থানা পুলিশ
খুনের মামলায় খুনি আসামিকে গ্রেফতার না করিয়া তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করার মিথ্যা বাহানা করতিছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খুনের মামলায় খুনি আসামিকে গ্রেফতার না করিয়া তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করার মিথ্যা বাহানা করতিছে।
পৌৱসভাৱ নগৱপৱিকল্পনাবিদেৱ কৰ্তৃক বাসাৱ সামনেৱ ৱাস্তাৱ মাপাৱ জন্য ৫০০০.০০ প্ৰদান কৱতে হয়েছে । ঘুষ না দিলে সিগনেচাৱ কৱবে না। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
সরকারি টাকা হচ্ছে ৫৭৫০ টকা আমার কাছে সরকারি টাকা পরিশোধ করার পর বলতেছ আরো ১৫০০ টাকা লাগবে তা না হলে তোমার পাসপোর্ট হবে না। আমি যখন ফরম জমা দিতে গেলাম তখন বললো তোমরা স্টুডেন্ট আইডি কই নিয়ে আসো। আচ্ছা বলেন আরেক টা দুঃখের কথা হলো পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা কাজ করে যোহরের পরে তার আগে তাঁরা দুষ্টামি করে আর আমরা সাধারণ মানুষ রা সিরিয়াল ধরার জন্য ভোর ৫টা বা ৬টায় হাজির থাকি। আর তারা আমাদের সাথে মজা নেন। তো যখন আমি ফরম জমা দেওয়ার জন গেলাম আমাকে ভুল ধরে পাঠায় দেয়, তো বাহির হওয়ার পর একজন জিগ্যেস করে কি সমস্যা তারপর তার কাছে বললাম। তখন সে আমাকে বলে ২৫০০ টাকা লাগবে আমি বললাম আমার কাছে টাকা নাই। তখন সে আমাকে বল লাষ্ট ২০০০ হাজার টাকা রাখা যাবে। তারপর আমি আবার পরেরদিন যাই তখন আবার ভুল ধরলো তোমার গ্রামের
SSC পরিক্ষার সাটিফিকেট নিতে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন নোয়াখালী কবির হাট উপজেলার হাজিরহাট হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
নামজারি/খারিজ প্রথম ইউনিয়ন ভূমি অফিস নায়েব 4000 পারে উপজেলা ভূমি অফিসে 60000 টাকা নিয়ে তাদের টাকা দিতে হয় কম্পিউটার অপারেটর মধ্যে উপজেলা দারোয়ান এর মাধ্যমে দিতে হয়
জমির নামজারি করার জন্য নায়েব সরাসরি তার অফিসে ডেকে ৪৭৫ শতাংশ জমির জন্য ৭ লক্ষ টাকা দাবি করেন। তাং দিতে অস্বীকার করায় নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেন।
১| আমার জন্ম নিবন্ধন এর বয়স বাড়িয়ে একটি আইডি কার্ড বানানো হবে, তারপর আইডি কার্ড বানানোর পরে আমার একটি পাসপোর্ট বানানো হবে, সেই সুবাদে আমার থেকে প্রথমে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে, পরে দর কষাঘষির পরে ২৩ হাজার টাকা তো রাজি হয়
যাবতীয় সব কাগজ আপডেট থাকার পর ও ,তারা অহেতুক এটা সেটা নিয়ে ভুল ধরত আর বলত আমাদের টাকা দেন , আমরাই সব করে দিবো ।
সরকারি হসপিটালে শুধুমাত্র ডক্টর এসে একটু দেখে যায় বাকি সব কিছু বাহির থেকে টেস্ট করাতে হয়। হসপিটালে ভিতরে কোন ধরনের পরীক্ষা করানো যায় না। হসপিটালে বাহিরে শত শত ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠছে তারা রোগীদেরকে জিম্মি করে সমস্ত টেস্ট গুলি ওখান থেকে করাতে হয়। এবং নিয়ম অনুযায়ী হসপিটাল থেকে ওষুধ স্যালাইন গুলি প্রোভাইড করার কথা।কিন্তু নাপা ছাড়া আর বাকি যত ওষুধ আছে সবকিছু বাইরে থেকে কিনে নিয়ে আসতে হয়। সবার আচার হসপিটালের স্টাফদের খুবই বাজে খুবই খারাপ ব্যবহার করা করে। এবং আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে রোগী অপারেশন থিয়েটারে নিতে টলি বয় কে টাকা দিতে হয়েছে আবার অপারেশন শেষে অন্যায় নিয়ে আসছে তাকে টাকা দিতে হয়েছে। এটা খুবই বাজে অভিজ্ঞতা ছিল। উল্লেখ্য এই ঘটনাটি গত মাসে ঘটেছে
আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী, উনার জন্ম নিবন্ধনটা অনলাইন করা লাগে, কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করা হলে তারা ৩০০০ টাকা দাবি করে, এছাড়া তারা কাজ করবে না। যখন ৩০০০ টাকা দেওয়া হল তারপর ৩ দিনের ভিতর অনলাইন করে দেয়।
সরকারি চাকুরীতে যোগদানের সময়, পে ফিক্সেশন এর সময় আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়, আমি প্রত্যাক্ষান করি, কিন্তু পরবর্তীতে আমাদের অফিসের এক দালাল এর জন্য অন্য কলিগরা রাজি হওয়াতে দিতে বাধ্য হই।।
মাতৃত্বকালীন ছুটির আবেদনের সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিভিন্ন টালবাহানা করতো।শেষ টাকা দিলে মাতৃত্ব কালীন ছুটিতে স্বাক্ষর করেন।
সাব রেজিস্টার যা বলে তাই করতে হয়। কারন অতিরিক্ত টাকার একটা বড় অংশ ভূমি রেজিস্ট্রার অফিসে দিতে হয়।
ঘুষ না দিলে তারা ফাইল ঢাকায় পাঠাবে না। তাই
এমপিও বেতন/বকেয়া/বিএড স্কেল চালু।শিক্ষা কর্মকর্তার পছন্দের দোকান থেকে ৩০০০/- দিয়ে আবেদন করতে হয়।আবেদন ফরওয়ার্ড করতে ৫/৬ হাজার নেন।
টাকা ছাড়া পে ফিক্সেশন চালু করবে না,তিন মাস ঘুরিয়েছিল। পরে টাকা দিয়েছি
সদরঘাট খেওয়া পারাপার এর সময় থেকে নামার পরে অতিরিক্ত ৫ টাকা দিতে হয় কিন্তু সপকানে কোনো টার্মিনাল নাই
আমি জানি খাজনা দাখিলা অনলাইনে ফ্রিতে করানো হয় সে অনলাইনে সেট করার বাবদ আমার কাছ থেকে ৩০০ টাকা দাবি করে আমি পরে করব বলে আমি চলে আসছি।
আমি একটি নামজারী খতিয়ান করতে অনলাইন আবেদনের পর তহসিলদার রিপোর্ট এর জন্য যাই। তহসিলদার আমার দলিলে ভুল আছে বলিয়া ২০ হাজার টাকা ঘুষ চায়।
আমি জমির খতিয়ান করতে দিয়েছিলাম।সরকারি খরচ ১১৭০/-টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১২০০০/- টাকা তারপরও ভুল।আবার আমাকেই সংশোধন করতে হবে টাকা দিয়ে।