সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৭,৭৪৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৪০.০ হাজার

মিউটেশন

ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব বলেছে আমার কাগজপত্র কোনদিনও ঠিক হবে না কারণ একের এক খতিয়ান থেকে আমার জমি আছে। কিন্তু আমি জমি ক্রয় করার দলিল এবং মাঠ পর্চা দেখিয়েছিলাম তারপরও আটকে রেখেছিল ধীরে ধীরে আমি আর ধৈর্য ধরতে না পেরে টাকা দেওয়া শুরু করেছিলাম। প্রথমে পাঁচ হাজার তারপরে সাত হাজার এমন করে সর্বমোট ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমার মিউটেশনটি সম্পন্ন হয়।

ইউনিয়ন ভূমি অফিস, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳৫০.০ হাজার

নামজারি

আমার বাবার নামে আর এস রেকর্ডকৃত জমি নামজারি আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব করা হয় কিন্তু এসিলেন্ট সাহেব তার সহকারীর মাধ্যমে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ যাবে দাবি করে। আমি উক্ত টাকা না দিলে আমার বাবার নামের নাম জারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেই।

রায়পুরা,নরসিংদী, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ট্রাফিক পুলিশ ৳১.৫ হাজার

আশুলিয়া অঞ্চলের বেরিবাদ এর ট্রাফিক পুলিশ খুব খারাপ

আমার গাড়ির সব পেপারস কম্পলিট ছিল, শুধু নাম্বার প্লেট টা হাতে পাইনি,, নতুন গারি, নাম্বার প্লেটের পরিবর্তে পেপার ছিল,, এটা নিয়ে অনেক ঝগড়াঝাঁটি,, আমার কাছ থেকে ১৫ ০০টাকা জরিমানা নেয়,আমি অনেক রিকুয়েস্ট করে বলেছি আমার একজন রোগী অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি আছে, কিন্তু উনি কোনভাবেই আমাকে ছেড়ে দেয় নাই,আমার কাছে শেষ সম্বল পনেরশো টাকাই ছিল, পুরো টাকাটাই ওনাকে দিয়ে দিতে হয়েছিল

আশুলিয়া বেরিবাদ, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৩.০ হাজার

দলিলের নকল তল্লাশি

আমার একটি দলিলের তারিখ মাস ও সাল জানা আছে দাতা গ্রহীতাও জানি শুধু দলিল নাম্বার আমার কাছে নেই। সেই দলিলটি শুধু খুঁজে বের করতে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু আমার কিছু করার ছিল না জিনিসটা আমার প্রয়োজন। অফিস থেকে জানানো হয় আমাদের ইনডেক্স নষ্ট হয়ে গেছে । বাংলাদেশে সবথেকে দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয় হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়। যদিও সব রেজিস্টার অফিস আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সব মিলিয়ে ভূমি সেবা মানেই দুর্নীতি

ঠাকুরগাঁও, রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৪০.০ হাজার

বগুড়া টু সিরাজগঞ্জ রেল লাইনে ভুমি অধিগ্রহনের টাকা উত্তলন

আমি একজন সরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা, আমার জমি রেললাইনের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। আমি শত চেষ্টা করেও ঘুষ ছাড়া টাকা উত্তোলনের চেক পাই নাই। জানতে পারলাম ৩% ঘুষ না দিলে চেক হবে না। ডিসি অফিস LA শাখা, সিরাজগঞ্জ। পরে ৪০০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে ১৩ লক্ষ টাকার চেক পাইছি। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের সংশোধিত প্রাক্কলিত ব্যয় বা বাজেট দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তাহলে ৩% হিসাবে ৩৭৫কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্য হয়েছে। এটাই আমাদের সোনার বাংলাদেশ। যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তাদের ৯৫% কৃষক, তারা ঘুষের হিসাবটা অনলাইনে দিতে পারে না। তাই প্রকৃত তথ্য প্রকাশ পায় না।

সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৭৫.০ হাজার

পরিবেশ অধিদপ্তর এর ছাড়পত্র জন্য

আমার ফ্যাক্টরির জন্য অবস্থানগত সার্টিফিকেট না নিয়ে পরিবেশগত সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছিলাম। আমাকে যতনগত সার্টিফিকেট এ বিষয়ে আমার কোন ধারণা ছিল না। আমি ফ্যাক্টরি নির্মাণ অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন করি, তারা আমাকে এই ভুলটা উল্লেখ করে ও শৃঙ্খলা হবে এই হুমকি দিয়ে অবস্থানগত সার্টিফিকেটের জন্য ৫০হাজার টাকা দাবি করে তারপর পরিবেশ গত সার্টিফিকেট জন্য আবেদন করতে বলে এবং সেটার সরকারি খরচ ২৫ হাজার টাকা। এবং তার জন্য তার আরো ২৫ হাজার টাকা দাবি করে যেন আমি পরিবেশগত সার্টিফিকেট দ্রুত পাই। সর্বমোট তার ২৫ হাজার এর ৭৫ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখে। অর্থাৎ আমার এক লাখ টাকা তার খরচ হবে। যেখানে আমার সরকারি খরচ এ সর্ব ২৫ হাজার টাকা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।

Bogura, রাজশাহী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে পাসপোর্ট অফিস ৳২.৫ হাজার

পাসপোর্ট তৈরি

যখন আমি নিজে আবেদন ও জমা দেওয়ার জন্য নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই, সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও জমাটি গ্রহণ করা হয় না। পাসপোর্ট অফিসের বাইরে প্রধান সড়কে অনেক দোকান আছে। ঐ দোকানগুলোর ভেতরের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ আছে। দোকানগুলোকে অতিরিক্ত দুই-তিন হাজার টাকা দিলে তারা ফাইলে কিছু একটা লিখে, শনাক্ত করে ফাইলটি পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে জমা দিয়ে দেয়।

নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৮.০ হাজার

খাজনা পরিশোধ

আমার খাজনার পিমান ছিল ২৮০০ টাকা। ভুমি অফিস থেকে শুনে পরের দিন খাজনা দিতে গেলে বলে ৮০০০ টাকা লাগবে নয়তো হবে না।জমির নাম পত্তন করার জন্য জরুরী ছিল তাই বাধ্য হয়ে ৮০০০ হাজার টাকা দিতে হয়। কিন্তু আমার সেই ২৮০০ টাকার রশিদ দিয়েছিল

বলুহর কোটচাঁদপুর ঝিনাইদহ, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২০০

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন

আমি আমার বাবা-মায়ের জন্ম নিবেদন সংশোধন করতে গিয়েছি। প্রতিটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য সরকারি ফি ১০০ টাকা কিন্তু সে প্রতিটি জন্ম নিবেদন সংশোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা রেখেছে। তাহলে দুটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আমাকে ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে যার মধ্যে ২০০ টাকা হলো সরকারি ফি আর ২০০ টাকা হল বাড়তি আদায়কৃত টাকা। আমার খুব ইমার্জেন্সি ছিল তাই আমাকে ৪০০ টাকা দিয়ে সেটি করিয়ে নিতে হয়েছে।

ভোলা, বরিশাল ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৩.৫ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স

মোটরসাইকেল লাইসেন্স করার জন্য সরকারি খরচ ৫৫০০-৫৬০০। কিন্তু দালাল ছাড়া এটি সম্ভবই না। প্রথমবার দালাল ছাড়া করতে গিয়ে পরীক্ষায় ফেল করায় দেওয়া হয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৪০০০ টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়। দালালের সাথে সেখানকার বড় অফিসারদের ঘনিষ্ঠ তা আছে যাদের মাধ্যমে তারা ঘুষ গ্রহন করে কাজ করে।

শহর, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে ভূমি অফিস ৳১.০০ লাখ

নামজারি

নামজারি করতে গিয়েছিলাম, মামলায় জিতে মামলার রায়ের কপি নিয়ে জায়গা বড় দেখে নামজারি করতে টাকা চেয়েছে এক লাখ, নইলে আর একটি রায় লাগবে অথবা এক লাখ টাকা লাগবে, এক মামলায় জিতে আসতে আমার ১৪ বছর লেগেছে এখন আমি আর একটি রায় কোথায় পাবো, একখন আমার এক লাখ টাকা ঘুষ দিলে আমার কাজ হইবে আর ঘুষ দিতে না পারলে আমার কাজ হইবে না।

নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳১০.০ হাজার

প্রাথমিক শিক্ষক বদলি

প্রাথমিক শিক্ষক বদলি এক বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি হওয়ার জন্য গিয়েছিলাম সেখানে ৫০০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল আমি ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাগজপত্র জমা দিয়ে আসছি এ হচ্ছে প্রাথমিক সেক্টর এর অবস্থা।

লালমোহন, বরিশাল ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৯৮.০ হাজার

Khazna

I live abroad in the UK. I went to BANGLADESH to pay my Khazna. They advise me that I have to pay online which I didn’t know how they said they can organise everything for me but I had to pay them 98,000 taka but when they gave me the receipts for Kazna each receipt showed only few hundred taka when I questioned the receipt they said all your khazna is paid and clear you do not have to worry about anything. The remaining money will go to the officers who facilitated in paying my khazna online. The address of the office which took my payment is in Hheramishi Khazna Office 📃 Sheramishi Tana: Jogonnathpur District: Sunamgonj Bangladesh

Sunamgonj, সিলেট ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১৫.০ হাজার

নাম জারীর জন্য ১৫০০০টাকা দিতে বাধ্য হই।

দালাল ছাড়া কিছু ই করা যায় না এবং অফিসে কারো সাথে কথা বলা খুবই মুসকিল আমরা নির উপাশ

ময়মনসিংহ (অন্যান্য), ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২.৫ হাজার

১৫০ধারা মামলার রায়ের নকল ও বাদীর কপি পাওয়ার জন্য।

১৫০ধারা রেকর্ড সংশোধন মামলাটির আমি নিজে বাদি। গত ২৮/৫/২৬ তারিখে মামলাটির রায় হওয়ার পর সরকারী নিয়ম অনুযায়ী বাদীর অনুলিপি পাওয়ার কথা। কিন্তু আমি ডুমুরি ভুমি অফিসের সংশ্লিষ্ট শাখায় একাধিকবার যোগাযোগ উপস্থিত হয়ে কথা বলি, মোবাইলে যোগাযোগ করি। কিন্তু আমাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাতে থাকে। অবশেষ বমাকে নকলের জন্য আবেদন দিতে বলে। সরকারি ফিসহ আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা জানান দাদা অফিসের একটা সিস্টেম আছে। সিস্টেম টা হচ্ছে ২০০০টাকা লাগবে। আমি এতদিন ঘুরে নিরুপায় হয়ে রাজি হই এবং ১৫০০টাকা দিয়ে নকল সংগ্রহ করি। কিম্তু মামলার রায়ের অনুলিপির বাদীর কপি পেতে আবার সংশ্লিষ্ট শাখায় গিয়ে বিভিন্ন অজুহাত। নথি খুজে পেতে সময় লাগবে, লোক নাই ইত্যাদি। নিরুপায় হয়ে চা খাওয়ানোট কথা বলে ১০০০টাকা দিলে মামলার রায়ের বাদীর অনুলিপি আমাকে দেন।

খুলনা (অন্যান্য), খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৩৫.০ হাজার

পৈতৃক সম্পত্তি আলাদা আলাদা ছেলেদের নামে নামজারি করার জন্য ঘুষ দিতে বাধ্য করেছে

আমার বাবার পৈতৃক সম্পদ আমাদের ভাই দের নামে আলাদা নামে নামজারি বা খতিয়ান তৈরি করার জন্য আবেদন করেছিলাম। সরকারি নির্ধারিত অনলাইনে নামজারি বাবদ ফি প্রতিজনে ১১৫০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও মাধাইয়া ভূমি অফিস ( চান্দিনা ভূমি অফিসের একটা শাখা) সেখানে দায়িত্ব রত কর্মকর্তা কর্মচারীরা ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। এবং এটা যদি না দেওয়া হয় তাহলে তারা কোনো কাজ করতে পারবে না সরাসরি জানিয়ে দেন। তাদের ব্যবহার খুবই জঘন্য। এমন কোনো কাজ নেই তারা ঘুষ না নিয়ে করেছে। সরকারি ফি র কথা বললে তারা বলে সরকারের ঘর থেকে গিয়ে করে আনতে। তারা যেটা সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে। বাধ্য হয়ে আমাদের সকল ভাইদের ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে তাদের চা- নাস্তার জন্য।

কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳১.০ হাজার

এম্পিও ফাইল ছাড়করন ( MPO)

কোম্পানীগঞ্জে এমপিও ফাইল ছাড়করণে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে আমার এমপিও-সংক্রান্ত ফাইলের কাজের ক্ষেত্রে আমি নিজেই অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক লেনদেনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছি। আমার এমপিও-সংক্রান্ত ফাইল ছাড়করণের কাজের জন্য বর্তমান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আমাকে ১,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার সময় আমাকে আবার বলা হয়, টাকা না দিলেও নাকি কাজটি হয়ে যেত। অর্থাৎ টাকা নেওয়ার পরও এমনভাবে বলা হয়েছে যে, আমি যেন নিজের ইচ্ছায় বা খুশি মনে টাকাটি দিচ্ছি। আমার প্রশ্ন হলো—যদি কাজটি নিয়ম অনুযায়ী এমনিতেই হওয়ার কথা থাকে, তাহলে সেই কাজের জন্য একজন শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার প্রয়োজন কেন?

কোম্পানিগঞ্জ, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১০.০ হাজার

স্টাম্প উওোলন/স্টাম্প ভেন্ডিং

আমাদের চট্টগ্রাম কোর্ট হিল ট্রেজারিতে যখন স্টাম্পের চালান করি আমাদের চালানের পরিমাণ থাকে ৪৯৫০০=/ টাকা চালান।মোট ৫০০০০=/টাকা তারা নেয়।এখন সরকার আমাদেরকে যে ৫০০ টাকা কমিশন দেয় তা তারা জোর করে নিয়ে নেয়।যদি ৫০০ টাকা তাদের না দেওয়া হয় তারা ট্রেজারিতে মালের সংকট দেখায়।আর তারা পরবর্তীতে সে লাইসেন্সকৃত ভেন্ডারদের সাথে খারাপ আচরণ করে। আমরা সপ্তাহে এইরকম ৪৯৫০০× ২০=৯,৯০,০০০ টাকা বান্ডেল স্টাম্পের চালান করি। বাকি ৫০০×২০= ১০,০০০টাকা সপ্তাহে।অথাৎ আমাদের সহরে যত ভেন্ডার আছে সবার থেকে তারা এই ভাবে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।এই অনিয়ম এর বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়াচ্ছে না। দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধের দাবি জানাচ্ছি সরকারের কাছে।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য