নামজারি
নামজারি ফি ১১৭৫ টাকা কিন্তু কেউ এ-ই টাকা দিয়ে নাম জারি করেছে আমি শুনিনি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি ফি ১১৭৫ টাকা কিন্তু কেউ এ-ই টাকা দিয়ে নাম জারি করেছে আমি শুনিনি।
আমি এই কথা বলব আমরা সোনার খনিতে বাস করি না চোর আর ঘুষ খনিতে বাস করি
ব্যাংক ড্রাফ ফি ছিল ৫৭৫০ টাকা দিয়ে আমি নিজে নিজে কোন দালাল ছাড়াই গিয়ে জমা দেই জমা দেওয়ার সময় ওরা আমার ফাইলটি রিজেক্ট করে দেয় এই প্রবলেম ওই প্রবলেম বলে । তারপর আমি দালালের সহযোগিতায় সেইম ফাইলটি আরো ২২৫০ টাকা এক্সট্রা দিয়ে যখন জমা দেই তখন তারা আমার ফাইলটি একসেপ্ট করে
বেসরকারী স্কুল শিক্ষকের এমপিও আবেদন এপ্রুভ করার জন্য উজিরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে ২০০০ টাকা দাবি করে। ২০০০ টাকা প্রদানের পর এমপিও আবেদন এপ্রুভ করে। এই অফিসে টাকা না দিলে কারো এমপিও আবেদন ফাইল/বকেয়া ফাইল এপ্রুভ করেনা। এটা ঐ এলাকায় ওপেন সিক্রেট।
কোনো রিসিট প্রদান ছাড়াই, অফিস খরচের নামে ৭০০০ টাকা দাবি করেন। আমি সেবা গ্রহীতা একজন ষষ্ঠ গ্রেডের সরকারি ক্যাডার কর্মকর্তা।
আমার একটা গাড়ি বর্তমানের এক নেতা জোরপূর্বক তার বাড়িতে আটকে রেখেছে, টাকা দাবি করছে তা না হলে গাড়ি ছেড়ে দেবে না। সেই গাড়ি উদ্ধারের জন্য আমি এটিএম কোর্টে মামলা করেছি সার্চ ওয়ারেন এর জন্য। জজের যে পেশকার থাকে উনি আমাদের এই ওয়ারেন্টা ইস্যু করার জন্য আমার কাছ থেকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছে। আমার গাড়ির কাগজ পাতি মালিকানা সব ঠিক আছে। থানা থেকে তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়েছে। সব ওকে থাকার পরও আমার কাছে পরিষ্কার সাহেব এই টাকাটা দাবি করেছে। এবং এটাও বলেছে যদি আমি টাকা না দেই তাহলে ডেটের পর ডেট ফেলাবে। একদিকে আমার গাড়িটা পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অন্যদেরকে পেশকার সাহেব এভাবে দাবি করছে। আমি কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না।সর্বশেষ যাওয়ার জায়গায় কোট সেখানেও যদি এই অবস্থা হয় তাহলে আমরা কোথায় যাব?
আমার বাবার অনেক পুরোনো একটি কৃষি ঋন ছিল যা পর্যায়ে ক্রমে পরিশোধ না করে একেবারে পরিশোধ করতে চেয়েছিলাম এবং সঠিক হিসেব চাইলে তা না দিয়ে নানান কথা বাড়িয়ে সে অনেক বড় এমাউন্ট উপস্থাপন করে।পরবর্তীতে বলা হয় দশ হাজার টাকা দিলে কমিয়ে দিবে।পরে তা ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে সমাধান করে
তেজগাঁও পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট করেছি, ৩০১ নাম্বার রুম থেকে। এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে খরচ ৮০৭০ টাকা, আমার কাছে টাকা নিয়েছে ১২৫০০/- টাকা কিন্তু সরাসরি অফিসার নেয়না, টাকা নেয় কম্পিউটার দোকানদার। ওদের সিন্ডিকেট আছে। ওদের দোকান থেকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে করলে সেবা ভালো পাওয়া যায়। খরছ আনুমানিক ৪০০০+ বেশি লাগে। অন্যথায় আপনি বেশ কয়েকদিন ঘুরেও পাসপোর্ট হাতে পাবেন না। আপনার সময় নষ্ট হবে। অফিস থেকে কি বার বার এরকম ছুটি দিবে? তাই আমি বলি কি, তাদের সেবা নিন, ভালো থাকুন, সময় বাচান।
দলিল রেজিস্ট্রির সময় অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি সাব রেস্টার
লাইসেন্স রেনু করতে মিরপুর বিআরটিতে দালাল ছারা কাজ করে দেয় না আর দালাল ধরতে গেলে ১৮০০০ হাজার টাকা দাবি করে,,
আমি ৪ শতক একটি জমির কারণে খারিজ করতে চাই। ঐ সময় আমার কাগজে ভুল আছে কিনা সেটা যাচাইয়ের জন্য আমাকে ডেকে নেওয়া হয়। তারপরে আমাকে সাড়ে তিন হাজার টাকা দাবি করা হয় পরবর্তী আমি ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই!
গ্ৰাম পুলিশ নিয়োগ ইউনিয়ন পরিষদ । এখন নেতা মেম্বার, উপজেলা,সবাই ভাগ করে নিবে
প্রথম সব ডকুমেন্ট জমা দেয়ার পরেও উনি আমার কাছ থেকে এক্সট্রা পেপার চায় যেগুলা অপশনাল. এমনকি সে বলে বাবা মায়ের nid কার্ড এর তথ্য কেনো দেইনাই এপ্লাই এর সময়. এইগুলা সব optional but he reject করে দেয়. পরে একলোক বললো সে kore দিতে পারবে but 2000 tk extra লাগবে. Tk দেওয়ার পর ওই লোক নিজেই টোকেন নিয়ে আসলো আমাদের লাইনে ও দাড়ানো লাগে নাই.
আমার মায়ের পাসপোর্টে ওনার বাবার নামের ভুল সংশোধনের জন্য পুলিশ ভেরিফাইয়ের প্রয়োজন হয়েছিল। দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার অনেক ডকুমেন্টস চায় সামন্য ভুলের জন্য সব দেয়ার পর আবার কোর্ট affidavit চায় তাও দেয়ার পর বলে তা হবেনা মেজে স্ট্রিট এর স্বাক্ষর লাগবে সর্বশেষ বলে ভেরিফিকেশনের একটা খরচ আছে ওটা দাও। অনেক করে বলেও কাজ হয়নি সর্বশেষ ৫০০ হলেও দেয়া লাগবে। দিতে হলো।
আমি সাধারণ ডেলিভারির পাসপোর্টের আবেদন করি পরে অফিসে ফিঙ্গার দিতে গিয়ে দেখি আমার আবেদন নিচ্ছে না তাদের কম্পিউটারে দেখাচ্ছে আরো টাকা লাগবে পরে আমি সেই টাকা পরিশোধ করে ৬ দিন ঘুরে আজকে ডেলিভারি স্লিপ নিয়ে আসলাম। তারা আমাকে প্রতিদিনি বলত সার্ভার বন্ধ।
গাজীপুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে পাওয়ার অব এটর্নি দলিল সম্পাদন গেলে সাবরেজিস্টার টিআইএন এর জমা স্লিপ দেখাতে বলে। আমি টিআইএন এর জমাস্লিপের ফটোকপি দেখালে তা অনলাইনে যাচাই না করেই ৫০০০/- টাকা দাবী করে। আমি এ টাকা না দিলে কাজ হবে না বলার পর চলে আসার সময় আমার এক শুভাকাঙ্ক্ষীর পরামর্শে পরবর্তী হয়রানী হতে রেহাই পেতে টাকা দিয়ে কাজটি সম্পাদন করি, যা আমি এখনো মেনে নিতে পারছি না। উল্লেখ্য, ব্যক্তি জীবনে আমি ঘুস লেনদেনের চরম বিরোধী হওয়া সত্তেও বাধ্য হয়েই ঘুস দিয়ে কাজটি করেছি।
গাজিপুর ভ্যাট সার্কেলে ভ্যাট জমাদানকৃত প্রতিষ্ঠান সমূহের নাম লিষ্ট করা আছে যে মাসিক কোন প্রতিষ্ঠান কত টাকা দিবে। মাস শেষ না হতেই ক্লার্ক বা পিয়ন দিয়ে ফোন দিয়ে এই টাকা নিয়ে থাকে। পরিশোধ না করলেই কোন না কোন ভাবে সেই প্রতিষ্ঠানকে হয়রানি করে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এর একটি প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে তারা নিজের ইচ্ছামত কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে। ২ বছর হলো সেই পনিবর্তনকৃত নাম তাদের কিছু সাইডে যেমন এমপিও শীটে, ইএমআইএস সেলে পরিবর্তনকৃত নাম সংশোধন করে নাই। আমারা পরিবর্তনকৃত নাম এমপিও শীটে এবং ইএমআইএস সেলে সংশোধনের জন্য একটি আবেদন করি। তখন তাদের মধ্যে একটি লোক সরাসরি ১০০০০ টাকা দাবি করে। বলে টাকা না হলে নাম সংশোধন হবে না। পরে আমি আবেদন দিয়ে আছি। তাদের সাথে পরে আর কোনো কথা বলি না টাকা দেওয়ার বিষয়ে।
car er tax token renue korte gele amar personal TIN block kore rakhe. r bole proti bochor 2000 taka kore dite hobe. Amar personal TIN block rakhe meyad purtir age joma dite geleo.
ময়মনসিংহ বিআরটিএ একটি দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান এখানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা থেকে নিম্ন পদস্থ কর্মকর্তা সকলেই এই দুর্নীতির সাথে যুক্ত তারা নিজেরা টাকা চায় না কিন্তু তারা একটা সিস্টেম তৈরি করছে যে আপনি টাকা দিতে বাধ্য।