চাকরির বেতন এবং টি এ ডি এ বিল উত্তোলন
টাকা না দিলে বেতন হয় না,,,৫%করে দিতে হয় প্রতিবার টি এ বিল উত্তোলন করতে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে বেতন হয় না,,,৫%করে দিতে হয় প্রতিবার টি এ বিল উত্তোলন করতে
পাসপোর্ট করব তাই টাকা চাইছে।
ঘটনাটি পুরো একটি ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের সাথে প্রতিনিয়ত ঘটছে। জন্ম সনদের ভুল তথ্য সংশোধন, নতুন জন্ম সনদ নিবন্ধন, সরকারী সহায়তার আওতাধীন ভিজিডি সেবা, ন্যায্যমূল্যে চাল সুবিধা ইত্যাদি সরকারী সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফী এর বাইরে কয়েক শত গুণ বেশি টাকা নেওয়া। জন্ম সনদে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য এন্ট্রির মাধ্যমে বারবার একই সেবা গ্রহীতা হতে টাকা নেওয়া। সরকারী উন্নয়ন প্রকল্পের লোভ দেখিয়ে এলাকার জনগণের কাছ থেকে টাকা তুলে নিজের পকেটে নিয়ে নেওয়া ইত্যাদি দুর্নীতি। একজনের নামে বরাদ্ধকৃত সহায়তা আরেকজন অথবা নিজের নামে করে নেওয়া। এটি প্রতিনিয়ত ঘটছে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলাধীন ২নং ফটিকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের উদ্যোক্তা কর্তৃক।
আমি সঠিক প্রক্রিয়া কাজ টি করতে চেয়েছিলাম। আমাকে কয়েক মাস ঘুরিয়ে পরিশেষে ৫০০০০ টাকা চাই।
৭ নং আমজানখোর ইউনিয়নের স্কুল হাট এর ভূমি অফিস থেকে স্থানীয় এলাকার যারা খুব হতদরিদ্র তাদেরকে খুঁজে খুঁজে তাদের জমি কি রকম সে জমিগুলো ভূমি দস্যুরা টাকা খরচ করে টাকা খাইয়ে নিজেদের নামে করে নিচ্ছে। অবৈধভাবে ভোগ করে যাচ্ছে ভোগ করে যাচ্ছে। দেখার কেউ নাই।
### তাকামুল পরীক্ষায় ঘুষ দাবির অভিযোগ সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় **তাকামুল পরীক্ষা** দিতে আমি ঢাকা যাই। পরীক্ষার নির্ধারিত ফি ছিল **৫০ ডলার (প্রায় ৬,৫০০ টাকা)**। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাস করানোর নামে অনেকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। আমরা মোট ১৫ জন পরীক্ষার্থী ছিলাম। তাদের মধ্যে কয়েকজন আগে একবার পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তারা জানান, তাদেরও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য **২৫–৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ/কন্টাক্ট করতে বাধ্য করা হয়েছিল**। তারা আমাকে বলেন, কন্টাক্ট ছাড়া পরীক্ষা দিলে পাস করার সম্ভাবনা নেই। আমি কোনো ঘুষ বা কন্টাক্ট না করে পরীক্ষা দিই। পরীক্ষা শেষ করে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমার ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং আ
আমি জেলা লিগ্যাল এইডে গেছি যাওয়ার পর ফার্স্টে আবেদন করছি আবেদন করার সময় ওইখানকার কর্মকর্তা লুকায়িতভাবে টাকা দাবী করে ৫০০,তারপর আমি কাজটা করব দেইখা ৩০০ টাকা পর্যন্ত দেই তারা নিতে চায় না ওরে দুইটা নোটিশ যাওয়ার পর যে নোটিশ পাঠাবে সেই আবার টাকা চায় তাদের কাজ তারা ঠিকভাবে করে না এবং অফিসে গেলে তাদের কাছে পরামর্শ চাইলে ওইখানকার কর্মকর্তারা বাজে বিহেভ করে বলতে তারা সাধারণ মানুষদের, ইগনোর করে টাকা দিলে কথা বলে না হয় বলে না
চৌদ্দ শতাংশ ভূমি নামজারি করার জন্য আমার কাছে বারো হাজার টাকা দাবি করেন। আমি আর্থিকভাবে অসচ্চল এটা জানানোর পরও তারা একটাকাও ছাড় দেয়নি, বরং পুরো টাকা না দিলে নাম খারিজ হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
৬০০০ টাকার বিনিময় মিউটেশনের কাজ করে দেবে বলে এক মাস পরে মিউটেশনটি করে দেয় কিন্তু ভুল, ভুল করে দেয়। পরবর্তীতে আবার গেলে আবার টাকা লাগবে বলে জানায় আমি ভুক্তভোগী কোন টাকা দিতে রাজি হই না পরবর্তীতে অনলাইনে আবেদন করি নিজে নিজেই এখন পর্যন্ত ৮ মাস হয়ে গেছে টাকা দেই না তাই আমার কাজ এখনো হয়নি । জানিনা আর কতদিন লাগবে ।
জমি বিক্রি করার জন্য খাজনা পরিশোধ করে খাজনা রশিদ আনার জন্য, চাইছিল ৩৫ হাজার দফা রফা করে ৮০০০ এ করি
passport korar jonno amar kache 17000 taka chailo ami dilam karon passport amar dorkar chilo.
চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজপত্র থানায় জমা দিতে গেলে,পুলিশ আমাকে বলে আপনার নামে ভালো রিপোর্ট পাঠানো হবে। কথার মধ্যেই বলে একটু চা- পানি খাওয়ান।আমিও এটা রীতি ভেবে ৫০০ টাকা দিলাম।
শ্রীমঙ্গল কলেজ থেকে জামালপুরে টিসি নিবো তাই আবেদন করি,অনলাইনে ডকুমেন্টস সাবমিট করি,কিন্তু আমাকে টিসি দিচ্ছিলো না।পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করি,আমার কাছে ৮০০০ হাজার টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে ৪০০০টাকা দিলে,আমাকে টিসি দেয়,
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা দেয়া হয়েছে না দিলে লাইসেন্স করে দিবে না
স্কুলের যৌথ একাউন্ট এ সরকারি বাজেট এসেছে, তা স্কুলের যৌথ একাউন্ট এ জমা না দিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক অবৈধ ভাবে স্কুলের নামে আসা বাজেট তুলে খেয়ে পেলে।
আমার কাগজে সামান্য ত্রুটি থাকায় তারা আমাকে বলে এই সমস্যার সমাধান করতে ২ হাজার টাকা লাগবে এবং পরবর্তীতে আমি ১৯০০ টাকা দিয়ে সেটি সমাধান করি। সেটি তাদেরই সমাধান করার কথা ছিল। আমি বের হয়ে আসতে চাইলে, গেটে আনসার আমাকে তাহলে এভাবে ফেরত দেওয়ার চেয়ে তুমি টাকা খরচ করো তোমার কাজ হয়ে যাবে। ২০০০ টাকার অফার করে। আমি তাকে ১৯০০ টাকা দিতে রাজি হয়ে যাই। পরবর্তীতে ১৯০০ টাকা দিয়ে আমার কাজ সম্পন্ন করি
উপজেলা আমতলী জেলা বরগুনা ইউনিয়ন কুকুয়া ওয়াড ০৯ মাদ্রাসা নাম রহমত পুর ওই মাদ্রাসা সুপার ব্যাপক দুর্নীতি করে সে অন্তত এলাকার ১০/১২ জন কে চাকরি দিছে প্রতিটা লোকের কাছ থেকে ১০/১২ লাখ টাকা করে নিছে ওনি এতো দুর্নীতি করে ছে
খসড়া খতিয়ান তৈরি করে দেওয়ার জন্য। এটা এই অফিসে অলিখিত ভাবে দিতে হয়। না হলে রিপোর্ট তৈরি করে দিবে না।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজপত্র নিয়ে থানায় গেলে কাগজ জমা নেয়।পরবর্তীতে ফোনে বিভিন্ন ভাবে টাকা চায় পরবর্তীতে ১০০০ টাকা দেই।
আমার ওয়াইফের একটা গর্ভবতী ভাতার জন্য অনলাইনে আবেদন করি এই অনলাইনের আবেদন কপি আমার বগুড়া এক নম্বর আশেকপুর ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার এর কাছে অনলাইন কপিটা হস্তান্তর করি তখন উনি আমার কাছে ৩৮ হাজার টাকা দেওয়ার বিনিময়ে উনি আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা ঘুস চায় এবং আমি ওনাকে পরিশোধ করে দিই পরিপেক্ষিতে উনি আমাকে আজকে তিন মাস ধরে ঘুরাইতেছে বলতেছে বাজেট নাই এই মাসে না অন্য মাসে এভাবে সে আমাকে ঘুরাচ্ছে এখন আমি এটার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের সচিবরে বলেছি উনিও একই কথা বলছে কিন্তু উনাকে আমি মেম্বারকে যে ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি এই কথাটা বলি নাই তখন আমি সচিব কে বলি যে আপনারা যদি না পারেন আমাকে কোথায় কথা বলতে হবে ওখানকার নাম্বার দেন তখন আমাকে উপজেলা একজন কর্মকর্তা নাম্বার দেন এবং উনার সাথে কথা বলি