মসজিদ সংস্কারের বরাদ্দ থেকে শতকরা ৬% ঘুষ নেওয়া।
আমাদের মসজিদে এমপি,র কোটায় সংস্কারের জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলে ১ম কিস্তির ১ লক্ষ টাকা পেতে ৬০০০/ টাকা বিভিন্ন টেবিলে দিতে হবে বলে জেলাপরিষদ সার্ভেয়ার ৬০০০/ টাকা নেন। কিন্তু পরবর্তী কিস্তির টাকা গত ৬ মাস যাবৎ বিভিন্ন অযুহাতে ঘোরাচ্ছে, এখন চেক রেডি করার জন্য একাউন্স সেকশনের নারী কর্মী আটকে রেখেছে। আমরা ব্যক্তিগতভাবে ২ লক্ষ খরচ করে যথাযথ প্রমানাদি দাখিল করি। আমি নিজেও একজন সরকারি ১ম শ্রেনীর কর্মকর্তা। মসজিদের কাজে আর ঘুষ দিতে চাইনা, বার বার ফোন করছি, কিন্তু তারা তাদেরমত ঢিমে তালে আগাচ্ছে, প্রায়ই ফোন ধরে না।