দলিল এর নকল উঠানোর জন্য
দলিল এর নকল উঠাতে টাকা নেয় ৩০০০/৩৫০০ টাকা, আসলেই এটার সরকারি খরচ কত টাকা। তারা বেশি নিতাছে কত টাকা,
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল এর নকল উঠাতে টাকা নেয় ৩০০০/৩৫০০ টাকা, আসলেই এটার সরকারি খরচ কত টাকা। তারা বেশি নিতাছে কত টাকা,
আমি ঢাকা ICT একটি কোর্সে গেছিলাম এক মাসের সেই কোর্সের টাকা দাবি করছি ২৮০০০ পাশ করতে অর্ধেক অর্ধেক দিতে হবে। না দিলে বিল পাস হবে।
রংপুর মহানগর সার্কেল ভূমি অফিসের আন্ডারে শালবন ভূমি অফিসে নামজারী করাতে যাই। তখন তাদের মধ্যে একজন আমাকে প্যাকেজ অফার করে। প্যাকেজ হচ্ছে ৩ দিনের মধ্যে আমার হাতে খতিয়ান দিবে এর জন্য ১০০০০ টাকা দিতে হবে।আমাকে শুনানী বা অন্য কিছুতে অংশ গ্রহন করতে হবে না। এইটাই তাদের প্যকেজ। আমার কথা হলো এসিল্যান্ড যদি সিরিয়ালি কাজ করে তাহলে ৩ দিনের মধ্যে কিভাবে তারা করে দিচ্ছে?
টাকা না দিলে nid আবেদন গ্রহণ করলেও ছবি তোলার জন্য কোন মেসেজ বা কল পাওয়া যায় না, ডকুমেন্ট এর হয়রানি করে , 1500 টাকা দিলে কোনো প্রকার ডকুমেন্ট ছাড়া তাৎক্ষণিক ছবি তোলা হয় ।
আমি সৌদি আরব থাকা অবস্থায় পাসপোর্ট এর জন্য অ্যাপ্লিকেশন করেছিলাম সেটা অনলাইনে আছে। এবং বাংলাদেশে এসে নতুন অ্যাপ্লিকেশন করেছি। যিনি পাসপোর্ট এর কাগজপত্রগুলো রিসিভ করেন তিনি এটা নেননি কারণ আগের একটা অ্যাপ্লিকেশন আছে। তবে আমি তাকে ২০০০ টাকা দিয়েছিলাম অন্য একজনের মাধ্যমে তখন তিনি আমার কাগজগুলো নিয়েছেন।
এস এ,এবং আর এস রেকর্ড খতিয়ান তুলতে প্রতি খতিয়ানে ১১০ টাকা করে নেয়।টাকা না দিলে খতিয়ান দেয় না।বলে ছিড়া পাই না পরে
অনলাইনে ফরম পূরণ করতে তারা আমার কাছে ২২ হাজার টাকা চেয়েছে। এ সম্পর্কে আমার কোন আইডিয়া ছিল না এখন হয়েছে। এখন আমি এ ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানতে আমার অভিযোগটা আমি জানাচ্ছি আমার মনে হয় বাংলাদেশের ভূমি বেশি দুর্নীতি হচ্ছে।
2025 সালের নভেম্বর মাস। আমি যতটুকু জানি একটা জমি খারিজ করতে সরকারি খাতে দেওয়া লাগে 1600 টাকা। ঐখানে এক মহিলা নিজের কাজ করতে ঐখানে কর্মরত এক লোককে 3000 টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিচ্ছিলো, আমাকেও দিতে বলছিল কিন্তু আমি প্রত্যাখান করি। আমার কাগজ পত্র সবকিছু ঠিক থাকা সত্বেও আমাকে দিনের পর দিন ঘুরিয়েছে প্রায় 7 মাস। এরপর আমি ভূমি সেবা 16122 তে কল করে অভিযোগ করি। আমি বাধ্য হয়ে অফিসারের রুমে গিয়ে প্রশ্ন করি আমি কি অন্যায় করেছি বা আমার ভুল কি? আমার সকল কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকা সত্বেও 28 দিনের কাজ 7 মাস পার হওয়ার পরও হলোনা কেনো? তারপর উনি আমার কাজ রিভিউ করে এবং ঘুষ ছাড়া আমি কাজটি সম্পূর্ণ করতে পারি।
নোয়াখালী, ছাটখিল হিসাবরক্ষণ ওপিস এর পেনশন বিভাগে প্রত্যেক পেনশন ভোগীদের প্রতি বছর লাইফ ভেরিফাই করার জন্য ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়।
Amra jomi jar kac theka kince Tara namjari korce tader nam a .. tai amra namjari Korte gace r bole miss case kora lagbe . Tar por sob thik hobe , 6 mas guranor por 50 hajar tk Niya kaj kore dica ..
Land Mutation affairs
কয়েকদিন আগে আমি ঢাকা টু কক্সবাজার রাতের টিকেট কাটতে চেয়েছিলাম শুনলাম ১০ দিন আগে টিকেট ছাড়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে আমি সকাল ৮টা থেকে অনলাইন ছিলাম কিন্তু ২ থেকে ৫ মিনিটে পুরো টিকিট সার্ভার থেকে বিক্রি হয়ে যায় যা এত দ্রুত হয় যে আপনি কোন ভাবে কিনতে পারবেন না । পরবর্তীতে আমাকে ৭৫০ টাকা ঘুষ দিয়ে প্রতিটা টিকিত কিনতে হইসে । যার থেকে কিনেছি উনআর সাথে কথা বলে বুঝা গেল এই ভয়াবহ প্রতারনার সাথে সহজ ই জড়িত ।
বরগুনা জেলার বেতাগী থানার ভূমি অফিসে নামজারি করাতে গেলে উক্ত অফিসের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারিদের ঘুষ না দিলে কাজ হয় না। নামজারি করার ক্ষেত্রে জমির দলিলের সংখ্যার উপর তারা ঘুষ দাবি করে। কোথাও ছোট খাট ত্রুটি খুঁজে পেলে বড় অংকের টাকা দাবি করে। যেমন: ২০০০০/৩০০০০ টাকা। আমি নামজারিতে ০৩ দফায় প্রায় ৫০০০০ টাকা খরচ করেছি। বরগুনার বেতাগী ভুম অফিসে ঘুষ নেয় টেবিলের উপর দিয়ে। কোন রাখঢাক ছাড়াই।
সাব মার্সিবল টিউবওয়েল
ইমার্জেন্সি পাসপোর্টের জন্য নিজে আবেদন সহ আবেদনের টাকা অনলাইনে পরিশোধ করি। যাবতীয় কাগজপত্র সহ জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাই। কাগজপত্র সঠিক থাকায় তারা আমাকে আবেদনপত্র সহ কাগজপত্র রেখে দেই এবং ৭ দিন পর ছবি উঠার জন্য আসতে বলে। আমি রাজি না হওয়াই, আমার আবেদনপত্রটি ফেরত দেই। কোন উপায় না পেয়ে পাসপোর্ট অফিস থেকে বের হয়ে আসতে ছিলাম, তখন একজন লোক ২০০০ টাকা দাবী করে, দিলে ঐদিনই সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে দিবে। টাকা দিতে রাজি না হয়ে কিছুক্ষণ বাইরে বসে ভাবতে থাকি। বুন্ধি করে আবেদনপত্র সহ কাগজপত্র নিয়ে ডিজির রুমে ঢুকি, ডিসি অফিসের আমার এক বন্ধুকে ফোনে ধরিয়ে দেই। ওনি ডিসি অফিসের পরিচয় দিয়ে আমার জরুরী কাজ দেখিয়ে ডিজিকে অনুরোধ করলে আমার কাজ হয়। তবে পুলিশ ভেরিফিকেশনে আমার ৭০০ টাকা খরচ হয়।
বিষয়: গণপূর্ত অধিদপ্তরে (PWD) Contractor Enlistment প্রক্রিয়ায় ঘুষ/অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগ ও তদন্তের আবেদন মাননীয় মহোদয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর (PWD)-এ Contractor হিসেবে Enlistment/নিবন্ধন গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফি ও বিধিবদ্ধ খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও প্রদানের একটি গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, Contractor Enlistment প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ/ঘুষ দাবি করা হয়। ফলে একজন বৈধ ও যোগ্য ঠিকাদারকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি পরিশোধের পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ অর্থ প্রদানের চাপের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের অনিয়মের কারণে— ১. স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ Contractor Enlistment প্রক্রিয়া
সিগনাল দিয়েছে এমন সময়, যখন আমার গাড়ির দুই চাকা সামনে কেন গেল, তারপর সাইড করিয়ে আমার ড্রাইভার কে ট্রাফিক্স বক্সে নিয়ে, ৩০০০ টাকা আদায় করলো
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য 50000 টাকা ক্যাচ হচ্চে আমার কোনো আইডি কার্ড নেই আমার কোনো জন্ম নিবন্ধন নেই আমার বাংলদেশের সথে কোনো সম্পর্ক ই নেই আমার ইন্ডিয়ার নাগরিকত্ব আছে । এখন আমার বাংলাদেশি পাসপোর্ট আছে
চট্টগ্রাম ওয়াসা (CWASA)-তে Contractor হিসেবে Enlistment/নিবন্ধন গ্রহণ ও নবায়নের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফি ও বিধিবদ্ধ খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ/ঘুষ দাবির বিষয়ে একটি গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, Contractor Enlistment প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত সরকারি ফি-এর অতিরিক্ত উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে যে, এই অতিরিক্ত অর্থ প্রদান না করলে Enlistment প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা, বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করা অথবা আবেদনকারীর কাজ সম্পন্ন করতে অনাগ্রহ দেখানোর মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ধরনের অভিযোগ সত্য হলে তা CWASA-এর Contractor Enlistment ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পরিপন্থী। এর ফলে প
জোমির মামলায় পজেটিভ রায় শুনিষ্টচিত করে দেওয়ার জন্য আমার কাছ থেকে সেরেস্টা ৫০০০০ টাকা দাবি করেছিল। অন্যথায় রিভিউ তে ঝামেলা করে রেখে দেওয়ার মতো একটা হুমকি বললেই চলে।