GPF
জিপিএফ একাউন্ট এক্টিভেট করার জন্য ঘুস চেয়েছিলেন। না দেয়ার কারণে ২ মাসেও এক্টিভেট হয় নি। তাই ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। এই দেশের প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেলেই টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৫২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জিপিএফ একাউন্ট এক্টিভেট করার জন্য ঘুস চেয়েছিলেন। না দেয়ার কারণে ২ মাসেও এক্টিভেট হয় নি। তাই ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। এই দেশের প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেলেই টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।
বয়স্ক, বিধবা সহ অন্যান্য ভাতা ভোক্তাদের নাম কেটে দিয়ে পূনরায় এন্ট্রির জন্য অর্থ দাবি করা হয়।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে নির্ধারিত টাকার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন হয় না বা করে না তারা বলে এটা নাকি অফিস খরচ আমি বললাম আমি তো সব টাকা জমা দিয়েই দিয়েছি তাহলে এটা আবার কিসের টাকা বলে যেটা অফিস খরচ এই বলে বাড়তি টাকা নেয়
আমি ২০০৫ সাল থেকে নিয়মিত আয়কর পরিশোধ করি কিন্তু আমাকে টি আই এন নাম্বার দেয়া হয়নি বারবার আবেদন করার পরেও। ২০০০ টাকা দেয়া লাগবে, আমি দেইনি । ওয়ান ইলেভেন এর সময় একজন সহকারি কর কমিশনারকে জানানোর পরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বিনা টাকায় করে দিতে আদেশ দিলে আমি টি আই এন পাই ।
প্রতিমাসে বিদ্যালয় পরিদর্শনের নাম করে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে এসে,স্কুল থেকে খামে করে ১৫০০ টাকা নিয়ে যায়।
নামজারি করাতে গেলে বলে ওয়ারিশ বেশি । আর যেহেতু অনেক আগের দলিলপত্র তাই টাকা বেশি লাগবে। আমাদের বন্টনের জন্য তারাতারি নামজারি দরকার ছিল তাই ঘুষ দিয়াছি।
নামজারি করার জন্য দামুড়হুদা, উপজেলা ভুমি অফিসের স্টাফরা পেকেজ চালু করেছে ২৫০০ টাকা দিলে কেস পাশ হয় । না দিলে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে কেস বাতিল করে । (ভুমি অফিসের নাজির )
উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্ট করতে গিয়ে ৳২০০০ ঘুষ দিতে হয়েছে। ফর্ম পূরণ করে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পর যখন আমি ফর্ম জমা দিতে যাই তখন সকল কাগজ-পত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও পাসপোর্ট কামলা বলে আমার অরিজিনাল কাবিননামা দেখাতে হবে তানাহলে জমা নেবে না। তারপর বাধ্য হয়ে ৳২০০০ ঘুষ প্রদান করি।
মানিব্যাগ হারানোয় খিলক্ষেত থানায় জিডি করতে কর্তব্যরত পুলিশ ১০০ টাকা দাবি করে। আমি জিডির প্রয়োজনে তা দিতে বাধ্য হই।
এন আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদন করার জন্য টাকা নিয়েছে।
জমি মিউটেশন করতে সরকারি সর্বমোট খরচ 1170 টাকা , মতিঝিল ভূমি অফিস এর কথা অনুযায়ী ৪০,০০০ টাকা দিলাম তারপর আবার আরেকজন মহিলা আটকায় পরে আবার গিয়ে ১০,০০০ টাকা দিলে কাজ করে দেয়।নাহয় শুধু এটা ওটা বলে হিয়ারিং ডেট দিচ্ছিল আর ঘোরাচ্ছিল।টাকা দেয়ার পর আর কিছুই লাগে নাই।
আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য গিয়েছিলাম আমার সবকিছু ঠিক ছিল কিন্তু ফাইল জমা নিচ্ছিল না কারণ আমি টাকা দেই নাই ফলে আমাকে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত পনেরশো টাকা দাবি করে দিতে হয়েছে কারণ আমার সময় ছিল না ।চাকরি করি যে কারণ আমাকে আবার ঢাকা ফিরতে হতো
একটা দলিলের নকল তুলবো তাই বললাম কিন্তু সে বলছে ২০০০ টাকা লাগবে আগে দরখাস্ত করতে হবে তারপরে ১৫ দিন পর পাওয়া যেতে পারে এই হলো অবস্থা
আমি নিজে পাসপোর্টের আবেদন করি, সেখানে একটু ভুল হয় যেটা তারা ঠিক করে দিতে পারতো কিন্ত তারা ১৫০০ টাকা চায় সেটা ঠিক করার জন্য, বাধ্য হয়ে আমি টাকাটা দেই
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তুলতে মাস খানেক আগে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে। সেবার খরচ ১৫০০ + ঘুষ ২০০০= সর্বমোট ৩৫০০। মিরপুর অন্তর্ভুক্ত থানা। সেবাগ্রহীতা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ গমন করবেন।
সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য টাকা চাইলো না দিলে দিবে না।পরে দিয়া আসলাম।
আমি হোল্ডিং ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন জন্য আবেদন করি তখন তারা বেশি টাকা দাবি করে,আপনি যদি না মানেন তাহলে আরো বেশি কর ধরা হবে। ই হোল্ডিং ট্যাক্স আরো বেশি টাকা দাবি করে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস,পরশুরাম এর অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর “শিক্ষকদের নতুন বেতন, প্রত্যয়ন পত্র, বেতন বিবরণী, সার্ভিস বুক লিখন, চাকুরী স্থায়ীকরণ, GPF টাকা উত্তোলন, NOC,বিভিন্ন বিল, শিক্ষা অফিসে যত ধরনের সেবা দেয়া হয় সবগুলোতেই, জন প্রতি ১০০০ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং হয়রানি পূর্বক আদায় করেন।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারও জিম্মি অফিস সহকারীর কাছে।টিও স্যারের আদেশ ও পরামর্শ ও আমলে নেয় না অফিস সহকারী। ভয়াবহ অবস্থা পরশুরাম উপজেলা শিক্ষা অফিসের।
আসলে আমি সংশোধন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটা নাম সংশোধন করতে আমাকে কেন ৩০০০০ টাকা দিতে হবে। আমি প্রবাসী বলে যে কেউ যেভাবে খুশি সেভাবে একটা রেট বলবে, এগুলো ঠিক না মোটেও। আমাকে কেউ বলে ১০০০, কেউ ১৫০০০ আবার কেউ ৩০০০০। আমি একজন ইতালি প্রবাসী মহিলা মানুষ। তাই এই প্রসেসিং আমার স্বামী করেন সব কিছু। কিন্তু এভাবে উনাকে বিরাম্বনায় পড়তে হলে এই দেশে থাকা থেকে না থাকাই উত্তম বলে মনে করি। আমার পাসপোর্টে নামের বানান ভুল ছিল বলে আমি ভাবলাম দেশে থেকে কেউ যদি করে দিতে পারে তাকে একটা সম্মানী দিব। কিন্তু দেশে এই পরিমাণে দুর্নীতি যে সেটাও এখন আর করব না বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। নিজ দেশেই কোন শান্তি নেই।
আমি যখন প্রথমবার ভারতে যাওয়ার জন্য বেনাপোল সীমান্তে বাংলাদেশ কাস্টম এর মুখোমুখি হই। তখন আমাকে কাস্টম পুলিশ প্রশ্ন করে আপনি কি করেন। আামি বলি ব্যবসা। যদিও আমার ব্যবসায়িক ডুকোমেন্ট দিয়েই ভিসা সংগ্রহ করেছি। তবুও আমাকে বলে আপনার ভিজিটিং কার্ড দেখান, ভারত যাওয়ার সময় ভিজিটিং কার্ডের প্রয়োজন মনে না করাতে তখন সাথে ভিজিটিং ছিল না। তার জন্য আমাকে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, পরবর্তীতে তারা সীল মেরে আমাকে ভারতে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে।