খতিয়ান
খাজনা খাড়িচ করবো বলে জয়দেবপুর ভূমি অফিস যাই আমাকে ১ ঘণ্টা বসিয়ে রাখে।যারা টাকা দেয় তাদের কাজ আগে করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খাজনা খাড়িচ করবো বলে জয়দেবপুর ভূমি অফিস যাই আমাকে ১ ঘণ্টা বসিয়ে রাখে।যারা টাকা দেয় তাদের কাজ আগে করে
ভূমি অফিস, বাইশটেকী, মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২১৬ Land tax বাবদ ৯৫০ টাকা ঘুষ On February 2026
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়ে,, চারবার ঘুরে আসছি অফিস থেকে আমার কাগজ ,, তারা জমা নিচ্ছে না,,পাসপোর্ট অফিসের লোক বলছে কম্পিউটারের দোকানে যান ওনারা বুঝিয়ে দিবে,,, আমি দোকানে গেলাম তারপর তারা বলতেছে,, সবাই করে আসছে আপনি কেন পারছেন না,,আপনার কাগজের নিচে সাইন নাই,, কম্পিউটারের দোকানদার বলল ১০ হাজার লাগবে আপনি অনেকবার গিয়ে ঘুরে আসছেন সেজন্য,,, অথচ ৬ হাজার টাকার জিনিস চার হাজার টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়েছে,, এছাড়া কোন ওয়েতে আমি করতে পারিনি,,।
দলিল সম্পাদনের পর নামজারির জন্য মূল দলিল অথবা অবিকল নকল দলিল প্রয়োজন হয়। কিন্তু মূল দলিল হাতে পেতে প্রায় দুই বছর সময় লাগায়, অনেকেই নামজারির কাজ সম্পন্ন করার জন্য অবিকল নকল দলিল সংগ্রহ করেন। এই সুযোগে অবিকল নকল দলিল তোলার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট ও স্বচ্ছ নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না। যেখানে স্বাভাবিকভাবে প্রায় ১,২০০ টাকা খরচ হওয়ার কথা, সেখানে অলিখিত নিয়মে সর্বনিম্ন ২,২০০ টাকা থেকে টাকা আদায় শুরু হয়। এরপর যার কাছ থেকে যতটা সম্ভব, পরিস্থিতি বুঝে তত বেশি টাকা দাবি ও আদায় করা হয়। ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করছেন এবং নিয়মিতভাবে হয়রানি ও অনিয়মের শিকার হচ্ছেন।
Rangamati passport office e ready passport anar somoi 2000 taka cai.nahole naki aro ek sopta por debe amr emergency cilo onk bolar por o deini pore 1000 tk deye Passport ante hoice.
আমি আমার ৭০শতাংশ জমি মিউটেশন করতে গেলে প্রথমত নায়েব সাহেব আবেদন প্রস্তাবের জন্য চান১০০০০/তারপর তাকে দিলাম ৩০০০/অবশেষে ভূমি কমিশনের অফিসে সার্ভেয়ার, নাজির, এসি ল্যান্ড মিলে ৩০০০০/টাকা। অবশেষে খারিজ কম্প্লিট হল। সেই একই দরখাস্ত পূর্বে২বার নামঞ্জুর করেছেন। টাকা দেওয়ার পর সব ঠিক হয়ে গেছে।এই হচ্ছে দেশের অবস্থা।
নতুন পাসপোর্ট করার সময় সব কাগজপত্র ঠিক ছিল, তবুও ভুল বের করে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। পরে অফিসের নিচে দালাল কাগজ দেখে বলল, ঠিক করে দিচ্ছি, কাগজ দিন। কাগজ দিলাম, সে শুধু একটা ছোট সিল মেরে দিল। ওই একই কাগজ নিয়ে পরের বার লাইনে দাঁড়িয়ে জমা দিলে অ্যাপ্রুভ করে দিয়েছে।
কাজনা কারিজ করতে গিয়েছিম ৫ বিঘা জমির জন্য। ঘুষ চেয়েছলো ৫০,০০০ টাকা।
মৃত্যু সনদ করতে আবেদন করেছি । জমা দিব তখন দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার বলল ৫০০ টাকা দিতে হবে। না দিলে ঝামেলা হবে তাই আমি টাকা পরিশোধ করেছি ।
500 টাকা পরিশোধ করে,, সমাধান করেছি,,তদন্ত কর্মকর্তা চা খাওয়ার জন্য 1000 টাকা দাবি করেছিল
পাসপোর্ট করার জন্য যা যা সরকারি দপ্তরের সাইটে লেখা আছে সব সহ যাই। এরপরও এটা সেটা চেয়ে ঘুরাতে থাকে। প্রথমে নাগরিকত্ব সনদ। এরপর বাড়িওয়ালার অনাপত্তিপত্র, এরপর বাড়িওয়ালার এনআইডি ফটোকপি। শেষে পাশের এক কম্পিউটার দোকান থেকে ২০০০ টাকা দেয়ার পর ফাইল জমা নেয়। তখন আর এসব কিছুই লাগেনি। ফাইলের কোনায় একটা দাগ দিয়ে দেয়। সেই দাগ দেখেই ফাইল ওকে করে জমা নিয়ে নেয়
আমার ক্রয় কৃত মোট জমি সাড়ে তিন শতক,ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে পরিশোধ করতে গিয়ে দেখি আমার নামের ৩০ শতক উঠিয়ে রাখছে, মোট টাকার পরিমান চার হাজার টাকার উপরে দাবী করে কিন্তু আমার তো এত জমি নাই,আমার সর্বোচ্চ ভূমি উন্নয়ন কর ১০০ থেকে দেড়শ বা ২০০ টাকার মধ্যে হবে কিন্তু ওনারা দাবি করছে 4000 উপরে।
টাকা না দিলে কোন কাগজপত্র সই হবে না মুখের উপর ছুঁড়ে মেরেছিল ।
আশুলিয়া তিতাস গ্যাস অফিসে গিয়ে বাসার লাইনের গ্যাস এর মালিকানা পরির্তন (নাম পরিবর্তন) এর জন্য আবেদন করতে যাই। তখন আমার কাছে ১৫,০০০ টাকা চেয়েছে। আমি বললাম- ৪,৫০০ টাকা দিয়েই লিগ্যালভাবে এই কাজ করা যায়, আপনি কেন এত টাকা চাচ্ছেন? তারপর ১০,০০০ টাকায় রাজি হয়। টাকা ওয়াশরুম থেকে গুণে নিয়ে এসে তার টেবিলের নিচে টাকাগুলো ফেলতে বলেছেন। কারণ সিসিটিভি ক্যামেরা আছে অফিসে। তাই৷ লোকেশন: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অফিস, আশুলিয়া থানা সংলগ্ন, সাভার, ঢাকা।
রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে ইন্টার্নশিপ সার্টিফিকেট তুলতে প্রধান অফিস সহকারী প্রায় সব ইন্টার্ন ডাক্তার থেকে 1000 -5000 টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয় । টাকা না দিলে হয়রানি করে । হাসপাতালের পরিচালক, কলেজের প্রিন্সিপাল সবাই জানে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয় না ।
চাপান খাওয়ার জন্য চেয়ে নিয়েছে
পাসপোর্ট দ্রুত করে দেয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে। তবুও দেরিতেই পেয়েছি
I just go for viva exam. At that time an interviewer propose me for ghush/Money. I told them you want 15,00,000/- but i have not 15 tk in my pocket now. Then he told me that sorry you can go now.
জমি রেজিস্ট্রি করার সময়, ফুলগাজী, রেজিস্ট্রি অফিসে দিতে হয়েছিল
টাকা ছাড়া অনেক দেরি হবে, স্যার ঢাকা চলে গেছে।