নতুন পাসপোর্ট
আমি যখন নতুন পাসপোর্ট বানাতে যাই,,ভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়,,আমাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যায়,, যা আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করে,, এক পর্যায়ে আমাকে ২৩০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাতে হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি যখন নতুন পাসপোর্ট বানাতে যাই,,ভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়,,আমাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যায়,, যা আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করে,, এক পর্যায়ে আমাকে ২৩০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাতে হয়
আমার জরুরি ভিত্তিতে NID কার্ড বানানো লাগতো সেজন্য উপজেলা গেছিলাম NID বানায় যেখানে। তারপর প্রথমদিন কাগজপত্র কি কি লাগবে সেটা জানায় দেয়।বলে এইগুলো নিয়ে আসতে হবে।যথারীতি এইসব কাগজপত্র ম্যানেজ করে নিয়ে গেছি।তারপর উনাকে বললাম ভাই আমার তো একটু জরুরি দরকার।কতদিন এর মধ্যে হাতে পেতে পারি।উনি বলল সময় লাগবে দেখেন না কতজনের সিরিয়াল আছে।আপনার সিরিয়াল 50 নম্বর । কমপক্ষে তো ৬-৭ মাসের মতো লাগবে । আজকে কাগজপত্র দিয়ে যান তারপর সিরিয়ালি যেদিন সময় আসবে সেদিন এসে ছবি তুলাতে হবে । আমি বললাম ভাই এর আগে করা কি সম্ভব না? আমার ভার্সিটি খুলে দিবে ছুটিতে আসছি। হুট করেই তো আমার আসা সম্ভব না।তারপর উনি অফিস থেকে বের হয়ে বলেছে আপনার কাজ 3-4 দিনের মধ্যেই হবে তবে হাজার পনেরশ টাকা লাগবে।পরে 1000 দিয়ে রাজি করাই।
আমার বাবা একজন খুবই সাধারণ একজন মানুষ। পেশায় কওমী মাদরাসা শিক্ষক। খুব সল্প আয়ে আমাদের সংসার চলে। ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর ট্রাজেডির পরে বিনা কারণে আমার বাবাকে নারায়ণগঞ্জ কাঁচপুর থানা লুটের মামলায় আসামি করে। অথচ আমার বাবা তার জীবনে কখনো নারায়ণগঞ্জ যাননি। দীর্ঘদিন হয়রানি এবং বিভিন্ন মহলে আমরা টাকা দিয়ে গ্রেফতার এড়িয়ে চলেছিলাম। সর্বশেষ ২০২১ সালে মোদী বিরোধী আন্দোলনে হঠাৎ একদিন আমার বাবাকে পুলিশ বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। তখন আমি নারায়ণগঞ্জে গিয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের জামিনের আবেদন করি। পরপর তিনটি হেয়ারিং এ জামিন নামঞ্জুর করার পরে সর্বশেষ আমাদেরকে ৭০ হাজার টাকা মেজিস্ট্রেটকে দেওয়ার শর্তে জামিন দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। অতঃপর এই টাকা ধার নিয়ে বাবার জমিন মঞ্জুর করি।
আমার বিল ছিল তিন কোটি টাকা ওখানে ১০% টাকা দিয়ে তারপরে আমি বিল নিয়ে আসছি ওখানে মোটামুটি সবাই জড়িত ঢাকা থেকে শুরু করে টাঙ্গাইল অফিস মির্জাপুর অফিস বেশিরভাগ জড়িত aso থানা ইঞ্জিনিয়ার এক্স এন
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চাইছিলাম পরে ৪৫০০টাকা দাবী করে
আমার চাকরির ক্ষেত্রে আমার মায়ের নামটা সংশোধন করতে গিয়ে অনেক হেনস্থা শিকার হয়েছে এবং কাজটা করে দিবে এজন্য তারা ঘুষ দাবি করে।
নতুন পাসপোর্ট তৈরী করতে গিয়ে আমাকে নানারকম ভাবে হেনস্থা করা হয়। চারদিনের মতো আমি পাসপোর্ট অফিসে যায়। প্রতিটা দিনই আমাকে টাকার জন্য চাপ দেওয়া হয়। কাগজে বারংবার ভুল ধরা হয়। আমি ঠিক করে পুনঃরায় কাগজ নিয়ে গেলে, আমাকে আবারো হয়রানি করা হয়। ঘুষটা সরাসরি চাওয়া হয়। হ্যান্ডক্যাশ।
যৌক্তিক ট্রেনিংয়ের যোগদানের জন্য ট্রান্সফারের এপ্লিকেশনে অগ্রায়ন না করা, এবং এ কাজটি উনি সকলের সাথেই করেন।যার ক্ষমতা আছে তিনি হয়তো পার পেয়ে যান, না হয় উনাদের খুশি করার জন্য টাকা পয়সা খরচ করতে হয়।
আমার আব্বুকে কাজের জন্য শিক্ষা সচিবালয়ে ডাকা হয়েছিল। গ্রামের মানুষ কখনো ঢাকায় যায় নাই।আমি নিজেই সরকারি চাকুরী করি।সেই সুবাদে ঢাকায় আমার পরিচিত ব্যক্তি ছিল।আমার আব্বু সচিবালয়ের ভিতরে যেতে চাইলে কর্তব্যরত পুলিশ গেইট দিয়ে প্রবেশের জন্য টাকা চাই।পরে আমার পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম টাকা না দিলে ভিতরে যেতে দিবে না।তখন মোবাইল ফোনে সেই পুলিশের সাথে যোগাযোগ করি এবং বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিলে, আমার আব্বুকে ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়।
থানায় অভিযোগ মীমাংসার জন্য দুই পক্ষ বসেছিলাম। এই মীমাংসার জন্য ওসি, এস ই গোপনে টাকা চাই। টাকা আবার সামনে নেই না গোপনে নেই যাতে কেউ না দেখে আর সি সি ক্যামেরায় না দেখা যাই। আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি কারণ আমার বিষয়টা মীমাংসার খুব প্রয়োজন ছিল, আমি নিরুপায় ছিলাম। আমি অনুরোধ করবো নাটোর সদর থানাসহ সকল থানায় এই ঘটনা গুলো ঘটতেছে যা ভুক্তভোগী কেউ ভোগাচ্ছে।
আমি একটা জমি নামজারী করব ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গেলে তারা ৮০ হাজার টাকা দাবি করে
নামজারি আবেদন করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আবেদনের হার্ডকপি জমা দিতে গেলে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ৮০০০ টাকার নিচে কাজ করবে না বলে দেয়। এবং নানা ভুল খোজার চেষ্টা করে। যেমন দলিলে নামের আগে / পরে কোন পদবি বা বংশ উল্লেখ আছে কিনা। বায়া দলিলের মালিকের রেকর্ডীয় খতিয়ানে / দলিলে কোন পদবি বা বংশ বা গোত্র উল্লেখ আছে কিনা। নানাভাবে বিভ্রান্ত করে।
অভিযোগের সংক্ষিপ্তসার BRTA-এর ফিল্ড টেস্টে প্রায় ৯৮% শিক্ষার্থীকে ফেল করানো হয়েছে বলে আমরা লক্ষ্য করেছি। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, যারা দালালের মাধ্যমে ঘুষ/অবৈধ অর্থ প্রদান করেছে, তাদের অনেকেই পরীক্ষায় পাস করেছে। অন্যদিকে, আমরা যারা কোনো ধরনের ঘুষ বা অবৈধ অর্থ প্রদান করিনি, তাদের ফেল করানো হয়েছে। এতে আমাদের মধ্যে পরীক্ষা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও ন্যায্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ফিল্ড টেস্টের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া যাচাই, অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং প্রকৃতপক্ষে যোগ্য শিক্ষার্থীদের ন্যায্য সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করছি।
জিপিএফ এর লোন এর আবেদন দিয়েছিলাম অনেক দিন পরে ছিলো লোন হচ্ছিলো না টাকা দাবি করে ২০০০ হাজার পরে ১০০০ টাকা দিলে ৩ দিন পর চেক হাতে পাই।
নতুন আইডি কার্ড করতে গেলে সরকারি হিসাব মতে কোনো প্রকার টাকা-পয়সা দিতে হয় না, অর্থাৎ কোনো খরচ নেই। তবে আমি এনআইডি কার্ড করতে যাওয়ার পর আমাকে বলে, টাকা দিতে হবে। আর সেটা ৪ হাজার টাকা না হলে কোনো উপায় নাই। এনআইডি কার্ড করার আবেদন জমা দেওয়া যাবে, তবে সেটা ঝুলে থাকবে মাসের পর মাস। তাই টাকা দিয়ে করাতে হলো।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে জনবল নিয়োগ করা হবে সেখানে প্রিলি, রিটেন পাশ করে, তারপর তারা সেখানে প্রেক্টিকেল পরিক্ষা নেয় প্রেক্টিকেলে যারা পাশ করবে তাদের ভাইভাতে ডাকা হবে। আমি সেখানে রিটেন টিকে প্রেক্টিকেলে ফেল দেখানো হয়!! ( বর্তমানে আমি নির্বাচন কমিশনেই আউটসোর্সিং হিসেবে কর্মরত) আমি এখানে ৬ বছর যাবত কাজ করে আসছি।। তো আমি যদি তাদের প্রেক্টিকেলে ফেল ই করি তাহলে এখানে অফিসের কাজগুলো করছি কিভাবে?? তাদের পাশ করানো ব্যক্তিগণ কোন অফিসে কাজ করবেন।। নিশ্চয়ই আমি বর্তমানে যেখানে আছি।। তাহলে আমিই এখানে কাজ করছি সমস্যা কোথায়।।
আমি আমার জমি খারিজ করার জন্য ভূমি আফিস গেলে, তারা আমার সব কাগজ দেখে বলে আপনার দাদার নামের আকার ভুল আছে, এটি হবে না, এটা ঠিক করে নিয়ে আসেন, আমি বললাম, এটা কথায় টিক করে পাওয়া যাই, তখন সেই লোকই আমাকে বলে এটা পৃথিবীর কোথায় ঠিক করে পাবেন না, এগুলো আমরা বাসায় টিক করি, সময় লাগে তার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করে, তার পর অনেক ঘুরাঘুরি করে কোন উপায় না পেয়ে তার বাসায় গিয়ে ১৫ হাজার টাকায় খারিজ করে নিয়ে আসি।
আমার মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেন মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, হাইওয়ে পুলিশ আমার কাগজপত্র নিয়ে যায় । ইলেটগঞ্জ থানার সাথে ছোট্ট একটি টং দোকান আছে। সেখানে কাগজপত্র জমা দিয়ে রাখে, কোন মামলার কাগজ ছাড়াই ওই দোকানে টাকা জমা দিলে ওই দোকানদার মোটরসাইকেলের কাগজপত্র ফিরিয়ে দেয়। সেটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কুমিল্লা দাউদকান্দিতে ইলেটগঞ্জ থানা
আমি জমিসংক্রান্ত 42 এ ক মামলার জন্য লিখিত আবেদন কেরেছিলাম আমাকে তারিখ দেবে দেবে বলে দেওয়া হয়নি পরে 10 হাজার টাকা দিলে তারিখ দেওয়া হয় এই সেটেলমেন্ট অফিসে অনেক ঘুষের কারবার হয় আপনি ভুক্তভুগি সেজে পরীক্ষা করতে পারেন
পরিক্ষা পাশ করে দিবে, যেভাবে হয় হোক