মিস কেস ফাইল আটকে রাখার অভিযোগ।
মিস কেস ফাইল অনুমোদনের জন্য কিছু খরচ হয়, এমনটা বলেছিলেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিস কেস ফাইল অনুমোদনের জন্য কিছু খরচ হয়, এমনটা বলেছিলেন।
ঘটনাটি ২০০০ সালের জানুয়ারি মাসের দিকে, আমার নিয়োগ হয়েছিল ১৯৯৯ সালের মে মাসে। আমরা ৫ জন নিয়োগ পাই। জানুয়ারি মাসের দিকে বলা হল আপনাদের এমপিও ভুক্ত করতে হলে প্রত্যেকের ২০০০০( বিশ হাজার) করে টাকা দিতে হবে, এ টাকা জেলা শিক্ষা অফিস, শিক্ষাভবনের বিভিন্ন দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দিতে হবে।স অনুযায়ী আমরা সবাই টাকা পরিশোধ করি। আমি পাচশত টাকা কম দিই। পরে আমি এমপিওভুক্ত হই ২০০০ সালের অক্টোবর মাসে।
নিজে পাসপোর্ট করতে গেলে অযাচিত ভুল ধরে। দালালের মাধ্যমে ঘুষ দিয়ে আসতে হয়েছিল।
নামজারির আবেদন ৫ বার করেছি, কোন সমস্যা না থাকার পরও। পঞ্চম বার এ টাকা দিয়েছি কাজ হয়েগেছে।
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন। মাদার চুদকে 500 টাকা কম দিতে চাইছি কুত্তার মতো করে উঠছে
জমির খতিয়ান তোলার কথা বলে চার হাজার টাকা ঘুষ নে বলেছে একটা করে খতিয়ান তুলতে ৫০০ টাকা করে খরচ লাগে এভাবে মোট দশটা খতিয়ান তোলে কিন্তু আমার কাজের কিছুই হয়নি হুদাহুদি আমার ৪০০০ টাকা জলে গেছে
নতুন আইবাস হিসাব খুলতে গিয়ে বিভিন্নভাবে ১৭ বার তাদের অফিসে যেতে হয়েছে। যখন ২০০০ টাকা পেইড করলাম, তখন কাজ হয়েছে। ঘুষ দিতে চাইনি বলে বিভিন্ন কারণে ঘুরানো হলো আমাকে। এখন জিপিএফ হিসাব খুলতে যাওয়ার আর ধৈর্য হচ্ছে না। তারা আবার ঘুরাবে টাকা দিলে।। উল্লেখ্য আমি একজন বিসিএস কর্মকর্তা, তবুও।।
আমার ট্রাকের সকল কাগজ সঠিক থাকার পরেও গাড়ি আটকিয়ে দেয়।এরপর বিভিন্নি কারন দেখায় ও তালবাহানা করে। একবার বলে সকালে আসেন,একবার বলে রাতে আসেন এভাবে ২ দিন ঘুরায়।১০০০০টাকা দিলাম সাথে সাথে দিয়ে দিলো
তারা আমাকে ভূমি অফিসে ডাকে আমি তাদের সাথে সাক্ষাৎ করি ।এরপরে আমাকে বলে আপনার ডকুমেন্টের সমস্যা আছে আছে দাগ নাম্বার সমস্যা আছে আমাকে অনেক ইনিভি বিনিয়ে বিভিন্ন সমস্যার কথা বলল এরপর আমাকে বল আচ্ছা ঠিক আছে আমরা কাজটা করে দিমু উনি আমাকে একটা কাগজের ভিতর ১৩ লিখে দেয় আমি জিজ্ঞেস করলাম ১৩ কি হাজার উনি বলল হা এরপর আমার ডকুমেন্ট নিয়ে আমি প্রত্যাখান করি তাদেরকে অফিস থেকে চলে আসি এখন আমি কি করবো ??????????????????????????????
“বিষয়: জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ।বিবরণ: গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমিলিয়া ইউনিয়নে জন্ম নিবন্ধন করতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ফি মাত্র ২৫ থেকে ৫০ টাকা হলেও [১] [২], দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে যার কাছ থেকে যত পারছে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ক্ষেত্রবিশেষে ৩০০ টাকা, ৫০০ টাকা, এমনকি ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অবৈধভাবে দাবি করা হচ্ছে এবং আদায় করা হচ্ছে। এই অনিয়ম বন্ধে এবং সাধারণ মানুষের হয়রানি রোধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমিও টাকা দিছি জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ২০০ টাকা”
রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসে ১০০ জনে ৯৯ জনকে ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট করে নিতে হচ্ছে, কোনো ভুল গেলেও ধরে তাকে হেনস্থা করে এই টাকাটা নেয়া হচ্ছে, এর পেছনে আছে আনসার লোক,উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা
KJ Korte gele taka dite hbe
আমি একজন ওয়াসার ইন্সপেক্টর এর সাথে নতুন কানেকশন নেওয়ার ব্যাপারে কথা বলেছিলাম তখন উনি আমাকে জানান উনি অফিশিয়ালি খরচের জন্য ৩০০০০ টাকা নিবেন অনুমোদন করিয়ে দেওয়ার জন্য আর ব্যাংকে যে টাকা জমা দিতে হবে সেটা আমাকে জমা দিতে হবে
আমি চকরিয়া থানায় অভিযোগ দিতে গেলে সেখানে দায়িত্বরত ডিউটি অফিসার চা নাস্তা খাওয়া জন্য টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে আমি টাকা দিতে না চাইলে বলছে লাঞ্চ করে এসে জমা নিবে অভিযোগ। তখন আমি ২০০ টাকা দিতে চাইলাম তিনি নিলেন না বলছে নিবে না। পরে অনেক কথা বলার পর ৫০০ দিলে সে নিয়ে নিল।
UNDP প্রজেক্টের নাম করে সমস্ত খাজনা পরিশোধ বন্ধ রাখা হয়েছে কিন্তু তহশিল অফিসে গিয়ে ৫০০/১০০০ টাকা দিলে খাজনা পরিশোধ করা যায়। তাই যাদের জরুরি দরকার তারা বাধ্য হয়ে এই বাড়তি টাকা দিচ্ছে
ভেন্ডারের মাধ্যমে দাবি করে টাকা না দিলে জমি রেজিষ্ট্রেশন হবে না।
আমার নিকাহনামা এপোস্টাইল করার জন্য আমাকে ১.৫ মাসের বেশী ঘুরতে হয়েছে। টাকা ছাড়া ওরা নাকি কাজ করে না। আমার কাছে কাজি অফিসের কাজির কথার রেকর্ড আছে। পরে ওরা ভয়ে আমার কাজ টাকা ছাড়াই করে দিছে।
পুলিশ কাহিনী। টাকা নিয়ে পুলিশ আসামিকে ছেড়ে দেই।পুলিশ নিয়ে আসামিকে খুঁজতে গিয়ে একটু পর পর থামা আর খাওয়া দাওয়া পান বিরি সিগারেট স্পিড ভাত গরুর গোস্ত এই সব।খোঁজার জন্য আবার আলাদা টাকা।
বরিশাল সেনা নিবাসের অধিগ্রহণের টাকা উত্তলনের জন্য সার্ভেয়ার কে দিতে হয়েছে।
শেরপুর বিআরটিএ আমি যখন লাইসেন্স করতে যায় ২০২৪ সালে ৩৫০০ টাকা আমার কাছে নিয়েছিল পাশ করিয়ে দিবে বলে এবং রাতে যখন এসএমএস আসে আমি পাশ করেছি তখন বিআরটিএ এর একজন নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারী আমাকে ফোন দিয়ে বলে আমি কাকে টাকা দিয়েছে। যে দালাল আমার কাছে টাকা নিয়েছিল ওই দালালের বাড়ি ঝিনাইগাতী উপজেলায়