MPO ভুক্তি
একটি স্কুল থেকে অন্য স্কুলে নিয়োগ পেয়ে এমপিও ভুক্ত করার জন্য অনলাইনে কাগজপত্র জমা দেয়ার পর চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিস আটকে রেখেছিল।১০ হাজার টাকা দেয়ার পর ফাইল ঢাকা পাঠায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটি স্কুল থেকে অন্য স্কুলে নিয়োগ পেয়ে এমপিও ভুক্ত করার জন্য অনলাইনে কাগজপত্র জমা দেয়ার পর চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিস আটকে রেখেছিল।১০ হাজার টাকা দেয়ার পর ফাইল ঢাকা পাঠায়।
রিপোর্টের বিষয় : আইন অমান্য করা। আমি একজন স্টুডেন্ট। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি এবং প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার আগে শিক্ষাবোর্ড থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিলো কোনো প্রকার টাকা নিলে তা অপরাধ বলে গন্য হবে। অথচ প্রতিটা পরীক্ষার সময় আঙ্কেলরা এসে টাকা নিয়েছে। একটা ঘটনা বলি, একটা ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় একজন আঙ্কেল এসে বলে ৫০ টাকা দাও। আমি বললাম, কত? ৫০? তারপর তিনি আমাকে বলছে, কেনো ৫০ টাকা কি কখনো চোখে দেখো নাই? তারপর আমি উনাকে ৩০ টাকা দিয়েছি। (প্রতি পরীক্ষাতেই গড়ে ৩০/২০ করে নিয়েছিলো বিধায় আমি এই মন্তব্য করেছি।) বলাবাহুল্য উনার কথায় আমি অপমানিত বোধ করেছি। ৩০+৩০+২০+৩০+২০+২০+৩০+৩০ = ২১০/- ( ৮ টা পরীক্ষা) আমি যদ্দূর জানি, শিক্ষাবোর্ডের আদেশ মানা বাধ্যতামূলক। সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ বোধ হয় নোটিশ দেখেনি।
শম্ভুগঞ্জ অফিসের বিদ্যুৎ এর বড় স্যার রাঘব বোয়াল। হের কাছে একটা মিল করার জন্য কানেকশন আনতে যাই। ৫ লাখ টাকা দাবি করে ট্রান্সফার সহ লাইন করে দেওয়ার জন্য। কত শত নিয়ম দেখায়। আমাকে কোন রকমের রিসিট দেয় নাই ৫ লাখ টাকা ক্যাশ নেয় তার সহকারী প্রকৌশলীর মাধ্যমে। পরে লাইন করে দেয়।
Amar cousin ek pobasi & unti k nir oprade police dore niye gece .Police o jane ora porad korni..oderk dore niye geye mamla dilo...abr neta k niye geci bahir korar jnno..neta bollo mamla halka korar jnno tk dite hoybe police k Asol oparadi na dore .Nirho manusk dore niye tk kawar danda
২০২৩ সালে চট্টগ্রামে কোতোয়ালি থানার অধিনে প্রাইমারিতে আমার চাকরি হয়। আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের দায়িত্ব পড়ে দামপাড়া পুলিশ লাইনের একজন এস এই কর্মকতার। যেখানে আমার সকল শিক্ষাগত সনদ যাচাই করার কথা উনার সেই জায়গায় আমাকে দিয়ে আমার সনদগুলো যাচাই করিয়ে উনার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। তকর কথা মত নিরুপায় হয়ে কাজগুলো করার পর উনি ৩০০০ টাকা দাবি করে বলেন টাকাটা উনার জন্য না, তবে টাকা না দিলে নাাি ২ মাসেও আমার ভেরিফিকেশনের কাজ কর্তৃপক্ষরা ধরে ও দেখবে না৷ তাই টাকাটা আমাকে দিতে হয়।
ঘুষ যে এত আধুনিক ভাবে নেওয়া হয় এইটা বিআরটিএ এর জোয়ার সাহারা তে না গেলে বুঝতেই পারতাম না জীবনও। তারা হাত এ টাকা নেওয়া বন্ধ করে ফেলছে , আধুনিকায়ন পদ্ধতি অবলম্বন করে । ঘুষ তারা এখন দালালের মাধ্যমে নেই। আমি ক্লাস ফাইভ থেকে বাইক চালাতে পারি, শুধু গাড়ি পারতাম না কিন্তূ পরীক্ষার কয়দিন আগে গাড়িও শিখে ফেলছি । লিখিত, ভাইভা তে পাস করলাম , তারপর দিলো গাড়ির টেস্ট , একটু ভয়ে ছিলাম , গাড়ি এর যে বাজে অবস্থা, মনে হচ্ছিল যে ইঞ্জিন মনে হয় বাস্ট মারবে এখনই, রিভার্স পার্কিং করলাম কোনো ভাবে , পাস হয়ে গেলাম এখন তারা বলল যে বাইকের টেস্টও দিতে হবে । কিন্তু পারলাম না, আবার date নিলাম পরের বার আবার করলাম পারলাম না। পরে বুঝলাম যে তাদের টাকা আদায় এর কৌশল ।এবার ফেইল করে টাকা দিলাম,না যেয়েও হয়ে গেলো।
আমার বাবা আলেকজান্ডার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর এর একজন শিক্ষক ছিলেন। উনি চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এরপরে আজ অব্দি ওনার পেনশন, মৃত্যু কালিন টাকা, বকেয়া বেতন কোন কিছুরই কোন কুল কিনারা করতে পারিনি। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় ধাপে ধাপে অসংখ্য টাকা নিয়েছেন। সর্বশেষ কুমিল্লা অফিসে ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করেছি। টাকা দিচ্ছি কিন্তু তারপরেও আজকে এখন পর্যন্ত কোথায় গেলে এই বিষয়ে সমাধান পাব তারও কোন আগা মাথা পাচ্ছি না। খুবই অসহায় অবস্থায় আছি আমরা দুই ভাই। আমাদের মা বাবার মৃত্যুর আগে মারা গিয়েছেন।
না দেওয়াতে আমার হাওর ভাতা পোস্টিং দেয়নি TFPA
বন্দর এসি লেন্ড রুপালি খাজনা বাবদ। কম্পিউটার অপারেটিং ম্যান বয়স আনুমানিক ২৬ বা ২৭ গায়ের রং ফর্সা
বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠান এনলিস্টমেন্ট সংক্রান্ত অভিযোগ ও ঘটনা প্রতিবেদন বিষয়: বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠানের এনলিস্টমেন্ট প্রক্রিয়ায় সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার অভিযোগ। ১. পটভূমি আমি একটি বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠানের মালিক। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের প্রতিষ্ঠান শিল্পকারখানায় বয়লার সার্ভিসিং, মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি সেবা প্রদান করে আসছে। গত প্রায় দুই বছর ধরে বয়লার সংক্রান্ত কাজের ক্ষেত্রে একটি নতুন নিয়ম/প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে, যার আওতায় বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট বয়লার অফিসে Supplier/Service Provider হিসেবে Enlisted হতে হয়। বয়লার অফিসের ওয়েবসাইট boiler.gov.bd-এ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনুমোদিত/এন
আমি সৌদি আরবে আসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য সরকারি ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারপর থানা থেকে একজন ফোন দিয়ে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে প্রথমে আমারে টাকা দিতে আপত্তি জানাই তার পর তারা বলে যে টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন খারাপ রিপোর্ট দিবে, যদিও আমাদের নামে থানায় অথবা অন্য কোথাও কোন প্রকারের অভিযোগ ছিল না, তারপর নেগোসিয়েশনে করে পনেরশো টাকা দিয়ে ভেরিফিকেশনটি নিয়ে আসতে হয়
বাড়ির টেক্স আর জমির খাজনা বাবদ মন গরা টাকা চায় আমি জিগ্গেস করলাম সরকারি ফ্রিস কতো সে মনগরা একটা বলে দেয় এতো টাকা লাগবে পরে জানতে পারলাম সরকার এর ফ্রিস আর ও অনেক কম তাই পরে জখন বললাম সরকার এর যত টাকা নির্ধারণ করছে এক টাকা বেশি দিবোনা সে ভয় বিতি দেখায় এই হয়ে জাবে সেই হয়ে জাবে কি আর করার গ্ৰামের মানুষ এটা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না ৫০০০টাকায় লফাদফা করা হয় যেখানে এর লাগতো ২০০০টাকার মতো
মোবাইল কোর্টের মামলার নথির নকলের জন্য তলব করিলে উক্ত নকলের নথি আটক রাখিয়া টাকা দাবী করে।টাকা না দেওয়ার কারনে নকল আটক রাখে পরবর্তিতে আমি ১৫০০ টাকা দিলে সে নকল না দিয়ে আটক রাখে।
আমি আমাদের জমি নামজারি করতে গেলে বলে সরকারি ভাবে করলে অনেক সময় লাগবে আবার নাও হতে পারে।অথচ সরকারি ফি মাত্র ১১৫০ টাকা।আর যদি কনটাকে করি তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।টাকা লাগবে ৬০,০০০।
ভোটার আইডি কার্ডে বাবার নাম সংশোধন করার জন্য ৩০,০০০ টাকা চেয়েছে পরে আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি
চারঘাট,,, রাজশাহী পরিসংখ্যান অফিস এক পিয়ন ৫০০০০ হাজার টাকা দাবি করে।। কাজ তারাতারি করার জন্য।। আমার নানার প্রভিডেন্ট ফান্ড টাকা তারাতারি তোলার জন্য
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি গত ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখে সৌদি আরব এসেছি। সৌদি আরব আসার জন্য আমি PDO সার্টিফিকেটের জন্য মোবাইল থেকে রেজিস্ট্রেশন করে পরে ট্রেনিং শেষ করি। যখন আমি ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর জন্য গিয়েছি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে তখন দেখতেছি সিরিয়াল ধরে সবাই টাকা জমা দিচ্ছে কেউ দিচ্ছে২৩০ আর কেউ ৩০ টাকা। যাদের রেজিস্ট্রেশন করা নাই তারা ২৩০ টাকা যাদের রেজিস্ট্রেশন করা আছে তারা শুধু ৩০ টাকা।কিন্তু আমার জানা আছে ফিঙ্গারপ্রিন্টের জন্য কোন টাকা লাগে না।সিরিয়ালে থাকা ব্যক্তিদের কে আমি জিজ্ঞেস করলাম ৩০ টাকা কেন দিচ্ছেন আপনাদের তো রেজিস্ট্রেশন বাইরে থেকে করে নিয়ে আসছেন কম্পিউটার দোকান থেকে তারা বললো ৩০ টাকা চাইতেছে তাই দিতেছি। পরবর্তীতে যখন আমার সিরিয়াল আসে আমি আমার রেজিস্ট্রেশনের পেপারটি তাদ
আনুমানিক ২০২২-২০২৩ সালের দিকে সরকার পক্ষ থেকে শিক্ষথীদের ইউনিক আইডি দেয়ার উদ্যোগ নিয়ে ছিল যার কারণে সকল শিক্ষথীদের জন্মনিবন্ধন অনলাইন করাতে হয়ে ছিল। আর এই প্রক্রিয়ার করতে গিয়ে আমি সহ আমার মোট ০৪ ভাই -বোন দের জন্য ৫০০ টাকা করে মোট ২০০০ টাকা এবং পরবর্তীতে একটি সংশোধন এর জন্য আরো ২০০ টাকা মোট ২২০০ টাকা নিয়েছে। তা ছাড়া নতুন জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি ৫০ টাকা হলেও ২০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকে।
কাজটি সম্পন্ন করার জন্য 5000/- বেশি চেয়েছেন.
দুইবার সবকিছু রেডি করে জমা দিতে গেছিলাম, দুইবারই এই সমস্যা ঐ সমস্যা বলে আমার ফাইল জমা নেয়নি কিন্তু দালালের একটা কোড নাম্বারে আমার ফেরত দেওয়া ফাইল জমা নেয়।