জমি খারিজ
১০ শতাংশ কান্দা জমি খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম নেত্রকোনা, মদন উপজেলায় কিন্তু টাকা ছাড়া খারিজ করতে পারিনি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১০ শতাংশ কান্দা জমি খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম নেত্রকোনা, মদন উপজেলায় কিন্তু টাকা ছাড়া খারিজ করতে পারিনি।
আমরা ভূমিহীন হওয়ায় বন বিভাগের জায়গাতে বসতি তৈরি করি,বন বিভাগের তারা ১০০০০ টাকায় মৌখিক সম্মতি দেয়, পরবতীতে আমি জানতে পারি এটা বৈধ নয়। ১বছর পরে বন বিভাগের লোক এসে আবার ৫০০০টাকা দাবি করে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি,এবং তাদের কে বলি আপনারা যা করছেন তা আইনের বিরুদ্ধে, আমি টাকা না দেওয়ায় রেঞ্জ অফিসার বাদি হয়ে আমার জন্য বন থেকে গাছ কাটার মামলা করে মামলাটি এখনো চলমান
২০১৮ সালে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছিল midwife সে পরীক্ষা ২০২১ সালে হয় এবং ২১ সালের নিয়োগ হয় সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগের জায়গায় ১৪০্১ একজন নিয়োগ হয় সরাসরি সেখানে শুধু পরীক্ষা হয় কোনটাই হয় না করোনা মহামারী কারণে তখন মোটামুটি ২২৪৬ জন সেখানে তারা পিলি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়, সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগ হবে হবে মোটামুটি সবাই শিওর ছিল তাদের সরকার চাকরিটা হয়ে যাবে কিন্তু দুর্নীতি কারণে ঘুষ লেনদেনের কারণে , তারা জরুরী ভিত্তিতে বিপিএস ৫ পেপার সহ সকল সার্টিফিকেট এবং জরির কাগজপত্র সনদ ফার্স্ট ক্লাস অফিস জমা দিতে বলেন তখন করোনা কারণে কোন গাড়ি-ঘোড়া চলতেছিল না সবাই প্রাইভেটকার সিএনজির হিসাব নিয়ে ঢাকায় এসে কাগজপত্র জমা দেয় কিন্তু তারা কাগজপত্র জমা দেওয়ার তিন দিনে মাথায় ফাইনাল শিট রেজাল্ট দিয়ে
টিসিবির ডিলারশিপ নিতে বাধ্য করা হয় নতুবা ডিলারশিপ দিবেনা।আমি একজনের পক্ষ হয়ে রিপোর্ট করতে বাধ্য হলাম।আমি নিজে ওই প্রতিষ্ঠানে একসময় কর্মরত ছিলাম।
আমার স্ত্রী দিরাই উপজেলা থেকে জামালগঞ্জ উপজেলায় অনলাইনে বদলির আবেদন করেন। সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবেদন যাওয়ার পর ত্রুটি দেখিয়ে বদলি আটকে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করে অফিস সহকারীর মাধ্যমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য ৬০,০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। বদলির পর দিরাই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ছাড়পত্রের জন্য আরও ১২,০০০ টাকা নেন। পরে জামালগঞ্জে যোগদানের সময় আবার বাধা সৃষ্টি করে অফিস সহকারী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার জন্য আরও ১৬,০০০ টাকা নেওয়া হয়। এভাবে একটি অনলাইন বদলি সম্পন্ন করতে মোট ৮৮,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
In 2023 from USAID I've a package in USD 3000,000(Three million) and after reaching out Dhaka airport customs delivery department someone named Murad informed me and; he advised me to send him TK 55000 to his bkash number but I requested him that I'll pay him TK 100,000 please wait for only one week but he refunded to USAID bd office.
সকাল বেলা রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে কাঁচামাল নামিয়ে আসার সময় আমতল তিন পুলের মাথায় ট্রাক থামিয়ে নিষিদ্ধ সময়ের কথা বলে টাকা নিলো ৪০০। এরপর যখন নিউমার্কেট আসলাম তখন টাকা চাইলো ৪০০, বললাম আমতল মোড়ে টাকা দিয়েছি, টাকা দিতে অস্বীকার করাই ট্রাক আটক করে দিল, সদরঘাট ট্রাফিক অফিসে গাড়ি ছারাইতে নিল ৮২৫০। কিন্তু সিলিপ দিল ১২৫০। বাকি টাকার স্লিপ চাইলাম বলল তাহারা ব্যাংকে জমা দিয়ে আসবে, আমরা জানতে চাই চট্টগ্রামে ট্রাফিক পুলিশ যে অফিসে আটক গাড়ি ছারাইতে টাকা রাখে এই টাকাকে সরকারের কোষাগারা জমা হয় নাকি নিজেরা ভাগ বাটোরা করে খায়। দুদক দিয়ে তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হোক।
হাসপাতালে ডাক্তার দেকাতে গেলাম টিকিট কাইতে গিয়ে সিরিয়াল ১ জন বললো ২০০ টাকা দেন টিকিট কেটে দিচ্ছি বহু ভোগান্তি হল, আমার পাশে ২ জনের মোবাইল চুরি হলো আনসার ও নিরাপত্তা বাহিনী কেউ কিছু করলে না। খুবই দুর্গন্ধ এবং বাজে পরিবেশ পরে পরে টেস্ট দিল ১ দালাল বললো এখানে দেরি হবে বাইরে ৮০০ টাকা দিয়ে করে দেই। আমার কাকা ভর্তি হলো পেইং বেড নিলো পরে ৩০০০ টাকা নিল ১ দিন থাকার পরে টাকা ফেরত পাওয়া যায় নাই ডাক্তার গণ সরকারি হাসপাতে চিকিৎসা দেয় কম। কিন্তু সারাদিন বেসরকারি হাসপাতালে তারা চিকিৎসা দেয়। ময়মনসিংহে শহরে শত শত বেসরকারি হাসপাতাল যারা টেস্ট বাণিজ্য করে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেছি।আগে ও অনেকবার করা হয়েছে।তখন সরকারি ফি ছিলো ৫০০ টাকা আর পুলিশদের দিতে হতো ৫০০-১০০০ টাকা।বর্তমানে সে ফি বাড়িয়ে ১৫০০ টাকা করা হয়েছে।তারপর ও পুলিশ আজকে কাগজ পত্র জমা দিতে যাওয়ার পর গাড়ি ভাড়া চা নাস্তা বাবদ টাকা দাবি করে।আমাকে অনেকক্ষণ বসিয়ে রেখেছিলো।আমি পরে দিতে অস্বীকৃতি জানাই।পরে না দিয়েই বেরিয়ে চলে আসি থানা থেকে।এমন টা সবার সাথেই হচ্ছে।কেউ কেউ ৫০০ টাকা দিয়েছে
প্রবাসীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে নিচ্ছে কিছু দালাল চক্র। তাঁরা ফিঙ্গার প্রিন্ট অফিসের নিছেই মানুষের সাথে এই জালিয়াতি করছে। দেখার মতো কেও নেই। মোটামটি সব প্রবাসী এটার ভুক্তভুগী । তাঁরা প্রবাসীদের থেকে ৬০০ টাকা থেকে ১৫০০+ টাকা হাতিয়ে নেয়
গর্ভবতী ভাতার জন্য কালিয়াকৈর পৌরসভায় গিয়েছিলাম। গর্ভবতী ভাতার দায়ীত্বে থাকা কম্পিউটারে সামনে বসা দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বললেন ফি লাগবে ৫০০ টাকা। কিসের ফি, কেন ফি দিতে হবে এটার কোন জবাব নেই। যাই হোক ভাতাটি খুবই প্রয়োজন বিধায় উক্ত অর্থ পরিশোধ করে আবেদন করতে হয়েছে।
ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটি ঠিকাদারের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহন করে
অগ্রণী ব্যাংক নতুন একাউন্ট খোলার সময় চেক বই বলে এক দেড় মাস লাগবে কিন্তু যখন ৫০০ ৬০০ টাকা দিয়ে দি তখন একদিনের মধ্যে চেক বই রেডি হয় কিভাবে
প্রতি মাসের ভ্যাট জমা দিয়াৰ জন্য ৫ হাজার করে চাইছে, তখন সরকার কে কিছু দিতে হবে না, এক কালীন টোটাল 20000 টাকা চাই,uttara, customs & vat office,dhaka
৫০০ টাকা না দিলে বেড দেয় না, অপরিষ্কার নোংরা ফ্লোরে থাকতে দেয়, নার্সদের টাকা না দিলে রোগীদের ঠিকমতো দেখেনা, পরিচ্ছন্ন কর্মী তাদেরকেও টাকা দেওয়া লাগে। ডাক্তারদের দালাল থাকে তাদেরকে টাকা না দিলে ডাক্তার দেখেনা, ওষুধ দেয় না।
পিতার নিজ নামে সম্পত্তী আমার নামে খারিজ করার জন্য গেলে আমার ভাই-বোনের সাথে না করে ফারাজ করে আমার অংশ আমি নিজ নামে করছিলাম সেটাই আমার অপরাধ। তার কারণে আমার কাছে ১১০০০ টাকা নেও এবং চা খাওয়ার জন্য আবার ৫০০০ টাকার দাবী দিসে না দিলে আবেদন বাতিল করে দিবে
কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার নুরপুর উধুইর অফিসের ১১৭০ টাকার খারিজ ১০,০০০ টাকা চাওয়া হয়। যাহা না দিলে খারিজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়া হয়। জমি খারিজের আবশ্যকতা আছে বলে টাকাটা দিতে বাধ্য ছিলাম
babar pension er tk uthabe seikha tk chay
সহকারী কমিশনার (পবা), রাজশাহীতে এ আমি গত ৪/৮/২০২৫ ইং তারিখে একটি অবৈধ জাল দলিলের মাধ্যমে সৃষ্ট নামজারি বাতিলের আবেদন করলে এসিল্যান্ড তাহার প্রকৃত তথ্য জানার জন্য রামচন্দ্রপুর ভূমি অফিস পবা, রাজশাহী বরাবর আদেশ জারি করলে তাহা তহশীল অফিসে আসে আমি যোগাযোগ করলে অফিসার আমাকে ২ দিন পর আসতে বলে পরবর্তীতে আমি গেলে প্রতিবেদন পাঠানের জন্য আমার নিকট ৫,০০,০০০ টাকা দাবি করে আমি তা প্রত্যাখ্যান করলে। আমার প্রতিপক্ষকে ফোন করে ডেকে ৭,০০,০০০ টাকার বিনিময়ে তার পক্ষে প্রতিবেদন পেশ করে। আমি এই বিষয়ে এসি ল্যান্ডকে অবগত করলেও তিনি কোন পদক্ষেপ নেননি বরং তহশীলদারকে এ সকল বিষয় জানিয়ে দিয়ে তাকে বাচানোর চেষ্টা করছে।
রাউজান থানায় সেন্ডব্যাক এ না মারার শর্তে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল এক এসআই কে ২০২৩ সালে।