বি ডি এস জরিপ
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৫২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
জমির নাম জারি করতে গিয়ে ১২ শতাংশ জমির নামজমি সরকারি পরিমাণ খুবই সামান্য কিন্তু সেখানে আমাকে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে নাম জারি করা হয়েছে এখানে অহরহর এটা চলতেছে আমি টাকা দিয়েছি না দিলে হয়তো আমার এটা আরো দুই মাস তিন মাস সময় লাগতো করতে কিন্তু টাকা দেওয়ার কারনে এটা দ্রুত হয়ে গিয়েছে।
আমার বাবা মারা যাবার ২ বছর পর ছোট বোনের বিয়ে দেবার জন্য আমার বাবার নামে ১২ শতক জমি বিক্রি করার প্রয়োজন হয় । জমি বিক্রির জন্য জমির সর্বশেষ ভুমি উন্নয়ন কর (খাজনা) প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট ভুমি অফিসে যায় । তখন তহসিলদার আমার থেকে ভুলবাল বুজিয়ে ১৪০০ টাকার খাজনা ৭০০০ টাকা নিয়ে নেই ।
রাস্তায় আমি গাড়ি আটকে কাগজ চেক করে। আমার ফিটনেস এর মেয়াদ তার আগের দিন শেষ ছিল। সেদিন শুক্রবার ছিল, বৃহস্পতিবার শেষ ছিল ডেট, রিনিউ করা হয়েছিল কিন্তু গাড়িতে তা সাথে ছিল না। আমাকে জরিমানা না করে ৩০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে আমাকে ছেড়ে দেয়। নগদ দিয়ে চলে যান বলে উনি। ঘটনা ঘটেছিল গোলাপ শাহ মাজার এ।
সেবাটি ছিল ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার জন্য , যেখানে অল্প পরিমান ইনক্রিমেন্ট এর জন্য এত টাকা দাবি করা হয়েছিল, অনেক অনুরোধ করার পরও তিনি রাজি হয়নি। পরবতীতে সেই পরিমান টাকা দিয়ে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করতে হয়েছিল।
নামজারির জন্য আমি অনলাইনে অন্তত তিন-চার বার আবেদন করেছি। কিন্তু পূর্বের জমির মালিকের নামের ভুল দেখিয়ে প্রতিবারই আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এ বিষয়ে নাম সংশোধনের কাগজপত্র, ইউনিয়ন মেম্বার ও চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি দাখিল ও প্রদর্শন করা হয়েছে। পরবর্তীতে উপজেলা ভূমি অফিসে গেলে আমাকে প্রায় ১০০ বছর আগের জমির সম্পূর্ণ ইতিহাস ও কাগজপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়, যা বাস্তবে অত্যন্ত কঠিন ও প্রায় অসম্ভব। পূর্বের নামের ভুলটি ইচ্ছাকৃত নয় এবং এসব রেকর্ড তৎকালীন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমেই তৈরি হয়েছে। অথচ সংশোধিত কাগজপত্র দেখানোর পরও তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ভূমি অফিসে একাধিকবার গিয়ে আমার অভিজ্ঞতায় মনে হয়েছে, সরকারি সেবা পেতে অনৈতিক অর্থ লেনদেনের একটি প্রবণতা রয়ে
শ্রান্তি ভাতার টাকা পেতে ১৯৭জন শিক্ষকের কাছে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে চাওয়া হয়।বেশির ভাগ টাকা প্রদান করে।
আমার প্রয়াত বাবা ছিলেন প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। উনার ল্যামগ্রান্ডের টাকার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করেছিলাম।অফিসের উচ্চমান সহকারী আমার কাছে অগ্রীম ৫০০০ টাকা দাবী করছে। পরে আমি অগ্রীম টাকা না দেওয়ায় কাজটি আজো আটকে আছে।
জন্ম নিবন্ধনের কপি নিতে গেলে আমাকে বলা হয় ১ হাজার টাকা দিতে হবে। নয় তো নিবন্ধন কপি সিটি কর্পোরেশন থেকে সংগ্রহ করতে বলা হয়। সরকারী চার্জ নেয়ার পরিবর্তে ১০০০ টাকা নেয়া হয়েছে। টাকা না দিতে চাইলে আমাকে রোহিঙ্গা বলে অভিযুক্ত করা হয় ।
চট্টগ্রাম ট্রেজারি অফিসে প্রত্যেক টেবিলে ফাইল গেলে ন্যূনতম ১০০ টাকা হলেও দিতে হবে। যে ফাইল পাশ করাবে সে কন্টাক্টের মাধ্যমে কাজ করায়। সবাই জানে। তবুও কিছু করার নাই। না দিলে ফাইল প্রসেস হয় না
ভাইবার সময় নম্বর দেয়ার সময়,,, বোর্ডের লোকেরা,আগে থেকেই ঠিক করে রাখে। চা পানি খাওয়ার জন্য খুশি হয়ে বখশিশ দিলে নম্বর বেশি দিবে,উপরের স্যারের সাথে কথা বলে ভালো নম্বর পাইয়ে দিবে।
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডে চিকিৎসার অনুদান আবেদন জমা নিতে।
অনেক বছর গ্রামের হাসপাতালে কনসালটেন্ট হিসেবে আছি।।সহকারী অধ্যাপক পদোন্নতি হইছে গত বছর অক্টোবরে।। যার অবস্থান ই মেডিকেল এ।।কিন্তু এখন পোস্টিং দিচ্ছেনা।।যারা গিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ৬ বা ৮ বা ১০ লাখ ঘুষ দিলে হচ্ছে।। না হলে না।।অন্য ডা রেরা ঘুষ দিয়ে নিচ্ছে সমানে পোস্টিং।। আমার টাকাও নাই ঘুষ দেয়ার ইচ্ছাও নাই।।ফেসবুকে একদিন এ সংক্রান্ত লেখার কারণে আইডি হ্যাক হয়েছিলো।।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সবচেয়ে দুনীতিগ্রস্ত।।
পাসপোর্ট রিনিউ এর সময় আমি আমার পিতা-মাতা'র নাম সংশোধন এর আবেদন করি। সাথে সকল সাপোর্টিং কাগজ প্রদান করি। কিন্তু, ১ম দিন আবেদন গ্রহণ করা হয় না বিভিন্ন অজুহাতে। ২য় দিন-ও আবেদন প্রত্যাখান করা হয়। পরে, একজনের পরামর্শে ফটোকপি দোকানে আমার ফাইল জমা দেই এবং পরের সপ্তাহে পাসপোর্ট রিসিভ করি। ফটোকপি দোকানদার ২৫০০/- নিয়েছিলো এই কাজের জন্য।
ওয়াসার পানির মিটার পুরোনো হয়ে যাওয়ায় পরিবর্তন করার প্রয়োজন ছিলো। সাইট ম্যানেজার ১২০০০ টাকা দাবি করেন যা প্রায় ৫৪০০ টাকা বেশি, অফিসিয়ালি যা ৬৬০০ টাকা । ওয়াসার অফিসে সিনিয়র অফিসারদের সাথে যোগাযোগ করেও লাভ হয় নাই৷ বরং সিনিয়র অফিসার, সাইট ম্যানেজার এর সাথে কথা বলেই মিটার পরিবর্তন করতে বলেন, তবে উনি সাইট ম্যানেজারকে বলে ১০০০০ টাকায় মিটার পরিবর্তন করে দিতে বলেন৷ বাধ্য হয়ে শেষে ১০০০০ টাকা দিয়ে, ৩৪০০ টাকা বেশি দিয়ে পানির মিটার পরিবর্তন করতে বাধ্য হই৷
২০২৪সাল।পাসপোর্টের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ধাপের নরমাল ডিউরেশন অপেক্ষা করার পর পুলিশ কল না পেয়ে থানায় গেলাম।অসি সার বললেন এখনো আপনার নামে ক্লিয়ারেন্স অর্ডার আসেনি।ডকুমেন্ট/নির্দেশনা আসলেই ফোন করা হবে।এরপর অপেক্ষায় আরো কদিন গেল।তাই এসবি পুলিশ অফিসে গেলাম।উনারা বলল দায়িত্বরত কর্মকর্তা ছুটিতে।কদিন লেইট হবে।তখন এক এএসপি সারকে বিষয়টি জানালাম।সার নিজেই এসবি পুলিশ ব্রান্সে ফোন দিয়ে আমার ক্লিয়ারেন্স করে দিতে বললেন।তখন এসবির অন্য পুলিশ কর্মকর্তা আমার ক্লিয়ারেন্স এর কাজটি করলেন।সাধারণত উনারা নাস্তার নামে ১০০-৫০০০± টাকা নেন।উনি কথাবার্তায় আমাকেও ইঙ্গিত দিতেছেন কিন্তু সরাসরি টাকা চাইতে পারতেছেননা কারন এএসপি রেফারেন্স।শেষমেষ আমার ৫ টাকা দামের নতুন কলমটি চেয়ে নেন কারন তার অফিসে নাকি কলম নাই।বাধ্য হয়ে দিয়ে এসেছি
পবিত্র হজ্জ পালনের জন্য ২০১২ সালে পাসপোর্ট করার আবেদন করি, সাভার থানায় ভেরিফিকেশন এলে একজন এস আই আমাকে কল করেন, থানায় গিয়ে সৌম্য দর্শন, সাদা পাজামা পাঞ্জাবি পরিহিত বয়স্ক এস আই এর দেখা পাই । তিনি পাসপোর্ট প্রতি এক হাজার টাকা দাবি করেন । কথা প্রসঙ্গে জানা গেল তিনি আমার গ্রামের বাড়ির এলাকার বাসিন্দা, সেই সুবাদে দাবিকৃত টাকা কমিয়ে ৭০০/ করে নেন । হজ্জের কথা উল্লেখ করলে বলেন তিনি এস বি থেকে উল্লেখিত টাকার বিনিময়ে ভেরিফিকেশন এনেছেন তাই মকুফ করার সুযোগ নেই।
ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে দেয়ার জন্য সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওয়েবসাইটে আপলোড করার পরেও কোনো কারণ না দেখিয়েই বারবার ক্যানসেল করে। পরে সরাসরি ভূমি অফিস গেলে বলে ২,০০০/- লাগবে অনলাইন করার জন্য অন্যথায় হবে না। পরে আমি আর টাকা দিইনি। এমনকি আমার আবেদন এখনও একইভাবে ঝুলে আছে।
আমার ১৮ শতক জমি বাবার কাছ থেকে পাওয়া আমাদের দুই ভাইকে লিখে দিয়েছিল। বিএস রেকর্ডে জমি নাই। অর্থাৎ রেকর্ড ভুল হয়েছিল। কিন্তু মামলা করে আমাদের রায় মামলার কপি ও রায়ের কপি ছিল দাগ সংশোধন করা হয়েছিল। কোন লাভ হচ্ছিল না তাদের কথা বিএস রেকর্ডি জমি নাই অতএব আপনাদের খারিজ সম্ভব না। কিন্তু টাকা দিয়ে সেটা সম্ভব হয়েছে। ১৪৪ ধারায় মামলা করে সেটা তার সংশোধন করে মামলার রায়ের কপি ও আমাদের কাছে আছে। মোটকথা টাকা দিলে সম্ভব না তোবা সম্ভব নয়।
জমি খারিজ করার জন্য অনলাইন আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভুমি অফিস থেকে ফাইল পাশ হয়ে উপজেলা AC LAND এর অপিসে যায়।আনুমানিক সরকারি খরচ -১১০০-১৩০০ টাকা।কিন্ত ফাইল আটকে রেখে ৬৫০০ টাকা দাবি করে পাশ করানোর জন্য।আমি দিতে চাইনি।৩/৪ মাসেও আমার ফাইল পাশ হয়নি।আমার জমিটা বিক্রি করার জন্য ইমারজেন্সি দরকার থাকায় পরে বাধ্য হয়ে দামদর করে ৫৫০০ টাকা দিলে ২ দিনের মধ্যে কাগজ পেয়ে যায়।