Fitness renewal
Amar car fitness renewal korar shomoi ora stuff dea 2k demand kore. Ami still renewal kori nai.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Amar car fitness renewal korar shomoi ora stuff dea 2k demand kore. Ami still renewal kori nai.
সম্পত্তি নতুন করে কিনা হয়েছিল, কিন্তু খাজনার স্লিপ এ পুরাতন মালিকানা দেওয়া। যা পরিবর্তন করতে হলে আঞ্চলিক অফিস থেকে করা যাবে না বলে এবং চিটাগাং ভূমি অফিস এ যেতে। কিন্তু পরে আঞ্চলিক অফিস কর্মকর্তা বলে, তারা এইটা করে দিলে ৩০ হাজার টাকার দাবি করে, যা কমিয়ে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
বাংলাদেশের এমন কোন প্রতিষ্ঠান নেই ঘুষ হয়না মসজিদ থেকে মন্দির মাজখানে সরকারি বেসরকারি এক সপ্তাহ কাগজ নড়েনি ৫০০০/- একদিনেই ok
মালিকানা সংক্রান্ত নানা কাগজপত্র দেখাতে বলেন, বিআরটিএ পোর্টালে তেমন কোন কাগজ এর কথা উল্লেখ নেই। চাহিদা মাফিক কিছুই লাগবেনা যদি ২৫০০ টাকা প্রদান করি। বাধ্য হয়ে ২৫০০ প্রদান করি।
Today at Rampura Banasree Block C, I called and asked WASA for emergency water supply service as the main wasa pump of this area broke down. The wasa water truck came (6000L) and supplied the water and the cost was 600tk (written in the truck), but they wanted more, they said they get 1000tk for this, I paid 800tk
সেবাটি ছিল প্রতিবন্ধীদের সহযোগিতা করা | কাগজপত্র সবকিছু ঠিক করে নিয়ে গিয়েছি কিন্তু তারা এখানে কুয়া য়া দিয়ে ঘুষ কালেকশন করে | কোন কিছু দরকার হলে বুয়ার কাছে যেতে হয় আর ওখান থেকে বউয়ের সাথে কথা বলে তার মানে ওদের সিস্টেম
পুরাতন জমি রেকর্ড সংক্রান্ত মামলার নথী খুজতে গেলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে রেকর্ড রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত নাজির। দিতে বাধ্য হলাম কাগজ অতিপ্রয়োজনীয় তাই।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর আওতাধীন শাহরাস্তি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৫ কেভিএ ট্রান্সফরমারের জন্য ১০০০০ দশ হাজার টাকা ঘুষ চাইসে না দেওয়ায় বিদ্যুৎ দেয় নাই ।
পাসপোর্ট বানানোর জন্য বর্তমান ঠিকানায় পুলিশ কিলিয়ারেন্সের জন্য ৬০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছিল।
আমার জমির খাজনা ছিল ৭৬৯০০ কিন্তু ওরা আমার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে ৫০০০০ আর ওইখান থেকে ১৬০০০ টাকা সরকারের খাতায় দিয়ে অন্যটা আমার সামনে ওরা মেরে দিয়েছে
আমার সুধু মায়ের নামে বেগম এর খাতুন সার্টিফিকেট এ ভুল ছিলো তাই তিনি ঘুষ নিয়িছে
সিভিল সার্জন অফিস থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট করতে গেলে সেখানে সার্টিফিকেটটি নেয়ার জন্য কেরানিকে ১০০০ টাকা মত ঘুষ দিতে হয়।
ঘুষ না দিলে নার্সরা আসে নাহ, আর ডাক্তার কোনো পরিক্ষা দিলে রুগী কে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেয়ার গুলো নিলে টাকা দিতে হয়। আর রোগী সিটের জন্য টাকা লাগে, দালালরা সব জিম্মি করে রাখে, তাদের বাহিরে কথা বলা যায় নাহ ইত্যাদি
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম এক চাচাকে নিয়ে, উনার বয়স ৫৩, অবিবাহিত। কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা বলছে যে উনি অবশ্যই বিবাহিত আর না হয় অবিবাহিত সনদ পত্র নিয়ে আসতে হবে না হলে পাসপোর্ট হবে না। শেষ পর্যন্ত ২০০০ টাকার বিনিময়ে উনি সেই অবিবাহিত সনদ ছাড়াই পাসপোর্ট করে দেন।
টাকা ছাড়া দলিল হবেনা, বিভিন্ন সমস্যা দেখাচ্ছিল। পরে বুঝতে পারলাম টাকা ছাড়া কাজ হবেনা
আমার পুলিশ ভেরিভিকেশনের জন্য পুলিশ ৩০০০ টাকা দাবি করে আমি সেই টাকা প্রথমে দিতে রাজি হই নাই কিন্তু আমাকে এক প্রকার থ্রেড দেওয়াতে বাধ্য হয়ে দিয়েছি ২০০০ টাকা।আমি আর আমার স্ত্রীর জন্য পুলিশ ভেরিভিকেশনের জন্য নিয়েছিলো ২০২২ সালের ডিসেম্বরে
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম। পর পর দুইবার পরীক্ষা দিয়েছি কিন্তু পাশ করতে পারছিলাম না। বিআরটিএ অফিসে কথা বললাম যে আমি তো পরীক্ষা ভালো দিচ্ছি তাহলে কেন পাস করছি না। এক কম্পিউটার সহায়ক বলল, ভাই টাকা না দিলে পাশ হবেন না,। তারপর উনি এক দালালের সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দিল। সর্বশেষ তাকে ২৫০০ টাকা দিলাম। এবং পরবর্তী ড্রাইভিং পরীক্ষা আমি উত্তীর্ণ হলাম।
ami 2023 shale amar sob certificate er name change er jonno apply kori . pore onek deri hoy dekhe ami dhakay education board a jai . joto lok er kache gechi sobai age file ney pore amount bole . pore last ek jon lok er kache gesilam education board er 3 no building er 4 talay . last room a dhorjar sathe e boshe . uni surute khub help ful howar vab ney pore amr kache kotha fake fake bole jehutu ami student tai 3ta certificate a 12 hazar taka lagbe . egula beshir vag e upor mohole jabe . pore akhn kothar por uni 8 hazar takay ashlo . kintu suru theke amar plan chilo ami kaw k ekta poysa o dibo na lokta mar sob file rekhe dite chaylo amar number o nilo . pore onek bar call o kore chilo amake .
ভাতার টাকা নেওয়ার সময় অতিরিক্ত ২০০০৳ নিয়েছিল
সরকারি কলেজে বোর্ডের সার্টিফিকেট তোলার সময় কর্মচারী রশিদ/স্লিপ ছাড়া টাকা দাবি করে & ওই টাকা পরিশোধ না করলে সহজে সার্টিফিকেট প্রদান করে না। উল্লেখ্য যে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফিস জমা নেওয়ার সময় ই বোর্ড সার্টিফিকেট এর ফিস নিয়ে নেয়। কিন্তু তারপর ও কর্মচারীরা প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে এই ফিস নিয়ে থাকে।