জমির নামজারী
যখন নামজারী করতে যাই তখন তসিলদারের এক সহকারী ১০০০ টাকা দাবি করে।টসকা ছাড়া খসড়া খতিয়ান করবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
যখন নামজারী করতে যাই তখন তসিলদারের এক সহকারী ১০০০ টাকা দাবি করে।টসকা ছাড়া খসড়া খতিয়ান করবে না।
একটা টেস্টের জন্য অনেক সিরিয়াল দিতে হয় পিজিতে, ডাক্তারের এক সহচর (পড়ুন চামচা) ও আনসার বলল টাকা দিলে সিরিয়াল ছারাই কাজ হয়ে যাবে। অথবা সারের অন্য একটি প্রাইভেট হাসপাতালে করান কমে করে দিবে।
মিষ্টি খাওয়ানোর জন্য। সবার কাছ থেকেই টাকা নেয়।
আমাদের ক্যান্সার রোগীর টাকা সমাজসেবা থেকে সোনালী ব্যাংক সাকায় আসে,,কিন্তু সেই টাকা উটাতে গেলে ম্যানেজার আর তার পিয়ন বলে সরকারি কি কাজে নাকি টাকা কেটে রক্ত হয়,পরে পিয়ন টাকা তুলে গোপন কক্ষে ডেকে নিয়ে 3500 টাকা দাবি করে আর আমি জড়াজড়ি করে3200 টাকা দেই,,,
পাবনা পাসপোর্ট অফিসে প্রথমে পাসপোর্টের আবেদ করি। কয়েক বার নানা অযুহাতে প্রত্যাখ্যান করে, তবে আশেপাশের দালাল ধরলে আর কোন সমস্যা নাই। আমি একজন সিভিল প্রকৌশলী, কেন দালাল ধরব এই জিদ করে ৩-৪ দিন ঘুরে ঘুরে অবশেষে জমা দিতে পারলেও পাসপোর্ট ডেলিভারির দিনও পাসপোর্ট না পেয়ে আবার অফিসে গিয়ে দেখি আমার পাসপোর্ট এর কাগজ ওভাবেই ফেলে রেখেছে, আমার সাথে যারা দালাল ধরেছিল সবার হয়ে গেছে অলরেডি। সেদিন আমার কাগজ আপডেট করে দিল, তার ৭/৮ দিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশন এ চাটমোহর থানায় ডাকলে সকল তথ্য দিলাম SB অফিসার কে, আর বলল ২০০০ টাকা লাগবে, জোর করে ২০০০ টাকা নিয়েছিল। আমার জীবনে ২য় ঘুষ ছিল এটা
আমার কাছ থেকে জমির খারিজ করার জন্য ১০০০০ টাকা নিয়েছে।
মসজিদ চাঁদা বলে বছরের পর বছর সকল জমি ক্রেতা বিক্রেতাদের থেকে ৬০০ করে টাকা নেয়।আমি প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বার দেই। তৃতীয়বার রশিদ চাই। কিন্তু রশিদ চাইলে বলে এখানে ১০০ টাকা মসজিদ চাঁদা বাকিটা খরচা।কিন্তু এই মসজিদ চাঁদা কথাটাও মিথ্যা। সকল সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে বছরের পর পর বছর নিচ্ছে। জমি ক্রয় বিক্রয়ে জমি বাড়ি হলে রেজস্ট্রি খরচা বাইরে ৫০০০ টাকা নেয়।
ব্যাংকের চেক বই আনতে গেছিলাম বললো হবে না। পরে বললো ৫০০৳ দিলে ৩ চেক বইয়ের পাতা দিতে পারবে
আমাদের বাড়ির পাশের জমির মালিক আমাদের সহ সরকারকে বাদি করে একটি মামালা করে খুলনা জোনাল অফিসে ওখানে আমার আব্বু গেলে কাছে বলা হয়েছে যে যদি সঠিক টাকা না দেওয়া হয় ২৫ হাজার টাকা না দেওয়া হয় তাহলে আমাদের জায়গা থেকে কিছু অংশ উলটপালট করে দেওয়া হবে ফলে আমার আব্বু ভয়ে ওদেরকে পঁচিশ হাজার টাকা দিয়ে দেয়।
সমস্ত টেবিল ঘুরে যখন এ্যাসিল্যান্ড এর টেবিলে যাবে এই কেস মঞ্জুর করার জন্য অফিস সহকারী ৫০০০ টাকা নিলো।
নাম্বার প্লেট লাগানোর সময় এবং গাড়ির স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে পৃথকভাবে ১০০ করে মোট ২০০ টাকা চেয়ে বসে।
আমি একজন সরকারি কর্মচারী। আর্মি পে টু আমাদের টিএ/ডিএ বিল পাশ করানোর জন্য ২০% হারে ঘুষ দিতে হয় তা না হলে আমাদের বিল পাশ হয় না। আমি একজন সরকারি কর্মচারি হয়ে যদি ঘুস দিতে হয় তাহলে সাধারন মানুষের কি অবস্থা হবে। এটা দেখার কেউ নাই।
সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রসেস ফি বাবদ্পেএকটি পেকেজে ১০,০০০ টাকা চেয়েছেন। যাতে আমাকে আর অফিসে চেয়েছেন। টাকা দিলে আমাকে ফাইলের কোন খুজ নিতে হবে না। এক সপ্তাহের মধ্যে প্রসেস হয়ে সার্টি ফিকেট পেয়ে যাব।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। আমার কাছে চেয়ারম্যান কর্তৃক চারিত্রিক সনদপত্র ছিল না। এইজন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে।
Ame oi khane jawar por sob kichu bolar por amar ai taka dabi kore er ame chole ashi
লাইসেন্স করতে গেলে টাকা লাগবেই
আমার সার্টিফিকেট সত্যায়িত করার পিয়নকে দিয়েছিলাম
বয়স্ক ভাতার কাগজ কার্ড করতে গেলে এই টাকা দাবী করে।
আমি গিয়েছাম, গাড়ীর ফিটনেস আপডেট করতে । সেই খানে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কারণ সরকার নাকি অফিস খরচ চালায় নাহ ।
মিসকেস মামলায় বাদী পক্ষে র নিকট থেকে টাকা খেয়ে,এসিল্যান্ড বিবাদীর কাগজপত্র না দেখেই, জমাখারিজ ভেঙে ফেলেছে। বিবাদীর সাবকাওলা দলিল,দখল,খাজনা র রশিদ, ৩০ বছরের থাকা সত্ত্বেও।