জন্মনিবন্ধন সনদ সংশোধন
একটি জন্মসনদ সংশোধন করতে গেলে আমাকে বলে আপনার কোন কিছু লাগবে না শুধু 5000 টাকা দিলেই হয়ে যাবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটি জন্মসনদ সংশোধন করতে গেলে আমাকে বলে আপনার কোন কিছু লাগবে না শুধু 5000 টাকা দিলেই হয়ে যাবে।
জন্মনিবন্ধনে নাম সংশোধন করার জন্য ১০০০ টাকা দাবি করে, যা না দিলে কয়েকমাসেও কাজটি হবে না. তবে ঘুষ দেওয়ায় দুই দিনের মাথায় কাজটি করে দেয়.
পঞ্চগড় জেলার দেবীঞ্জ উপলোর সোনাহার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দুনীতি ্িামি নিজে খাজনার জন্য আবেদর করছি 90543 টাকা দেখাইল্ িকিন্তু আমার কাছে 7000 টাকায় কাজ করে দিছে পরে
নাল জমিকে ভিটে- বাড়ি দেখিয়ে আমার থেকে আরও ২৪৫০০০ টাকা বেশি রেজিস্ট্রি খরচ দাবী করা হয়। আমি অপারগ হলে নাল জমি দেখিয়ে করে দেয়ার জন্য ১,৮৫,০০০ টাকা ঘুষ নেয় রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মচারীরা ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে। দলিল সম্পাদিত হয় ১৫/০৯/২০২৪ সালে।
আমি একটা পাসপোর্ট করার।জন্য প্রথম। ইউনিয়ন পরিষদে যাই সেখান থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করার জন্য ফর্ম কার্যক্রম সম্পূর্ণ করি করি।চলে চাই চাঁদপুর সোনালি ব্যাংক , সেখার সরকারী ফি সম্পন্ন করে। তার চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সিরিয়ালে দাঁড়াই চেকিং রুমে যাওয়ার পরে আমাকে বলে আমার ফর্মে ভুল আছে ঠিক করে নিয়ে আসি। তার সেখানে থেকে বের হয়ে পাসপোর্ট অফিসে সামনে ছোট দোকান আছে সেখানেই যাই,তার আমার কাগজ পত্র দেখাই, সে আমাকে বলে ভাই এখানে কোন ভুল নেই,আপনি কি কোন দালাল ধরে আইছেন এখানে।আমি বললাম ন। সে আমাকে জবাব দিল,তাহলে আপনার পাসপোর্ট হবেনা,বললাম কেন? সে আমাকে বলল এখানে সিক্রেট কোড আছে সেটাই নেই অর্থাৎ, দালালের যেই কোড আছে সেটাই নেই,তাই আপনার কোন দালালের মধ্যেই পাসপোর্ট করতে হবে।
নামজারি আবেদনের শুনানির ডেটে আমার সকল কাগজ অকে থাকার পরেও আমার কাছে ৩০হাজার ঘুস চাওয়া হয়।দিতে না চাইলে বলে সব আমাদের হাতে নামজারি না মঞ্জুর হবে।আমার কাছে যাবতীয় ভিডিও সহ তথ্য প্রমান আছে।গাবতলি ভূমি অফিসে যতজন নামজারি করতে আসে সবার থেকে টাকা নেওয়া হয়।
সৌদি আরব যেতে হলে যেই তাকামূল পরীক্ষা দিতে হয় সেটি দেওয়ার জন্য শুধু মমিনশিং টিটিসি সেন্টার নয় বাংলাদেশের যতগুলো তাকামূল পরীক্ষা দেওয়ার কেন্দ্র রয়েছে টিটিসি ভবন তারা সকলেই এই ঘুষ খেয়ে থাকে যা ভিসা পেশা পরিবর্তনের সাথে সাথে ঘুষের মান বাড়ে যেমন লোড আনলোড এ পেশায় কম নেওয়া হয় কিন্তু ড্রাইভিং যে পেশাগুলো আছে সেগুলোতে আপনার পাস করতে হবে এবং তাদের টাকাও দিতে হবে যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে তারা ফেল দিয়ে দেয় যদি আপনি পাস ও করেন এবং এটি বাংলাদেশের প্রতিটি টিটিসি সেন্টারে করা হচ্ছে এবং তারা বলে তারা কোন ধরনের ঘুষ খায় না কিন্তু বাস্তবে সবাই ঘুষ দিয়ে তাদের থেকে পাস করে আসে কিন্তু তাদের নিয়ম আপনি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে এবং তাদের টাকা দিতে হবে যদি আপনি পরীক্ষায় পাস না করেন তাহলে তারা টাকা
নাম জারি করার জন্য আবেদন করেছি, নাম জারি করে দিতেছেন তার পর আমি এসিলেন্ড অফিসে নামজারি সহকারীর সাথে দেখ করে কারন জানতে চাইলে বলে সব ঠিক আছে কিন্তু ৩০০০০ টাকা ছাড় হবে না, তার পর কাজ করে ৩০০০০ টাকা নিয়েছে।
অনলাইনে আবেদন করলে অনুমোদন দেয়নি পরদিন সাব রেজিস্ট্রার অফিস গেলে ৫০০০ টাকা দাবি করে। অন্যথায় অনুমোদন করবো না বলে
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটির সভাপতি মনোনয়নের জন্য জেলা শিক্ষা অফিস ও ডিসি অফিসের শিক্ষা শাখায় খরচপাতি কিছু দিন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫০০৳ করে ১০০০৳ দিতে হয়েছে।
আমি কলকারখানা অফিসে গিয়য়ছিলাম লাইসেন্স নবায়ন করতে. আমাকে বলা হয় দশ হাজার টাকা দিতে হবে. এটা প্রতিবছরের বরাদ্দকৃত ধরে নিয়েছে তারা .তা ছাড়া মামলার ভয় দেখায়.ওরা বলে এই টাকা ডিজি পর্যন্ত যা। এই অবস্হা ফায়ার সার্ভিস ও । তাহলে আমরা যাব কোথায়?
আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে ২০২৬ সালের ১ জুলাই অবসরের গমন করি আমার এলপিআর এবং পেনশন প্রদানের জন্য আমার নিকট হতে ৫০০০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে আমি তা পরিশোধ করি।
আমি যেখানে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে যাই সেটা আমার বাসস্থান এরিয়ার বাইরে ছিল সেটা আমার জানা ছিল না। যখন আবেদন জমা দেই তখন ঠিকানা দেখে বলে এটা আমাদের জোনের বাইরে অন্য জোনে পরেছে, সেখানে যেতে হবে। পরক্ষনেই বলে 1000 টাকা দিলে সমাধান হয়ে যাবে। অনেক মুলামুলির পর 500 টাকা দিতে রাজি হলে আমার সামনে আমার বাসার ঠিকানাটা কেটে ঐ জোনের একটা ঠিকানা লিখে আবেদন জমা নিয়ে নেয়।
ফায়ার সেফটি প্লান পাশ এবং NOC সার্টিফিকেট বাবদ কমপক্ষে ২৫,০০০টাকা ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। ফায়ার সার্ভিস এ আবেদন এর পরে ফিল্ড ভিজিট এ যেই ইন্সপেক্টর (ফায়ার সার্ভিস) যান, ওনার চা খরচ ১০,০০০টাকা। এটা ফিক্সড। এর পরে প্লান পাশ আর ফায়ার সার্ভিস এর NOC এর জন্যে বর্তমানে মিরপুর ১০নং এর সদর দপ্তরে, ১৫,০০০টাকা ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। যেই টাকা AD স্যার নিজে অন্যদের (২জন ইন্সপেক্টর আছে) কাছে দিয়ে দিয়ে দিতে বলেন। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। এবং যে সকল ফার্ম ফায়ার সেফটি প্লান নিয়ে কাজ করেন সবাই দেন। অনেকে আবার ঘুষ এর পরিমান বাড়িয়ে দেন যেন অযথা হয়রানি কিম্বা সিরিয়াল ব্রেক করে দ্রুত ফাইল পাশ করে দেয়া হয়।
আমি পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে আসি, অনলাইনে আবেদন করতে সরকারি যত টাকা লাগে সেটা আমি ব্যাংকে দেয়। তারপর যখন পাসপোর্ট আনতে যায় তখন তারা বলে আমার পাসপোর্ট রেডি হয়নি। তারপর তারা একটা তারিখ দেয় তখনও বলে রেডি হয়নি। পরে যখন আমি ভালো করে তাদেরকে জিজ্ঞেস করি তখন তারা বলে যে, ২০০০ হাজার টাকা দিলে একদিনের মধ্যে পেয়ে যাব। তারপর বাধ্য হয়ে তাকে টাকা পরিশোধ করি। পরের দিনই আমাকে পাসপোর্ট দিয়ে দেয়।
আমাকে বলা হয়েছে অনলাইনে আবেদন করার জন্য আমি অনলাইনে আবেদন করেছি। আবেদন করার পরে আমাকে মূল কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছিল। ঐদিন শুনানি আছে বলেছে। আমি ঐদিন ঠিকই গেছি কিন্তু আমার শুনানি করা হয়নি। আমাকে বলা হয়েছে স্যার আসতে লেট হবে আপনি কাগজ দিয়ে চলে যান। যেহেতু আমি একটু প্রাইভেট চাকরি করি। তাই আমি আর সময় নষ্ট না করে উনার কাছে মূল কাগজপত্র রেখে দেই। পরবর্তীতে উনি আমাকে বলেন টাকা ছাড়া আপনার কাজ হবে না। তখন আমি উনাকে বলি এটা তো আগে বলা হয়নি আমার টাকা দেওয়া লাগবে। তারপর কয়েকটা শুনানি হয়েছে কিন্তু আমার নামজারি হয় নাই। তারপর আমি আমার বন্ধুর মাধ্যমে এসিল্যান্ড স্যারের সাথে যোগাযোগ করে নামজারি করি। কাজ আমি নিজে করছি ওরা বলে ওরা করছে তাই আমার কাছে টাকা দাবি করছে কিন্তু আমি তা দেই নাই।
পুরোনো দলিল উত্তোলন। সেবা প্রদানকারী ৩০০০/- টাকা চায়। আমি ২০০০/- টাকা দিয়ে দলিল পাই।
আমি বিদেশে যাব আমার নামে কোন মামলা নেই থানায়,,, অথচ যে জায়গায় আমার পরে মানুষ আবেদন করে পাঁচ দিনে ছয় দিনে হয়ে গেছে,,,, সে জায়গায় আমারটা হয়নি,,, লাস্টে ২০ দিন পর আমারটা টাকা দেওয়ার পরে আমারটা হইছে,,,,। এটা হচ্ছে আমার থানা করিমগঞ্জের ঘটনা ওখানে আমি আরো অনেকবার গিয়েছি আমার আত্মীয়-স্বজনের জন্য টাকা ছাড়া কারো কোন কাজ হয় না,,,।
ত্রিশাল ভূমি অফিসসহ প্রত্যেকটি ইউনিয়নের ভূমি অফিসে নামজারি করতে গেলে সরকারি খরচের বাইরে প্রত্যেকের টেবিলে আলাদাভাবে টাকা দেওয়া লাগে তা ছাড়া ফাইল ট্রান্সফার করে না।
পরীক্ষা অনেক কঠিন করে নেওয়া হয়, সারাদিন রাত বাইক চালায়লেও ফিল্ডে পাশ করা কঠিন, কিন্তু সবাই টাকা দিয়েই পাশ করে