সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

২০,৪৪৭ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ভূমি অফিস

খাজনা প্রদান

অনলাইন খাজনা ভূমি অফিস কর্তৃক অনুমোদন করার জন্য ২০০ টাকা দিতে হয়। প্রথমে আরেকদিন আসতে বলে ঘুরায়, পরে টাকা দাবি করে।

ঘুষ দিয়েছি
লাকসাম পৌর ভূমি অফিস,কুমিল্লা। ৳২০০
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৮ CT3XGJNM
০ মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ভূমি জরিপ

গোপালগঞ্জ ঘোসেরচর মৌজায় জমি রেকর্ড করা নিয়ে টাকা ছাড়া কোন কাজ হচ্ছে না। এটা এখনও চলমান

ঘুষ দিয়েছি
গোপালগঞ্জ ৳৫.০০ লাখ
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ DKY53RPB
০ মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমি নামজারি

নামজারি করার জন্য গিয়েছিলাম, সেখানে অফিস সহকারী ভুল ত্রুটি বের করতে থাকে এবং সপ্তাহের পর সপ্তাহ হয়রানি করাতে থাকে আমি একজন আনসার সদস্য আমার ছুটি শেষ হয়ে যাওয়ার জন্য কর্মস্থলে আসার পরে আমার বাবাকে ডেকে নিয়ে বলে কাজ করে দিবে ৩৫০০০ টাকা লাগবে টাকা না দিলে কাজ হবে না পরিশেষে তাদের কারসাজিতে আমার বাবা ৩৫০০০ টাকা দিয়েই গতকাল ১৩/৯ /২৬ তারিখে টাকা দিয়ে এসেছে

ঘুষ দিয়েছি
দিগদাইড় ভূমি অফিস সোনাতলা বগুড়া ৳৩০.০ হাজার
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ RJD8FM8P
০ মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

বাঘের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর সদর গাজীপুর।

শিক্ষার্থী প্রতি ৫০০ টাকা নবম শ্রেণির রেজিষ্টেশন ফি ধরে শিক্ষাথীর্ কাছ থেকে গ্রহন করেছে প্রধান শিক্ষক। মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা - ২১৬ জন

ঘুষ দিয়েছি
শিরিরচালা,ভবানীপুর,গাজীপুর সদর, গাজীপুর। ৳১.০৮ লাখ
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ DKVAEQ7Y
০ মন্তব্য
বিআরটিএ

সনদ গ্রহণ

ড্রাইভিং লাইসেন্স, বা গাড়ির কাগজ নবায়ন পূর্বক হস্তান্তর করার সময় কাউন্টারে থাকা ব্যক্তিরা সবার কাছ থেকে ৫০/১০০/২০০ যার কাছ থেকে যেমন পারে নিয়ে থাকে। এঘটনা সবার সামনেই হচ্ছে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১০০
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৪ DKG3ZGTC
০ মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারি পতিবেদন

নামজারির প্রতিবেদন (খসড়া খতিয়ান প্রস্তাব সহ) দেওয়ার জন্য ২৫০০ টাকা দাবী করে আমি ২০০০ টাকা দিছি , কিন্ত খতিয়ান প্রস্তাব দেয় নাই। তাদের মাধ্যমে চুক্তি করলে নামজারি টা হয়ে যেত

ঘুষ দিয়েছি
লক্ষীপুর-সদর, ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৳২.০ হাজার
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১ CT25EEXN
০ মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারি

আমি যখন প্রথম দিন ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম, সেদিন কর্মকর্তারা আমার কাগজপত্রে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমার নামজারি করেননি। তারা বলেছিল—এটা নেই, ওটা নেই, খতিয়ান ঠিক নেই, দাগ নম্বরও ঠিক নেই। পরে দ্বিতীয় দিন আমি আমার ভাইকে সঙ্গে নিয়ে আবার সেখানে যাই। তখন তারা সরাসরি আমার কাছে টাকার কথা বলেনি। তারা আমার ভাইকে বলেছিল যে, আমার নামজারির কাজে কিছু সমস্যা আছে। আমার ভাই যখন জিজ্ঞেস করে, “এখন কী করতে হবে?”, তখন অফিসের পিয়ন আমার ভাইকে বলে যে, “এখানে স্যারকে কিছু খরচ দিতে হবে, খরচগুলো দিলে কাজ হয়ে যাবে।” আমি তখন আমার ভাইয়ের সঙ্গে সেখানেই ছিলাম। পরে আমাকে বলা হয় যে ১০,০০০ টাকা দিতে হবে। এরপর আমি একজনের সঙ্গে কথা বলে ৫,০০০ টাকায় বিষয়টি ঠিক করি। আমাকে বলা হয়, টাকা অফিসের ভেতরে দেওয়া যাবে না

ঘুষ দিয়েছি
উত্তর কাট্টলী ৳১০.০ হাজার
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩ CTCGHYMC
০ মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ফায়ার লাইসেন্সস রিনিউয়াল

সারা বছর কারখানা গুলোর খোঁজ খবর নেয়ার কোনো খবর থেকেকের না। অথচ লাইসেন্স নবায়ন এর কিছুদিন আগে এলাকায় ওই পরিদর্শক নিযুক্ত দালাল কে নিয়ে কারখানায় হাজির। ছোট কারখানা নবায় এর জন্য ৩০০০০ টাকা চেয়েছিল । অনলাইন হবে বিধায় এখন রেট একটু বেশি। অনেক দর কোশাকশির পর ১৫০০০/- লাইসেন্স পাওয়া যায়। সাভার হেমায়েতপুর সহ দোশের প্রতিটি জেলার প্রায় একই চিত্র।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka, Bangladesh ৳১৫.০ হাজার
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৮ DKBWKGYX
০ মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

Birth certificate

জাতীয় পরিচয় পত্র, পুরাতন হাতের লেখা নিবন্ধন, ইউনিয়ন পরিষদে বালাম বইএ নাম লিপিবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার জন্য অনুমতি দেয় না। বয়স প্রমাণের জন্য উপযুক্ত ডকুমেন্ট থাকা সত্ত্বেও সচিব এমন এমন আজব ডকুমেন্ট চায়, যা যোগাড় করতে সাধারণ মানুষের অনেক হয়রানি শিকার হতে হয় পরে বাধ্য হয়েই তাদের সাথে কন্ট্রাক্ট এ যেতে হয়। তিন থেকে সাড়েতিন হাজার টাকা দিলে জন্য নিবন্ধন দুই এক দিনেই হয়ে যায়। আর নরমালি সরকারি ফি থেকে তিন গুণ টাকা বেশি নেয়। অর্থাৎ এক থেকে পাঁচ বছরের বাচ্চাদের জন্য তিনি, ১০০ থেকে ১৫০ টাকা নেন, এবং সংশোধনের জন্য দেড়শ থেকে ২০০ টাকা নেন।

ঘুষ দিয়েছি
Madhaiya Union Parishad, CHANDINA, Cumilla ৳৩.০ হাজার
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ CT8KFELF
০ মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

জন্ম নিবন্ধন , ডেথ সার্টিফিকেট ও ওয়ারিস সার্টিফিকেট

আমার বাবা মারা গেছেন । তার জন্ম নিবন্ধন করা ছিলো না । তার জন্ম নিবন্ধন , ডেথ সার্টিফিকেট ও ওয়ারিশ সার্টিফিকেট নেবার জন্য ওয়ার্ড সচিব এর অফিস এ যাই । ওই সনদের কথা বললে এত এত কাগজের কথা বলে যে তা সংগ্রহ করা সম্ভব না । প্রায় ২০ দিন দৌড় ঝাপ করে কাগজ সংগ্রহ করি । আবার সচিবের কাছে যাই এবার সে ধীর গতিতে কাজ শুরু করেন । বারবার তার অফিস এ যেতে হয় । এরপর বিরক্ত হয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা ফী লাগবে । সে বলল ৮০০-১০০০ টাকা লাগবে । আমি জানতে চাইলাম সরকারি ফী কত । সে এড়িয়ে গেল । আমি বুঝতে পেরে অর্ধেক টাকা দিয়ে বললাম বাকিটা কাজ শেষে দেব । আসলেই আমরা জিম্মি । অসহায় অবস্থায় এ দেশে বেচে আছি ।

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল ৳১.০ হাজার
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ BR82WLTH
০ মন্তব্য
ভূমি অফিস

খতিয়ান এর সার্টিফাইড কপি

আমি ২০২৩ সালে আমার জমির খটিয়ানের জন্য অনলাইন আবেদন করেছিলাম । এখনও পাইনি । অনলাইন পেমেন্ট করি । আবার আগস্ট ২০২৬ এ আবেদন করি । অনলাইন পেমেন্ট করি । এখনও খতিয়ান না পেয়ে তাদের হট লাইন এ যোগাযোগ করি । তারা একটি অভিযোগ দায়ের করে । তার এখনও কোনও উত্তর মেলেনি । ভূমি অফিস যদি সেবা না দেয় তাহলে অনলাইন মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে টাকা নেয় কেন । সরকার এখানে দুর্নীতি করছে । আমার কাছে সকল ডকুমেন্টস আছে । এ ছাড়া আমার বাবার নামের জমির জন্য পরচা তুলতে গিয়ে দালালের খপ্পরে পড়ি । সময় কম বলে তর্ক করিনি । আমার এলাকায় এক ব্যক্তি যিনি জমি মাপা মাপি করে ও এলাকাবাসীর থেকে টাকা নিয়ে তাদের কাগজ পত্র তুলে দেন । আমার থেকেও ৩০০ টাকা নেন । কিন্তু সরকারি ফী মাত্র ১২০ টাকা ।

ঘুষ দিইনি
বরিশাল ৳৩০০
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ BR6CURFJ
০ মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

BEd স্কেল প্রাপ্তি

​বিষয়: বিএড স্কেল প্রাপ্তির আবেদনে ঘুস দাবি ও হয়রানির বিবরণ। ​আমি গত ০৫/০২/২০২৪ খ্রিঃ তারিখে বিএড স্কেলের জন্য EMIS সেলে অনলাইনে আবেদন করি। আবেদনটি সুপারিশের (Recommended) জন্য তৎকালীন মদন (নেত্রকোনা) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ( তিনি এখনো এখানে কর্মরত আছেন) অনিয়মিতভাবে ৩,০০০ টাকা ঘুস দাবি করেন। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি জানান, টাকা না দিলে ফাইলে Recommen করবেন না। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে দীর্ঘ বাকবিতণ্ডার পর ১,৫০০ টাকা প্রদান করে আমার ফাইলটি Recommended করাই। বি. দ্র- আমি তাকে বলেছিলাম আমি স্যার আমি তো মাত্র ১২৭৫০ টাকা বেতন পাই আমি কিভাবে দিব তারপরো তিনি পারেন নিয়ে।

ঘুষ দিয়েছি
শহর ৳১.৫ হাজার
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫ MYRE8K62
০ মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পুলিশ ভেরিফিকেশন

চাকরির ভেরিফিকেশনে কাগজপত্র যাচাই করতে এসে সরাসরি ডিমান্ড করেছিলো। চাওয়ার ভাব এমন যেনো টাকা দেয়াটা বাধ্যতামূলক, নাহলে রিপোর্ট নেগেটিভ যাওয়া স্বাভাবিক। সাধারণত এরকম ক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থী টাকার তোয়াক্কা করে না, শুধু ক্লিয়ারেন্স পেলেই বেচে যায়। কিন্তু ঘুষ চাওয়ার এই মানসিকতা কখনও কেউ চেঞ্জ করতে পারবে না সিওর হয়েই বললাম

ঘুষ দিয়েছি
যশোর ৳১.৫ হাজার
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৯ KH57M5NR
০ মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

সাফ কবলা দলিল রেজিস্ট্রেশনের সরকারি খরচ ৭.৫পারসেন্ট কিন্তু আমার থেকে নিয়েছে ৯ পারসেন্ট

ঘুষ দিয়েছি
সোনাইমুড়ী ৳৫০.০ হাজার
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৪ CT4SU7G5
০ মন্তব্য
বিআরটিএ

নতুন লাইসেন্স করা

আমি নতুন লাইসেন্স করার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গেছিলাম। এজন্য কোনো কারণ ছাড়াই ২০০ টাকা দাবি করে আমি প্রথমে আমতা আমতা করলেই দেয় কারণ তারা আমকে ইচ্ছাকৃত ফেল করাবে তাই । এবং সবার থেকে এরকম টাকা নেই

ঘুষ দিয়েছি
চুয়াডাঙ্গা ৳২০০
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৩ KHMG4P4F
০ মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারি

হঠাৎ খাজনা পরিশোধ করতে গিয়ে দেখি কেউ একজন আমাদের সম্পত্তি নামজারির জন্য দরখাস্ত করেছে। আমি লিখিত অভিযোগ করলে সহকারী কমিশনার নামজারি কারিকে হাজির করতে বলেলেন কিন্তু ঐ অদৃশ্য ব্যক্তি হাজির হয় না, তারপর সহকারি কমিশনার নামজারির নথি খারিজ করে দেন। এই ঘটনা আগেও কয়েকবার ঘটেছিল। তারপর এদের উৎপাত দেখে আমি নামজারীর জন্য দরখাস্ত করি কিন্তু দেখা যায় আমার নামজারীর নথি গায়েব, আমি কোথাও খুজেই পাচ্ছি না। ভূমি অফিসের কেউ জানে না নথি কোথায়? আমি বারবার এ বিষয়ে দৌড়াদৌড়ি করার পর বুঝতে পারলাম এখানে কোন সমস্যা আছে, আরো গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করার পর জানা গেল আমার ফাইল গায়েব করে দিয়ে অন্য নামে আরেকটি নামজারী এপ্রুভ। তারপর আমি সে মামলা ভুমি আপিল ফুল বোর্ড পর্যন্ত চালায়। জায়গায় জায়গায় হয়রানি ঘুষ বানিজ্য।

ঘুষ দিইনি
সদর ৳১.০০ লাখ
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ CT53UEKH
০ মন্তব্য