দলিল রেজিষ্ট্রেশন
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে সাব রেজিস্টারকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে অন্যথা দলিল রেজিষ্ট্রেশন হবে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে সাব রেজিস্টারকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে অন্যথা দলিল রেজিষ্ট্রেশন হবে না
আমি যতবার বাংলাদেশে পাসপোর্ট করেছি ততবার হয়রানি শিকার হয়েছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া দালালদের প্রভাব এত বিস্তৃত যে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে গেলে পাসপোর্ট কর্মকর্তারা কোন না কোন ভুল ধরে বলবে সংশোধন করে আবার আসুন। দেখা যায় পায়ের জুতা ক্ষয় হয়ে যায় তবুও নিজের সরাসরি পাসপোর্ট করা যায় না অবশেষে বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে হয়। পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতির লাগাম না টানতে পারলে সুদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে দুর্নীতির মহারাষ্ট্র হয়ে যাবে।
জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংলিশ করতে সরকারি কোনো ফ্রি লাগেনা, কিন্তু ওরা আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করেছে তা না পরিশোধ করলে আমাকে সেই সেবাটি দিবে না, এবং আমাকে কাগজ পাতির অনেক হয়রানি করেছে
আমরা ঘুরতে যাই আমাদের কাছে দেশিও মদ থাকায় বান্দরবান লামা যাচ্ছিলাম ড্রাইভার কোন ভাবে বুঝে সেনাবাহিনীকে জানিয়ে দেয় তবে সবাই প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলাম শখের বয়সে নিচ্ছিলাম লামা যাওয়ার সময় এনাইডি জমা দিতে হয় ওইখানে কাউকে চেক না করে আমাদের কে করে সেনাবাহানি পুলিশ ব্যাটেলিয়ন লোক মিলে এক পর্যায় হুমকি দিয়ে ৩০০০০ হাজার টাকা দাবি করে আমি ১০০০০ দেই । তারা বলে চায়ের দোকানে আইডি কার্ডের ফটোকপি তে টাকা দিতে বাজ করে সেই কাজই করেছি প্রশ্ন হলো বড় বড় মাদক চালানের সময় একই কাজ করে?
জরুরি কাজে আমার এন আই আইডি প্রয়োজন ছিলো, তারা বলেছিল জরুরি কাজে টাকা লাগবে, ঘুষ কেনো দিবো বলায় তারা উত্তর দেয় সময় মতো আইসেন। সেজন্য বাধ্য হয়েই দিতে হয়েছে
ঠাকুরগাঁও ডিসি অফিসের ২৫ শতাংশ জমির খারিজ বাতিলের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫০০,০০০ টাকা চাওয়া হয়। না দিলে খারিজ বাতিল করে দেয়।
বন্ড টু বন্ড ট্রান্সফার এর জন্য দিতে হলো গত ১৮/৮/২০২৬
আমি সৌদি প্রবাসি। বাংলাদেশে এসে পাসপোর্ট ১০ বছরের করবো বলে আমার আগে সৌদি থাকা অবস্তায় পাসপোর্ট দিয়ে করতে গেলে তারা বলে, আপনার পাসপোর্ট সৌদি থেকে করা এখন আমাদের এখান থেকে করতে গেলে আপনাকে জবসলভেন্সি করা লাগবে যার কারনে আপনাকে তিনহাজার টাকা দিতে হবে,আমার প্রশ্ন হলো আমি আগে যে পাসপোর্ট করে ছিলাম সৌদি দুতাবাস থেকে তাহলে কেন আমাকে এত গুলো টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হলো,,,,
আমি ২০২৪ সালে একটি প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট করার জন্য রৌমারী সমাজসেবা অফিসে পরামর্শ চাইতে গিয়েছিলাম। তৎকালীন সমাজসেবা অফিসার আমাকে জিজ্ঞেস করে কি কারণে আমার এই সার্টিফিকেট দরকার। আমি বললাম বিভিন্ন সরকারি চাকরির কোটা পাওয়ার সুবিধার্থে। সে ৩০০০০ টাকা দাবি করল। আমি প্রত্যাখ্যান করেছি।
আমি সাবেক সরকারি কর্মচারি ছিলাম যখন পাসপোর্ট করতে যাই আমার আইডি কার্ড ভেরিফাই করে পাওয়া যায় আমার পেশা লিখা ছিল সরকারি চাকুরিজীবি। তাহলে তো noc লাগবে চাকরি ছেড়ে আসছি ১৪ বছর আগে এনওসি কোথায় আছে জানিনা। noc ছারা রিজেক্ট করে তখন গেটে থাকা আনসার, পুলিশের লোকগুলোই তাদের এজেন্ট তাদের কাছে তথ্য চলে আসে এই লোক রিজেক্ট হয়েছে। তখন তারাই আমাকে অফার করে যে পাসপোর্ট হয়ে যাবে কিছুই লাগবে না শুধু টাকাটা বেশি দিতে হবে। আমিও বিভিন্ন যায়গা ঘুরেফিরে ক্লান্ত তখন আমি রাজি হয়ে যাই তখন আমাকে নিয়ে যায় তাদের বড় স্যারের কাছে উনার সাথে কথা হয় আনসার বাহিনী এক লোকের সাথে। আমার সাক্ষাৎ হয় স্যারের সাথে এবং ১৪ দিনে পাসপোর্ট রেডি ৪৫০০ টাকার পাসপোর্ট হয়ে যায় ৯০০০ টাকা আর কত ভিরম্বনা এই হলো সরকারি সেবা।
আমার জবের ভেরিফিকেশন এ গিয়েছিল ২ জন পুলিশ অফিসার। চা খাওয়ার জন্য ৫০০০/- টাকা দাবি করে। পরে ১০০০ দিতে চাইলে তারা বলে রিপোর্ট ভালো দিবে না। শেষে ৩০০০ টাকার নিচে নাকি সরকারি চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন হয় না। বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে
মোহরা /অথবা দালল টাইপের লোক মোহনপুর ভুমি অফিসে দুই শতক জমি দান রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য টাকা নেয়।
টি এ বিল অনন্য সকল বিলে ৮% থেকে ১০% দিতে হয়।
নবায়ন করতে গেছি ওরা আমার কাছে ৩০০০ টাকা চাইছে
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ভয় দেখাচ্ছিলো সমস্যা হবে পরে বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি
পাসপোর্ট ভেরিফাই করতে গ্রামের বাড়িতে পুলিশ ২০০০/- নিয়েছে,ঢাকার বাসায় পুলিশ ভেরিফাই করতে এসে টাকা চেয়েছে।এবং দিতে বাধ্য হয়েছি।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মরত নাবিক থেকে জেসিও'স পর্যন্ত সকলেই ঘুষ ছাড়া কেউ পেনশন তুলতে পারে না, এমনকি ডিএসপি ফান্ডের টাকা তুলতে লাখে ১০০০/১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, তা না হলে বলবে আপনার এই সমস্য ওই সমস্যা ইত্যাদি হয়রারি থেকে বাঁচাতে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়। অথচ সামরিক বাহিনীর এ-ই নাবিকরাই পুরো নৌবাহিনীতে প্রতিটি ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলছে। নৌবাহিনীর অফিসারদের এক টাকাও ঘুষ প্রদান করতে হয় না, তাদের একনজর প্রতিনিধি ওখানে লাইজোনিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা আছে, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার পদবির, ওনিই মূলত অফিসারদের সবকিছুই এসএফসির সাথে কোটার্ডিনেট করেন। অথচ প্রতিনিয়ত পেনশনারদের নিয়ে দিক নির্দেশনা বক্তব্য দেয়া হয় বিএনডোরস থেকে যে ঘুষ প্রদান করা যাবে না, এগুলো শুধুই আই ওয়াশ।
চাকরির জন্য মেডিকেল সার্টিফিকেট লাগবে। সবার কাছ থেকে ২০০ করে নিয়েছে। কেউ দিতে না চাইলে হয়রানি ও বকাঝকা। সিভিল সার্জনের দপ্তর হলেও সিভিল সার্জন নিজে এটা জানেন না। তার অগোচরে প্রতিনিয়ত হচ্ছে।
রাজশাহী আয়কর অফিসে কয়েক বছর আগে, একজন অফিস সহায়ক আমার সহ অনেকের ফাইল নিয়ে জিরো রিটার্ন দাখিল করছিল।
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরও তারা বলে ভুল আছে। এরপর বলে ২০০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট করতে পারবো। আমি অনেকটা বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে পাসপোর্ট টি সম্পূর্ণ করি।