি বলেন দেড় লাখ হলে করা যাবে।এরপর প্রত্যাখান করে চলে আসছি।।পরবর্তীতে অফিসিয়াল ভাবে বদলি কাজ আগানোর পরে,উনি সেটা তার অফিসে বাতিল করে দেন।আর পুলিশ বদলি বাণিজ্য যেনো এক রমরমা ব্যাবসা।
সময়টা ছিল ২০২২ আমার দাদা-দাদী ও চাচি সহ ওমরা হজ করার জন্য পাসপোর্ট করতে যাই নীলফামারী পাসপোর্ট অফিসে। কিন্তু অফিসে যাওয়ার পরে এটা ওটা ভুল ধরে প্রথম দিনে বাড়িতে ফিরে আসতে হয় আমাদের। পরের দিনে আবার গেলাম সংশোধন করে কিন্তু কাজ হলো না। কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিতে হয় ৬০০০ টাকা। অফিসের সামনের কম্পিউটার দোকানের মানুষগুলোর সাথে অফিস স্টাফদের ভালই সম্পর্ক। বেশিরভাগ লেনদেন করে এদের মাধ্যমে কখনো আবার সরাসরি।
আমি যখন আবেদন করি আবেদনটি তারা মাসের পর মাস ঝুলিয়ে রাখে যখন সার্ভের সাহেব কে বললাম আপনি আমার রিপোর্ট দিচ্ছেন না কেন উনি বললেন স্যারের নিষেধ আছে এরপরে ওই অফিসের একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী দ্বারা আমার কাছে টাকা চাওয়া হয় ৩০ হাজার পরে তার রিপোর্ট নিতে বাধ্য হয়েছে টাকা আমাকে দিতে হয়।
জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে ৫০ টাকার বদলে ৩০০ টাকা চেয়েছিল।
আমাদের বাপ দাদার কিছু সম্পত্তি এক ভাই আরেক ভাইকে দিবেন। তো সেটার জন্য কিছু জরুরী কাগজ পত্র ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আনার প্রয়োজন হয়েছে। সেই কাজ করতে নাকি ৩০০০ হাজার টাকা লাগবে । পরে আমার মা অনেক বলে ৬০০টাকা দিয়ে করে আনেন। সরকারি কোন সেবা নিতে গেলেই এমনি করে। বলে সচিব কে সরকার টাকা দেয় না তাই এভাবে টাকা নেয়
আমার এনআইডিতে আমার বাবা মার নাম ভুল ছিল এটা ঠিক করার জন্য আমার কাছে ৫০০০ টাকা চাইছে এর কনভারসেশন আমার কাছে আছে চাইলে দেয়া যাবে প্রমাণ যাকে প্রমাণ বলে
বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারি চাকরি তে শিরাই শিরাই দূনীতি ঘূষ ঢুকে গেছে। কাকে ভালো বলবেন সাধারণত আমরা ভাবি ডিফেন্স জব ঘূষ লাগে না।বাস্তবে ওখানে সবচেয়ে বেশি দূনীতি।
অফিসাররা সহজে কথা বলতে চায় না কিংবা কোনো ইনফরমেশনই দিতে চায়না। সিস্টেম এমনভাবে ডেভেলপ করা যাতে যে কেউ দালালের সহযোগিতা নিতে বাধ্য হয়। অতিরিক্ত টাকা না দিলে ফিল্ড টেস্টে ফেল করিয়ে দেয়াও হয়। দালাল ধরলে খুব সহজেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যায়।
আমি বলেছি ১ লাখ টাকা দেব কোন ব্যাংকে ড্রাফট করতে হবে তা আমাকে বলুন টাকা সরকারি ফাণ্ডে চলে যাক,আমি ক্যাশ দিবো না। তারা নিজেরা চেয়েছে,আমি দিতে রাজি হইনি।
আমি ২০১৫ সালে এসএসসি পাশ করি একটি স্কুুল থেকে , সেখানে সার্টিফিকেট উত্তলনের জন্যি গেলে প্রতিষ্ঠান কৃপক্ষ ৩০০০ টাকা দাবি করে তাছাড়া সাটিফিকেট দিচ্ছেনা । কিন্তু সার্টিফিকেট তো সরকার থেকে ফ্রি দেওয়ার কথা । প্রত্যক স্টুডেন্টকেই ৩ হাজার টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে আমর আমি এখনো আমার সার্টিফিকেট তুলতে পারিনি অতিরুক্ত টাকার জন্য
পুলিশ ক্লিয়রেন্স করতে সব কাগজ দেওয়ার পরও সার্টিফিকেট পাওয়া যায়না। কাপাসিয়া থানায় ৪০০০ টাকা দিলে সার্টিফিকেট পাওয়া যায়।
হিন্দু একটি ছেলে। বাড়ি কাকচিড়া দিয়া ভিতরে। আমাদের বামনা উপজেলায় একটি ইউনিয়ন ভুমি অফিসের অফিস সহায়ক। ঘুষ বানিজ্য করে প্রায় কোটি টাকার সম্পদ করেছে। কিনেছে মাইক্রোবাস পিকআপ এবং এম্বুলেন্স ভাড়া দেওয়ার জন্য।
নবায়ন করতে গিয়া নিদিষ্ট টাকার চেয়ে বেশি চাওয়া হয়েছিলো। পরিশোধ না করলে ট্রেড লাইসেন্স পেতে দেরি বা ভোগান্তি হতো, তাই দিয়ে দিয়েছি।
দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করা যায় না। আর যদি কেউ অনলাইনে একা একাই টাকা পরিশোধ করে ,তাহলে তাকে ভাইবাতে ফেল করে দেয়া হয় ।আর যারা টাকা দেয় তারা কিছু না পারলেও পাস করে ।আমার জানা মতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের খরচ হয় ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার মোটরসাইকেলের জন্য, কিন্তু আমার লাগছে ৯৫০০ টাকা ।আপনি সরাসরি বিআরটিএ যায়ে কোন কাজ করবেন আপনার কাজ হবে না, দালাল দিয়ে টাকা দিবেন সব হয়ে যাবে।