নামজারি
নামজারি করতে গেলে বিভিন্ন বাহানা দিয়ে হয়রানি করে এবং নামঞ্জুর করে, অবশেষে দালালের মাধ্যমে ৬টি আবেদনে ৫০০০০ টাকা দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করতে গেলে বিভিন্ন বাহানা দিয়ে হয়রানি করে এবং নামঞ্জুর করে, অবশেষে দালালের মাধ্যমে ৬টি আবেদনে ৫০০০০ টাকা দাবি করে।
আমি আমার জমির খাজনা প্রদান করতে গেলে খাজনা আসে ৮৪ টাকা তারা আমার কছে দাবি করে ১০০০ টাকা। আমি রসিদ চাইলে বলে এটা খরচাপাতির টাকা, রসিদ ৮৪ টাকায় হবে।। শেষে ৫০০ দিতে হয়েছে, তখনও বললো আমি স্টুডেন্ট বলে কম নিলো।। তার পর সেই জমি খারিজ করতে চাইলো ১৮০০০ হাজার সেখানেও দরদাম করে ১৩৫০০ টাকা পরিশোধ করি।। পরে জানতে পারি নামজারির সরকারি ফি ১১০০ টাকা। ২ নং বৈলর ইউনিয়ন ভুমি অফিস, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
সন্চই পত্রের টাকা উত্তলোনের সময় ঘুস দেওয়া লেগেছে ,আর কোন উপায় ও ছিলো না ,যদি ও ২০ বছর আগের ঘটনা সে হিসাবে বতমানে ও অবাধে গুষ বানিজ্য চলতেচে,রাউজান পোস্ট অপিস ও চট্টগ্রাম শহরে জিপিও কতোয়ালী তে ও ২ বার দেওয়া লেগেছে
পাসপোর্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্র মিল ছিলো না বলে বার বার অফিস থেকে ঘুরে দিচ্ছিলো ঘুষ দেয়ার পরে কাজ হয়েছে
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স করার প্রয়োজন পড়েছিল। আমি মোটামুটি বাইক চালাইতে পারতাম ঐ সময়। কিন্তু পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে যাতে দ্রুততার সাথে হয়। এজন্য একজন আমাকে দালালের মত মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করার পরামর্শ দেয় এবং এও বলে যে যদি দালালের মাধ্যমে না করা হয় হলে সহজে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যাবে না। পরবর্তীতে যেদিন আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করি এবং পরীক্ষা দিতে যাই ঐদিন আমার ওইখানে একটা লোকের সাথে পরিচয় হয় এবং তার সাথে কথা বলে জানতে পারি সে প্রায় তিন মাস যাবত ঘুরতেছে কিন্তু তার ড্রাইভিং লাইসেন্স হচ্ছে না লিগ্যালি। কারন সে কোন দালাল ধরেনি বা বি আর টি এর কোন কর্মকর্তাকে ঘুষ দেয়নি। সে শুধু পরীক্ষা দিয়েই যাচ্ছে এবং দিয়েই যাচ্ছে। আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সটি একদিনেই সম্পন্ন হয়।
আমার দাদার কিছু পরিমাণ জমি বাবার নামে হেবা করার জন্য সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যাই। তো সেখানে এক অংশীদারদের নাম,মায়ের নাম ভোটার আইডিকার্ডের সাথে মিলছিলো না। যদিও ইউপি থেকে সনদ নেওয়া হয়েছে নাম ঠিক করে। সেদিন সব কার্যক্রম শেষে ফাইনালি একটা সিগনেচার হলে হয়ে যায় তখন রেজিস্ট্রার অফিস থেকে জানানো হলো এ জমি রেজিস্ট্রি করা যাবে না। অনুরোধ করলে বললো করা যাবে ৫০০০০ হাজার লাগবে। দরদাম করে ৩০০০০ দিয়ে কোনোক্রমে দলিলটা করানো হলো। ওইদিন আমি প্রথম যাই ভূমি সংক্রান্ত কাজে। আমি টোটালি অবাক সে নিজেহাতে তখন টাকা নিলোনা কিভাবে সব স্মার্টলি হ্যান্ডেল করলো।
খাজনা জন্য যাওয়ার পর নানাবিধ কারণ দেখায় তারা এমন হিসাব দেখায় যাতে প্রায় 25000 হাজার মতো পরে সেই অফিস এর অফিস সহকারী মহিলা আলোচনা সাপেক্ষে 12000 টাকা দাবি করে এবং সরকার প্রদান করে মাত্র 1220/- টাকার মতো। এরা নানাবিধ ভয়ভিতি দেখায় বরং তারা খতিয়ান নম্বর ভুল তুলে দিয়ে খাজনার রশিদ প্রদান করে আমাদের
ভূমি ব্যবহারের জন্য ইজারা ফি দেওয়ার আগে ফাইল গুছিয়ে ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়, পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিবকে ২৫০০০০ টাকা দেওয়া হয়,যেটা সরকার পাই না (ঘুষ) - সড়ক ও জনপদ
স্থান: গোদাগাড়ী বিদ্যুৎ অফিস, রাজশাহী সেবার ধরন: বাসার বিদ্যুৎ লাইনের লুজ কানেকশন/পোলের সমস্যা ঠিক করা ঘটনা: বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করার পর কর্মীরা এসে সমস্যাটি ঠিক করে দেন। কাজ শেষ করার পর তারা ২০০ টাকা চান/নেন। এই টাকার কোনো রসিদ বা সরকারি কাগজপত্র দেওয়া হয়নি। কর্মীরা নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগ করে নেন।
সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত, বাংলাদেশ দূতাবাসে ই- পাসপোর্ট করার জন্য এপয়েন্টমেন্ট নিতে গেলে ২/৩ মাস পরে তারিখ পাওয়া যাচ্ছে। ২০০ রিয়াল= ৬৬০০ টাকা দিলে ১ দিনের মধ্যেই ফিঙ্গার দেওয়া যায়। অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে করতেছে।
আমি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম একটি ৯ শতক জায়গার নাম জারি করার জন্য অফিসের কর্মকর্তা নায়ের সর্বশেষ বলেছে ১৫০০০ টাকা হলে আমার নামজারি করে দিবে ২০ কর্ম দিবসে 🥲🥲🥲
dalal er maddome dite hoyeche.
খারিজ বাবদ আমার কাছে ৭০০০/- নিছে। যা আবেদন করার পর পরই ১৫০০০/- টাকা থেকে দরকষাকষি করে।
সেবা নিতে সার্ভার প্রবলেম সহ অন্যান্য বিষয়ের কথা বলে এই টাকা নিয়েছে। অথচ ব্যাংক জমা ১৫০০ টাকা ছিল।
গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের ফাইল হারিয়ে গিয়েছে বলেছে।
শ্রম আইন এর বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ঢাকা জেলা কর্যালয় এর ডি আই জি তার ইন্সপেক্টর কে দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কে মামলা দেয়ার হুমকি দেয়। টাকা দিলে আর মামলা দেয় না। এছাড়া ব্যক্তিগত সুবিধা ও শ্রম সচিব এর কথা বলে বড় কোম্পানিগুলোর কাছে টাকা চায়। না দিলে খুবই ঝামেলা করে। তাদেরকে মামলার ভয় দেখায়। সিন্ডিকেট করে এসব করে, কারো কাছে বললেও কাজ হয় না। কয়েকদিন ধরে একটা পত্রিকার বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে, বিজ্ঞাপন দিতে গেলে তার কাছেই টাকা দিতে হবে।
মুভমেন্ট বিল টিএ ডিএ তে ১৪০০০ এর বিলে ২৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করে অডিটর। পরিশোধ করার পর বিল পাশ করে।
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য ১২০০০ টাকা দাবি করে যা আমি প্রত্যাখ্যান করি যার ফলে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স হয় নাই
Naam Jari korar jonno.
মায়ের নামে সংশোধন করার জন্য ৮০ হাজার টাকা চাওয়া হয় আমি ৪০ হাজা টাকা দিয়ে কাজ করেছি