এরিয়ার বিল
২০৯ সালে চাকুরীতে জয়েন করার পড় ২ টা অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার কথা। ২০২৬ সালে এই অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি। তাই ২০২৯ থেকে ২০২৬ সালের এরিয়ার বা বকেয়া বিল তোলার জন্য জন প্রতি 1500 টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে। আমরা মোট ২৫ জনের মত এই সমস্যায় আছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০৯ সালে চাকুরীতে জয়েন করার পড় ২ টা অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার কথা। ২০২৬ সালে এই অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি। তাই ২০২৯ থেকে ২০২৬ সালের এরিয়ার বা বকেয়া বিল তোলার জন্য জন প্রতি 1500 টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে। আমরা মোট ২৫ জনের মত এই সমস্যায় আছি।
যেহেতু আমাকে দলিলটা করতে হবে সেজন্য আমি নয় হাজার টাকা তাদের জরিমানা দিয়েছি। এটা ছাড়া কি হতো না এটা ছাড়া কি সম্ভব ছিল না।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ডেন্টালে দাঁতের চিকিৎসা নিতে গিয়ে সিরিয়াল দিয়েছে ২০ দিন পর। পরে ডেট এগিয়ে দিতে বলায় এগিয়ে দিয়ে টাকা দাবি করে। ২০ টাকা দিলে নেয়নি, পরে ৫০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমি একটি জমির খারিজ করার জন্য গিয়েছিলাম আমার কাগজ পাতি সব ঠিক আছে তারপরও ওনারা কমিটি খারিজ করার জন্য আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছে তাছাড়া কাজ করবে না তাই আমি এটি প্রত্যাখ্যান করে চলে এসেছি
নতুন পাসপোর্টের আবেদন করতে গেছিলাম।কম্পিউটারের দোকানে আবেদন করতে গেলে একলোক এসে ১৫০০০ দিতে বলে।আর বলে ১৫ দিনের মধ্যে বের করে দিবে পাসপোর্ট। আমি তাকে টাকা না দিয়ে নিজে আবেদন করি,টাকা জমা দেই।৫ বছরের মেয়াদে ৬০০০ বা এর আশেপাশে লেগেছিলো।এর পর থেকে শুরু হয় নানান বিড়ম্বনা। একে একে ১২ বার গেছি পাসপোর্ট অফিসে।নানা সময় নানা কারন দেখিয়ে আমাকে ফিরিয়ে দেয়।শেষ পর্যন্ত আর পাসপোর্ট টা হাতে পাইনি।আজ ৫ বছর পার হবার পর এখন ফোন দিয়ে বলে আমার পাসপোর্ট রেডি।এখন নিতে যেতে বলে।আমার কথা হলো,ট বছরের মেয়াদে পাসপোর্ট করেছি।৫ বছর পর এখন ফোন দিয়ে বলে পাসপোর্ট রেডি।সবই দরবেশ বাবাকে প্রত্যাখ্যান করার ফল এখন বুঝতে পারতেছি।
অভিযোগ বিষয়: জন্ম নিবন্ধনের অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ। আমি আমার ২ বছর বয়সী সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ৬ নং রাজিউড়া ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে যাই। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আমার কাছে ২০০ টাকা ফি দাবি করেন। আমি সরকারি ফি ৫০ টাকা বললে তিনি রেগে গিয়ে বলেন, “২০০ টাকা না দিলে জন্ম নিবন্ধন বাতিল করে দেব।” বাধ্য হয়ে আমি ২০০ টাকা দিয়ে সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করি। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
ভুমি অফিসের দলিল লেখকের মাধ্যমে ঘুষ নেন তারা
আমি প্রথমে অফিসে সব কাগজ পাতি নিয়ে যাই, কিছুক্ষণ ঘোড়াঘুড়ি করি কিন্ত তারা একসেপ্ট করলো না তারা বলে দিলো বাহির থেকে আবেদন করে আসুন। তারা একটি দোকানের নাম বললো,সেখানে গিয়ে তাদের সাথে কথা বললাম তারা,বলে দিলে ১৪৫০০টাকা লাগবে অনেক রিকুয়েষ্ট পর তারা এক হাজার টাকা কমিয়ে ১৩৫০০ টাকায় করতে রাজি হয়। কিন্তু আমি নিরুপায় হয়ে করতে বাধ্য হয়। এখন
আমার একটি কলেজে ভর্তির জন্য যাবতীয় যত রিকোয়ারমেন্ট ছিল সবই আমি পূরণ করেছিলাম(মার্ক+gpa)।এখন আরেক কলেজ থেকে আমি ট্রান্সফার হয়ে এই কলেজে আসতে চাচ্ছিলাম।তবে সাধারণভাবে আসতে পারলেও এই কলেজের কিছু বা কোনো অফিস স্টাফ আমাদের থেকে এই টাকাটা চায়।আমি ছাড়াও বলতে গেলে যারাই টিসি নিয়ে এই "সরকারি" কলেজে ট্রান্সফার হয়ে আসতে চায় সবার থেকেই কমবেশি 12-30 হাজার পর্যন্ত টাকা দাবি করা হয়ে থাকে।শুনেছি এই টাকা না দিলে নাকি ট্রান্সফার করাবেই না,বা করালেও নানাবিধ সমস্যা করবে।তাই টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম,কেননা আমার জন্য এই কলেজে পড়া স্বপ্ন ছিল।
পাওয়ার দলিল থেকে সাব কবলা দলিল করতে লাকসামের সাব রেজিস্ট্রার প্রত্যেক দলিলে অতিরিক্ত ২০ হাজার,৩০হাজার,৫০হাজার দাবি করে।
প্রথম একবার নামজারি খারিজ করার জন্য আবেদন করি আবেদন করার শেষে প্রথমবার রিজেক্ট করে দেয় দ্বিতীয়বার যখন যাই আবেদন করে সরাসরি অফিসে যাই বলে আপনার কাজ হয়ে যাবে তবে পিছন থেকে কেউ একজন ডেকে বলে কিছু টাকা দিয়ে যান কত দুই হাজার আপনার কাজ হয়ে যাবে কিছু করার নাই বাধ্য হয়ে দেওয়া লাগছে না দিলে পুনরায় আবারো বাতিল করবে কতবার আবেদন করা যায়
সারাদেশে ভূমি জরিপ (বিডিএস সার্ভে) শুরু হলে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার বড় বরদেশী মৌজার ভুমি জরিপে ১০০০০০.০০ টাকা দাবী করা হয়। টাকা না পরিশোধ করায় অন্য জনের নামে জরিপ রেকর্ড ভূক্ত করেন। পরবর্তীতে কেস করে রেকর্ড সংশোধন করা হয় সেখানেও ৩০০০০.০০ টাকা দেওয়া লাগে এবং ৫ বার তারিখ ফেলে শুনানী হয় এবং কাগজপত্র যাচাই বাছাই করা হয়। প্রতি শুনানির হয়রানি। আমার ধারনা এই শুধু সাভার উপজেলার আলমনগর সাব-রেজিস্টার অফিসে প্রায় লক্ষাধিক কেস আছে এবং আমি হয়তো সর্ব নিম্জান টাকা পরিশোধ করেছি। সারাদেশের ভুমি অফিসের চিত্র প্রায় সমান। ১৮ কোটি মানুষের এই দেশে জন প্রতি আবাদডোগ্য ভুমি সম্ভবত ১০ শতাংশের কম। এই অতি সামান্য ভুমি হতে মানুষকে হয়রানির মূল কারিগর এসি ল্যান্ড তবে প্রশাসনের কর্ম কর্তারা সবসময়ে জবাবদিহিতার বাইরে থাকে।
ভূমি কর দিবো তাই আবেদন করেছিলাম। তার এপরোভ করতে প্রতি খতিয়ানের জন্য ৩০০ থেকে কোনোটাতে ৩০০০ চাই। যা আমি ২০০ এবং এক খতিয়ানে ২০০০ নেয়।
২০২০ সালে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যাই, অফিসের লোকের কোন সহযোগিতা না পেয়ে বাধ্য হয়ে, দালালকে ৮৫০০ টাকা দেই লাইসেন্স করার জন্য, ড্রাইভিং এবং লিখিত পরিখা দিয়েছি, এখন পর্যন্ত আমি লাইসেন্স পাই নাই, বলে ফিনগার আমার আসে নি,তাহলে এখন আমি কি করতে পারি
আমি একটি ব্যবসায়ের কাছে টিম সার্টিফিকেট উঠাতে যাই। তারা আমার কাছ থেকে ১৪৫০০ টাকা দাবি করে। তারা নানা অজুহাত দেখাতে শুরু করে। তখন আমার খুব প্রয়োজন ছিল। তখন আমি দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
মোটরসাইকেল জিগ্জ্যাগ টেস্টে আমরা প্রায় 100 জনের উপরে পরীক্ষা দিলাম মোটরসাইকেল চালানোর গ্যাপ অনেক কম করে দিছিল তাই মাত্র সাত আট জন পাস করছিল। কিন্তু রেজাল্ট এ দেকলাম ৮০% পাস। সবাই কোন না কোন মাধ্যম ধরে টাকা দিয়ে পাস করিলো।
তাড়াতাড়ি লোন দেয়ার কথা বলে ৫০০০ টাকা নেয়। পরবর্তীতে বাড়ি দেখে এসে বলে আপনার বাড়িতে আপনার মা থাকেন, বউ থাকেন না তাই লোন দেয়া যাবে না। তখন আবার ৫০০০ টাকা নিয়ে লোন দিয়ে দেয়।
সব কিছু পাশ করলাম, ভাইভায় গিয়ে নাটক করলো, ফেল করে দিবে আরো আনেক কিছু,,,, পরে ১০ জন মিলে চুক্তির মাধ্যমে ২৫,০০০ টাকা দিয়েছি
আমার নামে একটি মিথ্যা অভিযোগ করেছিল, যেটি যাচাই বাঁচাই না করে, আমার নামে মামলা নিল পুলিশ। পরে আমি থানায় গিয়ে কথা বললাম, একটি যাচাই করার জন্য। ওনার রাজি হন নি। তো আমি যেহেতু মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত হতে চাই না। তার জন্য আমাকে টাকা দিতে হয়েছে, এখন নাম দিবেনা।
আমরা ভাই-বোন আমাদের জমি হিস্যা অনুযায়ী বন্টন নামা দলিল রেজিষ্ট্রেশন করব। এজন্য হয়তো সব মিলিয়ে প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা লাগবে কিন্তু মুহুরি ও সাব রেজিস্ট্রারকে ৫০ হাজার টাকা না দিলে জমি রেজিষ্ট্রেশন হবে না। তাই আমি ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি কিন্তু এখনো রেজিষ্ট্রেশন হয়নি।