পাসপোর্ট নবায়ন
আমি আমার পাসপোর্ট রি-ইসু করতে আবেদন করি নিজে কিন্তু পেশার যায়গায় বেকার থাকার কারণে Unemploy দিয়েছি তখন তারা একজনের নাম্বার দেয় উনার সাথে যোগাযোগ করে ২০০০ হাজার দেওয়ার পরে ফিঙ্গার দিয়ে বাসায় আসি 🥲
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার পাসপোর্ট রি-ইসু করতে আবেদন করি নিজে কিন্তু পেশার যায়গায় বেকার থাকার কারণে Unemploy দিয়েছি তখন তারা একজনের নাম্বার দেয় উনার সাথে যোগাযোগ করে ২০০০ হাজার দেওয়ার পরে ফিঙ্গার দিয়ে বাসায় আসি 🥲
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সরকারি চাকরির জন্য আমার আব্বা তার হেড অফিসের খুব পরিচিত এক ঊর্ধ্বতন কর্ম কর্তাকে আমার চাকুরীর জন্য সুপারিশের অনুরোধ করেন। ওই কর্মকর্তা আব্বাকে বলেন এই চাকরি পেতে গেলে অনেক টাকা দরকার। আমার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আব্বা তার সারা জীবনের সৎ পথে উপার্জনের টাকা এবং লোণ করে ১৫লাখ টাকা তার হাতে তুলে দেন। কিন্তু চাকরি তো হলনা উল্টা আমার আব্বাকে বিভিন্ন মামলা ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। আব্বা যেহেতু সরকারি চাকরি করেন তাই কোন মামলায় পড়তে চাননি। আমি আব্বাকে ভাল করে জানি। আব্বা কোনদিন অন্যায় করেননি। অবৈধ ভাবে এক পয়সাও ইনকাম করেননি। আমাদের শরীরে হালাল পয়সার খাবার দিয়েছেন। আমরাও কোন দিন কোন অভিযোগ করিনি। সেই বাবাকে আমি নীরবে কতদিন চোখের পানি ফেলতে দেখেছি। আমাদের অবস্থা খুব খারাপ গেছে।
অফিসে সবাই মিলে সিন্ডিকেট করে টাকা খাচ্ছে। অফিস গেলে সহজেই কোন উপদেশ দেইনা।এমন পরিস্থিতি তৈরি করে টাকা না দিলে প্রুচর ঘুরতে হয়।
আমরা একটি জমি কিনে রেজিষ্ট্রেশন করতে কয়েকজন ভেন্ডর বা দিল লেখকের সাথে যোগাযোগ করি। আমাদের জমিটি বাড়ি হিসাবে খতিয়ানে লিখা আছে। বাস্তবে এটি বর্তমানে পতিত জমি। এজন্য হয় বাড়ি হিসাবে রেজি নিতে হবে, যাতে ৫ লক্ষ বেশি কর আসে।নতুবা ১২০/১৫০ হাজার ঘুস দিলে নাল জমি হিসাবে রেজি দিবে।
আমি জরুরি প্রয়োজনে পাসপোর্ট নবায়ন করতে বাধ্য হয়েছিলাম। তাই পাসপোর্ট অফিসের কাজ এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য পুলিশ ও পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ দিতে হয়েছে।
বাংলাদেশের ইটভাটা আইন শতভাগ মেনে এদেশে একটি ইটভাটাও টিকে না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এদেশের প্রতিটি জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর অফিস সকল ভাটা মালিকদের অফিসে ডেকে তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে বাধ্য করে! প্রতিটি ভাটা মালিকের কাছ থেকে এক মৌসুমে নুন্যতম ৫ লাখ টাকা আদায় করে। কেউ তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ না হলে তার ভাটায় অভিযান করে, ভাটা গুড়িয়ে দিয়ে পথে বসিয়ে দেয়। তাই বোবা প্রানীর মতো তাদের অফিসে গিয়ে টাকা দিয়ে আসতে হয়! সারা বাংলাদেশে প্রতিটি উপজেলায় গড়ে দেড় থেকে দুই কোটি টাকা লেনদেন হয় একটা মৌসুমে!
থানার মধ্যে আমি একটি জিডি করেছিলাম পারিবারিক বিষয়ে। তারপর পুলিশ আমার বাসায় আসে তথ্য সংগ্রহ করা এবং কি পুরো বিষয় বিস্তারিত জানার জন্য। তারপরে সবকিছু জানার পর, আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করে। তারপরে আমি ২৫ শত টাকা দিয়েছি। ওনারা আমাকে বললেন এই ২৫০০ টাকা তাদের গাড়ি ভাড়া। তারপর এই টাকা দেওয়ার পরেও আমি সঠিক বিচার পাই নাই। কারণ আমার কাছে আরো টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত দুঃখিত কারণ আমি বাংলাদেশী।
ওয়ারিশন সনদ করার জন্য, কাউন্সিলর অফিসে সকল কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে, সেখান থেকে আমাকে জানানো হয়, আমার কাগজপত্র সাইন হয়ে কাউন্সিলর অফিসেই আসবে। কিন্তু দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেও পাইনি আমার ফাইল। তারপর আমার ফাইল কোথায় আছে জানতে চাইলে বলে সিটি কর্পোরেশন আছে, সেখানে গিয়ে ফাইল খুজে বের করার পরে বলে ৩০০০ টাকা দিতে হবে না হলে কাজ হবে না। তারপরের দিন আমার কর্মস্থলে এসে টাকা নিয়ে গেলেন আর কাজ হয়ে গেলো।
ছবি তাং ১ মাস পরে দিয়ে ছিল ১০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর সাথে সাথে ছবি তুলে NID কার্ড সম্পন্ন করে দিয়েছিল
আমি জমা খারিজ করতে যাই, কাগজ পত্র গুলো সব ঠিক তখনই সে বললো ওয়ারিশান এর প্রত্যন পএ চাই যা দেওয়ার সম্ভাবনা নেই তার জন্য আমি 20000 বিশ হাজার টাকা নগদ পরিষদ করি।
উপজেলা শিক্ষা অফিস এিশালে ৫ম শ্রেণির সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম,কম্পিউটার অপারেট/পিয়ন হবে হয়তো , সংশোধনের ফর্ম জমা নিতে চায়নি, বলে ডিআর এর কপি ছাড়া জমা নিবো না। এছাড়া অন্য আরেকটি উপায় আছে ৫০০০টাকা দিলে ১ সপ্তাহের মধ্যে সংশোধন করে দিতে পারবে।, তারপর অন্য একজন শিক্ষা অফিসের কমকর্তাকে (ডিআর ছাড়া ফর্ম জমা নিচ্ছে না জানানোর পর) ওনার সুপারিশে ফর্ম জমা নেয়, কিন্তু প্রায় ৬ মাস পর সংশোধিত সার্টিফিকেট হাতে পায়।
আমি ওমান যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম এয়ারপোর্টে আমার জিনিসপত্র চেকিং করার সময় আনসার সদস্য আমার থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে পরে ৫০০টাকা নিয়ে যায়।
প্রতি নলকূপ ও সেনিটারি টয়লেট/ বাথরুম বাবদ ৫০০০ টাকা করে ঘুষ নেই উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা বানিয়াচং হবিগঞ্জ। অথচ সবকিছু সরকারি বরাদ্দ ছিল। সব উপজেলায় প্রায় জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা গন ঘুষ বানিজ্য করে। ওদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। আমার অনুরোধ দপ্তর এর জায়গায় জনস্বাস্থ্য যোগ করুন।
ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়।
ঘুষ দিয়ে সেবা নিতে হয়েছে
কর্মকর্তা কর্তৃক ঘুষ গৃহীত হয়।
ঢাকার কেরানীগঞ্জে বি ডি এস জরিপ চলছে। এতে জরিপ যারা করছেন তারা নানা অজুহাতে সাধারণ মানুষের কাছে ৫০০০ টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুষের টাকা দাবি করছেন, অন্যথায় তাদেরকে ভুুমি জরিপের খসরা পর্চা দেওয়া হচ্ছেনা।
আমার কাছ থেকে টাকাও নিতে পারতেছে না কাজটাও করে দিচ্ছে না, কারন আমিও সরকারি চাকরি করি। মুন্সিগঞ্জ বিআরটি অফিসের কর্মকাণ্ড।। কথা বললে মনে হয় তারা এক একজন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট।
মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য BMET Registration করতে টাংগাইল সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নগর জলৈফ এ গিয়েছিলাম তখন তারা বলে বাহিরে তাদের দোকান থেকে রেজিষ্ট্রেশন করতে বলে, সরকারি BMET registration চার্জ যেখানে ২০৪ টাকা তারা সেখানে সকল আবেদন কারির কাছ থেকে ৬০০ টাকা করে নিচ্ছে, এটা TTC এর অসাদু কর্ম কর্তা দের দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।
দাখিল সার্টিফিকেট, মার্কসীট, প্রসংশাপত্র, আলিম সার্টিফিকেট, মার্কসীট, প্রসংশাপত্র প্রত্যেকটা কাগজের জন্য ৫০০ টাকা করে দাবী করেন