ডুকুমেন্টস এসেসম্যান্ট বা এক্সামিন বাবদ রপ্তানি ক্ষেত্রে
এইটা কমন খরচ না দিলে ডুকুমেন্টস এ দাড়ি,কমার কারনে আটকাইয়া রাখে যাত জাহাজীকরন আটকাইয়া যায়। এইটা প্রতি ডুকুমেন্টস খরচ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এইটা কমন খরচ না দিলে ডুকুমেন্টস এ দাড়ি,কমার কারনে আটকাইয়া রাখে যাত জাহাজীকরন আটকাইয়া যায়। এইটা প্রতি ডুকুমেন্টস খরচ।
বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে যার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই সামান্য নাগরিক সনদ তোলার জন্য। যে ব্যক্তি ফর্ম দিচ্ছিল সেই টাকা চাচ্ছিল।
আমি একজন যুক্তরাজ্য প্রবাসী। দেশে অবস্থানকালে আমার যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণকারী সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে যাই। সেখানে প্রথমে আমাকে বলা হয় “সার্ভার ডাউন” এবং সরকারি ফি ও বিলম্ব ফিসহ ১,৫০০ টাকা দাবি করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত অপারেটরও তখন অফিসে ছিলেন না। চেয়ারম্যান মহোদয়কে বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগ করার কথা বলার পর অপারেটর অফিসে এসে কাজ শুরু করেন এবং তখন সার্ভার স্বাভাবিকভাবেই চালু ছিল। অর্থাৎ শুরুতে আমাকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল বলে প্রতীয়মান হয়। এছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছ থেকে লন্ডন ও যুক্তরাজ্যকে পৃথক দেশ হিসেবে উল্লেখ করার মতো ভুল তথ্যও পাওয়া যায়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
লাইসেন্সের পরীক্ষার আগে লারনার কার্ড কাগজ দেয়া বাবদ।
চলমান খরস্রোতা নদীকে বদ্ধ নদী বলে ইজারা নেওয়া হয়েছে সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভূমি) জড়িত। একইসাথে ইজারাদাররা সরকারি দলের সমর্থক।
৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে একটি হাইস্কুলে একসাথে একাধিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছিলাম। এমপিওভুক্ত হওয়ার জন্য জন প্রতি ৫০০০ দিতে হয়েছে। এটা সারাদেশের শিক্ষা উপজেলা অফিসের চিত্র।
সাধারণত একটি দলিল করার পরবর্তী সময়ে ভূমি রেকর্ডের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়ে থাকে, এই ভূমি রেকর্ড করতে গেলে প্রথমত অনলাইনে আবেদন করা লাগে। সাধারণ ব্যক্তি অনলাইনে আবেদন করার পরবর্তী সময়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে রিপোর্টের বা প্রতিবেদনের জন্য উপস্থিত হলে প্রতিবেদনের জন্য প্রতিটি ই-নামজারি আবেদনের জন্য এক থেকে দুই হাজার টাকা চার্জ করা হয়, ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড ও সার্ভেয়ার এবং অফিস কর্মকর্তা থাকেন এই সকল ব্যক্তিদের এক থেকে দুই হাজার টাকা দেওয়া লাগে তা না দিতে পারলে আপনার আবেদনটি না মনজুর হিসেবে গণ্য হবে। সর্বমোট প্রতিটি ই-নামজরি মনজুর করার জন্য খরচ হয়ে থাকে ৮০০০-১০০০০ হাজার আর কাগজপত্র সাধারণ কোন ভুলত্রুটি থাকলে নেওয়া হয় অধিক চার্জ যেমন : ১০,০০০ - ******* যা সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টদায়ক।
Dhaka University teacher recruitment system is a complete sham. I was asked to give the money, but I refused. Hence, I didn't get the job despite having enough qualifications. It's not public service-related, I know, but I really wanted to say it somewhere where people can see this.
সরকারিভাবে অসহায় মানুষের ঘর তৈরি নির্মাণকৃত টাকা পুরোটাই খেয়ে ফেলেন নেত্রকোনা কেন্দুয়া গন্ডা ইউনিয়নে ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য । তার বিরুদ্ধে সরকারি সকল কাজেই অনিয়ম এবং দুর্নীতির অনেক অভিযোগ রয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষায় ফেল করায় দেয়, তাই বাধ্য হয়ে টাকা দেই।অথচ আমি লিখিত ও ফিজিক্যাল পরিক্ষায় পাশ করি।
টাকা না দিলে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় ফেল করা হবে এবং লাইসেন্স কে বাতিল করা হবে।
আমাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্র ফায়ার লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য পরিদর্শন করতে এসে ভদ্রভাবে ২০০০ টাকা চেয়ে নিয়েছে।
নতুন করে এনআইডি করতে গেলে ৪০০০ টাকা দিতে হয় প্রতি জনকে। সপ্তাহে দুইদিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি তোলা হয়। ২ দিনের মধ্যে কমপক্ষে ১৫০-২০০ জন নতুন ভোটার ও সংশোধন সংক্রান্ত কাজে উপজেলা নির্বাচন কমিশনে যান।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য নিজে আবেদন করেছি অনলাইনে এবং সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করে পরীক্ষা দিতে যাই । যেয়ে দেখি ৯৯% লোক দালালের মাধ্যমে লাইসেন্স করতে আসছে। তখন আমি এগুলো দেখে ঘাবড়ে যাই তখন পরিচিত এক লোকের সাথে দেখা হল সে আমাকে বলল ভাইয়া আমিও আপনার মতো নিজে এপ্লাই করে পরীক্ষা দিতে এসেছিলাম আমাকে ফেল করায় দিছে এখন আমি দ্বিতীয়বার আবার আসলাম দালালের মাধ্যমে করার জন্য ও আমাকে বলতেছে আপনি পারলে দালালকে কিছু টাকা দিয়ে দেন তাহলে আপনার দ্বিতীয়বার আসা লাগবে না । ফেনীতে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা দিতে যারা আসে তাদের কাছ থেকে properly পরীক্ষা নেওয়া হয় না প্রত্যেকটা জায়গায় করাপশন এবং ভিতরে ভিডিও করা নিষেধ একটা সাইনবোর্ড এর মধ্যে লিখে দিছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে যিনি ফর্ম বিতরণ করেন, ওই আংকেলটা ফর্ম তোলার জন্য সময় আমার কে বলে যদি আমি ফলাফলের তালিকায় না আসি তবে তার মাধ্যমে আমি ওইখানে ভর্তি হইতে পারবো। তারপর উনি ব্যক্তিগতভাবে উনার নাম্বারটা দেয়, এবং ওনাকে কল দিয়ে বললে বিকাশে বা নগদের টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলে আমাকে জানে। যদিও আমি এই অন্যায় পথ অবলম্বন করি নাই
একবার সার্ভে করা জমি যা তসদিককৃত। এখন সেটেলমেন্ট ট্রাইবুনাল চেক করে গেজেট করবে। কাগজপত্র সব ঠিক আছে। দেখানোর হাজিরা ৫০০ টাকা। আর কাজ ফাইনাল করবে এই জন্য ৫০,০০০ চাইল। পরে ২০,০০০ দিয়ে পার পেলাম। ৩০ ধারা শুনানী কালে এসব হচ্ছে। বৈধ ক্রয় কৃত সম্পত্তি তাও ঘুষ ছাড়া সম্ভব না। একজন ও টাকা ছাড়া কাজ করতে পারেনা। সরে জমিনে ওপেন সিক্রেট। রেইট করা। জমির পরিমানের উপর ঘুষ কমে বাড়ে।
আমি শিক্ষা বোর্ডে যায় মেসেজ আসার পর নাম কারেকশন এর সার্ভার কপি প্রিন্ট করে জমা দেওয়ার জন্য। কিন্তু তিনি আমাকে এভয়েট করে। রিকোয়েস্ট করার পর তা নিল এবং বলল তাড়াতাড়ি করার ব্যবস্থা কর। পরে উনার মোবাইল নম্বর নিয়ে চলে আসি ।এখনো আমাকে মিটিং এ ডাকা হয়নি।
আমার বাচ্চার জন্য ইতালিতে পাসপোর্ট তৈরি করা বাধ্যতামূলক আমি পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য বাংলাদেশ থেকে জন্ম সনদপত্র বানিয়েছি সেখানে তারা জন্ম তারিখ ভুল দিয়েছে। আমি বারবার তাদেরকে সকল ডকুমেন্ট দিয়েছিলাম কিন্তু তারা জন্ম তারিখটি ভুল আসছে বলে আমাকে জানিয়েছে। পরবর্তীতে আমি এটা সংশোধন করার জন্য দিয়েছি সে ক্ষেত্রে তারা তিন হাজার টাকা চেয়েছে তারা জন্ম তারিখ সংশোধন করে দিয়েছে ঠিকই কিন্তু জন্মস্থানের জায়গায় বাংলাদেশ লিখে দিয়েছে। যেটা ভুল হয়েছে আবারও সেখানে সংশোধন করার জন্য তাদের কাছে দিতে হয়েছে নতুন করে জন্মস্থান ইতালি লিখার জন্য। সে ক্ষেত্রে তারা আবারও আমার কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়েছে এছাড়াও প্রথমবার জন্ম সনদ তৈরি করার ক্ষেত্রেও তারা টাকা নিয়েছে।তাছাড়াও প্রচুর পরিমাণে হয়রানি করেছে.
ভ্যাট চালান অনলাইনে প্রতি মাসে জমা না দিলে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা হবে। বিষয়টি আমার জানা ছিল না। প্রথম যখন জানতে পারলাম তখন অনলাইনে আমি চালান সহ জমা করি। সে সময় দায়িত্ব প্রাপ্ত কাস্টম ইন্সপেক্টর আমাকে ফোন দিয়ে বলেন আপনি যে জমা করেছেন। আপনি এসবের খাতা নিয়ে আসেন। আমি বললাম কন্টাকটারি কাজে এভাবে আমরা করি নাই । তখন উনি বললেন তারপর সজার করে ৩০ হাজার টাকা ফাইন হয়েছে। আমাকে ১০ হাজার টাকা দেন না হলে আপনাকে ফাইন করে দিব। পরে বাধ্য হয়ে তাকে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে আমাকে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিমাস কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ১০০০০ করে টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে ভ্যাট বাবদ।
আমার বার্ত সার্টফিকেট কারেকশন এবং ছেলের বার্ত সার্টিফিকেট করার জন্য দুইটা মিলে ৪০০০ দিতে বাধ্য হয়েছি। মহাখালী সিটি করপোরেশন অফিসে দালাল এ ভরা