Pasport
পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গেছিলাম, সেখানে ১০ বছর মেয়াদে ৯ হাজার টাকা নিয়েছিল এই হলো। তারপরও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লাগছে, বায়োমেট্রিকের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা লাগবে অনেক সময় ব্যয় পুরোটা দিন হয়রানি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গেছিলাম, সেখানে ১০ বছর মেয়াদে ৯ হাজার টাকা নিয়েছিল এই হলো। তারপরও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লাগছে, বায়োমেট্রিকের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা লাগবে অনেক সময় ব্যয় পুরোটা দিন হয়রানি।
একটা জমির খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম ১০০০০ টাকা চাই পরে আর করিনি
নামজারি করতে দলিল খতিয়ান এর সবকিছু মিল আছে ,তারপরও একটি একটি ভুল ধরবেই
আমাদের স্থানীয় ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম নামজারি করতে নামধারী হয়েছে এটা জানার পরে বললাম একটা কফি দেন দুই টাকার ফটোকপি দিয়ে ১০০ টাকা জোর করে নিয়েছে
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সময় আমাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ করে এই টাকা আদায় করে
ভূমি প্রদানের অনুমতি দেননি ৭০০০০০/- টাকা দেওয়ার পর অনুমতি দিয়ে ১১৪০০০/- টাকার ভূমি কর পরিশোধ করা হয়।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মহিলাদের জরায়ু সমস্যা, ফ্রি ভায়া টেস্ট (via) করার কথা কিন্ত টিকিট করে টেস্ট সম্পন্ন করার পরে যে মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী ঐখানে দায়িত্ব পালন করেন তিনি সবার কাছ থেকেই রিপোর্ট দেওয়ার সময় ২০ টাকা করে চেয়ে নেন। এটা কেন নেন , তিনি কি বেতন পান না ?
আমাকে জমি ঠিক আছে দলিল ও ঠিক আছে কিন্তু তারা টাকা ছাড়া কোন সেবা দেয় না আমাকে মাঠ পচা দিবে টাকা ছাড়া দেয় না ২০ হাজার টাকা ছায় আমি কথায় অভিযোগ করবো কি ভাবে কি করবো বুজতাছি না আবার এলাকায় কিছু প্রভাবশালী দালাল রা হাত আছে সাথে বড় বড় রাঘব বোলো হাতে আছে তাদের সাথে টাকা ছাড়া কোন কথায় হয় না
আমি ১৯৯৫ সালে ধারাবাহিক বর্ণনা প্রায় 17 ঘন্টা জায়গায় করাই করি। রেশন করতে গেলে ১৯৭২ ৭৭সালের কবল আইমিটেশন হয় না বলে আমাদেরকে প্রত্যাখ্যান করে পরবর্তীতে অনেক চেষ্টা করে দেখলাম আসলে এখানে টাকা দিলে সব হয় উনি আমার থেকে প্রায় দুই লক্ষ টাকা দাবি করে আমার সামর্থ্য না থাকলে আমি এখনো পর্যন্তই মেডিসিনগুলো করতে পারিনি
আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করেছিল,
সরকারি চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন এর নামে আমার থেকে 10,000 টাকা দাবি করেছিলো। নওগাঁ DSB অফিস থেকে ।পরে জরুরী হওআই উপায়ন্তর না দেখে পরিশোধ করেছি।
অনলাইন সাবমিশন করা হয়েছিল কিন্তু একটা স্পেস থাকায় বাতিলযোগ্য বলেছিল। দালাল কর্তৃক দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করা হলে একদিনের মধ্যে পাসপোর্ট রেডি হয়ে যায়।
নমজারি অনলাইন আবেদনের পর ভূমি অফিস থেকে দাবী করা হয়েছে। পুরোপুরি পরিশোধের পর নাম জারি সম্পন্ন হয়েছে
আমার বউয়ের পাসপোর্ট করার জন্য বরগুনা সদর অফিসে গিয়েছিলাম। যেহেতু আমি পাসপোর্ট ফরম বাসা থেকে ফিলআপ করে নিয়ে গিয়েছি এতে করে ওনাদের সমস্যা হয়ে গিয়েছে। দুই ঘণ্টা সিরিয়াল ধরে ফিংগার রুমে যাওয়ার পর সেখান থেকে ফরম এ মিডল নাম কেন ফার্স্ট নামের সাথে লিখেছি তাই পাসপোর্ট হবেনা। অথচ পাসপোর্ট অফিস দ্বারা যেভাবে ওয়েবসাইটে বলা আছে সেভাবেই করেছি। পরে গেলাম পরিচালকের রুমে, সেও দেখি একই কথা বলতেছে, পরে বললো বাহিরে কম্পিউটার দোকানে যেতে, সেখানে গেলে বলে ২৫০০ টাকা দিলে সব ঠিক করে দেবে। বুঝলাম এই ২৫০০ টাকার ভাগ পরিচালকের পকেটে যায়। টাকা না দিয়ে চলে আসলাম। পরিচিত মিডিয়ার বড় ভাইকে দিয়ে পরিচালককে ফোন করলাম, পরে বলল সব ঠিক করে দেবে। বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখল, পরে বলল কাল কে আসেন আজকে সময় নাই
আমার ১০ বছর চাকুরিকাল অতিবাহিত হলে প্রথম উচ্চতর গ্রেড মন্জুর হয়৷উক্ত বিল করতে হিসাব রক্ষন অফিসে যাই৷টাকা দিতে অস্বীকার করায় আমাকে তিনমাস ঘুরায়৷পরবর্তিতে টাকা দিলে বিলটি মন্জুর হয়৷
আমি সম্প্রতিক সামান্য পরিমান জমিন কিনে ছিলাম। আমার জমিনের নাম জারী কর দরকার কিন্তু আমি নামজারী করার জন্য গেলে সংশ্লিষ্ট তহিসলদার আমার সব কাগজ দেখেন অথাৎ জমিনের দলিল,খাজনা রশিদ, পূর্ববতী জমিনের মালিকর নামেও নামজারী দেখেন। দেখে বলেন আপনি এগুলো রেখে যান। পরবর্তিতে আপনাকে জানাবো। যাক আমি সব রেখে চলে আসলাম। কিছুদিন পর যাওয়ার পর তহসিলদারকে পেলাম না। আবার গেলাম তহসিলদার সাথে দেখা করলে তিনি বলেন আজকে ওনি ব্যস্ত আছেন। এই ভাবে অনেক দিন গুরার পর আমি নিরুপাই হয়ে আবার যায় তহসিলদারের কাছে অনেক অপেক্ষার পর ওনি আমাকে বলেন, আপনার কাগজে অনেক সমস্যা আছে যাক আমি ম্যানেজ করবো আপনার কাজ হবো আপনি আমাকে ১২০০০ টাকা দিবেন। আমি বললাম কেন? ওনি বলেন বেশি কথা বলবেন না। অথচ এই কাজে সরকারী খরচ ১১০০-১২০০ টাকা। আমি কি বলব
10 তলা বাড়ী নির্মানের জন্য প্রথমে প্লান পাসের জন্য রাজউকের কতিপয় ব্যক্তি 1500000 টাকা চাওয়া হয় । পরবর্তীতে 4000000 টাকা চাওয়া হয়। না হলে প্লান পাস হবে না। পরে 4000000 টাকা দেওয়ার বিনিময়ে প্লান পাস করা হয়।
সাধারণ মানুষ কে বিভিন্ন ট্যাপে ফেলে অনলাইন বাবদ এই টাক দিতে হবে। হোল্ডিং এ আজব একটা ভুল দেখায় যা কোন ভুল ই না। অন্য দিলিল আনতে বলে বিভিন্ন বিভ্রান্ত করে তার পরে পাশে থেকে একজন বলল ভাই চা নাস্তা করতে কিছু দেন ঠিক করে দিচ্ছি।
আমাদের পারিবারিক সমস্যার জন্য আামার ভাবি আমি আমার ভাই, আমার মা এবং আমার ২ চাচা চাচীর নামে কোর্টে মামলা করে। আমরা যথারীতি কোর্টে হাজিরা দিয়ে জাবিন নেই এবং পরের কোর্টে ভাবি মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আবেদন করে। কিন্তু এর মধ্যে মামলা তদন্তের জন্য ডুমুরিয়া থানায় চলে আসে। মামলা তদন্ত কর্মকর্তা যথারীতি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং বলে আমাকে ২০০০০ টাকা দিতে অস্বীকার করি।তখন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে ২ বছরের বেশি সময়।তারপর আমি না পেরে দুদকে অভিযোগ দেয় তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তদন্ত কর্মকর্তা বিষয়টি বুঝতে পেরে আমাকে এবং আমার ভাইকে দায়ী প্রতিবেদন জমা দেয়।
আমি আমার একটি অনলাইন ডকুমেন্টস হারানোর জিডি করেছিলাম থানার পাশের একটি দোকান থেকে। দোকানদার বললেন আপনি থানায় গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থেকে সাইন নিয়ে আসেন।আমিও থানায় গেলাম। গিয়ে দেখি কাউন্টারে একজন বসে আছে তিনি আমার পেপারস টা নিয়ে বললেন আপনি বসুন আমি করে দিতেছি তার পর উনি সব করলেন। আমার হাতে পেপারস টা দিয়ে বললেন ৫০০ টাকা দেন।আমি দিতে বাধ্য হইলাম।পরে তারা হুরো ছিলো তাই দিয়েই চলে আসছি।