হাতের ফিঙ্গার
হাতে ফিঙ্গার এর যন্য টাকা নিয়ে থাকে অফিসার নিজে টাকা নেই না তারা মূলত আসে পাসে কম্পিউটার এর ফরম পূরণ করে এদের দোকানের সাথে যোগা যোগ আছে এবং গেটের সামনে কিছু দালাল ও আছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হাতে ফিঙ্গার এর যন্য টাকা নিয়ে থাকে অফিসার নিজে টাকা নেই না তারা মূলত আসে পাসে কম্পিউটার এর ফরম পূরণ করে এদের দোকানের সাথে যোগা যোগ আছে এবং গেটের সামনে কিছু দালাল ও আছে
চট্রগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে ঘুস ছাড়া পাসপোর্ট করানো হয়না। আমার আম্মুর পাসপোর্ট করানোর জন্য সব কিছু আমি অনলাইনের মাধ্যমে করেছি এমন কি টাকা পেমেন্ট ও আমি অনলাইনের মাধ্যমে করার পর ও সাধারন ভাবে আমার আম্মুর পাসপোর্ট করতে পারিনি। পাসপোর্ট অফিসে ফাইল জমা নেয়নি। পরবর্তীতে একই ফাইল কোন কারেকশন ছাড়াই ৩০০০টাকা বেশি দিয়ে একটি এজেন্সির মাধ্যমে গেলে তা জমা হয়।
স্যুয়ারেজ পাইপ ভাংগা নিয়ে সমাধান চাইলে নানা ভাবে তাদের দালাল পাঠায় ও খারাপ ব্যাবহার করা ও হুমকি প্রদান ,উনারা অফিসার তাই কম টাকায় কাজ করে না (দালালদের কথা ) ।
২০২২ এর একটি সার্কুলার দেখিয়ে আমাকে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য সচিব ওনার চাচা আর উনি দায়িত্ব নিয়ে বলেছিল তিন মাসের মধ্যে আমার জইনিং কনফার্ম করে দেবে। এক বছর পর সরকারীকরণ করে দেবে। আমার কাছ থেকে অগ্রিম 2 লক্ষ বারো হাজার টাকা নিয়েছিল। যার ব্যাংক রিসিট আমার কাছে আছে।
২০২৩ সালে আমার দারিদ্রতার আমার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বায় মাতৃত্বকালীন সুবিধা দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিল। ফরিদগঞ্জ থানা 15 নং রূপসা ইউনিয়ন এর ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জহির এখনো পর্যন্ত আমার সেই ভাতার কার্ড চালু হয় নাই। সব সময় আশা দিয়ে যায় করে দেবে।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকশনের দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার ১৫০০ টাকা ঘুষ প্রদান করা লাগে।সব কিছু ঠিক থাকার পর ও টাকা দেওয়া লাগছে।চা পানির খরচ নাকি এটা।
i paid for me and my wife police varificatio from 2004 t0 2006 , las week i paid only 1500 for my wife police varification but he demanded 10,000 taka.i paied gov fees by online payment. al abroad peoples are suffering by police verification processes by local police station .
ই-নামজারি করতে গিয়েছিলাম। বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দেখিয়ে ১৫,০০০/- টাকা দাবি করে। ১৫,০০০/- টাকা ছাড়া নামজারি হবে না মর্মে প্রত্যাখ্যাত হই। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে উক্ত অর্থ দিয়ে নামজারি করি
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের লিফ্টে উঠা নামার সময় টাকা চায়। আর যাদের টলি বা হুইলচেয়ার দিয়ে রোগী উঠা নামা করাতে হয় তাদের থেকে টাকা নেয়।
আমি আমার নতুন বিল্ডিং এর জন্য বিদ্যুৎ মিটার নিতে চট্টগ্রাম হালিশহর ওয়াবদা অফিসে যোগাযোগ করি। ওনি ১০ টা মিটারের জন্য আমার কাছে ২,৫০,০০০ টাকা দাবি করে। অনেক দরকষাকষির মাধ্যমে ১,৫৫,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। ওনার কাছ থেকে ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে নেওয়া যাবে না। ওনার নাম শুনার সাথে সাথে কেউ আর কথা বলতে চাই না। ওনি নাকি ঐ এড়িয়াতে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি।
elakar rasta unnoion er jonno kaliakoir upojela uno er kase jiii.oi khan thake upojela LGED office e jai.oii khane rasta pas koranor jonno gush chawa hoy.
ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং থেকে ট্রেড লাইসেন্সের নবায়ন খরচ জমা দেওয়ার পরে সেটা নেওয়ার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের এ যাওয়ার পরে সেটা তাৎক্ষণিক দেওয়ার জন্য ৫০০ টাকা চা-নাস্তার খরচ চেয়েছে ডাইরেক্টলি বলতে পারছিল না তাই অন্য লোক দিয়ে বলাতে চাচ্ছিল ইশারা ইঙ্গিতে এবং অন্য আরেকজনের মাধ্যমে পরে বলিয়েছে এই দিচ্ছি দিচ্ছি বলে চারটা বাজে এখন বলে অফিস থেকে পালিয়েছে
আমি 9টা খতিয়ানের খাজনা দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই। অফিসার আমার 9 খতিয়ানে মোট দাবি করে 529000 টাকা আমি দিতে অস্বীকার করি পরে সে আমার কাছে 120000 নেই বিনিময়ে সে আমাকে 11025 টাকার ভূমি উন্নয়ন কর প্রদার করে। সরকার চাইলে আমি যাবতীয় তথ্য দিতে বাধ্য
আসসালামু আলাইকুম আমি আমার জন্ম নিবন্ধন অনলাইন এ ইংরেজি করার জন্য আমাদের ইউনিয়ন এ কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর এর সাথে কথা বলি সে আমার প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রের কথা বলে এবং আমাকে বলে ৫০০টাকা লাগবে যার জন্য সে আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভ্যাট টেক্স এর কথা বলে,তারপর আমি তাকে অনলাইন ফি কত টাকা লাগে তা বললাম (যার পরিমান ৫০ টাকা) সে তখন বলে তো নিজেই করে নাও। তারপর তার সাথে রাগারাগি করে আমি চলে আসি আমি তাকে অতিরিক্ত ফি দিতে অস্বীকার করি এবং কাজ টা এভাবেই পরে আছে।
ঢাকা পোস্ট অফিস এ বিদেশে বা দেশে পণ্য পাঠাতে নিলে প্যাকেজিং বাবদ সরকারি ফি ৪০০ হলে নেয় ১০০০। আর কাউন্টারে ব্যক্তি ১২,২০০ বিল হলে রাউন্ড করে ১৩০০০ নেয়!
জমি নামজারি খতিয়ান করতে সরকারিভাবে ২ সপ্তাহ ঘুরে না পেলেও, ৮০০০ টাকা দেয়ার ফলে ১ সপ্তাহে কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যায়!!
বর্তমান উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মিঠামইন। সে নির্বাচন এর জন্য দলপতি-দলনেত্রী মাধ্যমে মানুষের কাছে থেকে বিউটির জন্য জাতীয় নির্বাচন এর সময় টাকা খেয়েছে। এবং নির্বাচন অফিস এর জন্য ৬ জন আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তাদের কাছে থেকেও টাকা খেয়ে যোগ্য লোকদের বাদ দিয়ে ছিল।
পিপি বলছে টাকা দিলে পক্খে কথা বলবো না হয় বিরধিদের জামহব করিয়ে দিবো মহরি সই করতে গিয়ে বলছে টাকা দিতে হবে
আপনি যদি একটি মামলার সার্টিফাই কপি তুলতে যান এডভোকেটের দালালেরা দ্রুত করে দেওয়ার নামে আপনার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চাইবে।
আমার বাবার জমি (বাবা মৃত)(৫শতক) আমাদের নামে নামজারি করার জন্য আবেদন করি যেখানে ফি মাত্র ১১০০ শত টাকা কিন্তু এটা নিয়ে আমাদের বছর খানেক ঘুরতে হয়েছে তিনবার আবেদন করতে হয়েছে এবং অনেক টাকা খরচ হয়েছে অবশেষে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে।