Driving licsens
টাকা না দিলে লাইসেন্স দিবে না প্রথমে আমি নিজে নিজে চেষ্টা করেছিলাম সরকারি সিস্টেমে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে লাইসেন্স দিবে না প্রথমে আমি নিজে নিজে চেষ্টা করেছিলাম সরকারি সিস্টেমে
এসিলেন্ট অফিসে সার্ভেয়ার তদন্তের জন্য পাঠালে সব ঠিক থাকার পরও উনি বললেন যে ৭০০০ টাকা দিতে হবে তারপর সেটা ৫০০০ টাকা দিয়ে আমি কমপ্লিট করলাম
ব্যাংক থেকে ৫ লক্ষ টাকা লোন তুলার জন্য শিক্ষা অফিসারের অনুমোদনের দরকার হয়। এজন্য তিনি আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা ঘুষ নেন।
আমি যখন পাসপোর্ট করতে যাই তখন ১০ বছর মেয়াদের জন্য সরকারি ফ্রি ৫৮০০ টাকা এর মতো যেটা ৪৮ পৃষ্ঠা কিন্তু আমার থেকে আরও ১৫০০ টাকা বেশি দাবি করা হয় না দিলে বলে পাসপোর্ট আটকে যাবে দেরি হবে ইত্যাদি তারপর আমার যেহেতু জরুরি সেজন্য আমি দিতে বাধ্য হই
আমি ইমার্জেন্সি পাসপোর্ট বানাতে চেয়েছিলাম । তখন আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা চায় । পরে করি নাই । টাকা চেয়েছে দারোয়ান আরেকজন মানুষ অফিসের
আমি একটি বাইক ক্রয় করেছি বগুড়া শহর থেকে আমি বর্তমানে চাকরি করে ঢাকাতে তাই আমি ঢাকা বিআরটিএর নাম্বার করতে চেয়েছিলাম প্রথমে আমাকে না বলেছিল যে এটা হবে না পরে সাত হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি তারপরে হয়েছে
brtc te free training korai but licences nite gele sobai mile proty students theke 2300 kore tk nei
I Wanted to Apply or New NID for my son at Ramganj, Laxmipur. They demand 6000 taka. I did no give them yet
বদলির জন্য ক্লার্ক কে দিতে হয়েছিল
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন নামে পুলিশ টাকা নিয়েছে
পাসপোর্ট এর জন্য লাইভ ভেরিফিকেশন দরকার হয়। তো যিনি এসেছিলেন তাকে সবকিছু কাগজপত্র দেখানোর পরও তিনি কিছু বকশিশ চাচ্ছিলেন। পরে বারোশোর মতন দেয়া হয়েছে। যদিও তিনি আরো চাচ্ছিলেন।
জমি পিটিশন করাতে টাকা দিতে হবে আগে তানা হলে ফাইল টেবিলে জাবেনা
মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে তারা ৫০০০/- টাকা দাবী করে, টাকা না দিলে কাজ হবে না। নিরূপায় হয়ে টাকা দিয়েছিলাম, যদিও সরকারি সেবা ফ্রি পাওয়া প্রত্যেকটা নাগরিকের অধিকার। ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলেও একই অবস্থা ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না ৪নং শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে। পঙ্গুভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্কভাতার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। একটি বয়স্কভাতার আবেদন করতে গেলে ৪০০০-৫০০০/- টাকা ছাড়া হয় না।
আমাদের ইউনিয়নের ভূমি অফিসের পাশের দোকানদার দিয়ে ঘুষ বানিজ্য করা হয়। আমার বাবা কে মিউটেশন করার জন্য পাঠানো হয় ভুমি অফিসে সে দোকান থেকে আবেদন করার পরে বলে যে এটি সম্পূর্ন করার জন্য 5000 টাকা লাগবে তখন আব্বা জিজ্ঞাসা করল কেন 5000 টাকা দিতে হবে সে বলে আপনার আবেদন তারা দেখবে না যদি আপনি তাদের টাকা না দেন। আর এটাই হয় স্বাধারনত যদি টাকা দেয় তাহলে তারা কাজ করে আর না হলে পেন্ডিং রাখে। তবে তারা সরাসরি ঘুষ নেয় না থার্ট পাটি লোকের মাধ্যমে নেয়।
বিল্ডিংয়ের অনুমোদন পাওয়ার জন্য আমাদের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। তখন বলা হয়েছিল, আপনারা বিল্ডিং নির্মাণ করেন, আমরা পরে বিল্ডিংয়ের অনুমোদন/প্ল্যান পাশ করিয়ে দেব। কিন্তু ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার পরেও এখন আবার নতুন করে টাকা দাবি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি এখন বলা হচ্ছে, রাস্তা নির্ধারিত পরিমাণে প্রশস্ত না হলে এত বড় বিল্ডিংয়ের অনুমোদন দেওয়া যাবে না। অথচ আমার বিল্ডিংয়ের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে। এখন তারা বলছে, বিল্ডিং অনুমোদনের জন্য কমপক্ষে ৮ ফুট রাস্তা থাকতে হবে। কিন্তু আমার জমির সামনে বর্তমানে প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৫ ফুট রাস্তা রয়েছে। প্রশ্ন হলো, শুরুতেই যদি ৮ ফুট রাস্তার বিষয়টি জানানো হতো এবং এই শর্ত পূরণ না হলে অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট করা হতো, তাহলে আমি এ
আমরা ৪৯৬ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী বাংলাদেশ রেলওয়ে তে যোগদানের পর পে ফিক্সেশন করতে গেলে তারা ওপেনে জনপ্রতি ৫০০/- করপ নিয়েছে এবং ওপেনে বিকাশে টাকা নিসে।এরপর বকেয়ার বেতন ও টি/এ বিল থেকে ১৫% কমিশন না দিলেও বিল পাশ করে না। অর্থ উপদেষ্টার অফিস, পাকশি বিভাগ পশ্চিম অঞ্চল,রাজশাহী বাংলাদেশ রেলওয়ে
জমির খারিজ করতে এতো গুলু টাকা দিতে হইছে
২০১৯ সালের কথা। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আদাবর থানার পুলিশ ইনিয়ে বিনিয়ে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করলো। সম্ভবত ১০০০ এর নিচে নিবে না। কিন্তু আমি ২য় বর্ষের ছাত্র কেবল। পকেটে ছিল ৮০০ টাকা। ৮০০ আছে বলার পর আমাকে চলে যেতে বলে। আমি থানার বাহিরে দাঁড়িয়ে রিকশা খুঁজতে থাকি। পরে আরেক কনস্টেবলকে দিয়ে আমাকে ডাকায় ঐ ৮০০ টাকাই নেয়।
ভাঙ্গা পায়ে ব্যান্ডেজ করতে গেছিলাম। ওখানে যারা ব্যান্ডেজ করে তারা নামাজ আদায় করে এসে বলে 200 টাকা ছাড়া ব্যান্ডেজ করবে না। কোনো কোনো রোগীর থেকে 300-350 ও আদায় করছিল বাধ্য করেছিল।
টাকা নিয়ে কাজ করে নাই