নামজারি
নামজারি খতিয়ান করার জন্য আবেদন করেছিলাম অফিসের প্রতিনিধি আমার থেকে ১০,০০০ টাকা দাবি করে। তা ছাড়া আমি নিজে দেখেছি একজন বৃদ্ধ লোকের কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা নিয়েছে যেখানে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি খতিয়ান করার জন্য আবেদন করেছিলাম অফিসের প্রতিনিধি আমার থেকে ১০,০০০ টাকা দাবি করে। তা ছাড়া আমি নিজে দেখেছি একজন বৃদ্ধ লোকের কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা নিয়েছে যেখানে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা।
বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাজমেন্ট এর সময় শিক্ষকদের ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটের কথা বলে প্রত্যেক শিক্ষার্থী থেকে ৭০০ টাকা করে নেয়। সর্বমোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৫০ জন এবং সবার থেকে এ টাকা নেওয়া হয়। ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটের জন্য এই টাকাগুলো সিভিল ডিপার্টমেন্ট ব্যতীত অন্য কোন ডিপার্টমেন্ট নেয় না।
আমি এবং আমার ভাই ইলিশ মাছ নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার জন্য চাঁদপুর লঞ্চঘাটে লঞ্চের অপেক্ষায় ছিলাম। এ সময় একজন ব্যক্তি আমাদের কাছে এসে মাছ নিয়ে যাওয়ার কারণে ৫০ টাকা ঘাট ফি দিতে হবে বলে জানান। তিনি অন্য একজন ব্যক্তিকে দেখিয়ে দেন এবং ওই ব্যক্তি একটি রসিদ দেখিয়ে আমাদের কাছে ৫০ টাকা দাবি করেন। আমি জানতে চাই, কীসের জন্য এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা না করে বলেন, টাকা না দিলে আমাদের মাছ নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। এ নিয়ে আমাদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি ও গ্যাঞ্জাম শুরু হয়। একপর্যায়ে কোনো ঝামেলা না করে বাধ্য হয়ে আমরা ৫০ টাকা পরিশোধ করে লঞ্চে উঠি। এই ৫০ টাকা নেওয়ার নিয়ম, নির্ধারিত ফি এবং টাকা নেওয়ার বৈধতা সম্পর্কে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ
সব কিছু ঠিক থাকার পরেও। আমার মায়ের নাম বাদ দিয়ে করা নামজারি বাতিল করছে না এসিল্যান্ট। ৫০০০ টাকা চেয়েছেন।
আমার বাবা ছিল একজন কনস্টেবল। আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে আমার আম্মুর নামে চান্দিনা উপজেলার হিসাব রক্ষক শাখায় পেনশন নামকরণ করা হয়। এজন্য ঘুষ বাবদ ৭০০০/- টাকা দেওয়া লাগছে।
আমার মা ২০২৪ সালে সরকারি কলেজ থেকে দীর্ঘ ২৬ বছর চাকরি করার পর retired করেছেন। ওনার পেনশনের টাকা আজ অব্দি আমরা সংগ্রহ করতে পারিনি। এর সাথে এডিশনাল যে বকেয়া টাকা ছিল টা আদায় করার প্রক্রিয়ায় এখন অব্দি অর্ধ লক্ষ এর মতন টাকা দিতে হয়েছে। কদিন আগেই ২৫০০০ টাকা দেওয়ার পর কল্যাণ ভাতা পেয়েছেন। টেনশন হচ্ছে যে পেনশনের জন্য কতোনা টাকা দাবি করে বসে।
আমার বিদেশ যাত্রার জন্য করোনা কার্ডে নাম ভুল ছিল, তাই সংশোধন করতে গিয়েছিলাম। বলেছিল আপনি যদি ফ্রি করাতে চান তাহলে অনেকদিন ঘুরতে হবে, আমার এমার্জেন্সি দরকার ছিল তাই আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে। টাকা খেয়ে পরে অবশ্যই কাজও করে দিছে।
আমার ক্লায়েন্ট x Company tax audit এর assessment notice a টোটাল ৫০ লাক্ষ + দাবি করা হয়। পরে ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ৫০ লক্ষ ৪৫০০০০ টাকায় সেটেল করা হয়
জায়গার নামজারির জন্য গিয়েছিলাম অল্প একটু সমস্যার জন্য শতক প্রতি আমার কাছে চাওয়া হয়েছে 5000 হাজার, জায়গার পরিমান ছিলো ৮৩ শতক। হিসেব করলে ৪ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা। অল্প একটু সমস্যার কারনে এই অবস্তা।
Baba pension er takar jonno. Ekojn nise 5000 ar ekjon 50000 tk. Total 55000 tk. Auditor 5000 DAO 50000 tk.
One week ago, I traveled from Gafargaon to Dhaka Airport Railway Station. I had a valid ticket but mistakenly boarded the wrong train. At the station, security stopped me. I explained my mistake and said I was a student. They demanded Tk 1,000. After bargaining, I paid Tk 500. I asked for a receipt, but they refused and threatened to file a case unless I paid.
নামজারী বাবদ ৫০০০/-টাকা দিয়েছি।
jomi j biri krbe tar id card e babar nam o porcar/khotian er babar nam mismass chilo . ei jonno megistrat sign koreni, amra request krechi but krnei! pre office sohayok ese bolle kaj kra jabe kintu 20000 tk lagbe.
আমার এক বন্ধু চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীনে উচ্চমাধ্যমিক (ইন্টার) এর সার্টিফিকেট সংশোধন করতে গিয়েছিল। চট্টগ্রাম বোর্ডের লোকজনই এই ঘুষ দাবি করে। প্রায় ১৫ দিনের ভেতর হয়ে গিয়েছিল কাজ। এফিডেভিড ইত্যাদি কোন কিছুর জন্য তার থেকে দৌড়াদৌড়ি করতে হয় নাই। যে জায়গায় হাজার হাজার স্টুডেন্ট আছে যারা সার্টিফিকেট সংশোধন এর জন্য বোর্ডের রেগুলার সিস্টেম অনুযায়ী আবেদন করে এবং সংশোধনের আশায় বসে আছে বছরের পর বছর। আর এদিকে ১৫ দিনের ভিতর সংশোধিত সার্টিফিকেট হাজির। এগুলো কি আদৌ বাংলাদেশে কোনদিন ঠিক হবে?? এগুলোর সাথে সরকারের দলের লোক আমলারা জড়িত। প্রতিটা সেক্টরে পদে পদে রয়েছে হাজার হাজার দালাল।
চট্টগ্রামে গ্যাসের সংকট বহুদিনের। কিন্তু সম্প্রতি কিছুদিনে গ্যাস সরবরাহ বরাবর উন্নতি হলেও গ্যাসের দাম আগের মত। আগ্রাবাদ টু ব্রিজ। 4 নাম্বার ওয়াচ উঠানামা গাড়ি ভাড়া দশ টাকা। দুই নাম্বার বাস ওঠানামা ১০ টাকা। টেম্পো ১০ টাকার জায়গায় ১৫ টাকা। ৫ টাকার জায়গায় দশ টাকা। এভাবে প্রত্যেকটা জায়গায় ডাবল গাড়ি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। আমাদের দেশের প্রশাসন এতই দুর্নীতিবাজ এদের সাথে বা সিন্ডিকেট দের সাথে গাড়ি মালিক সমিতি জড়িত। কিছুদিন আগে ডিজেল অকটেন কৃত্রিম তেল সংকট করে তেলের দাম বাড়ানোর পর সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। ক্রমে ক্রমে দেখা যাচ্ছে বিদ্যুৎ, তেলের দাম বাড়িয়ে এখন গ্যাসের কৃত্রিম সংকট করে দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। আগে আমার যেখানে মাসে গাড়ি ভাড়া ১২০০ যেত সেখানে প্রায় ৩০০০ খরচ হচ্ছে।
আমাদের ৮ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পলাশ পোল প্রগতি লেন এর ৩০০ ফুট রাস্তা তৈরি করা জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ঘুষ দেয়নি বলে ৫ বছর হতে যাচ্ছে এখনো কাজ শুরু হয়নি
ইউনিয়ন পরিষদ এ সরকারীভাবে পায়খানা নিতে হলে 5000 টাকা দিতে হচ্ছে। এই টাকার কোন রশিদ দেওয়া হয়না। পরিষদ এর অফিস সহকারী এই টাকা নিচ্ছেন, মেম্বার ও চেয়াম্যান এর যোগ সাজস্বে। এর থেকে কি পরিত্যাণ এর কোন উপায় নেই? সরকার কি টাকা নিয়ে গরিবদের পাকা পায়খানা দিচ্ছেন? নাকি ফ্রিতে ?
মূল মালিকের মৃত্যুর পরবর্তী তার ওয়ারীসদের নামে জমি বন্টন রেকর্ড করার জন্য গেলে সকল কাগজ পত্র দেয়ার পর ২ মাস ঘুরানোর পরে বলে ২০০০০ টাকা দিলে স্যারে ঠিক করে দিবে
প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই এমন একটি সাইট তৈরির জন্য। আমি আজকেই এই সাইটটি দেখলাম। যাই হোক আমার সাথে ঘটনাটি ঘটেছিলো আরও ৩-৪ মাস আগে, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থাকার ঘড়িসার কাচারি (ভূমি) অফিসে। সেখানে আমাদের বাড়ির বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কাচারির নায়েম আমাদের মিউটেশনের জন্য এক্সট্রা ৩ লক্ষ টাকা দাবি করেন। আমার চাচাতো ভাই একটু ভিতু প্রকৃতির তাই বিষয়টি নিয়ে ভেজাল না করে তার সাথে নেগোশিয়েট করে ২ লক্ষ টাকায় ডিল ফাইনাল করেন। অবাক হলেও সত্য মাত্র ১০-১৫ দিনের মধ্যে আমাদের সকল কাগজপত্র আপডেট হয়ে গেলো। আমরা সব বুঝে পেলাম। অথচ এখানে হয়তো সরকারি ফি ১০-১৫ হাজার টাকা। কিংবা তারও কম।
পল্লী বিদ্যুতের লাইন নেয়ার জন্য পুরো গ্রামের প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেয়া হয়েছিল ওই সময়টাতে। কিন্তু এমপি সাহেব যখন উদ্বোধন করতে আসেন তখন তিনি বলেছেন বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দিয়েছেন। ঘটনার সন-২০১৬