শ্রান্তি বিনোদন ভাতা
হিসাবরক্ষণ অফিসের নামে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ক্রান্তি বিনোদন ভাতা বাবদ ২০০ করে টাকা নেয়া হচ্ছে । তারা বলছে এটি এজি অফিসে লাগবে ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হিসাবরক্ষণ অফিসের নামে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ক্রান্তি বিনোদন ভাতা বাবদ ২০০ করে টাকা নেয়া হচ্ছে । তারা বলছে এটি এজি অফিসে লাগবে ।
আমাদের মসজিদে এমপি,র কোটায় সংস্কারের জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলে ১ম কিস্তির ১ লক্ষ টাকা পেতে ৬০০০/ টাকা বিভিন্ন টেবিলে দিতে হবে বলে জেলাপরিষদ সার্ভেয়ার ৬০০০/ টাকা নেন। কিন্তু পরবর্তী কিস্তির টাকা গত ৬ মাস যাবৎ বিভিন্ন অযুহাতে ঘোরাচ্ছে, এখন চেক রেডি করার জন্য একাউন্স সেকশনের নারী কর্মী আটকে রেখেছে। আমরা ব্যক্তিগতভাবে ২ লক্ষ খরচ করে যথাযথ প্রমানাদি দাখিল করি। আমি নিজেও একজন সরকারি ১ম শ্রেনীর কর্মকর্তা। মসজিদের কাজে আর ঘুষ দিতে চাইনা, বার বার ফোন করছি, কিন্তু তারা তাদেরমত ঢিমে তালে আগাচ্ছে, প্রায়ই ফোন ধরে না।
১২,০০০ টাকা দিয়ে দালাল ধরা ছাড়া বিআরটিএ তে লাইসেন্স করা যায় না ।
Told me the whole chagres of the facility wrong,the realammount to be paid was 710 tk,they asked for 1900 tk.
গাইবান্ধা জেলা পলাশবাড়ী উপজেলা মনোহরপুর ইউনিয়ন এর দুনীতির চিত্র। জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ১২০ টাকা নাগরিকত্ব সনদ প্রতিটি কপির জন্য জন্য ৪০ টাকা , নতুন ভোটার প্রত্যায়ন এর জন্য ৮০ টাকা দাবি করে। আমি মনে করি ইউনিয়ন পরিষধ থেকে আমার কাছে বেশি টাকা দাবি করে হয়। যা অন্য ইউনিয়ন থেকে অনেক বেশি করে নেয়া হয়।
টিন সার্টিফিকেটে নাম চেঞ্জ এটা ওয়েবসাইট থেকে চেঞ্জ করতে চাইছিলাম কিন্তু সিকিউরিটি পারপাস চাইল্ডহুড নেম আমার মনে নাই পরে টিন সার্টিফিকেট ভুল সংশোধন করতে পারি নাই তাই ট্যাক্স অফিসে যোগাযোগ করলে ওরা বলে ঢাকা থেকে করতে হবে না হলে হবে না
আমার বাবা বেঁচে আছে কিনা এটা যাচাই করার জন্য বলে তাদের টাকা দিতে হবে এই দাবি করে আমার কাছে তারপর আমার কাছে পাসপোর্টটা দরকার এর জন্য সামনে যে বসে থাকে কম্পিউটারে যাচাই করে সে নিচে এক পিওনের মাধ্যমে নিছে
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর আওতাভুক্ত ফায়ার সেফটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা। প্রথমে সরকারি নির্ধারিত ফ্রি ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়, পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানে দুইজন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা বা ট্রেইনার উপস্থিত হন এবং শ্রমিকদের এবং কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেন প্রশিক্ষণ শেষে কিছু অর্থ প্রত্যাশা করেন এমন তো অবস্থায় প্রত্যাশা পূরণ বাবদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয় এভাবে দুইদিন প্রশিক্ষণ শেষে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয় তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী।
Ami pasport banaitay gasilam amakay baolay 5 hajar dilay sob.kisu ok koray dibay
রেজিষ্ট্রী করতে গিয়েছি টাকা ছাড়া রেজিষ্ট্রী হবে না কারণ দাতার নাম স্মার্ট কার্ড এবং দলিলে পার্থক্য। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েই রেজিষ্ট্রী করা লাগলো। আমার প্রশ্ন? ৫০০০০ টাকার বিনিময়ে কি দুই নাম এক হয়ে গেলো?
প্রথমে বললো আমার আবেদন এর কাগজ ঠিক নাই,পরবর্তী আমি বের হয়ে চা খেতে গেলে এক ব্যক্তি এসে বলে ২০০০ টাকা দিলেই সব হয়ে যাবে,তাকে টাকা দিলে সে বলে যে আপনের টা ক্যান্সেল করছে তার কাছে গিয়ে এখন জামা দিয়ে আসেন, আশ্চর্যের বিষয় হলো সাথে সাথে সে কাগজ নিলো,আর ফিঙ্গার প্রিন্ট আর ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করতে বলো
My mother payed money to গৃহায়ন অধিদপ্তর from 1984 to 2009 as monthly instalment and had all the documents with her . Still the treasury office at sadarghat , Dhaka claimed 150000 taka for clearance letter to me.
আর্জেন্ট দলিলের নকলে ৫০০০/- আর ২০/৩০ দিনে ২৫০০-৩০০০/-টাকা,আমি দিয়েছি নকলের জন্য। এর হাজার প্রমান আছে। যে কোন লোক দলিল উঠালে এই টাকা দিতে হয়।
সরকারি ফি হিসাব করে এবং ব্যাংক ড্রাফ সবকিছু বাদ দিয়ে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে
আমি যখন পাসপোর্ট করি ৪৫০০ টাকা লাগে কিন্তু ওরা ৭৫০০ টাকা ছাড়া কাজ করতে পারবে না।আমি এই অতিরিক্ত টাকা দিতে না চাইলে আমার কাগজ ফেরত দিয়ে দেয়।বাদ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেই।
ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য লাগে ২৭০২ টাকা আমার থেকে নিছে ৬০০০ টাকা
একটি দেওয়ানি মামলা চিটি পৌঁছানোর খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানা দেওয়ানি আদালত।
আমার পরিবারের জমি আছে আমার, আমার ভাই, মা ও বাবা সবার নামে। তাছাড়া আমার কাকা, ফুফু, একেক সময় খতিয়ান হালনাগাদ করে।বিভিন্ন সময় ৫ টি খতিয়ান আমি নিজের হাতে জমা দেই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে ৫০০০,৭০০০, ১০০০০, এমনকি ৩০০০০ টাকা মোট ৫৭০০০ টাকা নেওয়া হয়। তবে দাবি অনেক বেশি ছিলো। তাছাড়া কাগজ পত্রে কোনো ভুল না থাকলেও কাগজে সই না করা, খতিয়ান প্রস্তু না করা, মুল কাগজপত্র না যাচাই করে হেয়ারিং এর আগের দিন আবেদন না মন্জুর করা। টাকা দেওয়ার পরও খতিয়ানে ইচ্ছাকৃত ভুল করে টাকা দাবি করা। নথি হারনোর অজুহাত ইত্যাদি হয়রানি বাধ্য হয়ে টাকা প্রদান করা। শুধু তাই নয়, আমার বোনের স্বামী মারা যাওয়ার পর তাদের ই নামজারি করার জন্য ৪টা খতিয়ানে আরো ৬০০০০টাকা দিতে বাধ্য হই। তাছাড়া না দিয়ে তো উপায় নেই বাংলাদেশের বাস্তব চিত্র
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বার্ষিক বয়লার নবায়ন ফি ব্যাংকে পরিশোধ করি তার কিছুদিন পর একজন বয়লার পরিদর্শক আমাদের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব রত প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করে এবং একটি তারিখ নির্ধারণ করে জানানো হয় যে তিনি বয়লার পরিদর্শন করতে আসবেন এবার উনি এসে বয়লার খুব ভালোভাবে পরিদর্শন করেন তারপর উনি উল্লেখযোগ্য ত্রুটি চিহ্নিত করতে পারেননি এবং উনি পরিদর্শন শেষে কিছু অর্থ প্রত্যাশা করেন অতি গোপনে প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা থাকার কারণে পরিদর্শক প্রতিষ্ঠানের বাহিরে গিয়ে একটি খাম আমাদের কাছ থেকে গ্রহণ করেন এই খামের মধ্যে ছিল দশ হাজার টাকা, যদি টাকাটা না দেওয়া হতো তাহলে হয়তোবা লাইসেন্স নবায়ন সার্টিফিকেট প্রদান করবেন না অযথা হয়রানি করবেন কিছু না ভেবেই তাই বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা ওনাকে ঘুষ ।
যেকোনো চাকরিজীবীর হিসাব রক্ষন অফিসে গেলে টাকা লাগে