পেনশনের কাজ
পেনশনের কাজে 1% ঘুসছাড়া কেউ ফাইল অনুমোদন করাতে পারে না। ১১ লক্ষ টাকায় ১১০০০ টাকা ঘুস লেগেছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পেনশনের কাজে 1% ঘুসছাড়া কেউ ফাইল অনুমোদন করাতে পারে না। ১১ লক্ষ টাকায় ১১০০০ টাকা ঘুস লেগেছে।
আমি, ভুক্তভোগী, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট-এর জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর আমাকে পার্বতীপুর মডেল থানায় কাগজপত্রসহ ডাকা হয়। থানায় উপস্থিত হবার পর দায়িত্বরত কর্মচারী আমাকে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং আমি উত্তর দিই। এরপর আমার প্রদত্ত তথ্যগুলোর মধ্যে থেকে সে আমার ঠিকানাসংক্রান্ত তথ্যে ভুল ধরে আমাকে নানাভাবে আমার আবেদন না-মঞ্জুর করার ইঙ্গিত দেন। দীর্ঘক্ষণ বুঝানোর পর আমাকে নিকটস্থ একজন ইন্সপেক্টরের কাছে পাঠানো হলে সেখান থেকে পুনরায় থানায় পাঠানো হয়। পুনরায় থানায় গেলে পরে সেই দায়িত্বরত কর্মচারীর উপস্থিতিতে আরেকজন দায়িত্বরত কর্মকর্তা চা-নাস্তাবাবদ ১০০০ টাকা দাবি করেন এবং কাজের সফলতার আশ্বাস দেন এবং SP অফিস/অন্য কোথাও এই লেনদেন সম্বন্ধে বলতে নিষেধ করেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার কাচপুর রাজস্ব অঞ্চলের কানুনগো ঘুষের টাকা না পাওয়ায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে গত ১৭/০৮/২৬ তারিখ থেকে নামজারি আবেদন নং-— এর প্রতিবেদন দিচ্ছেনা, অনলাইনে নামজারি আবেদনের সময় মালিকানার সকল কাগজপত্র স্ক্যানিং করে জমা দিয়েই আবেদন করতে হয়, তার পর শোনানীর নামে চলে ঘুষের রমরমা ব্যবসা, আমি কানুনগোর সাথে যোগাযোগ করিনি বিধায় কানুনগোর আইডি থেকে আবেদনটি অন্য অফিসারের আইডিতে পাঠানো হচ্ছেনা, বিষয়টি সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাচনী অফিসারের হোয়াটস অ্যাপে লিখিত ভাবে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার নেই।
আমি বিদেশে আসার আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করাতে গিয়ে এই ঘটনার শিকার হয়। পুলিশ তদন্ত করতে আমার বাসায় আছে এবং সবকিছু ঠিক থাকার পরেও তারা 10000 টাকা দাবি করে। যেহেতু ওই সময় আমার ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি জরুরী ভিত্তিতে দরকার ছিল তাই আমি এর বিরোধিতা বা সময় ক্ষেপন করতে চাইনি। সে ছিল বাসন থানার এএসআই। তার মুখের ভাষায় মনে হয়েছে তার বাড়ি বরিশাল। এবং ভেরিফিকেশন শেষে সার্টিফিকেট যখন ডেলিভারি আনতে যাই গাজীপুর মেট্রো পুলিশ হেডকোয়ার্টার তখন সেখানে ৫০০ টাকা আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়। আমার পরিস্থিতি এমন ছিল অসহায়ের মতো টাকাটা আমাকে দিতেই হয়।
আমি ৯০০০টাকা দিয়ে ১০বসরের জন্য ই-পাসপোর্ট করি।সেখানে সরকারি নির্দিষ্ট টাকার চেয়ে দেশি টাকা দিয়ে আমার পাসপোর্ট করতে হয়েছে। এই ধরনের আর্থিক ও মানসিক হয়রানি মধ্যে আমার মতো অনেক ভাই বোন সম্মুখীন হচ্ছে বা হবে। আমি চাইবো সরকার এর দিকে একটু কঠোর নজর দিক।
আমি একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানীর হেড অফিসে কর্মরত এইচআর (হেড)। আমার কোম্পানীর কিছু কর্মচারীর অভিযোগের কারণে বিষয়টি সমাধানের জন্য গুলশান এলাকার ইন্সপেক্টর ঢাকা অফিসে ডাকে। আমাকে ভয় দেখিয়ে বলে তার ডিআইজি আমার কোম্পানীর বিষয়ে নেগেটিভ। এখন ডিআইজিকে ম্যানেজ না করলে কোম্পানীর ক্ষতি হবে। ম্যানেজমেন্টকে জানালে ম্যানেজমেন্ট বলে যে, সরকারি লোক, ঝামেলা করতে পারে। কর্মচারীদের সব টাকাও দিলাম আবার ডিআইজি যাতে কোম্পানীর কোন ক্ষতি না করে তাকে পজিটিভ করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা পরিশোধ করি। ম্যানেজমেন্টের প্রশ্ন, আইনও মানতে হবে আবার ঘুষও দিতে হবে, তাহলে আমরা ব্যবসা করবো কিভাবে???
স্কুলগুলোতে যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ক্লাস শিক্ষকের কাছে টিউশন করে তার কাছে প্রাইভেট পড়ে তাহলে তিনি নাম্বার বাড়িয়ে একটি ক্লাসের অনেক ছাত্র-ছাত্রীর মনোবল ভেঙ্গে ফেলেন । ৭০/৮০ জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে তার কাছে প্রাইভেট পড়ার প্রবণতাটা বেড়ে যায়। প্রায় সকল স্কুলে , বিভিন্ন সাবজেক্টে একই ধরনের চলছে
১ শতক জায়গার নামজারি আবেদন। সরকারি রেইটন ১১৭০ টাকা হলেও ১৫০০০/- টাকার নিচে করবে না। যেহেতু ব্যাংক বিনিয়োগের বিষয়, আমার বসে ৎাকার সুযোগ নেই। টাকা দিয়ে নামজারি করতে বাধ্য।
আমার ভূমি উন্নয়ন কর এক বছরের ৪০ টাকা তারা নিয়েছে ৩০০ টাকা। অর্থাৎ ২৪০ টাকা বেশি। এই বাড়তি টাকা দিয়ে আমি ৬ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে পারতাম।
এক পক্ষ পুলিশকে টাকা দিয়ে অপর পক্ষের একজনকে ধরে নিয়ে যায় । আবার অপর পক্ষের সেই লোককে থানা থেকে ছাড়াতে পুলিশকে ২০,০০০ টাকা দিতে হয়ছিল । এতে পুলিশের দুইদিক থেকেই লাভ ।
৩ বছরের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স এর চিঠি আসে ১১৯০০০ টাকা ৭ কার্য দিবসের মধ্যে দিতে হবে না হলে মামলা হবে। আমি সিটি কর্পোরেশন এ গিয়ে বলি আমাকে ত কোন রিমাইন্ডার লেটার না দিয়ে ফাইনাল নোটিশ দিলেন। বলে তারা নাকি নোতিশ দিয়েছে। তারপর বলল তারা কমাতে পারবে। কিন্তু ৫০০০০ টাকা দিতে হবে। পরে ৫৯০০০ টাকা ট্যাক্স আর ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে সব রেগুলার করি। আমি নিজে সরকারী ৫ম গ্রেডের কর্মকর্তা হয়েও এখান থেকে নিস্তার পেলাম না মামলার ভয়ের কারনে।
নামজারি করার জন্য মোট ৪ বার আবেদন করা হয়েছিলো।রংপুর মহানগর ভুমি সার্কেল একেক বার একেক কারন দেখিয়ে ক্যান্সেল করিয়ে দেয়। কাগজ পাতি সব ওকে ছিলো। আবেদন ক্যান্সেল করার পর গেলে বলে ভুলে হয়ে গেছে আবার আবেদন করেন। এবারে ৩বার জাবার পর ৪ নাম্বার এর সময় বলছে ৮০০০ টাকা দিলে ক্লিয়ার হবে। পরে ৮ হাজার টাকা দিয়ে করে নিছি
আমার কারখানা নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জে। নারায়ণগঞ্জ জেলার কলকারখানা অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক নিজে আমার কারখানার লেআউট প্লান পরিবর্তনের অনুমোদনের জন্য ০۴ লক্ষ টাকা দাবী করেন। ০۳ লক্ষ টাকায় সুরাহা হয়। কিন্তু টাকা না দেয়া পর্যন্ত তিনি অনুমেোদন দেন নাই। তিনি সরাসরি তার অফিস কক্ষে আমার কাছ থেকে ০৩ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন। এরকম অফিস প্রধান আমি অন্য কোথাও দেখিনাই।
ASSET project is free project funded by World Bank following NSDA Standard which offers allowance (11,500 - 13,000) after successful course completion. But, some STP is trying to cheat/swindle with the trainees with their training allowance.
অধিকার অনুপ্রবেশ এবং হত্যার হুমকির সম্মুখীন হয়ে সাধারণ ডায়েরি করা হলে পুলিশ তা আমলে না নিয়ে নিজেরা সমাধান করে দিতে চায় এবং অর্থ দাবি করে, রাজি না হলে উল্টো ভুক্তভোগীর উপর চড়াও হয়।
আমার কারখানাটি মনিরামপুর উপজেলায়। বিদেশ থেকে এসে ছোট্ট একটি কারখানা করেছি। ০২ জন শ্রম পরিদর্শক কয়েকদিন আগে এসে তাদের ভিজিটিং কার্ড দিয়ে বলে তারা এই এলাকার দায়িত্বে আছে। পরিদর্শনে এসেছে তাই দশ হাজার টাকা দাবী করে। পাঁচ হাজার টাকা দেই। টাকা দেয়ার পরও আমাকে চিঠি পাঠায়। লাইসেন্স না করলে মামলা দিবে বলে হুমকি দেয়। লাইসেন্স করতে গেলে বলে বিদেশ থেকে আসছেন ১ লক্ষ টাকা লাগবে লাইসেন্স করতে। পরে ৬০০০০ টাকায় লাইসেন্স করি। দেশের থেকে তো বিদেশই ভাল।
— মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বগুড়ায় যেকোনো রোগী নিয়ে ভর্তি করাতে গেলে, ভর্তি করানো শেষে ওয়ার্ডে নিয়ে যেতে হলে হুইলচেয়ার নিতে গেলে ১০০/২০০ টাকা দিতে হয়। না দিলে তারা রোগী নেবে না। এটা রোগী বাধ্য হয়ে দেয় কারণ ওয়ার্ডে না গেলে চিকিৎসা শুরু হবে না। তবে এটি শুধু শজিমেকহা নয়, যেকোনো সরকারি হাসপাতালের জন্য প্রযোজ্য। আমি নিজে ডাক্তার হয়েও এই দৌরাত্ম থেকে বাঁচতে পারিনি। রোগীরা ডাক্তারকে গালি দেয়। কিন্তু হাসপাতালে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের কাছে ডাক্তার নার্সও অসহায়। এটার পেছনে আছে দালাল পোষা।
গাইবান্ধা প্রবাসি কল্যাণ ব্যাংক গাইবান্ধা সদর শাখা প্রবাসে আসার সময় বলে এর ফ্রি লোন দেওয়া হয় কিন্তু না এখনে হজার রকম ডকুমেন্ট লাগে যা একজন প্রবাসির পক্ষে সম্ভব না। অতপর এরা ১৮৫০০ টাকা দিলে ২০০০০০ টাকা ঋণ দেয়। বেচেরা প্রবাসে ওর তো ভিসা হয়েছে বাধ্য হয়ে এতো টাকা দিয়ে ঋণ নিতে হয় না চাইতেও গাইবান্ধা যার টাকা নেই এর ঋন পাওয়ার কোনকোন চান্স নেই আমি নিজে ভুক্ত ভুগি
আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারিয়ে যাওয়ায় ২০২১ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ডে গিয়ে পুনরায় রেজিস্ট্রেশন কার্ড উত্তোলনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করি। পরবর্তীতে কার্ডটি শুধু প্রিন্ট করে নেওয়া বাকি ছিল। প্রিন্ট করার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আমাকে জানান, ৩০০ টাকা দিলে সেদিনই রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রিন্ট করে দেওয়া হবে, অন্যথায় পরের দিন এসে কার্ডটি নিয়ে যেতে হবে। তখন আনুমানিক দুপুর ২টা–৩টা বাজে। আমি যেহেতু অনেক দূর থেকে গিয়েছিলাম এবং সেখানে আরেকদিন এসে অপেক্ষা করা আমার জন্য সম্ভব ছিল না, তাই বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা প্রদান করি এবং সেদিনই আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ডটি প্রিন্ট করে নিয়ে আসি। ৩০০ টাকা অতিরিক্ত প্রদান করলে যদি একই দিনে রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রিন্ট করা সম্ভব হয়, তাহলে টাকা না দিলে কেন এটা পসিবল না?
The Newly appointed DG, DGDA made a disruptive change in application track and trace by transforming it into on line system which is now Track and Trace enabled. couple of years back in 2022 the "Application Lost " was the first step of DGDAs multi tiered bribe show. Its a commendable change.