জমি রেজিস্ট্রি
জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য সর্বশেষ টিপ সই ও সাইন নেয়ার সময় ১০০ টাকা করে দলিল প্রতি সবার থেকে নেয়া হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য সর্বশেষ টিপ সই ও সাইন নেয়ার সময় ১০০ টাকা করে দলিল প্রতি সবার থেকে নেয়া হয়
২০২৫ সালের ফেব্রয়ারী মাসে নিজের জরুরি পাসপোর্ট দরকার। সরকারি চার্জ, আবেদন ফর্মালিটি খরচ যথানিয়মে পরিশোধ করেছি। কিন্তু অতিরিক্ত ৭৫০০ টাকা বিভিন্ন খরচ, পাসপোর্ট অফিসের বসদের দিতে হবে, নচেৎ পাসপোর্ট নিদিষ্ট সময়ে দেওয়ার নিয়ম, আইন থাকলে ঘুস না দিলে যথাসময়ে পাসপোর্ট পাবো না। তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
গত দুই বছর আগে ছিল ৮০০০ থেকে ১০০০০ হাজার টাকা আর এখন হয়েছে ৫৫০০০ হাজার টাকা
আমি জমি বারি করবো তাই ১০ লাখ টাকা চাদা চেয়েছিল আমি মামলা করি পুলিশ প্রতিবেদন বলে তারা চাদা চায়নি আর তারা আমার কাছ থেকে টাকা পাবে বালি ভরাট এর আমি জীবন বালি ভরাট করাইনি
আমি হারানো ফোনের জিডি করি। আমার হারানো ফোন খুজে দেয়ার কথা বলে ৩০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে পুলিশ কতৃক। ৩ ধাপে টাকা দিতে হবে। ফোন খোজার আবেদন ১২০০। ফোন খুজে পাওয়ার পর বাকি টা।
আমি ট্রেড এপ্রেন্টিস পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষায় পাশ করি। যখন ভাইবা তে যাই আমার কাছে বোর্ডে বসে থাকা এক মহিলা জিজ্ঞেস করে,কত দিতে পারবা??? ১০ লাগবে,ম্যানেজ করো।
গাড়ির কন্ডিশন ভালো থাকার পরও ফিটনেস নেওয়ার জন্য ৩ হাজার টাকা নিয়ে দিতে হয় সেজন্য ৩ হাজার টাকা চেয়েছিল কিন্তু আমি এক হাজার টাকা দিয়েছি
শিশু কার্ড দেওয়ার জন্য ৪০০০ টাকা করে নিচ্ছে
মোটরসাইকেল চালানো সবকিছুই পারি,। আমাকে যে যে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল তার সবগুলো সঠিক ভাবে পারছিলাম। তারপরও তারা আমাকে প্রথমবার ফেল করে দেয়, আমার খুব জরুরী ছিল লাইসেন্সটা। পরে এক্সট্রা ৪ হাজার টাকা দিয়ে ওটাকে পাস করিয়ে নেওয়ার জন্য বাধ্য করেছে তারা।
প্রতিটি পাসপোর্ট ফাইলে চ্যানেল ব্যবহার না করলে বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল জমা নেওয়া হয়না।চ্যানেল ব্যবহার করলে কোন সমস্যা নাই, দ্রুত ফাইল জমা হবে।আপনি যাদি প্রতিবাদ করেন আপনাকে দালাল বানিয়ে দিবে।
আমি আমার ও চাচার খারিজ বাবদ ৩ বারে মোট ১৩০০০০ টাকা প্রদান করি।
নাম্বার প্লেট বিতরনের সময় টাকা দাবি করা হয়েছে ২০০ টাকা
আমরা সিডিএ অধীন একটি জমি খরিদ করর। তাদের অনুমতি জন্য গেলে ৩মাস সময় লাগবে জানায়। জরুরি হওয়ায় ১লাখ চায়। সে ছাড়া এ কাজ অন্য কোন অফিসার করে দিচ্ছে না। বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হলো। তার দাড়ি আছে। দক্ষিণ দিকের কোনায় বসে, পশ্চিম দিকে মুখ করে। বাড়ি উত্তরবঙ্গে।
আমার বাবার রিটায়ার্ড করার পরে পেনশনের টাকা উত্তলন করতে গিয়ে ষুস দাবি করেছিল
এখানে প্রতিটি এডিপি বা ইউডিএফ কাজের বিল তুলতে গেলে লোহাগাড়ার ইউএনও তার নিজের জন্য ৫% দাবি করে। অনেকে ২% বা ৩% পর্যন্ত দিতে চাইলেও ইউএনও প্রত্যাখান করে। উনি ৫% না দিলে বিলে সাক্ষর করতে অপারগতা জানাই। এভাবে প্রতিটা বিলেই উনি এই কাজ করে থাকেন।
ইউনিয়ন কমপ্লেক্স গত পাঁচ বছর আগে আমার ভাইয়ের জন্ম সনদ তুলে নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু ঘর থেকে সেই সনদ হারিয়ে গেছে কিছু দিন আগে সনদ টার প্রয়োজন হয়েছিলো তাই ইউনিয়ন কমপ্লেক্স এ গিয়ে বলার পরে তাদের সারবার থেকে শুধু বের করে বের করে ফোট কপি করে দিয়ে ২০০ টাকা দাবি করে আমি পতিবাদ করি কারণ আগে থেকে করা সনদ শুধু ৫ টাকা লাগা কথা ফটোকপি খরচ পরে আমার কাছে ১৫০ টাকা নিয়ে সনদ দিয়েছে।”
নামজারি আবেদন করেছিলাম তাদের মাধ্যমেই, মোট চার মৌজায় ৪ টি জমির, সরকারি ট্যাক্স, আবেদন ফি, চালান সব মিলিয়ে ১৫০০ এর মত লিগ্যাল খরচ হওয়ার কথা, কিন্তু সে ২৫০০০ দাবী করে , পরে বললাম সরকারী হিসাবে ত ১৫০০-২০০০ হওার কথা । পরে আর কিছু বলেনি আবেদন করে দিল, অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করে ১৫-২০ দিনেও কোন আপডেট পেলাম না। পরে আবার গেলাম , আমাকে তারা বলে আমার কাগজে ঝামেলা আর ১২/১৫ ধরনের কাগজ লাগবে। সব ম্যানেজ করে দিলাম তারপর ৪/৫ দিন পর দেখি আবেদন নাকি তারা তদন্ত করে বাতিল করে দিয়েছে । আমাকে তারা আবার বলল আপিল আবেদন করতে ২০০০০ দিতে তাহ্লা নাকি ঝামেলা গুলা কাটিয়ে তারা কমপ্লিট করে দিবে।
ভূমি করের দাবি দেখিয়েছিল ২২০০০/ (প্রায়) । ৮০০০৳ ঘুষ দিলে মাত্র ২০০৳ (প্রায়) ভূমি কর দেয়া লাগে।
আমার জমি একজন ভূমিদস্য জোরপূর্বক দখল করে নিলে আমার জমি ফিরে পেতে আমি আদালতে মামলা করি আদালত রাঙ্গুনিয়া ভূমি অফিসকে সরজমিনে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বললে ভূমি অফিসের কর্মকর্তা তদন্ত করার পর আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে মিথ্যা রিপোর্ট করে
আমার একটা হাইওয়ে রেস্টুরেন্টের লাইসেন্স করতে এক লক্ষ টাকা দাবী করেন অফিসার। আমি বাধ্য হয়ে 60 হাজার টাকা দেই।