হোস্টেলে সিট
সরকারি মুসলিম হোস্টেলে সিট দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি মুসলিম হোস্টেলে সিট দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে
আমার ছেলেটা অটিজম পেসেন্ট তাই এখানকার সরকার আমাদের বাসা ভাড়া পেমেন্ট করে তার সন্মানে তাই নিজ দেশে কোন সম্পত্তি আছে কিনা সেটার জন্য দেশ থেকে একটা সম্পত্তি নাই এই লেখা একটা সার্টিফিকেট লাগবে তাই আমি আমার খালাতো ভাইকে বলেই সিটি কর্পোরেশন থেকে একটা সার্টিফিকেট নিয়ে আসার জন্য কিন্তু দুঃখের বিষয় মিরপুর ২ নম্বর সিটি কর্পোরেশনের নিযুক্ত কর্মকর্তা আমার ছেলের কাগজ না দিয়ে আমার (মানে পিতার) কাগজ আনতে বলে নিজ জেলা থেকে একথা শোনার পর আমি আমার মামাতো ভাই এর নাম্বার দিয়ে ওনার সাথে কথা বলি এবং জানাই ভাই আমার জন্ম ঢাকায় আমার যা আছে ঢাকায় আমার কাগজ যদি লাগে সেটা কমিশনার থেকে এনে দেই উনি বলে না গ্রামের থেকে আনতে হবে। যখন ১০০০ টাকা দেই পরে কাগজ দেয় আগে ৩/৪ দিন ঘোরায় টাকা না দিলে নিয়ম আর নিয়ম দেখাতে থাকে।
জমির খারিজ করতে ৭০০০০০ টাকা চুক্তির মাধ্যমে নেওয়া হইছে , অফিসের সবাই ঘুষ খায় , টাকা নাহ দিলে কাজ করে না , সবাই বাধ্য হয়েই ঘুষ প্রদান করে কেউ প্রতিবাদ করে না কারণ যদি জমির খারিজ নাহ দেয় বা কোনো ক্ষতি করে এর জন্য কেউ কিছুই বলে না , এই বিচার কে করবে , সব ভূমি অফিসে একই নিয়ম
বেতন এর মাস খুলতে গেলে টাকা দাবি করে, মাসের পর মাস ঘুরিরে বেতন দেয়। ভুল ভাল রিপোর্ট করে। সঠিক তথ্য দেয় না। AG অফিস গুলো চরম পরিমানে ঘুস খায়৷ এদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস করে না। নাহলে এরা সকলের বেতন আটকে দেবার ক্ষমতা রাখে।
আমার কাছ থেকে ২০২৪ সালে পাসপোর্ট করতে গেলে ৮০০০ টাকা নেয় দালাল রা, এর কম হয় না,বাধ্য হয়ে পাসপোর্ট করেছি
অফিসে যাওয়ার পরে আমতা আমতা করে রেজি: কার্ডের প্যাকেটটি দিয়ে বল্লো টাকা দিয়ে চলে যান।আমরা বোর্ডের কাছে দায়বদ্ধ আছি তাই ২০০ টাকা দিয়ে চলে আসি।
আমি ২০২৬ সালের জানুয়ারী মাসের ১২ তারিখে একটি gd করি,,,, তার পরে মামলার তদন্তের বিভিন্ন খরচ দেখিয়ে পুলিশ আমার কাছ থেকে প্রায় ১২ হাজার টাকার মত নেয় এবং আমার মামলার তদন্তের জন্য CDR আমি এনে দিতে হত।
জন্ম নিবন্ধন কার্ড আছে ভোটার আইডি কার্ড নাই তার জন্য ২১ হাজার টাকা চাচ্ছে শুধু পাসপোর্ট নবায়ন করে দিবে বরগুনা পাসপোর্ট অফিসে টাকা ছাড়া পরম পর্যন্ত পাওয়া যায় না বাংলাদেশের একমাত্র জেলা হচ্ছে বরগুনা যেখানে দুর্নীতির সর্বোচ্চ হেডকোয়াটার বলা হয়
আমি খারিজ করতে গেলাম পড়ে ওরা ভূমি অফিস থাকা লম্বা দাঁড়িওয়ালা সাধু আমারে কয় 7000 টাকা লাগবো। আমি বলছি ফি তো 1170 টাকা। পড়ে আমি নিজেই আবেদন করি। তারা ভুল তথ্য দিয়া আবেদন টা বাতিল করে দেয়। পড়ে সে চায় 8000 টাকা। কি আর করার টাকা দিছি আর এক সপ্তাহে কাজ হয়ে যায়। এই নিয়ে আমার ওদের সাথে অনেক কথা কথা কাটাকাটি ও আমাকে হুমকি ও দেওয়া হয় এবং আমার বাড়িতেও তারা লোক পাঠিয়ে হয়রানি করে আসে। এই হচ্ছে আমাদের অবস্থা।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ স্বাস্থ্যগত সনদের জন্য তাদের কাছে গেলে প্রথমে একটা রসিদ দেয় যদিও সরকারি ভাবে ৫০ টাকার কথা থাকলেও আমার কাছ থেকে ১০০ টাকা নেয়। তারা অনেক গুলো টেস্ট করে নিয়ে আসতে বলে। পরে সরকারি হাসপাতাল থেকে আমি সব গুলো টেস্ট করে সনদ নিয়ে একটা ডেস্কে যাই বলে ২০০ টাকা দিতে প্রথমে আমি দিতে অসীকার করি এবং রসিদ চাই। তখন বলে রসিদ লাগে না। পরে জানতে পারলাম সবার কাছে থেকে টাকা নেয়। টাকা ছাড়া স্বাস্থ্য সনদ মেলে না। পরে বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করি।
আমি স্টুডেন্ট , পাসপোর্ট করে ইন্ডিয়াতে যেতে হবে । পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গেলে অনেক ভুল ধরে । লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসের মানুষ মনে হয় মানুষের সেবা করে না পার্লামেন্টে বসে থাকে । তো যাইহোক ভুল ধরে আমাকে বলে যেগুলো সংশোধন করে নিয়ে আসেন । সংশোধন করতে গেলে প্রায় এক মাসের মত সময় দরকার যদিও বা করার সময় ছিল কিন্তু এতটা হয়রানি আমার একদম সহ্য হচ্ছিল না । পড়ে যেতে থাকা একজন সিকিউরিটি ম্যান তিনি আমাকে বলে যে কাজ হইলো না তো তো আমাকে কিছু টাকা দিলে আমি এই বিষয়ে সহযোগিতা করতে পারি । আমি বললাম না লাগবে না । আমার বাহিরে আরেকজন পরিচিত মানুষ ছিল দেইনি আমাকে আবেদন করে দিছেন, পরে উনি আমাকে বলেন যে ২৬০০ টাকা দিলে সব সমাধান হয়ে যাবে। চাপে পড়ে আমাকে সেটা করতে হয় ।
জামালপুর বিআরটি ৫০০০ টাকা অতিরিক্ত দিলে লাইসেন্স সহজে হয়ে যায়
কাগজ জমা দিয়েছে। এই সমস্যা, সেই সমস্যা বলে টাকা চাইছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না। বাইক ৬ মাসের ব্যবহার করা। একেবারে নতুন। তারপরও টাকা ছাড়া কাজ হয় নাই। ব্যাংকে টাকা জমা দিতে প্রায় ২ ঘন্টা লাগছে। Nrbc জমা দিয়েছি, সরকারি খরচ ৩৬৯০ টাকা। আমার কাছ থেকে ৩৭০০ টাকা নিয়েছি। জায়গাটা এইরকম ব্যাংকের কর্মকর্তা ১০ টা বেশি নিয়েছে তাও মহিলা কর্মকর্তা।
ঘুষ না দিলে তারা ফাইল ঢাকায় পাঠাবে না। তাই
বিদেশ যাওয়ার জন্য তাকামুল সার্টিফিকেট লাগে সেখানে অনলাইনে ভর্তি করানো হয়, তারপরে বলা হয় যদি ওখানে সার্টিফিকেট আপনি আনতে চান তাহলে 30-40 হাজার টাকা দিয়ে পাস করান লাগে পরে কষাকষি করে দরদাম করে বিশ হাজার টাকায় পাস করিয়েছি
আমাদেৱ বিল্ডিংএৱ বানানোৱ জন্য কম টাকা কৱ ফাইলে দেখানো হয়েছে। এই দাবী কৱে সব ফাইল অডিট কৱাল হুমকি প্ৰদান। মোট দাবী ছিল ৬০০০০০.০০ টাকা শেষমেশ ১০০০০০.০০ দিয়ে মুখ বন্ধ ৱাখাৱ ব্যবস্হা ।
সরকারি ফি ১১০০। ঘুষ না দিলে নানা অজুহাতে আবেদন বাতিল। ঘুস দিলে সমস্যা নেই।
সেবাটি ছিল বিদেশ আসার জন্য সরকারিভাবে ট্রেনিং দিতে হবে বাধ্যতামূলক ট্রেনিং পাশ করুক আর না পারুক ২০ থেকে ৩০ হাজার ক্ষেত্র বিশেষে ৪০ হাজার টাকাও নিয়ে থাকে, যাকে বলে তাকামুল সার্টিফিকেট টাকা না দিলে সরকারিভাবে এই সার্টিফিকেট দেয় না
Amar babar akta test koraranor jonno.. Daily 10 ta kora. But ami jantam na kagoj joma deya lage. Ami daray aci, onarao jane j ami ager din aysa geci. Akn taka joma dey ni bole, amr ta korbe nh.. Pore bollo nastar taka dile koray dibe. Pore dilam.
Faridpur medical college hospital, gyne obs department --place labour ward --for every normal vaginal delivery --খালারা টাকা নেয় রোগীর লোক থেকে, 500-1000tk