নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সেবাটি ছিল আমি অনলাইনে ভ্যাট চালান জমা দিয়েছি এই চালান ভ্যাট অফিসে গিয়ে সিগনেচার করতে হয় সিগনেচার দেওয়ার পরে সে আমাকে ২০০০ টাকা চায় আমি তাকে এক হাজার টাকা দিতে হয় তারপরে সিগনেচারের উপর চিল দেওয়ার সময় আরেকজন ডেকে আরেক টেবিলে গেলে সেও টাকা চায় আমি বলি আমার কাছে তো আর টাকা নাই আমি কিভাবে দিব এই বলে আমি চলে আসি
আমার তিন স্টুডেন্ট দিনাজপুর শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে বাইক নিয়ে ঢুকে এসময় এম দিয়ে শুরু নামের এক পুলিশ তাদের আটকায়, প্রথমে গাড়ির চেসিস নাম্বার খুঁজে না পেয়ে চোরাই গাড়ি বলে ভয় ভীতি দেখায় , পরে চেসিস্ নম্বর খুঁজে পেলে সাইডে ডেকে নিয়ে এক হাজার টাকা ঘুষ চায় এবং ৩০ মিনিট সময় বেঁধে দেয়, এই সময়ে বাইকের মালিক ছেলেটিকে দিনাজপুর বড়বন্দর এলাকায় নিয়ে যায়।।। এর মধ্যে ছেলে দুইজন টাকা ম্যানেজ করতে তাদের ভাইকে ফোন দিলে পুলিশ তাদের থানার সামনে নিয়ে গিয়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ১৫০০০০ টাকার মামলা দেয় এবং আরও নানান ধরনের হয়রানি করে।।। ঘটনা এক মাস আগের।।
চাকুরী থেকে অবসরপ্রাপ্ত।টাকা না দিলে হয়তো বিভিন্ন ভাবে টাকা কেটে কম দিবে।সে জন্য ঘুষ দেওয়া।
নতুন আইডি কার্ডের ছবি তুলা, েটাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, তাই মেসে দেওয়ার জন্য 6000 টাকা দুটি আিইডি কার্ডের জন্য পরিশোধ করেছি। টাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, মোবাইলে মেসেস না গেলে ছবি তুলেতে পারে না। আমাদের হাওড়েরর যাতায়াত করা খুবই কঠিন, একদিনে যাতায়াত করা 500 টাকা লাগে। যেখানে বলে যে, আপনার ফাইল জমা দিয়ে যান, মেসে গেলে আসবেন, যা আমাদের হাওড় এলাকার জন্য খুবই কষ্টকর। তাই ঘুস দিলে আর মেসেসে জন্য অপেক্ষা করতে হেব না।
কোম্পানীগঞ্জে এমপিও ফাইল ছাড়করণে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে আমার এমপিও-সংক্রান্ত ফাইলের কাজের ক্ষেত্রে আমি নিজেই অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক লেনদেনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছি। আমার এমপিও-সংক্রান্ত ফাইল ছাড়করণের কাজের জন্য বর্তমান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আমাকে ১,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার সময় আমাকে আবার বলা হয়, টাকা না দিলেও নাকি কাজটি হয়ে যেত। অর্থাৎ টাকা নেওয়ার পরও এমনভাবে বলা হয়েছে যে, আমি যেন নিজের ইচ্ছায় বা খুশি মনে টাকাটি দিচ্ছি। আমার প্রশ্ন হলো—যদি কাজটি নিয়ম অনুযায়ী এমনিতেই হওয়ার কথা থাকে, তাহলে সেই কাজের জন্য একজন শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার প্রয়োজন কেন?
জন্ম সনদ বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ফি নাকি ৫০০ টাকা। কিন্তু ওয়েবসাইটে দেখেছি ৫০ টাকা। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। না হলে কাজ হবে না। কিছুক্ষণ বসে থেকে দেখলাম সবার থেকে এমন বেশি টাকা নিচ্ছে। সিস্টেম হয়ে দাড়িয়েছে মনে হলো।
Pabna Zilla School . They take 50 taka per student for testimonial.But by rules it is free.
আমি প্রবাসী বাংলাদেশী। কষ্টে একটা বাড়ি করেছি। বাড়ীর পৌর কর দিতে ফাইল রেডি করতে সাহেব দাবি করে ৯০০০০/=। পরিশোধ করে আমি এখন সরকার কে ২৫০০০/=pay করি।
নতুন জয়েন করে MPO ফাইল ছেড়ে দিতে টাকা দাবী। টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট
চাকরিতে যোগদান করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাসায় পুলিশ আসে, চা-নাস্তা করানোর পর তারা ৩৫০০ টাকা দাবি করে এবং এটা বলে যে, ভেরিফিকেশন রিপোর্ট ভালো দিবে কোনো সমস্যা পাবে না কেউ । অথচ, আমার নামে কোনো খারাপ রিপোর্ট নাই, না আছে পুলিশের খাতায় কোনো নাম, এলাকার কোনো মানুষও খারাপ বলতে পারবে না । তবুও বাধ্য হয়ে ৩৫০০ টাকা দিতে হয়েছে
Dhaka দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এ আমার ট্রেড লাইসেন্সের ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য 5000 টাকা দাবি করে, কম নিতে বলেছিলাম, নেয়নি। আমি সম্পুর্ন টাকা দিলাম। টাকা পরিশোধের পর বলল এক সপ্তাহ লাগবে address correction হয়ে আসতে। পরে দেখি ঐ দিন বিকেলে sms আসল ফি 320/= বাহ চমৎকার পরের দিন আমার লাইসেন্স পেয়ে গেলাম।
নিজ অফিস ও একাউন্টস অফিসে ইস্যু করতে অসিফ সহায়ক কে ঘুষ দিতে হয়েছিল।
সরকারি বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিবে বলে এলাকার মেম্বার ঘুষ চায় এক দরিদ্র মহিলার কাছ থেকে।
আমার ফিক্স ডিপোজিট করা ছিল টাকা এটা উঠানোর জন্য আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয়।
Parents birth certificate was old they didn't allow children birth certificate without money
7000 টাকা লাগবে নামজারী করতে
আমার সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকা সত্তেও, ফাইল রিজেক্ট করে দেয় পরে দালালের মাধ্যমে ৪৫০০ টাকা দিলে একই দিনে পাসপোর্ট হয়ে যায়।
টাকা না দেয়ার কারনে দূরে পদায়ন দিয়েছে
Bumi Office kor dithe gush chay
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে টাকা না দিলে আমাকে ফেল করে দেই । পরে ৭০০০ টাকা ঘুস নিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করাই