পিতার পেনশনের টাকা
খুবই হয়রানি করে সর্বশেষ ঘুষ দিয়ে মৃত পিতার পেনশনের টাকা তুলতে হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৫২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খুবই হয়রানি করে সর্বশেষ ঘুষ দিয়ে মৃত পিতার পেনশনের টাকা তুলতে হয়েছে
"আপনারা তো ডাক্তার মানুষ, এই টাকা কয়েকদিনেই কামাই করে নিবেন" এই বলে আমার কাছে ১৭০০০ টাকা দাবি করেছে। রাগে আবেদনই করিনি। (only motorcycle license) (med student speaking)
আমার বাবার জমি কিনেছিল। কিন্তু সাথে সাথে নাম জারি করেনি। পরে গিয়ে দেখা যায়, পূর্বের মালিক ধোকাবাজি করে তার নামে নামজারি করে রেখেছে। আমরা তা আমাদের নামে করতে চাইলে তারা পূর্বের মালিকের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে আমাদেরকে তা করে দিতে অস্বিকার করে।
লক্ষ্মীপুর সদরে জোকসিন ভূমি অফিস এই টাকা দাবি করা হয় অথচ সরকারি নোটিশ অনুযায়ী ১১৬০ টাকা লাগে নাম জারি করতে ওই জায়গায় তারা এক দাম ৮ হাজার টাকার নিচে করবেন না বলে জানিয়েছে । এবং কি ভূমি অফিসে যেকোনো কিছু বিনিময়ে টাকা ছাড়া কোন কিছুই হয় না । তারা এমনভাবে টাকা চায় মন হয় এটাই আইন এটাই তাদের রুলস ।
২০২৩ সালে থানায় স্ত্রী কর্তৃক মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়। পরবর্তীতে স্ত্রী তা মিথ্যা স্বীকার করে উঠিয়ে নেয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এস.আই বললো ২০০০ টাকা খরচ আছে। কিসের খরচ জানতে চাইলে তিনি রেগে যান। বলেন কিসের খরচ বুঝেননা? থানায় আসলে দিতে হয়। আমি দিতে অস্বীকার করলে তিনি আমার অফিসে এসে বসে থাকতেন। সম্মান বাঁচাতে এবং নিরুপায় হয়ে তা পরিশোধ করেছিলাম।
নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে গিয়ে আমি হেনস্তার স্বীকার হয়েছি। আমি মূলত চাকুরীজীবী। ছুটি নিয়ে আসা খুব কষ্টের। কিন্তু দালালের সাথে কন্ট্র্যাক্ট না করার কারণে অফিসার স্যারেরা আমার ফাইল সাইন ই করেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি তোলার জন্য চাকুরির রিস্ক নিয়ে আমি কয়েকদিন গিয়েছি। একদিন গিয়ে দেখি আমার ফাইল টেবিলের নিচে পরে আছে। আমি অফিসারের সামনে আমার ফাইল ছিড়ে ফেলেছিলেম।
ঘটনাটি যদিও ইন্টারিম গভমেন্টের সময় ঘটেছে। আমি একজন প্রবাসী এবং আমার লোকাল থানা থেকে পাসপোর্ট ক্লারিফিকেশনের জন্য আমাকে ফোন দেয়া হয়, আমি অফিসারকে বিস্তারিত ইনফরমেশন দেই এবং আমাদের লোকাল জনপ্রতিনিধিকে উনার সাথে দেখা করিয়ে দেই তারপরও সেই করাপ্টেড অফিসার আমার বাড়িতে এসে নাস্তা পানি করে ৫০০০ টাকা নিয়ে যান। আর টাকা না দিলে উনি বাড়ি থেকে যেতে সম্মত হন নাই। অতএব, একপ্রকার জিম্মি হয়ে উনাকে টাকা দিতে বাধ্য হই।
ভালো train ticket কেটে normal train এ উঠিয়ে দিয়েছে, জয়দেবপুর থেকে ঢাকা এবং তারা সবসময় বসে থাকে, যখন ট্রেন কাছাকাছি আসে তরিগরি করে টিকিট কাটে
আড়াইহাজারের দুপ্তারা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব থেকে শুরু করে প্রত্যাকটা লোক দূর্নীতিবাজ । ঠিকমত কাজ করেনা, যে কাজের জন্য কোন টাকা লাগেনা সে কাজের জন্য সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা দাবি করে, নয়তো ওই কাজ ই করে না । প্রতিটি নামজারি ফাইলের জন্য সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা নেয়, আমি ও দিয়েছি বাধ্য হয়ে ।
জালকুড়ি, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জের কতিপয় ভূমিদস্যুরা আমাদের জমি জোরপূর্বক ধখল নেয়ার পায়তারা করছে এবং ভূমি অফিসে ভিত্তিহীন ভাটোয়ারির মামলা দেয় । ভূমি অফীসের সার্ভেয়র উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে জমি পরিদর্শন করে । অতঃপর তার সাথে অফিসে যোগাযোগ করতে গেলে সে ক্যালকুলেটরে ১০০০০০ সংখ্যা চেপে আমার ভাইকে বলে লাগবে । এখানে উল্লেখ যে, আমাদের জমির সকল কাগজপত্র আমাদের অনুকূলে, খাজনা হালনাগাদ পরিশোধিত । কিন্তু আমার ভাই উক্ত পরিমান টাকা ঘুষ দেয় নাই বলে মামলার রিপোর্টে উল্লেখ করে যে, উক্ত জমির ধখলদার হচ্ছে তারা (ভূমি দস্যুরা) ।
আমি মাদরাসার একটা রুম করতেছিলাম ২০২৫ সালে অক্টোবর মাসে। ২ হাত পাহাড়ের কোণা কেটে রুমটা সোজা করলাম। একদিন কাজ চলা অবস্থায় ইউএনও ও কিছু আনসার সদস্য আসে এবং আমার কাজটা বন্ধ করে দেয়। পরে পিএস এর মাধ্যমে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয় অন্যথায় পাহাড় কাটার দায়ে মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। আমি কাজটা বন্ধ রাখি এখনো।
ডিজিটাল সাইটের ভুল দাগ নম্বর সংশোধন।
সব ধরনের কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ঠিকঠাক থাকার পরও প্রায় দুই–তিন ঘণ্টা ধরে নানা ধরনের হয়রানি করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত একজন পিয়নকে ১,০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পরেই কাজ শুরু করা হয়েছে। অর্থাৎ, কাগজপত্রে কোনো সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও অযথা হয়রানি করে ঘুষ নেওয়ার পর কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
আমি আমার নিজের ও আমার ভাইয়ের জন্য জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে যাই।অনলাইনে আবেদন করে যাবতীয় কাজপত্রসহ জমা দিয়ে আসি।এরপর তারা বলে আপনার ফোনে মেসেজ আসলে আপনি এসে সংশোধিত জন্ম নিবন্ধন নিয়ে যাবেন। মেসেজ আসার পর আমি জন্ম নিবন্ধন আনতে যাই।ওয়েবসাইট লেখা ছিল সংশোধনীর জন্য ৫০ টাকা সরকারি ফি দুইটার জন্য আমার হয় ১০০ টাকা। আমি ১০০টাকা জমা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন দুটো চাইলে তারা দিতে চায় না। তারা প্রতিটার জন্য ৩০০টাকা করে মোট ৬০০ টাকা দাবি করে।আমি তাও দিতে চাই না। এরপর আমি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্যারের সাথে দেখা করে বলি উনি বলে না আপনাকে দিতে হবে এটা আমাদের জেলায় আসা যাওয়ার খরচ এরপর আমাদের কিছু আলাদা খরচ আছে। বাধ্য হয়ে আমাকে ৫০০ টাকা বেশি দিতে হয়।
আমি একজন চাকরিজীবী। সুতরাং আমার অফিস থেকেই আমার প্রাপ্য কর কেটে নেওয়া হয় এবং নিয়মিতভাবে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। আমিও নিয়মিত আয়কর রিটার্ন জমা দিই আমার রিটার্নে একটি নগদ ঋণের বিষয় উল্লেখ ছিল। পরবর্তীতে আমি সেটিও পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেছি—কার কাছ থেকে ঋণ নিয়েছি এবং কী কারণে নিয়েছি। এরপরও তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে। বারবার অনেক ধরনের স্টেটমেন্ট, ডকুমেন্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র চাওয়া হয়। আমি তাদের চাওয়া সবকিছুই জমা দিয়েছি। তারপরও তারা আরও অনেক অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইতে থাকে, যেগুলোর আদৌ কোনো প্রয়োজন ছিল বলে আমার মনে হয়নি। পরবর্তীতে আমি বুঝতে পারি, তারা কেন এভাবে বিষয়টি দীর্ঘায়িত ও জটিল করে তুলছিল। শেষ পর্যন্ত ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার পর তারা আমার ফাইল ছেড়ে দেয়
আমার নানুর পাসপোর্ট রিনিও করার জন্য নিজেই আবেদন করি। আমার মামাকে দিয়ে পাঠাই। সব ঠিকঠাক ছিলো। নাম ঠিকানা সব আগের পাসপোর্ট অনুযায়ীই ছিলো। তারপরো কাজ করার জন্য ২৫০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। অবশেষে ১৫০০ তে কাজটা করাতে বাধ্য হই আমরা।
সরকার নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি দাবি করে আসছে।যেখানে সরকারি ফি ৫০ টাকা সেখানে ১৫০/২০০ টাকা করে নিচ্ছে।নাগরিক সনদ ফি যার কাছ থেকে যত পারছে ইচ্ছে মত নিচ্ছে। সাধারণ মানুষ নিরোপায় হয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। অভিযোগ জানালে উল্টো হয়রানির শিকার হতে হয়।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লাইসেন্স নবায়নের আবেদন এর জন্য ১২০০০ টাকা ঘুষ চায়। পল্টন আফিস এ।
বেতন উত্তোলনের জন্য আইবাস একাউন্ট খুলতে গেলে অর্থ দাবী করা হয়। অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় দীর্ঘদিন ঝুলে থাকে। উপায়ান্তর না দেখে পরবর্তীতে ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হই
Amr passport korar jonno kagoj joma dei but kono response kore na. Then ami akta dalal ar maddhome apply okrte hoy 3000 taka diye, sathe sathe amr kagoj tara accept kore