জিপিএফ এর অগ্রিম উত্তোলন
জিপিএফ এর অগ্রিম উত্তোলনের জন্য ৭০০০ টাকা নিয়েছে আমার কাছ থেকে। বলেছে খরচ লাগবে এটা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জিপিএফ এর অগ্রিম উত্তোলনের জন্য ৭০০০ টাকা নিয়েছে আমার কাছ থেকে। বলেছে খরচ লাগবে এটা।
Madrasa nije registration korse document dekhe, but sob bhul name dise nijer name , mothers name , fathers name... er kichudin por xm er jonno ar thik kore dei nai .. bollo xm por kora laagbe .. ekhn akhil xm er por esob change korar jonno 6000tk khuztese..
উপজেলা শিক্ষা অফিসার সুবর্ণচর উপজেলা, আমার থেকে টাকা চেয়েছিলো জিপিএফ চালু করার নিমিত্তে। আমি দেয়নি,আমার কাজ ৬ মাস ধরে আটকে রেখেছে।
ami desher bahire jabo tai card dorkar silo / emergency card niyesi 20000 tk er niche kom paini
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে যাই এখান থেকে আমাকে একজন দেখে নিয়ে জানায় যে লাইসেন্স করিয়ে দিতে পারবে বিআরটিএ তে আবেদন করলে পরীক্ষা দিয়ে সম্ভব নয় তাই আপনি আমার মাধ্যমে করেন এখানে এদের সাথে আমার আলাদা সম্পর্ক আছে তাই আপনি ১৬০০০ টাকা দিলে দ্রুত করিয়ে দিবো এটাকে বোঝা যায় দালাল চক্রের সাথে অফিসের কর্মকর্তাদের জোস হয়েছে এবং আমাকে শুধুমাত্র প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা রিটেন পরীক্ষা না পারলেও পাস করিয়ে দেয়া হবে।
যশোর নড়াইল মহাসড়ক অন্যতম ব্যস্ততম একটি রাস্তা, এমনিতেই প্রতিদিনই নানা রকম বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। এরই ভেতর তুলারামপুর হাই পুলিশ মাসিক চাঁদার ভিত্তিতে অবৈধ যানবাহন কে বৈধতা প্রদান করে, প্রতিদিনই লোক দেখানো কিছু অভিযান পরিচালনা করে সেখানে উপস্থিত জনগণের মুখ থেকে শোনা এবং বিভিন্ন থ্রি হুইলার এবং ইজি বাইক চালকদের মুখ থেকেই শোনা প্রতিমাসে নির্দিষ্ট কালারে একটি করে কার্ড দেয় তারা। এবং কার্ডের বিনিময়ে এক থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হয়, কাঠ গ্রহণ না করলে বিভিন্ন প্রকার হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়,,,,
আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদনের পর 15 কার্য দিবস পর্যন্ত অপেক্ষা করি কিন্তু তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করেনি। পরবর্তীতে আমি সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করি। তদন্ত অফিসার আমার থেকে 1500 টাকা দাবি করে। সাধারণত ১৫ কার্য দিবসে মধ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ডেলিভারি পাওয়া যায়। যেহেতু আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করি নাই এজন্য আমারটা হতে দেরি হয়েছে। এদেশে ঘুষ না দিলে কোন কিছুই করা সম্ভব না। অন্য আরেকদিন আমার পাসপোর্ট করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করব। ধন্যবাদ সবাইকে
আমাদের জায়গা জমির বিরুদ্ধ সৃষ্টি হলে, আমি ভূমি অফিসে একটা অভিযোগ করি, অভিযোগটি তদন্ত করা হয়, আর ওই তদন্ত এর রিপোর্ট টা নিতে গেলে সার্বিয়ার টাকা দাবি করে। তখন ওইটা আমার প্রয়োজন হচ্ছিল, বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করে নিতে হয়।
ফায়ার লাইসেন্স এর নবায়নের ক্ষেত্রে ফায়ার ইন্সপেক্টরা কম বেশি সবাই টাকা দাবি করে। তবে টঙ্গাইলে এর পরিমানটা ১০০০০-১৫০০০ এর কমে নাকি হয় না। ৩ জনকে আরও টাকা দিতে হয় বলে তারা টাকা নিচ্ছে। তাদের আচার আচরন চলাফেরা দেখলে মনে হয় গ্রুপ অফ কম্পানির মালিক। তাদের জ্ঞাত বহির্ভূত সম্পত্তির হিসাব দেখলেই বোঝা যাবে কত টাকা তাদের পকেটে ঢোকে। সবাই মনে রাখবেন টাঙ্গাইল ফায়ার অফিসে ১০০০০/= এর নিচে কাজ হয় না।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির ফাইলে স্বাক্ষরের জন্য শিক্ষক প্রতি ২০০০ টাকা এবং ফাইল প্রসেস করে অধিদপ্তর পর্যন্ত পৌছানোর জন্য শিক্ষক প্রতি ৫০০০-১০০০০ টাকা দাবী করা হয়েছে। আমি প্রতিবাদ করায় ৩৯জনের ফাইলে পরে স্বাক্ষর করা হবে বলে ফাইল রেথে দিয়েছে। বাকিদের ফাইল জনপ্রতি ২০০০ টাকা নিয়ে স্বাক্ষর করা হয়েছে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর, আমার আম্মার হঠাৎ করেই ক্যান্সার ধরা পড়ে, এবং আমরা ঢাকার জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালে ডাক্তার দেখাই। তারা বেড নিয়ে ভর্তি হতে বলে অপারেশনের জন্য। কিন্তু সিট পাওয়া যায় না। প্রতিদিন এসে ফাইল জমা দিতে বলে, সিট ফাকা হলে দেবে। এদিকে আমরা গ্রাম থেকে এসেছি। থাকার তো তেমন জায়গা নেই, তার উপর তাড়াতাড়ি অপারেশন করা দরকার। ওখানে একটা ছেলে ফ্রিল্যান্সিং চাকরি করে। ও ৫০০০ টাকার কথা বলে, সিট ম্যানেজ করে দেবে। আমি অনেক জোরাজোরি করে 3000 টাকা দিয়ে ৩ দিন পর সিট নেই। তাছাড়া ক্যান্সার হাসপাতালে টাকা ছাড়া সহজে সিট পাওয়া যায় না।
রংপরু রহিম উদ্দিন ভরসা ডিগ্রী কলেজে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কাছে এবং কলেজ জাতীয়করণ নিয়ে এক কোটি টাকা প্রত্যেক শিক্ষকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাওয়া হয়ে হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষক নিয়োগ হওয়ার পরও ঘুস নেওয়া হয়েছে
আমি মূলত আমার বাবার পেনশন চালু করতে গিয়েছিলাম। হিসাব অফিসের একজন অডিটর আমাকে বসিয়ে রেখে বেশ কিছুক্ষণ সময় পর ১০ হাজার টাকা অর্থ দাবী করে। সেখানে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা ও নেই অথচ এটি একটি সরকারি অফিস। আমার হাত থেকে এই অর্থ নেয়। সরকারি অফিসের ভেতর সিসিটিভি না থাকাটা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সেখানে একজন অডিটর সাধারণ নাগরিক থেকে অর্থ আদায় করার সুযোগ পাচ্ছে আমার মতে এই কারণেই। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই সে টাকা দিয়েছি। আমি সদ্য কলেজ পড়ুয়া আর একটু বড় হলে হয়তো তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারতাম।
আমি ১৭ থেকে ১২ গ্রেডে উন্নীত হয়েছি ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে। তখন বিল পাশ করাতে তাদের এই দাবি।
আমার চাকুরী বিষয়ে।আমার বকেয়া বেতন এর জন্য আবেদন করেছিলাম। আমি অনেক চাকুরী পরীক্ষা দিয়েছিলাম তা প্রায় ২০০ টা চাকুরী পরীক্ষা দেওয়ার পর ছোটো একটা পদে চাকুরী হয় আমার! চাকুরী হওয়ার পর থেকে ঘুশ দিতে দিতে আমার যা বেতন পাইয়াছি সব দিয়েছি!! প্রত্যেক টা শাখার দাবি টাকা দিলে কাজ হবে না দিলে হবে না কোনো কাজ!
প্রত্যেক বার ফিল্ডে কর পরিশোধের সময় তারা টাকা কেটে রাখে, আর সেই টাকা যায় তাদের পকেটে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য 5000 টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছিল। আমি বাধ্য হয়েছি ঘুষ দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে। এছাড়া কোন উপায় ছিল না। সঠিকভাবে কোনদিনই পরীক্ষায় পাশ করানো হয় না। অবৈধ৷ মাধ্যমে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করানো হয়।।
basha theke helmet chara ber hoyechilam , kichu dur samnei army checkpost chilo jehetu amar dosh ache sehetu dariyechi, ekjon army officer eshe pocket hatiye bolche koto taka ache , ami bolechi 1000 taka ache , tarpor bollo diye chole jao chupchap , ami khub i bhoye seti diye taratari esshe porechi , karon tara tader camp e niye mardhor kore
ব্যংকে ও কম্পানিতে জমা দেয়ার জন্য আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা জরুরী ছিল। আমি সিটি করপোরেশনে তা নবায়ন করতে গেলে ৫০০টাকা ঘুষ দাবি করে। তারা ৫০০টাকা ঘুষ ছাড়া আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে রাজি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করি।
৩০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে প্রধান শিক্ষককে না জানিয়ে শিক্ষক নিয়ে গেছে ডেপুটেশনে। শিক্ষক স্বল্পতায় একজন শিক্ষক এখন একই সময়ে ২ টা ক্লাস নেয় ঘুরে ঘুরে এমন স্কুল ও আছে। শিক্ষা অফিসে জানালে বলে নিয়োগ হলে দিবো।