প্রতিষ্ঠানের মাসিক রির্টান দাখিল
প্রতিমাসে ভ্যাট রির্টান জমা প্রদানকালে ৩৩০০০/- ঘুষ প্রদান করতে হয় অন্যথায় প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিভিন্ন হয়রানি করে। এই বিষয় দুদকে মামলা করেও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতিমাসে ভ্যাট রির্টান জমা প্রদানকালে ৩৩০০০/- ঘুষ প্রদান করতে হয় অন্যথায় প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিভিন্ন হয়রানি করে। এই বিষয় দুদকে মামলা করেও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি।
২০২৪ সালের দিকের কথা, আমি পাসপোর্ট বানানোর জন্য আবেদন করি, আমার এলাকার এক পুলিশ কর্মকর্তা কল করেন কিছু প্রশ্ন করেন উওর ঠিকঠাক দেই তারপর উনি টাকা দাবি করেন আমি রাজি হইনি পরে আরো সাপ্তাহ দিন পরে আবার কল দিয়ে বলেন আমি টাকা না দিলে উনি পাসপোর্ট আটকে দিবেন তাই বাধ্য হয়ে আমাকে ১৫০০ টাকা দিতে হইছে, আমার কাছে প্রমাণ আছে উনার বিকাশে যে টাকা পাটিয়ে আবার উনার হোয়াটসআপে স্কিনশট পাঠিয়ে ছিলাম
আমি নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে গেছি সেখানে তারা আমাকে কৃষি খামারের জায়গায় বিভিন্ন কাজের জন্য আলাদা আলাদা ট্রেড লাইসেন্স করতে বলে প্রতি ট্রেড লাইসেন্স জন্য ৩০০ টাকা ঘুস দাবি করছে। যা আমি মেনে নাই বলে সে আমাকে বলে যে সে আমাকে কোন প্রকার সহায়তা করতে পারবে না।। আমি উনাকে জিজ্ঞেস করি যে এই বিষয়ে সরকারি কোন নীতিমালা আছে কিনা।। সে সোজা বলে যে উনি হচ্ছে এখানকার নীতিমালা প্রণয়নকারী।
নামজারি খরচ ১১৫০/- টাকা কিন্তু আমার থেকে ৫ হাজার টাকা চেয়েছে। এখনে অফিসের পিয়ন এবং কমিশনার। টাকা না দিলে অনলাইনে এপরুভ হবে না এমনটা জানানো হয়েছে।
ইউনিয়ন বাহ গ্রাম পর্যায়ে যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলা আছে বেশির ভাগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলাতে গরিব দুঃখী মানুষ ঔষধ নিতে গেলে ৫ টাকা করে দিতে হয়। আমার ওয়ার্ড একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আছে সেখানে ৫ টাকা নেয়। আমি টাকা নিয়ে গিয়েছিলাম না বলে ঔষধ পায় নাই।আমি বাহিরে এসে সবাই কে বলতে লাগলাম সবাই বললো ঔষধ নিতে হলে ৫ টাকা নিয়ে যেতে হবে তা ছাড়া ঔধষ পাওয়া যাবে নাহ।
এমপিও ফাইলের এক মাসের বকেয়ার জন্য শিক্ষা অফিসার যোগাযোগ করা হলে ফাইলটি ঢাকায় পাঠানোর জন্য ১০০০ টাকা দাবী করা হয়।
আমি ২০২২ সালে৷ মার্চ মাসে মাসে সৌদি থেকে বাড়িতে ছুটিতে যাই, সেখানে আমি জন্ম নিবন্ধন বাংলা ইংরেজি করার জন্য আমি দেবিদ্বার ২ নং ইউছুফপুর ইউনিয়ন অফিসে গেলে আমাকে৷ তারা ব্যস্ততা দেখায় কোন রকম ভুল না থাকলে ও শুদু বাংলা ইংরেজি করার জন্য তারা আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়,, আমি তাদের প্রশ্ন করার কারনে তারা আমাকে বলেছিলো এই টাকা নাকি তখন কার দেবিদ্বার ইউএন এই টাকা নিয়ে থাকে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে, এই যদি হয় ইউনিয়ন এর অবস্তা , যা হয়তো এখনো চলমান রয়েছে,,,,
আমার বাবা বিদ্যুৎ অফিসে চাকরি করতো, রিটায়ার করছে,পেনশন বই নবায়ন করতে দেয়া হয়েছিল, নবায়ন শেষ হবার পর বাজে ঝামেলা, সেটা আনতে যায় আমার বাবা মা, যে অফিসার বইটা দেবে সে বই দেয়ার বিপরীতে ৫০০০ টাকা দাবী করে,আমার মা বা তো জানে না বই আনতে গেলে টাকা লাগবে, কাছে এতো টাকা ছিল না,তাই তারা টাকা দিতে পারেনি, আমার মা বা বই নিয়ে আসে এবং বলে আসে বাসায় গিয়ে টাকা টা আপনার বিকাশে পাঠিয়ে দেবো,কতো দেবো তা বলে নি,পরবর্তীতে বাসায় আসার পর আমাকে তারা বলে এভাবে ৫০০০ টাকা দাবী করা হয়েছিল ঘুষ হিসেবে, বিকাশ নাম্বারটি নিয়ে আসা হয়েছিল সে বিকাশ নাম্বারে আমি ৫০০ টাকা পঠিয়ে দেই। যেখানে একটি টাকাও লাগার কথা না সেখানে আমাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।আমার বাবা এখন বৃদ্ধ এই পেনশনের টাকা টা তার শেষ সম্বল, এই টাকা টা দিয়ে এখনো সে ইচ্ছেমতো
অঙ্গীভূত আনসার, পোস্টিং সিসি বাণিজ্য, ভালো জায়গায় পোস্টিং নিলে যেমন পাসপোর্ট অফিস ৫০০০০ টাকা ৬ মাস জন্য, দেওয়া লাগে, কক্সবাজার সদরে যে কোন গার্ড থাকতে গেলে ৬ মাস পর ৪০০০ টাকা দেওয়া লাগে, টাকা না দিলে পোস্টিং মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ, সীফুডস বা বোগাচত্ত্বর,খারাপ জায়গায় পোস্টিং টেকনাফ সোলারটেক এইদিকে হয়।
জমিজমা সংক্রান্ত কারণে সিভিল কোর্টে মামলা করা হয় মামলার কপি বিবাদী পক্ষের বাড়ি পৌঁছে দেয় এক কেরানি সে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা গ্রহণ করে এবং আরো ১০০০ টাকা আদায় করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে
ফাইল হারিয়ে গিয়েছে বলার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে বিভিন্ন বার মিলিয়ে ৩ লাখ টাকা নিয়েছে।
Taratari kore dibe bole niye 3,4 din lagaise talash korte. Othocho Sub register tk nei ni. Nise tar kormochari ra
জরিপ রেকর্ড তসদিক করতে 10000 টাকা দাবী করেন। যা করতে সরকারী কোনো ফি প্রয়োজন নেই।
ভুমি রেকর্ড ঠিক রাখার জন্য দুইজন টাকা দাবি করল । যেইখানে এই তসদিক করতে কোনও টাকা লাগে না ।
I was asked for 3000 tk just for a form which has information of tax return just the form i asked several person what i have to do they behaved they don't know anything. Zero professionalism. Disgusting. It happened 4 years ago i forgot the persons name but i clearly remembered how much i had to suffer.
জমি খারিজ করাতে আমার খরচ ১১০০ টাকা। কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১২০০০ টাকা।
পাসপোর্ট করার সময় পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে
মায়ের নাম ঠিক করার জন্য এপ্লাই করেছিলাম, সার্টিফিকেট ঠিক মতো পেয়ে গেলেও, SSC রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিতে গেলে তারা খুঁজে পাচ্ছে না এমন বাহানা করে বাইরে এক লোক কে দেখিয়ে দিয়ে বলে সে খুঁজে দিবে। তার কাছে গেলে সে এই অর্থ দাবি করে। যদিও প্রমাণ নেই আমার কাছে কোনো।
৩১ শে আগস্ট ২০২৬, রাত ৮.৩০ টায় কমলাপুর রেলস্টেশনে যাই। ঢাকা - খুলনা টিকেট জন্য এ সি / কেবিনের টিকেট বিক্রয় হয় এমন কাউন্টার গেলাম। ২ টা এডাল্ট + ২ টা চাইল্ড টিকেট বাবৎ মোট ৩৫০০ টাকা দিতে বললো। টাকা দেওয়ার পর টিকেট দেখলাম ৩৪০০ টাকার ও কম লেখা। তখন সে বললো ভাই ১০০ টাকা বেশি রাখলাম। পরে আর কিছু বলতে পারলাম না।
আমাদের কেরানীগঞ্জে গত কয়েক মাস ধরে বি.এস পর্চার কাজ চলতেছে। আমাদের ১২শতাংশ জায়গায় সব কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলে আমরা সব কাগজপত্র দিয়ে আসার পর আমাদের একটি মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয় এবং মাসখানেক পর যোগাযোগ করতে বলা হয়। কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তাদের অফিসে যেতে বলে অফিসে যাওয়ার পর বলা হয় আমাদের জায়গায় কিছু অংশ খাস দাগে পরছে। অথচ বায়া দলিল, নামজারি, খাজনা সবকিছু ঠিকঠাক আছে। তারা সব ঠিক করে দিবে এই মর্মে ৩,৫০,০০০ টাকা দাবি করে।