ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে লাইভ ড্রাইভিং এ ফেল করেছিলাম। টাকা দেয়ার পর পাস দিয়ে দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে লাইভ ড্রাইভিং এ ফেল করেছিলাম। টাকা দেয়ার পর পাস দিয়ে দেয়।
টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিবে না।
ফর্ম এ সচিবের স্বাক্ষর নিতে গিয়ে ১০০ টাকা দিতে হয়েছে
টাকা না দিলে নাম চেঞ্জ করবে না। অনেক ইসু দেখায়, টাকা দিলে র কোন ইসু থাকে না।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। কাবিন নামার অজুহাত এ বাতিল করে দিয়েছিল। পরে বাইরে এক ফটোকপির দোকান এর দালাল এর মাধ্যমে ৩০০০ টাকায় রফা হয়। পরে পাসপোর্ট হয়ে যায়। আর ঝামেলা করেনি।
হোল্ডিং এ নাম অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য চল্লিশ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিল। না দেয়ায় ছয়মাস ঘোরায়। অবশেষে বিশ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি।
আমি নামজারীর আবেদন করলে তার একটি জায়গায় ডেকে এটি জানায় আপনার খাজনা এবং নামজারী বাবদ ৩০,০০০ টাকা লাগবে না হলে হবে না। আমার কাছে ২০০৫ সালের খাজনার চেক ছিলো ঐ জমির। কিন্তু তার পরেও সেটা তারা প্রত্যাখান করে। আমি কোন উপায় না পেয়ে এই কাজ করতে বাধ্য হই।কারন জমি টা হাতবদল হবে। আর এ জন্য হালসনের খাজনার চেক লাগবে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য ১০০০/- নিয়েছে পরে উনি কাজ করেনি উল্টো বাজে ব্যবহার করেছিলো (এসপি অফিস)
আমি একজন ছাত্র আমি আমার পাসপোর্ট এর আবেদন নিজে নিজে করে কাগজ জমা দিতে যাওয়াতে আমার কাগজ ঠিক নেই বলে রিজেকশন করে দেয়। যে ভুল যা সহজেই নেগোসিয়েশন করা যায়। আমার কাজে দায়িত্বরত পুলিশ ২০০০ টাকা ঘুষ চাইলো উনি সব কাজ করে দিবে একদিনের মধ্যে। কিন্তু আমি দেই নাই আমাকে আবার পরের সপ্তাহে যেতে হয় আমার অতিরিক্ত টাকার খরচ হয় যাতায়াতে।
আমার পাসপোর্টের জন্য আমি নিজে আবেদন করি। যখন ভেরিফিকেশনের জন্য থানায় আসে তখন আমাকে থানায় যোগাযোগ করতে বলে। ওখানে আমার এলাকার ইউনিয়ন মেম্বার সহ যায়। নিয়োজিত পুলিশ বলে যদি টাকা দেওয়া না হয় তাহলে ওনি সমস্যা আছে বলে রিপোর্ট দেবেন। বাধ্য হয়ে আমাকে টাকা দিতে হয়। পাসপোর্ট ভেরিফিকোশনের নামে সব জায়গায় ঘুষ চাওয়া হঢ। এর প্রতিকার চাচ্ছি।
সরকারি চাকরির জন্য ড্রাগ টেস্ট/ইউরিন টেস্ট এর জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অথবা পিজি হাসপাতালে গেলে ওখানে ঘুষ চায়।
Me and one my office colleague lost money thru another colleagues due to business loss issue. Police not helping me. Also asking 1 lakh taka for next steps.
আমি পাসপোর্ট করার সময় আমার সকল তথ্য সঠিক থাকার পরও , আমাকে হয়রানি করে বেশি টাকা নিয়েছে।
When I was registering my new bike, they kept harassing me on various pretexts, and I got fed up and had to bribe them in several stages. As soon as I paid the bribe, the whole job was completed.
I lost my passport & reported it the nearest police station. Inspite of having the police report they said they will not proceed renew the passport if I don't pay them tk 3000 extra .
কী হচ্ছে, কোথায়, কাদের সমস্যা হচ্ছে, আগে কাউকে জানানো হয়েছিল কি না — এগুলো লিখলে যাচাই করা সহজ হয়। নিজের নাম, ফোন নম্বর বা ঠিকানা লিখবেন না।
Passport ar sob thik taw ghus cai
60tk ticket 200tk chaychey... commuter train ticket
পাসপোর্ট তৈরির সময়, পুলিশ ভেরিফিকেশন এর দরকার হয়,তখন ভেরিফিকেশন এর জন্য শরিয়তপুরের নড়িয়া থানায় আমাকে ডাকা হয়েছিল,,তখন ১০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করতে হয়েছিল
আমি দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে গিয়েছিলাম আমার এবং আমার সহপাঠীদের বিষয় পরিবর্তনের একটি কাজ নিয়ে তো সেখানে যাওয়ার পর আমার সাথে প্রথমে খুব বাজে ব্যবহার করা হয়েছিল আমাকে রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল এর পরবর্তীতে আমার এক পরিচিত লোক আসলো তিনি বললো শ্ধু তোমার কাজটা হবে বাকিদের হবেনা আমি মূলত আমার সহ টোটাল ১৭ জনের কাজ নিয়ে গিয়েছিলাম পুরো দায়িত্বটি ছিল আমার অথচ এর আগে তারা ব্যাংকের মাধ্যমে আমাদের ১৭ জনের কাছ থেকে একটা ছোট amount নিয়েছিল পরবর্তীতে তাদের অফিসে যাওয়ার পর বলে এই কাজ হবেনা এবং অনেক request করার পর তারা শুধু আমার কাজ করে দিতে রাজি হয় তবে বাকিদের না কিন্তু পরে খবর পাই যে তখনো কাজ হয়নি এটার জন্য নাকি রাজশাহী বোর্ডে যাওয়া লাগবে এবং সবাইকে ২০০০ টাকা করে দেওয়া লাগবে তাইলে হবে