সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৯,২১৫ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
হিসাব রক্ষণ অফিস

অধিকাল ভাতার বিল,মানে ড্রাইভারদের ওভার টাইম।

সেবাটি ছিল ড্রাইভারদের অধিকাল ভাতার বিল, অফিস হচ্ছে মিরপুর ১৪ লালা সরাই অর্থ নিয়ন্ত্রক অফিস নৌ ২৮ লক্ষ টাকার বিলে লাখপতি ১০০০ টাকা করে দিতে হবে এবং যতটা সেক্টর আছে সব সেক্টর বা শাখা টাকা দিতে হয়, চেক শাখায় প্রতি লাখে ১০০ টাকা করে দিতে হয়। তাছাড়া এমন ভাবে টাকা চায় মনে হয় উনি আমার কাছে পাবে। অথচ ড্রাইভার কি পরিমাণ পরিশ্রম করে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২৮.০০ লাখ
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪ DKZ3SDRD
মন্তব্য
ভূমি অফিস

মিউটিশন বা খাজনা খারিজ নামজারী।

আমার নামজারী মামলা ১৬০৫৫/২৫-২৬, এই মামলাটির জন্য আমি ৪৫০০০ টাকা প্রদান করি, কিন্তু এখনো, আমার ফাইলটি অনুমোদন করেনি। আরেকটি মামলা ১২৫৭/২৬-২৭ ইং, আরো একটি মামলা ২২২১/২৬-২৭ ইং, এই দুই মামলার জন্য ৪০ হাজার প্রদান করেছি, তাও এখনো অনুমোদন আসেনি। পেন্ডিংয়ে পড়ে আছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাটহাজারীর নিয়মিত অফিসেই থাকে না, সপ্তাহে বা মাসে একদিন আসে।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳৮০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTKSC4FE
মন্তব্য
ভূমি অফিস

খাজনা পরিশোধ

আমাকে বললো,,আপনি ২০০০০ টাকা দিন,,আপনার খাজনা পরিশোধ করে দেওয়া হবে। আমার খুর জুরুরি ছিল,, ২০০০০ টাকা দিলাম,, দেখলাম খাজনার চেকে লেখা ৪৯৯৬ টাকা। বললো কত লিখলাম সেটা আপনার প্রয়োজন নেই।। আপনার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর পরিশোধ করে দিয়েছি। বুঝলাম ১৫০০০+ টাকা ঘুষ।

ঘুষ দিয়েছি
সাতক্ষীরা জেলা, আশাশুনি উপজেলার, দরগাহপুর ভূমি অফিস ৳১৫.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KHMX2MFR
মন্তব্য
কর অফিস

মাসিক ভ্যাট

মাসিক ভ্যাট পরিশোধ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার। প্রতিষ্ঠানে এসে হয়রানি করা হয়। একই অঞ্চলে আমার প্রতিষ্ঠান এর সমতূল্য অনেক প্রতিষ্ঠান থাকা সত্তেও এবং ১৫ বছর নিয়মিত ভ্যাট প্রদান করলেও৷ প্রতিবছর ভ্যাট কর্মকর্তা পরিবর্তন হচ্ছে আবার হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে৷ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এ অনেকেই ভ্যাট সুষ্ঠুভাবে প্রদান করে না কিন্তু কোন হয়রানি কিংবা তদারকি নেই৷ বরং যারা ভ্যাট দেই তাদেরকেই টার্গেট করে নিয়মিত হয়রানি করা হয়৷ মাসিক ভ্যাট প্রদান সহও অফিসের লোকজন ব্যক্তিগতভাবে টাকা দাবি করে৷ সঠিক কোন আইন তারা বলেও না, ব্যক্তিগত স্বার্থই তাদের কাছে প্রধান্য

ঘুষ দিয়েছি
চুয়াডাঙ্গা ৳২.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ KHLGS27D
মন্তব্য
কর অফিস

কর অঞ্চল পরিবর্তন

বগুড়া কর অফিসে ট্যাক্স ফাইলের অঞ্চল পরিবর্তনের জন্য গেলে একজন ব্যক্তি আমার কথা শুনেই ৩,০০০ টাকা দাবি করেন।

ঘুষ দিইনি
Bogura ৳৩.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪ RNM4XK3D
মন্তব্য
বিআরটিএ

লাইসেন্স, ফিংগার প্রিন্টে ঘুষ

বাইকের লাইসেন্স এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর জন্য প্রতিবার ২০০ করে সেখানকার স্থানীয় দালালদের কাছে দিতে হয় যারা ডিসি অফিসের ২০৪ নাম্বার রুমের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে এবং টাকা তুলে কেউ টাকা না দিলে তার কাগজ গ্রহণ করে না ওই অফিসের মানুষ জনও যারা আছে তারাও এসবের সাথে চরিত্র আর তাদের ব্যবহার অতিরিক্ত খারাপ। তারা টাকা খাওয়া কে বৈধ মনে করে মিষ্টি খাওয়ার সালামি দিতে অন্যথায় কাজ হবে না। ওখানেই জেলা জজ কোট ওখানে পুলিশ সুপারের কার্যালয় কিন্তু কারো কোন মাথা ব্যাথা নাই সবাই অংশ পায় জানতে পেরেছি। একটা দেশ কখন এভাবে ফাংশন করতে পারে না এ দেশ যে এত পরিমাণে দুর্নীতিগ্রস্ত তা জানা ছিল না এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই খারাপ

ঘুষ দিইনি
সিারজগঞ্জ ৳২০০
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RJ5QD9PP
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জন্ম নিবন্ধন ও জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য.

এখানে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে সরকারি ফি ২৫ টাকার পরিবর্তে 1০০ টাকা নেয়। আর যদি কোন কিছু সংশোধন করতে হয় তাহলে এক্সট্রা চার্জ নেই অনেক টাকা চাই। জন্ম নিবন্ধন হয়ে গেলে সচিবের স্বাক্ষরের জন্য দেড়শ টাকা, চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের জন্য দেড়শ টাকা, এবং উপজেলা থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে আসার জন্য নেয় ১০০ টাকা। এভাবে জন্ম নিবন্ধন থেকে শুরু করে ডিজিটাল করা পর্যন্ত ৫০০ টাকা ব্যয় হয়, একটি জন্ম নিবন্ধন করতে হলে। তারা টাকা ছাড়া কিছু করতে চাই না।

ঘুষ দিয়েছি
১৫ নম্বর ইউনিয়ন বসুন্দিয়া, সদর যশোর। ৳৫০০
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KHQYJK8N
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জন্মনিবন্ধন

পানিউমদা, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ সব জন্মনিবন্ধন ২০০ টাকা নেয়া হয়, সংশোধন ৫০০ টাকা

ঘুষ দিয়েছি
পানিউমদা, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ ৳২০০
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ SYJ64C89
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

হিজড়া

বিয়ের দিন বাড়ির উঠানে ল্যান্টা হইয়া নাচ শুরু করসে আর অকথ্য ভাষায় গালাগালি। আগত মেহমান থেকে শুরু করে ছোট বাচ্চাকাচ্চা বয়স্ক মহিলা যুবতি মেয়েরা সবাই বিব্রত ও লজ্জিত। ২০ হাজার টাকা দাবি পরিশোধের পরেও মৃত বাবা মা কে বিশ্রী গালাগালি করতে করতে যায়।

ঘুষ দিয়েছি
সারা বাংলাদেশ ৳২০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ SYQTC9VW
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

New passport

New passport abedon korle amake passport office firiye day ei karonei je ami onno district theke ekhane abedon koresi tai, tar pore passport officer samne kisu lok gura guri kore tara jante chay apni ki passport korben pore ami janalam korbo kintu amake bollo extra taka dile apnar sudu id card dile kore dibo amake 3000 taka chay pore ami baddo hoye 2000 taka dile amar passport kore day,

ঘুষ দিয়েছি
Manikganj ৳২.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ DKZ6MGC5
মন্তব্য
ভূমি অফিস

মিস কেইস মামলা নাম্বার 30

দুই মাসের বেশি হয়েছে আবেদন করেছি এসিল‍্যান্ড অফিসের লোকেরা টাকা ছাড়া কাজ করে না।

ঘুষ দিয়েছি
পূর্বধলা এসিল‍্যান্ড অফিস ৳২.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ MYAM25L2
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জমির বিচার কা্যক্রম

জমি সংক্রান্ত বিচার করবে বলে, মগনামা উইনিয়ন চ্যায়ার আমার থেক ৫০০০০হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে।বিচার এখনো শেষ করে নাই,উল্টা আরো কিছু টাকা দাবি করে আসতেছে।।।।

ঘুষ দিয়েছি
উপজেলা পেকুয়া, উইনিয়ন মগনামা, ৳৫০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTVMKRTG
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করা

আমার কাকাতো ভাই এর জন্য, কাকা কাকিমা এবং ভাই ৩জনের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার জন্য ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে গেলে তিনি জানান কাজটি করতে হলে ফি ছাড়াও ৬০০/- অতিরিক্ত দিতে হবে, যা নাকি উপজেলায় জিনি কর্মকর্তা আছেন তাকে না দিলে কাজটি কতদিনে হবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। যেহেতু আমার ভাই এর স্কুলের কাজের জন্য জরুরী ছিলো তাই বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ৬০০/- পরিশোধ করে কাজটি করাতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা ৳৬০০
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KH6U5A7S
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

১২% ঘুষ গ্রহণ করে অফিস টি ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এর কম টাকা দিলে বিল পাশ করবে না। অডিটর বেতন ২

বিল হাতে পেয়ে বলেছে ১২% এর কম টাকা না হলে এটা পাশ করানযাবে না এখানে ভুল আছে বা সিট রোল আনতে বলে চট্টগ্রাম থেকে সকল কাগজ পত্র ৩ জন সেনা কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকার পরেও অডিটরের নিকটে কোন মূল্যায়ন নেই।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৫.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKMAC7V7
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট রিনিও

Regional Passport Office, Moulvibazar-এ পাসপোর্ট রিনিউ করতে কয়েকবার গিয়েছি, কিন্তু দালাল ছাড়া কোনোভাবেই কাজ হয়নি। বারবার বলা হয়েছে এটা ভুল, সেটা ভুল। প্রয়োজনীয় সংশোধন করে বহুবার জমা দেওয়ার চেষ্টা করেছি, তবুও গ্রহণ করা হয়নি। পরে একই কাগজপত্র নিয়ে দালালের মাধ্যমে গেলে শুধু শেষ পাতায় সামান্য পরিবর্তন করে দেওয়া হয়, যেখানে তাদের সাংকেতিক চিহ্ন ছিল। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই সব ঠিক বলে আবেদন গ্রহণ করা হয়। মাত্র ২ হাজার টাকার জন্য আমাকে ৩–৪ বার আসা-যাওয়া করতে হয়েছে। এ ধরনের অভিজ্ঞতা সাধারণ মানুষের জন্য খুবই হতাশাজনক। আশা করি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং দালালনির্ভরতা ও হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন।

ঘুষ দিয়েছি
মোলভীবাজার ৳২.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ SY8HXDQM
মন্তব্য