নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন জয়েন করে MPO ফাইল ছেড়ে দিতে টাকা দাবী। টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট
চাকরিতে যোগদান করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাসায় পুলিশ আসে, চা-নাস্তা করানোর পর তারা ৩৫০০ টাকা দাবি করে এবং এটা বলে যে, ভেরিফিকেশন রিপোর্ট ভালো দিবে কোনো সমস্যা পাবে না কেউ । অথচ, আমার নামে কোনো খারাপ রিপোর্ট নাই, না আছে পুলিশের খাতায় কোনো নাম, এলাকার কোনো মানুষও খারাপ বলতে পারবে না । তবুও বাধ্য হয়ে ৩৫০০ টাকা দিতে হয়েছে
Dhaka দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এ আমার ট্রেড লাইসেন্সের ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য 5000 টাকা দাবি করে, কম নিতে বলেছিলাম, নেয়নি। আমি সম্পুর্ন টাকা দিলাম। টাকা পরিশোধের পর বলল এক সপ্তাহ লাগবে address correction হয়ে আসতে। পরে দেখি ঐ দিন বিকেলে sms আসল ফি 320/= বাহ চমৎকার পরের দিন আমার লাইসেন্স পেয়ে গেলাম।
নিজ অফিস ও একাউন্টস অফিসে ইস্যু করতে অসিফ সহায়ক কে ঘুষ দিতে হয়েছিল।
চাকুরী থেকে অবসরপ্রাপ্ত।টাকা না দিলে হয়তো বিভিন্ন ভাবে টাকা কেটে কম দিবে।সে জন্য ঘুষ দেওয়া।
সরকারি বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিবে বলে এলাকার মেম্বার ঘুষ চায় এক দরিদ্র মহিলার কাছ থেকে।
আমার ফিক্স ডিপোজিট করা ছিল টাকা এটা উঠানোর জন্য আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয়।
Parents birth certificate was old they didn't allow children birth certificate without money
7000 টাকা লাগবে নামজারী করতে
আমার সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকা সত্তেও, ফাইল রিজেক্ট করে দেয় পরে দালালের মাধ্যমে ৪৫০০ টাকা দিলে একই দিনে পাসপোর্ট হয়ে যায়।
টাকা না দেয়ার কারনে দূরে পদায়ন দিয়েছে
Bumi Office kor dithe gush chay
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে টাকা না দিলে আমাকে ফেল করে দেই । পরে ৭০০০ টাকা ঘুস নিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করাই
To activate bill submission in my BCS job, I have to pay 1000 at the Upazila accounts office.
আমরা মূলত আমাদের বাসার জমির খারিজ করার জন্য আবেদন করেছিলাম, তো আবেদন করার পর দেখি আমাদের যে দাগ নাম্বার এই দাগে অন্য আরেকজনের সাড়ে চার শতাংশ জমি খারিজ দেখাচ্ছে, তারপর আমাদেরকে একজন পরামর্শ দিল যার নামে আপনার জমিতে খারিজ দেখাচ্ছে তার বিরুদ্ধে খারিজ বাতিলের আবেদন করতে হবে এসি ল্যান্ড অফিসে, তারপর আমরা হারিস বাতিলের আবেদন করি, আবেদন করার পর উনারা বাদী-বিবাদী দুইজনকেই চিঠি প্রদান করে, পরবর্তীতে নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী আমরা বাদী বিবাদী উভয়ে হাজির হই, তখন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা নাজির সাথে আরো ১-২ জন মিলে আমাদেরকে জানায় এই কাগজ লাগবে সেই কাগজ লাগবে, তারা আমাদেরকে বলে আপনারা কন্টাকে আসেন, সব মিলে ২০ হাজার টাকা লাগবে, তাহলে এই খারিজ বাতিল হবে, আমরা রাজি হই নাই, চলে এসেছি, এখন ভাবতেছি কি করা যায়
মোটরসাইকেল চালানোর পরীক্ষাতে পাস করা সত্ত্বেও আমাকে সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য ৳3000 এক্সট্রা নিয়েছে।
সরাসরি টাকা দাবি করে
আমার পরিবারের জমি আছে আমার, আমার ভাই, মা ও বাবা সবার নামে। তাছাড়া আমার কাকা, ফুফু, একেক সময় খতিয়ান হালনাগাদ করে।বিভিন্ন সময় ৫ টি খতিয়ান আমি নিজের হাতে জমা দেই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে ৫০০০,৭০০০, ১০০০০, এমনকি ৩০০০০ টাকা মোট ৫৭০০০ টাকা নেওয়া হয়। তবে দাবি অনেক বেশি ছিলো। তাছাড়া কাগজ পত্রে কোনো ভুল না থাকলেও কাগজে সই না করা, খতিয়ান প্রস্তু না করা, মুল কাগজপত্র না যাচাই করে হেয়ারিং এর আগের দিন আবেদন না মন্জুর করা। টাকা দেওয়ার পরও খতিয়ানে ইচ্ছাকৃত ভুল করে টাকা দাবি করা। নথি হারনোর অজুহাত ইত্যাদি হয়রানি বাধ্য হয়ে টাকা প্রদান করা। শুধু তাই নয়, আমার বোনের স্বামী মারা যাওয়ার পর তাদের ই নামজারি করার জন্য ৪টা খতিয়ানে আরো ৬০০০০টাকা দিতে বাধ্য হই। তাছাড়া না দিয়ে তো উপায় নেই বাংলাদেশের বাস্তব চিত্র
নামের একটা পদবী একটা ভুলের জন্য আমার কাছ থেকে 2500 টাকা নিয়েছে। রাজশাহীর পাসপোর্ট অফিসে অনেক রিকোয়েস্ট করার পরেও তারা আমার কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছে।
আমি আমার ট্রেড লাইসেন্স এর ইংরেজী ভার্সন এর প্রিন্ট কপির জন্যে অফিসে গেলে তারা বলে আগের মত সম্পূর্ণ ফিস পরিশোধ করতে, বাস্তবে ইংরেজী ভার্সন এর ডুপ্লিকেট ওঠাতে এত টাকা লাগার কথা না. তারপরও তারা আমাকে বলে সম্পূর্ণ টাকা প্রদান করতে আমি না করে দিয়েছি