ইলেকটিক্যাল লাইসেন্সেইং বোর্ড
আমি সাবস্টেশন ব্যাবসা করি . পতিটা সাবস্টেশন লাইন্সেস করতে হলে ঘুস দিতে হয় ,
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি সাবস্টেশন ব্যাবসা করি . পতিটা সাবস্টেশন লাইন্সেস করতে হলে ঘুস দিতে হয় ,
পাসপোর্ট অফিসে গেছিলাম,কাগজপত্র সবই ঠিক ছিলো, কোন সমস্যা নাই। ছিলো না শুধু 'চ্যানেল' নামের ঘুষবানিজ্য । তাই আর পাসপোর্ট হয়নি।
আমার মায়ের পাসপোর্ট করছি ওমরা হজ করার জন্য সেখানে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে পাসপোর্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে আমি পরিচয় দিছি আমি আর্মির লোক আমার বেলায় ঘুষ নেন কিন্তু আমার মায়ের পাসপোর্ট এর ব্যাপারে ঘুষ নিয়েন না তারপরও সে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে সো আই এম ভেরি স্যাড
মৃত্যুর সনদপত্র একবার তুলতে খরচ হয় ৩৫০ টাকা/ কোন কারণবশত হারিয়ে গেলে /আবার তুলতে গেলে ৫ টাকার পরিবর্তে আবার ৩৫০ টাকা দিতে হয় /সবচাইতে ইউনিয়ন পরিষদে ঘুস হয় লেনদেন বেশি
সেবাটি ছিলো জমি সংক্রান্ত, দলিলসহ জমির সকল ডকুমেন্টস থাকার পরেও এসিল্যান্ড অনুমোদন দিচ্ছেন না.. যোগাযোগ করা হলে তিনি বিভিন্ন তালবাহানা করেন এবং উনার অফিসের সহকারীরা স্যারের খরচ হিসাবে টাকা দাবি করতেছেন!
দেশের সবচেয়ে বড় চাঁদাবাজ একাউন্টস অফিসাররা। সরকারি বিলও পার্সেন্টেজ ছাড়া বিল ছাড়ে না। ৫-১৫% পর্যন্ত তাদের দিতে হয়।
জমির পরিমাণ ২১ শতাংশ। ২০২২ সালে প্রথম ধাপে জরিপের কাজ করে জমি রেকর্ড করে খতিয়ান স্বাক্ষর করতে ২০০০০.০০ টাকা নিয়েছিল। ২য় ধাপে বর্তমানে আবার কাজ চলমান আছে। ঐ খতিয়ানের অরিজিনাল কপিতে ২য় বার স্বাক্ষর করাতে হয় এটাই নিয়ম। ২য় বার সহকারী স্যাটেলমেন্ট অফিসার দিয়ে স্বাক্ষর করতে ২০০০০.০০(বিশ হাজার) টাকা দিয়েছি। টাকা না দিলে কাগজ ঠিক নাই বলে তালবাহানা করে। ### প্রতি বুধবার এবং বৃহস্পতিবার সহকারী স্যাটেলমেন্ট অফিসার ঢাকা/সাভার থেকে আসেন। অফিসে গোপনে অবজারভেশন করলে সহজেই ধরা যাবে।
ধরুন আদালতে কেস ফাইল করতে যাবেন। কোন মামলার ডেট জানতে জানতে যাবেন। রেস্টুরেন্ট সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানতে যাবেন। এরকম বিবিধ যেকোন আদালত সংক্রান্ত কোন কাজ করতে হলেই প্রতি কথায় টাকা দিতে হবে। *****এরকম একটি প্রচন্ড দুর্নীতিবাজ সেক্টরের নাম আপনাদের লিস্টে উল্লেখ করা নেই এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয়।
আমি একটা ডাঃ দেখাতে গিয়েছিলাম সরকারি হাসপাতালে,,আমকে অনেক সময় দারা করিয়ে রাখছে,, 100 টাকা দিলে আগে সিরিয়াল দিবো,, নাইলে সিরিয়াল পাইতে দুপুর হয়ে যাবে,, আমার বউ অন্তঃসত্ত্বা তাই আমি 100 টাকা ঘুষ দিয়ে আগে ঢুকেছি,, তারপর ডাঃ আমাকে না দেখে বলে,, আপনি এখানে ভালো চিকিৎসা হবে না আপনি আমার চেম্বারে আসেন তাইলে আমি আপনারে ভালো চিকিৎসা দিবো,,
বিদেশে যাওয়ার জন্য ট্রেনিং করেছিলাম কিন্তু ঐখানে নমীনি এদ দেই নি পরে দিতে গেলাম একদম ফাস্ট ফ্লোরে প্রথমে যে ডেস্ক আছে সেখানে মহিলা অপারেটর ছিলো সে ১০০ টাকা চায় আর তা না দিলে নাকী হবে না
নিজে আবেদন করলে ভূল হবে,রিপোর্ট সঠিক নাও পেতে পারি।অনেক ঘোরাঘুরি করতে হবে ইত্যাদি ।তাদের দিয়ে 7000 টাকা দিয়ে করলে সব সহজে হবে।
জমি রেজিষ্ট্রেশন করার সময় সরকারি বাজার মূলের চেয়ে অতিরিক্ত মূল লেখলে ২% ঘুষ দিতে হবে। তা না হলে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে পরব না। তাই সমতায় আইসা ১% ঘুষ দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রী করলাম।
যে জম্মনিবন্ধের সরকারি ফি -১৫০ টাকা, সেখানে এখন নে ৪০০-৫০০ টাকা সে সাথে সকিদার, দপাদার, ফাইল আনা-নেওয়া বাবদ অল্প কিছু হাদিয়া বলে যায় আরো ২০০-৩০০ টাকা এই মিলে খরচ ১০০০ টাকা কি করে জনগণ বাচবে
২০০০০ টাকা খাজনা চায়, পরে দর কষা কশি করে ৭০০০ নেয়। পরে দেখা গেলো খাজনার রশিদ দেয় ২০০০ টাকার
টাকার পরিমাণ ঠিক মনে নেই। ৮-৯ বছর আগের ঘটনা। টাকা আরো বেশি হতে পারে। পাবলিকে ভর্তি হওয়ার জন্য রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজে ভর্তি বাতিল করে মূল সনদ উত্তোলন করার সময় অফিসের চাকমা ভদ্রলোক আমার কাছ থেকে ঘুষ নেয়। পরবর্তীতে গণিত বিভাগের এক শিক্ষকের কাছ থেকে শিক্ষক কোয়ার্টারে গিয়ে একটা কাগজে (দরখাস্তে হয়তো) সাইন নিতে গিয়ে বিষয়টি জানালে তিনি হেসে রসিকতা করেন।
Privat Bat end all service pawya jabe. Atar just VIP jonno. Sorkafi hospital thik ache but sob kico available pete hole 300tk lagbe.
Oi khane kno dalal chara driving license kora jai na.. J nije nije application korbe se 100% fell jabe. R dalal diye korle fell geleo se 100% pass korbe. Government fee total 5500 TK . R dalal nei 11000 Taka.
নামজারি প্রস্তাব দিতে গেলে টাকা ছাড়া কোন প্রস্তাব দিচ্ছে না
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে গেছিলাম, কাগজপত্র সবই ঠিক, কিন্তু ঠিক ছিলো না 'চ্যানেল' নামের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তির তদারকি । তাই পাসপোর্ট এখনো হয়নি। তবে হয়ে যেতো যদি ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে পারতাম।
সিলোট কাস্টমস অফিসে আমি সরকারি নিয়ম মেনে টাকা দিয়ে আমার পণ্য আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অফিসে গিয়ে বুঝলাম, বাড়তি টাকা ছাড়া আমার পণ্য আনা সম্ভব নয়, এডি সাহেবের রুমে গেলে সরাসরি ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন, পরে অনেক কষ্টে বুঝিয়ে ২০ হাজার টাকা দেওয়া লাগছিল। প্রথমদিকে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে একাধিকবার অফিসে যেতে হয়েছে। আমি সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অফিসে গিয়ে বুঝলাম, শুধু নিয়ম জানলেই হবে না, বাড়তি টাকাও দিতে হবে। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে একাধিকবার অফিসে যেতে হয়েছে। প্রতিবারই নতুন কোনো কথা বলা হয়েছে। এডিকে ঘুষ না দিলে সঠিকভাবে কোনো কাজই হয়না।