পুলিশ কিলারেন্স
চা পানের টাকা বলে ১৫০০ টাকা নেয় না দিলে ফাইল চাইটে পালাই রাখবে বলছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চা পানের টাকা বলে ১৫০০ টাকা নেয় না দিলে ফাইল চাইটে পালাই রাখবে বলছে
পাসপোর্ট বানানোর সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ ফোন দিয়ে টাকা চেয়েছিল। এলাকায় আসার কথা, সে কিন্তু সে থানার পাশে একটি চায়ের দোকানে আমাদেরকে মিট করতে বলে, এবং আমরা টাকা পরিশোধ করে পাসপোর্ট গ্রহণ করি। টাকা চেয়েছিলেন একজন পুলিশ সদস্য।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী Export-Oriented কোম্পানিগুলোর Electricity VAT মওকুফ করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু এটি প্রয়োগ করতে গেলে Customs Officer এবং BEPZA Officer ঘুষ দাবি করছেন। Customs Officer ৪৫,০০০ টাকা এবং BEPZA Officer ২০,০০০ টাকা দাবি করেছেন। Ishwardi EPZ
অনেক হয়রানির পর ২০০০ হাজার টাকা বেশি দেওয়াতে পাসপোর্ট করতে পারছি
Nitor hospital a trali free 200 tk ata akdom free but akhnay taka nay word boy ra.onk dalal ase
সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ সেবার জন্যে ঢাকা নির্বাচন সচিবালয় এর পাশে আইসিটি অফিসে গেলে তারা বিভিন্ন কথা বলে পরবর্তীতে যোগাযোগ করে যাওয়া হয় তার মাধ্যমে চা খাওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দিতে হবে এবং সরকার কম্পিউটার প্রশিক্ষনার্থীদের ভাতা হিসেবে যে টাকা প্রদান করবে তা থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুমোদনের পর মোট টাকা হতে কেটে নেওয়া হবে।
সরকারি চাকরির জন্য, স্হানীয় এক পাতি নেতায়, এসে বলতেছে, (উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ) বড় ভাইয়ের নামে একটি সিট আছে, অন্য জনকে দিয়ে দিছিল, ওরা টাকা দিতে পারবে না,তোমরা দেও,চাকরির সিট টা তোমাদেরকে দিয়ে দেই।চাকরির সিট নাকি ভাগাভাগি হয়ে গেছিল🤣 আমার বাবা বলেছিল, আমি হজ করে আসছি, আমার ও যাবে আর সন্তানকে ঘুষ দিয়ে চাকরি করালে,ওর সারাজীবনের কামাই বে-হালাল হয়ে যাবে।এটি বলে সাথে সাথে না করে দিই!
আমার নিজের আসলে জমি আমি আরেকজনের নিকট বন্ধক দিয়েছিলাম উক্ত জমি আমার টাকায় আবার ফেরত নিয়ে এসেছি কিন্তু তৃতীয় এক ব্যক্তি আমাকে বাধা প্রদান করাই আমি থানাই একটি অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আমার নিকট ২০ হাজার টাকা দাবি করে সে তদন্ত করতে গিয়ে । আমি এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে তাকে 6000 টাকায় ম্যানেজ করেছি। কিন্তু এখনো আমার ফসলের জমিতে ফসল করার অধিকার ফিরে পাই নাই। শুনেছি এই তদন্ত কর্মকর্তা আবার তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ।
খাজনা টাকা বাদ দিয়ে অতিরিক্ত৭০০০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার কথা বলে কাগজের সমস্যা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে অযাথা সমস্যা দেখিয়ে প্রতারণা করে।
কাস্টমস অডিট পাস করানোর জন্য ঘুষ দাবি করছে।
নামজারি আবেদন করেছিলাম, আমার কাগজপত্র সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা না দেওয়াতে শুনানিতে উপস্থিত থাকার পরেও অনুপস্থিত দেখিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। এই কাজের জন্য সরাসরি এসিল্যান্ডের সাথে কথা বলেও সম্পন্ন করতে পারিনি।
একটি নামজারিতে,নায়েব ৫০০০০ টাকা দাবি করে,তারপর দরকষাকষি করে ৪০০০০ টাকা দেয়া হয়।
আমি আদালতের রায় ডিক্রি দিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর খতিয়ান সিজনের আবেদন করি। ওই ভুমি অফিস আমার ফাইল দুইবছর আটক করে রাখে, পরে আমি তাদের চাহিত দালালের মাধ্যমে কিচু ঘুষ, বাকীগুলো সহ মোট ৫১ হাজার টাকা সরাসরি ভুমি অফিসের লোক জনদের দিলে আমার নামে খতিয়ান সিজন হয়।
গত ২৮/৮/২০২৬ তারিখে জজ কোটে আমার জমির বিচারের রায়ের সাটিফাই কপি তুলতে গেলে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১৯০০ টাকা দিতে বলে।কিন্তু যা কাজের সরকারি ফি ২০ টাকা
নায়েব আমার জমি মেপে দিয়ে সাথে সাথে আমার বাড়ি এসে আমার কাছে এক লক্ষ টাকা দাবি করে, আমি অনেক তর্কের পরে ২০ হাজার টাকা দেই সে এক লক্ষ টাকা নিতে চায় আমি এক লক্ষ টাকা না দেওয়ার কারনে, সে আমার জমির বিরুদ্ধে একটা মামলা দায়ের করেন, যে খাস করে দিবে জমি এই বলে এর বিরুদ্ধে এডিসি স্যার এর কাছে একটা আবেদন করেছি,
আমার বয়স ১৮ থেকে বেশি হওয়ার কারণে আমাকে ২০২৭ ব্যাচে পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিবে তবে তাদেরকে এই কারণে ২৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছে যা তারা দাবি করেছে না দিলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দিবে না 💔
নামজারি,২টি নামজারি ১৫০০ হাজার টাকা লাগবো বলে।আমি ১২০০০ দিছি
সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগের কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে।
বি এম ডিসি রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য , হাইকোর্টের রায় থাকা সত্বেও জনপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা করে দাবী করেছিলেন।
আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল.. আমি বিবাহিত উল্লেখ করে আবেদন করেছিলেন. তাই তাঁরা আমাদের বিবাহের কাবিন নামা চাইতেছিল কিন্তু সেটা আমি সাথে নিয়ে যাই না। দিনাজপুর শহর থেকে আবার বাড়িতে এসে এটা নিয়ে যাওয়া অনেক সময় এর ব্যাপার। কিন্তু আনসার সদস্যদের মাধ্যমে দুইটা পাসপোর্টে আমাদের কাছে ৩০০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। আমার কথা হচ্ছে যদি কাবিননামা ছাড়া কাজটা না হয় তাহলে টাকা দিয়ে কিভাবে হলো।পরে ৩০০০ টাকার বিনিময়ে তাঁরা আমাকে আর বাড়িতে আসতে দেয় নাই সেখানে কাজ করে দিয়েছে কাবিন নামা ছাড়া।