Tax
Intentionally audit e fela tax file
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Intentionally audit e fela tax file
শুক্রবার ২৩ শে জুলাই ২০২৩, Air India flight# AI 230 এ দুপুর ১টায় কলকাতা থেকে ঢাকা এসে নামার পর লাগেজ সংগ্রহ করে বের হবার সময় এক কাস্টমস কর্মকর্তা আমার পথরোধ করে একটা লাগেজ তল্লাশি দাবি করে। টুরিস্ট হিসেবে আমার পাসপোর্টে ভারতীয় ভিসা ছাড়াও সিকিমের এন্ট্রি এবং ডিপার্চার সিল ছিলো। আমার সাথে ৬ সেট থ্রি পিস এবং ৫ জোড়া শ্রী লেদার এর জুতা ছিলো,,, জুতা আমার আমার স্ত্রী এবং ২ ছেলের। এছাড়া কিছু চকলেট এবং আমসত্ত্ব, এক কেজি চা-পাতা, বরশীর একটা হুইল ছিলো। ৩জন পুরুষ মহিলা কর্মকর্তা মিলে আমার আমার ব্যাগের সব মালামাল উপুড় করে ঢেলে ছড়িয়ে। দিয়ে অন্য দিকে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর একজন এসে থ্রি পিস দাবী করলো, না দিলে ট্যাক্সে পাঠিয়ে দিবে। আরেকজন এসে আমসত্ত্ব চাইলো।।চকলেট চাইলো। পরে ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে ছাড়া পাই।
পাসপোর্ট সেম সেম আইডি কার্ড সোংসোদন করচিলাম বয়োস এ সমস্যা চিলো ৫বচর ব্যবদান, বিবিন্য অপিস এ গুরাগুরি করার পর উপজেলা নির্বাচন অপিসের লোক বলে ৮০০০০ টাকা লাগবে,, আমি বাদ্য হয়ে করতে হয়
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন সরকারি ফি লিখা ছিলো ৫২৩০ টাকা। নবায়ন করতে এসেসমেন্ট অফিসার চেয়েছেন ৩৫০০০, যা আমি শেষপর্যন্ত ১৫০০০ দিয়ে করিয়েছি তাকে দিয়েই। তদ্রূপ ফায়ার লাইসেন্স সরকারি ফি আসে ৮০০০, দাবি করেছে ৪০০০০ আমি করেছি ২৮০০০ টাকা দিয়ে।
নতুন বাইকের রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য ফিংগারপ্রিন্ট দেয়ার দিনে দিতে হলো ৫০০ টাকা। রেজিষ্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার দিনে দিতে হলো ৫০০টাকা। রংপুর বিআরটিএ এর সবাই আসলে ফেরেস্তা।
বাবার সম্পওি ওয়ারিশ নামজারি জন্য সরকারি ফি থেকে অনেক বেশি অর্থ দিতে হয়েছিল।
office assistant er through taka cheyechilo.
আমার ফাইল অডিটে যায়, অফিসের স্টাফ আমাকে বলে তাদেরকে ২০০০০ টাকা দিলে সরকারকে কোন টাকা দিতে হবে না, না দিলে অনেক টাকা জরিমানা করবে।
গ্যাসের লাইনে নাকি পানি জমেছে তাই গ্যাস আসছে না। পরিষ্কার করে দিলে নাকি গ্যাস আসবে। নবোদয় হাউজিং সোসাইটি, ব্লক সি, মোহাম্মদপুর। তিতাস গ্যাসের লোক পরিচয়ে ঘুষ দাবি করেছে
আমাদের এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলে ২০২৬ সালের জানুয়ারী বা ফেব্রুয়ারীতে অডিট আসছিলো, আসার আগেই কি কি কাগজ ঠিক করতে হবে বলে দিয়েছিলো, আমরাও সব কাগজ রেডি রেখেছিলাম কিন্তু তারা (অডিট অফিসার) ছিলো ২জন তারা এসেই আমাদের শাশাতে শুরু করে এবং যারা Ntrca থেকে নিয়োগ তাদেরকে তো আরও গরম দেখাচ্ছিলো এবং Ntrca থেকে সুপারিশপ্রাপ্তদের পরীক্ষা নেয় এবং বলে আপনারা যা লিখছেন তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিবো এবং আপনারা কেমনে চাকরি করেন তা দেখে নিবো।এরপর সকলের উদ্দেশ্যে বলে এই স্কুলের অনেক সমস্যা সো এই সমস্যা সমাধান করতে সকলের একমাসের স্যালারি লাগবে অর্থাৎ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।ফলে সেটা দেয়া লাগছে।এবং পরের মাস সব শিক্ষক খুব কস্টে দিন পার করছে।
আমি প্রথম এ একটি নাম জারি করায় দলিল অনুজায়ি,, বুল করেচিলো অফিস এর লোক একটি দাগ নামব্বার এ কত অংষ নিবে এ বিষয়ে, পরোবর্তিতে জমি বিক্রি করার সময় আমরা দেখতে পাই দলিল ঠিক আচে বাট নামজারিতে বুল আসচে, পরে ইমার্জেন্সি সংসদোন এর ব্যপারে যোগাযোগ করলে সে জানায় ৩ দিনে করে দিবে ৪৫০০০ লাগবে,, পরে আমরা বাদ্য হয়ে সংসদন করে নেই,, এ চাডাও আমার আরো অবিযোগ আচে,
নতুন চাকরিতে যোগদান, পে-ফিক্সেসন,ছাড়পত্র, বা অফিসিয়াল যে কোনো কাগজপত্র নিতে অফিসের বড় বাবু, কম্পিউটার অপারেটর, হিসাবরক্ষকে ঘুষ বা চা'র বিল না দিলে কাজ হয় না। ট্রেজারী অফিসও যুক্ত আছে।। কাজের গতি নাই, ফাইলে হাত দেয় না, টাকা না ফেলে। টাকা দিলে কাজ হয়ে যায়।
আমি ভোটার আইডি কার্ড বানানোর জন্য অনলাইনে আবেদন করি। আবেদন করার পর কপিগুলো নিয়ে নির্বাচন কমিশনার অফিসে যাই , জমা দেওয়ার জন্য,তারপর তারা দেখে সব ঠিক আছে তারপরও তারা বলছে প্রত্যয়ন পত্র লাগবে। তারা বলে সামনের সপ্তা প্রত্যয়ন কাগজ নিয়ে আসছে আবার আরেকদিন বলে আরেকটা কাগজ নিয়ে আসতে আবার আরেক সপ্তাহ বলে চেয়ারম্যানের সিগনেচার নিয়ে আসতে এভাবে অনেকদিন হয়রানি করার পর তারা বলে ২০০০ টাকা দেওয়ার জন্য আজকে জমা নিবে তারা
আমি আমার জন্মনিবন্ধন সনদ ভুল সংশোধন করতে গেলে তারা কোনো কারন ছাড়াই ১২০০ টাকা দাবি করে কিন্তু সরকারি সংশোধন ফি মাত্র ১৫০ টাকা । এই দেশ আর ভালো হবার পথে নয় ।
অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি পাসপোর্টে দেওয়া বর্তমান ঠিকানা রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা হতে। বর্তমানে কাজের প্রয়োজনে সাভারে থাকায় থানা থেকে ফোন দিলে চার ঘন্টা জার্নি করে কাগজ নিয়ে থানায় যাই। সেখানে আমাকে বাবার উপস্থিততে অদ্ভুত অদ্ভুত প্রশ্ন করা হয়, যেমন জমির পর্চা কই, বিদ্যুৎ বিল আমার মায়ের নামে কেন। বাবা হাবভাব দেখে তাকে এক হাজার টাকা দিতে যায়।সে ও নেওয়ার জন্য হাত বাড়ায়। এতে আমি বলি ঘুষ দিয়ে কখনো কিছু করিনি, এই কাগজ লাগবে না। এরপর ৪ঘন্টা জার্নি করে ফিরে আসি। পরদিন নাম পরিচয় গোপন করে থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আপনার আবেদনে ভুল ছিলো, আবার থানায় যেতে হবে। আমি বলি, ভুল হলে কাল বলতেন, কাগজ লাগবে না, থানায় যাবো না। একমাস পর অবশ্য ফোনে মেসেজ পাই, ক্লিয়ারেন্স হয়ে গেছে।
একা একা সরকারি ওয়েবসাইটে ডুকে পাসপোর্ট করার জন্য সমস্ত তথ্যাদি দিয়েছি। এরপর নরসিংদী পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর আমার কোনো পেপারস তারা গ্রহন করে না। একেকসময় একেক ধারায় আটকিয়ে চলে যেতে বলে। শেষে এক সরকারি আনসার সদস্য আমাকে বলছে, ভাই দালাল ধরেন। দালালরা এসএমএস দিলে আপনারটা গ্রহন করা হবে। না হলে হবে না। পরে দালালকে ২,০০০/-টাকা দিলাম। দালাল বলছে, এই টাকা থেকে ৮,০০/-টাকা প্রথম যাচাইকৃত টেবিলের লোক খাবে, পরে যাবে ২,০০/-টাকা আরও দুইটেবিল ভাগ খাবে। আর ১,০০০/-টাকা আমি খাবো। পাসপোর্ট অফিসে দুর্নিতীর শেষ হবে কবে?
আমি কৃষি ব্যাংকের নন নিতে গিয়েছিলাম আমার কাগজ পাতি সব ঠিকঠাক আছে আমাকে বলছে লোন দেওয়া যাবে না পরে আর একজনকে নিয়ে গেলাম সেখানে তাই বলছে স্যার দেখে না কেন দেওয়া যাবে সব ঠিক আছে তবে স্যার বলছে লোন নিতে হলে ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগবে নয়তো হবেনা
একটি হেবা দলিলের ভুল সংশোধনের জন্য ঘোষণা পত্র রেজিস্ট্রি করতে গিয়েছিলাম, সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিস চট্টগ্রাম এর কেরানি ৩০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, একদিন ঘুরানোর পর দ্বিতীয় দিনে ২০ হাজার টাকায় দফারফা করে টাকা পরিশোধ করে কাজটি করতে হয়
দাবি আদায়ের পরেও কাজের কোন অগ্রগতি নাই। কেয়ার লেস।
মাল জমা করার পর দাবি করে।