টিএ/ডিএ বিল পাশ বাবদ
সরকারি কাজে যাতায়াত বাবদ টিএ/ডিএ বিল দাবী করা হয়েছিল। তারা নাকি সব বিলের উপর ১৭%, ২০% এবং ২৫% হিসেবে নিয়ে থাকেন। এটা চলমান প্রক্রিয়া।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি কাজে যাতায়াত বাবদ টিএ/ডিএ বিল দাবী করা হয়েছিল। তারা নাকি সব বিলের উপর ১৭%, ২০% এবং ২৫% হিসেবে নিয়ে থাকেন। এটা চলমান প্রক্রিয়া।
DGFI এর পমেন্ট নিতে গিয়ে ৩% দাবি করছিলো পরে ১.৫% দেওয়ার পরে একাউন্টা এ টাকা আসছে
একাধিক বার ঘুরাতে থাকে,আজ হবে না অমুক দিন আসবেন। একপর্যায়ে বললাম সমস্যা কিসের, তখন নাস্তার টাকা দাবি করে ৩০০০ টাকা চেয়ে বসে পরে আলোচনা সাপেক্ষে ২০০০ টাকায় আমার কাজ করে।
ঘুষ ছাড়া একাউস্টস অফিস কোনো বিল পাস করে না
আমি আমার জমি খারিজ করতে গেলে ১০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হয়েছে। আমার খারিজ করা জরুরি প্রয়োজন ছিলো । না করে উপায় ছিলো না।
আমি গাইবান্ধা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম গত জুন মাসের ২৮ তারিখের দিকে। আমার সকল কাগজপত্র বৈধ ছিল। তারপরে অফিসের পিয়ন এবং ড্রাগ সুপারের সহকারী ২০০ টাকা দাবি করে। বাধ্য হয়ে আমি ২০০ টাকা দেই
জমির খারিজ নিতে গিয়েছিলাম। আমাকে বলে ২০০০০ টাকা লাগবে। বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
আমি পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সহ পাসপোর্ট এর আবেদন পত্র জমা দেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জমা দেই। আবেদন পত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা আমাকে কাগজপত্রের বিভিন্ন ঘাটতি দেখিয়ে বিভিন্ন টেবিলে ঘোরাঘুরি করিয়ে নাস্তানাবোদ করে। পরে আনসার কে ও অন্য আরেকজনকে ৫০০ টাকা দেওয়ার পরে আমার পুরাতন কাগজ দিয়েই কাজটি সম্পন্ন হয়।
মোবাইল ফোন হারিয়ে গিয়েছিলো, সেটা উদ্ধার করতে ঘুষ দাবি করে
বকেয়া বিল উত্তোলন করতে মোট টাকার ২৫% দাবি করেছেন অবশেষে ১০% টাকা দিয়ে বিলটি করিয়ে এনেছিলাম। এটার আগের বকেয়া বিল উত্তোলন করার সময় একই ধরনের দাবি করেছেন অবশেষে দাবি মানতে বাধ্য হয়েছিলাম। তিন থেকে চার মাস ফাইল আটকে রেখেছিলো।
.............., হিসাব রক্ষক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, লালমোহন ভোলা । তিনি যাদের কে টি এ ডি এ দেন প্রত্যেকের কাছ থেকে50%- 40% উৎকোচ নিতেন । কিন্তু আমি টিএ ডিএ পাওয়ার অর্ডার থাকা সত্ত্বেও দেন না। নামে বে নামে ভুয়া অফিস আদেশ দিয়ে টাকা তুলে নেন। ( উপরোক্ত 200000/- টাকা আনুমানিক দুই তিন বছরের)
প্রথম সরকারী চাকরীতে এজি অফিসে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো। ঘুষ না দিলে তারা ফাইল মাসের পর মাস ফেলে রাখে। ফলে বেতন হয় না। এজি অফিস খুবই আউট অফ কন্ট্রোল কারন এখানে যায় সরকারী চাকরীজীবীরাই। এজন্য তারা চাইতে সাহস পায় কারন সরকারী চাকরীজীবীরা আর কি করবে!
আমি যখন সুপারভাইজার পদে নিয়োগের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি, তখন আমার পরীক্ষা খুবই ভালো হয়েছিল। পরীক্ষা শেষে একজন পরিচিত কর্মকর্তা আমাকে জানান যে, ৫,০০০ টাকা দিলে আমার নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে। কিন্তু আমি ওই টাকা দিতে রাজি হইনি। পরবর্তীতে ফলাফল প্রকাশ হলে দেখি, আমার নাম অপেক্ষমাণ তালিকায় (Waiting List) রয়েছে। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমাদের ইউনিয়ন থেকে একজনকেও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, অথচ অন্যান্য ইউনিয়ন থেকে সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আমি নিজে একজন সরকারি চাকরি করি ভূমি অফিসে।আমাদের অফিসে ক তফসিলের খারিজ করতে ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা নেয় উপরের বড় কর্তারা।বড় কর্তা হলো কানুনগো ও এসিল্যান্ড স্যার। টাকা দিলে কাজ হয়।না দিলে হয় না।যার দরকার সে এই পরিমান টাকা দিয়েই কাজ করায়।
ওয়ারিশান জমি(২.৩ শতক মূল্য ৪ লক্ষ টাকা) নিজের অংশ টুকু নামজারি করতে অফিসে গেলে ইনিয়ে বিনিয়ে কথা বলে; আমি চাইলে কাজটি দিয়ে যেতে পারি কিন্তু সময় বেশি লাগবে ভাবে প্রকাশ করে। পরে ওখানে একজন অফিসের বাইরে একটি ফটোকপির দোকান দেখিয়ে দিলো।পরে সেখানে কাজটি করার জন্য ২০০০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তিতে কাজটি করার জন্য ১২০০০ টাকায় বাধ্য করা হয়। ঐ দোকানদার বলে আমার অংশ সীমিত, বড় অংশ বাবুদের পকেটে ডুকে।
খতিয়ানের জমি অন্যজনে নামজারি করে নেওয়ার কারনে মিসকেস না দিয়ে তাদেরকে এই টাকা পরিশোধ করলে তারা কাজটা করে দেয়।
২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে আমি যখন এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হিসাবে একটি দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ পাই তখন আমার বেতন করানোর জন্য ফাইল শিক্ষা অফিসে নিয়ে যাই। শিক্ষা অফিসার এর সাথে দেখা করলে তিনি আমাকে বলেন যে আমি ২০ হাজার টাকার নিচে কোন ফাইল ঢাকায় সেন্ট করি না এবং এটা এর কমে নিলে নাকি তার চেয়ারের সম্মান থাকে না। তারপর আমাকে বিশ হাজার টাকাই দেয়া লেগেছে। এভাবে প্রতিটি শিক্ষকই তাকে কমবেশি টাকা দিয়েছে। যাদের চ্যানেল আছে ভালো তাদের কম দেয়া লেগেছে আর যাদের চ্যানেল নাই তাদের কাছ থেকে যেভাবে যা পেরেছে তাই নিয়েছে।
সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করার সময়, তারা দাবি করে ইংরেজিতে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন লাগবে কিন্তু আমার ভোটার কার্ড আছে তখন একটা ডিজিটাল করেছিলাম এখন সেটা হবে না এখন ইংরেজি ডিজিটাল লাগবে সেটা করার জন্য আমার কাছ থেকে ১৫০ টাকা নেই, কিন্তু সরকারি হিসাব ৫০ টাকা করে এই টাকাটা না দিলে কাগজ না দিতে পারে এরকম সন্দেহ দেখে টাকাটা দিয়েছে
অনলাইনে নামজারির আবেদন করার পর নায়েব মহোদয় বললেন সর জমিনে গিয়ে দেখতে হবে ।কাগজপত্র সব যাচাই করতে হবে। সবকিছু বুঝতে হবে একটু দেরি হবে। কিছু খরচাপাতি আছে।
আমি আমার পৈতৃক ভুমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য গেলে আমার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে ৮ হাজার টাকার দাখিলা প্রদান করে।